আমাদের বড় হওয়ার সময়টাকে বুদ্ধদেব ভট্টচার্য তাঁর মূল্যবোধ দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন

Buddhadeb Bhattacharjee: যতবার সাক্ষাৎ হয়েছে, সে আমি একা হই বা দলবল মিলে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাতের কাছে পেলেই নানা প্রশ্ন করতাম।

Srijan Bhattacharyya
৪ মিনিট
আমাদের বড় হওয়ার সময়টাকে বুদ্ধদেব ভট্টচার্য তাঁর মূল্যবোধ দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন

আমরা যখন ছাত্র রাজনীতি করতে আসছি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তখন সক্রিয় রাজনীতির অঙ্গন থেকে আস্তে আস্তে প্রস্থান করছেন। মনে আছে, ২০১০-১১ সাল নাগাদ প্রথম আমার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা হয়। তারপর থেকে যে বিস্তর কথা বা সাক্ষাৎ হয়েছে এমন নয়। কিন্তু যে কয়েকবার তাঁকে পেয়েছি একান্ত পরিসরে, প্রতিটি মুহূর্ত ভাস্বর! যেমন মনে আছে, ২০১২ সালে বিশ্ব রাজনীতিতে একটা বড় ঘটনা ঘটে, গ্রিস দেউলিয়া হয়ে যায়। সেই নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে দীর্ঘ কথা হয়, আনুষঙ্গিক নানা বিষয় উঠে আসে। সেই আলোচনা ভোলার নয়! অত্যন্ত সহজ করে অত্যন্ত জটিল বিষয়কে বোঝাতে পারতেন। এরপরেও বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছে ঠিকই, তবে ২০১৭-র পর তিনি প্রায় গৃহবন্দিই হয়ে যান, আমরাও কারণে-অকারণে খুব একটা বিরক্ত করতাম না তাঁকে।

আসলে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য শুধু সিপিআইএমের নন, সারা রাজ্যেরই অভিভাবক ছিলেন। এই কলুষময় রাজনীতির দুনিয়ায়, গোটা দেশ জুড়েই বিরলতম ব্যাতিক্রমী উদাহরণ ছিলেন তিনি। মূল্যবোধের প্রশ্নে সদা জাগরুক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য জীবনে ন্যূনতম আপোস কখনও, কোনওদিনও করেননি। তিনিই ছিলেন আমাদের প্রজন্মের স্বপ্নদিশারী। একথা বলতে সংশয় নেই, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেখানো স্বপ্নে আমাদের প্রজন্ম বাঁচতে চেয়েছিল। বাংলার রাজনীতির ক্ষেত্রে তাঁর নির্দিষ্ট কিছু সুপষ্ট পরিকল্পনা ছিল। সেই পরিকল্পনার সারবত্তা যে কতখানি গভীর ছিল তা ২০১১ সালের পর থেকে প্রতিনিয়ত আমরা বুঝতে পারছি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিঃশব্দে যে যায় লাল পতাকা মুড়ে... বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য যা শিখিয়ে গেলেন বাংলাকে

Buddhadeb Bhattacharjee Death: বুদ্ধদেব প্রকাশ্য সভায় নিজের দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন, গুলি চালানোর ওই ঘটনার জন্য তিনিই দায়ী।

শিক্ষা, পরিকাঠামো, স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, রাজ্যের সার্বিক বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের মাথা উঁচু করে বাঁচার স্বপ্ন ছিল তাঁরই চিন্তার একটা অংশ। আমাদের রাজ্য থেকে ততদিনে কিন্তু একটা বড় অংশের যুবক-যুবতী ভিনরাজ্যে, ভিনদেশে চলে যেতে শুরু করেছে। তাঁদের ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন বুদ্ধদেব। চেয়েছিলেন রাজ্যের মেধা এই রাজ্যেরই মানবসম্পদকে আরও সমৃদ্ধ করুক। বুদ্ধদেব সুস্পষ্ট বুঝেছিলেন, রাজ্যে ভূমি সংস্কার হয়েছে, ধীরে ধীরে গ্রামীণ বাজার তৈরি হয়েছে, মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নও হয়েছে। এরপরে এই নতুন ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থান দরকার। পাশাপাশি, এই সব ছেলে-মেয়ে যেন নিজের রাজ্যেই কাজ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। এই ভাবনা সেই সময় যে কতটা প্রাসঙ্গিক ছিল তা তো প্রতিদিনই আমরা বুঝছি।

