সংগঠনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন শুভেন্দু! কর্মসমিতির বৈঠকে ফের স্পষ্ট বিজেপির অন্তর্ঘাত?

Suvendu Adhikari, BJP: শীর্ষনেতৃত্বের উপস্থিতিতেই যেভাবে দলের সংগঠনের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার কথা ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা।

Sohini Das
৪ মিনিট
সংগঠনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন শুভেন্দু! কর্মসমিতির বৈঠকে ফের স্পষ্ট বিজেপির অন্তর্ঘাত?

লোকসভা ভোটের ফলাফল তেমন আশাজনক হয়নি এবার বিজেপির। কেন্দ্রেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেকটাই পিছনে গেরুয়া শিবির। কোনও মতে শরিক দলের সমর্থন নিয়ে তৃতীয় বার সরকার গড়েছেন মোদি। আর এই ফলাফলের পিছনে রাজ্যভিত্তিক ফল একটা বড় ভূমিকা পালন করেছে। ভোটের ফলাফল সামনে আসার পর থেকেই রাজ্যগুলিতে আত্মবিশ্লেষণ শুরু করেছে বিজেপি। বাংলায় উল্লেখযোগ্য ভাবে মুথ থুবড়ে পড়েছে বিজেপি। এমনকী উপনির্বাচনেও তৃণমূলের সামনে দাঁড়াতে পারেনি গেরুয়া শিবির। ফলে সব মিলিয়ে বঙ্গবিজেপির অবস্থা যে বেশ দুর্বল, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। কিছুদিন আগেই রাজনীতি ছাড়ার কথা শোনা গিয়েছে বঙ্গবিজেপির বরিষ্ঠ নেতা দিলীপ ঘোষের মুখে। যা থেকে দলের অন্তর্সংঘাতের ব্যাপারটি আরও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে লোকসভা ভোটের পর বাংলায় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক হল বুধবার

আগামী দিনে রাজ্য় বিজেপির নীতি কী হতে চলেছে, সে নিয়েই আলোচনা হয় এই বৈঠকে। বুধবার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিক হয় এই বৈঠক। এদিনের বৈঠকে শুধু রাজ্যবিজেপির শীর্ষনেতৃত্বই নন, হাজির ছিলেন বিজেরিক কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি ও শীর্ষনেতারাও। রাজ্যবিজেপির সেই কর্মসমিতির বৈঠকে রাজ্যনেতা শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়ে দিলেন, বিজেপির সংগঠনের কোনও প্রকার দায়িত্বে নেই তিনি। তিনি শুধু রাজ্যের বিরোধীনেতাই। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে তোলপাড় রাজ্যরাজনীতিতে। অনেকেই মনে করছেন, যেভাবে লোকসভা ভোটে দলের হারের দায় নাম না করেই শুভেন্দুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, সেই জায়গা থেকেই এ হেন বক্তব্য শুভেন্দুর। এ ভাবেই বিপুল পরাজয়ের দায় তিনি এড়াতে চাইছেন বলেও মনে করছে কেউ কেউ।

শীর্ষনেতৃত্বের উপস্থিতিতেই যেভাবে দলের সংগঠনের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার কথা ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা। অনেকে এ-ও মনে করছেন, আসলে পরোক্ষ ভাবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দিকেই আঙুল তুলতে চেয়েছেন শুভেন্দু। কারণ রাজ্যসভাপতি হিসেবে বঙ্গবিজেপির গোটা দায়িত্বটাই বর্তায় তাঁরই কাঁধে। একই সঙ্গে শুভেন্দু বৈঠকে জানিয়েছেন, বাংলায় গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, আগে গণতন্ত্র ফেরাতে হবে। আমরা রাষ্ট্রপতি শাসন চাই না। পিছনের দরজা দিয়ে নবান্নে ঢুকতে চাই না। আমরা বাংলায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে ভোটে ওদের (তৃণমূলকে) পরাজিত করে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করব। লড়াই করব।’’

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
‘বিজেপিতে খারাপ হলেই দায় আমার?’ হঠাৎ কেন অভিমানী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু?

Suvendu Adhikari: কার্যত অভিমানের সুরই শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর গলায়। স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন, সাংগাঠনিক কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গা নেই তাঁর।

এখানেই থামেননি শুভেন্দু। লোকসভা ভোটে জয় আনতে তিনি যে চেষ্টার ত্রুটি করেননি, স্পষ্ট করে দিয়েছেন সে কথাও। শুভেন্দু জানান, "অনেক প্রতিকুলতার মধ্যে দু'কোটির উপরে ভোট পেয়েছে। অত্যাচার করে শুইয়ে দিয়েছিল। সেখান থেকে আস্তে আস্তে লড়াই করে ঘুরে দাড়িয়েছি। বেশ কিছু আসন যে হারব তা আমরা-আপনারা কেউ বিশ্বাস করিনি। আমি সংগঠনের দায়িত্বে নেই, তাই এমন কোনও বক্তব্য সংবাদমাধ্যমের কাছে বলি না, যাতে কর্মীরা কষ্ট পান। আমি সব ছেড়ে দিয়ে এসেছি। অমিত শাহজি বাড়িতে সময় দিয়েছে। ২৬ সালেও আমাকেও ভোট দিতে দেবে না। ভাঙড়ে দু'টো হিন্দু এলাকার মানুষকে ভোট দিতে দেননি শওকত মোল্লা। আমি চাই, বাংলায় গণতন্ত্র ফিরুক। প্রয়োজনে উপদ্রুত এলাকা ঘোষণা করে এখানে ভোট করাতে হবে। গতকাল তো রাজ্যপালের কাছে ১০০ জন ভোটার নিয়ে গেছি। কাল রাষ্ট্রপতিকে মেল করেছি,সময় দিন।" শুভেন্দুর সাফ কথা, "যে আমাদের সঙ্গে, আমরা তাঁদের সঙ্গে।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
‘কাঠিবাজী’ই কি কাঁটা জয়ের মুখে! কীসের আভাস দিতে চাইলেন বেসুরো দিলীপ

Dilip Ghosh: বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ জানালেন, 'চক্রান্ত, কাঠিবাজি রাজনীতির অঙ্গ। আমি সেভাবেই নিয়েছি। আমি পুরো পরিশ্রম করেছি, কিন্তু সফলতা আসেনি।'

বাংলাতে লোকসভা ভোটে উল্লেখযোগ্য ভাবে আসন কমেছে বিজেপির। ১৮ থেকে কমে ১২-এ এসে ঠেকেছে বাংলায় বিজেপির প্রাপ্ত আসন। ভোটের সেই ফলপ্রকাশের পরে বেশ কিছু দিন প্রকাশ্যেই আসেননি শুভেন্দু। পরে নানা বিষয়ে শাসকদলকে আক্রমণ করলেও তাঁকে আর আগের ভূমিকায় দেখা যায়নি বলে মনে করছেন বিজেপির একটি অংশ। যখনই মুখ খুলেছেন, তখনই প্রকাশ্যে এসে পড়েছে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ক্ষোভ। বুধবার বিজেপির কর্মসমিতির বৈঠকেও সে কথা শোনা গেল শুভেন্দুর মুখে। একই সঙ্গে চার বিধানসভার উপনির্বাচন নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। ভোটের সময় কোথায় কোথায় গিয়ে তিনি প্রচার করেছেন, তা-ও উল্লেখ করেন শুভেন্দু। সবিস্তারে না-বললেও তাঁর কথা থেকে স্পষ্ট যে, দল বা সংগঠনের তরফে তাঁকে যেমন প্রচারসূচি দেওয়া হয়েছিল, তিনি তা মেনেই প্রচার করেছিলেন। বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি তাঁর ‘কর্তব্য’ পালন করেছেন। কারণ, শুভেন্দু অতীতেও বলেছেন, ‘‘সংগঠনের নির্দেশই সব। সংগঠন আমাকে যা বলবে আমি তা-ই করব।’’ কার্যত পরিষ্কার করে না বললেও আকারে ইঙ্গিতে সুকান্তের দিকেই বিপুল হারের দায় ঠেলতে চেয়েছেন বিরোধী দলনেতা, অন্তত তেমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

তবে শুভেন্দু যা-ই বলুক না কেন, দল ও সংগঠনের প্রতি আস্থার কথাই উঠে এসেছে সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়। তিনি এ দিন কর্মসমিতির বৈঠকে জানান সে বক্তব্যই। তাঁর কথায়,"বিজেপি হেরে গেলেও হারিয়ে যায়নি। আমি সকল প্রাক্তন সভাপতিকে স্মরন করছি। আমাদের সবাইকে একত্রিত করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বিজেপি এক আছে। বিজেপিতে একটাই স্রোত। বিজেপি গঙ্গার মতো। লক্ষ্য নবান্নের ওপরে গৈরিক পতাকা তুলে ধরা। ২৬-এর বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে এগাতে হবে। ২০২১ এর থেকে ভোট বেড়েছে। ৪০ শতাংশ দেওয়া মানুষের ভোটকে সম্মান জানাতে রাস্তায় নামতে হবে।" একই সঙ্গে তৃণমূলের জনদরদী প্রকল্পগুলিকেও এ দিন বৈঠক থেকে কটাক্ষ করেন সুকান্ত। তাঁর কথায়, "মা হয়তো ১০০০ টাকা পাচ্ছে, কিন্তু ছেলেকে পরিযায়ী শ্রমিক হতে হচ্ছে। ১০০০ টাকা দিচ্ছে বিদ্যুতের বিলের মারফত তা চলে যাচ্ছে।"

একই সঙ্গে সাম্প্রতিক কালে লোকসভা ভোটের ফলাফলকে কেন্দ্র করে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে রাজ্যনেতৃত্বের, সেই ব্যবধান কমানোরও চেষ্টা করলেন সুকান্ত এদিন। সে কারণেই সম্ভবত প্রাক্তন সভাপতিকে স্মরণের কথা শোনা গেল তাঁর বক্তব্য। প্রসঙ্গত, ভোটে হারের পর নাম না করেই শুভেন্দুকেই নিশানা করতে চেয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ, এমনটা অনেকেই মনে করেন দলের অন্দরে ও বাইরেও। এই সময়েই কৌশলে সংগঠন থেকে নিজেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে নিতে চাইলেন শুভেন্দু। তা-ও এমন একটি মঞ্চ থেকে, যেখানে রাজ্যের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব এবং কেন্দ্রীয় নেতা ও প্রতিনিধিরা রয়েছেন। রয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্তও। বিজেপি সূত্রের খবর, বুধবারের কর্মসমিতির বৈঠকের আগে তার পরিকল্পনা নিয়ে মঙ্গলবার বিজেপির সল্টলেকের দফতরে যে বৈঠক ডাকা হয়েছিল, সেখানেও হাজিরা এড়ান শুভেন্দু। তবে এ কথাও অস্বীকার করার জায়গা নেই, কোনওদিনই দলের সাংগঠনিক বৈঠকে সে ভাবে উপস্থিত থাকেননি শুভেন্দু। তিনি বিরোধী দলনেতা,‘সাংগঠনিক’ নেতা নন। সেই কারণ দর্শিয়েই সেই জায়গাটা এড়িয়ে গিয়েছেন বারবার। সেদিক থেকে দেখতে গেলে এ ক্ষেত্রে বিজেপির যা নিয়ম, তা-ই বলেছেন শুভেন্দু। কারণ, বিজেপিতে সংগঠন এবং পরিষদীয় দল আলাদা। তবে এ কথাও অস্বীকার করার জায়গা নেই যে বিরোধী দলনেতাও আদতে সংগঠনের বাইরেও নন।

প্রশ্ন উঠছে, এদিনের বৈঠকে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ানো কি আদতে বিজেপি নেতৃত্বকে সাহায্য করবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে। তাঁর বক্তব্যে কি এবার বিপদে পড়তে চলেছেন দলের সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দিলীপ ঘোষের জন্যই বা কী পরিকল্পনা করছে দলের শীর্ষনেতৃত্ব? নজর থাকবে বিজেপির পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।