আসলে আমরা মানুষ হিসেবে বড় হয়ে ওঠার এই সফরে প্রতিনিয়ত শিখতে থাকি। প্রাথমিক শেখার শুরুটা হয় বাবা-মা, পরিবার, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, বন্ধুদের থেকেই। আমাদের সঙ্গে রোজ লেপ্টে থাকা এই পরিচিত বৃত্তের বাইরে একটা বড় সমাজও তো আছে। সেই সমাজই মূলত আমাদের মানুষ হিসেবে তৈরি করে। নির্দ্বিধায় বলতে পারি, আমাদের প্রজন্মে, দলমত নির্বিশেষে, আমরা যে ক'জন মানুষ হিসেবে তৈরি হওয়ার চেষ্টা করছি, আমরা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কাছে অশেষ ঋণী। তিনি আমাদের সমাজের অভিভাবক ছিলেন। আমরা যে সময়ে বড় হচ্ছি, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মূল্যবোধ, তাঁর আদর্শই ছিল আমাদের পাথেয়। এমনকী, যে মানুষ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে কোনওদিন দেখেননি, নিকটেও আসেননি, যিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আত্মীয়ও নন, দলেরও কেউ নন সেই মানুষটিকেও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মূল্যবোধ প্রভাবিত করেছিল। আমাদের বড় হয়ে ওঠার সময়টাকেই মূল্যবোধ দিয়ে গড়ে দিতে পেরেছিলেন বুদ্ধদেব। আজ আমরা প্রত্যেকে যে যা হয়েছি, তার মধ্যে যা যা শুভ দিক আছে তাতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিরাট, বিপুল অবদান থেকে গেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'অন্ধকার বলে কিছু নেই, আছে আলোর অভাব', বলতেন আজীবন মার্কসবাদী রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য

Ramkrishna Bhattacharya: সাম্রাজ্যবাদের প্রতি, বৈষম্যর প্রতি, মানুষে মানুষে বিভাজনের প্রতি অধ্যাপক রামকৃষ্ণর ছিল অনির্বাণ ঘৃণা।

মনে পড়ে, যতবার সাক্ষাৎ হয়েছে, সে আমি একা হই বা দলবল মিলে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাতের কাছে পেলেই নানা প্রশ্ন করতাম। এইটা কেন হলো? ওইটা কেন এভাবে ঘটছে — এসব প্রশ্নে ব্যাতিব্যস্ত করে ফেলতাম। অনেকসময় অনেক অপ্রিয় প্রশ্নও করেছি, যে কেউ খুব অস্বস্তিতে পড়তে পারতেন সেই সব প্রশ্নে। অথচ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অত্যন্ত স্নেহবৎসল হয়ে, হাসিমুখে, ঠান্ডা মাথায় পুরোটা বুঝিয়ে বলতেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিভিন্ন বাঁক, জাতীয় রাজনীতির নানা ওঠা-নামা সহজ করে বলতেন। আমাদের তো সেই সময় খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ছিল, আমরা হারলাম কেন? কী করলে আবার সমর্থন ফিরবে? বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এসব অস্বস্তিকর প্রশ্ন কখনই এড়িয়ে যাননি। বিশ্লেষণ করেছেন, ব্যাখ্যা করেছেন। মানুষের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর কথা বারেবারে মনে করিয়ে দিয়েছেন আমাদের।

যে কথাটা আগেও বলছিলাম, বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে অত্যন্ত গভীর বীক্ষা, গভীর দূরদর্শিতা ছিল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর অনেকরকম প্রশ্ন ওঠে। মূল একটা জায়গাতেই দ্বন্দ্ব ছিল যে, ২১ শতকে সমাজতন্ত্রের চেহারাটা কী হবে। সেই সমস্ত বিতর্কের দিশা পেতে যারা আমাদের প্রজন্মকে পথ দেখিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যই থাকবেন সর্বাগ্রে। একটি ঘটনার কথা তাই না বললেই নয় বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার নিরিখে। ২০০৮ সালের মন্দার পর বিশ্ব রাজনীতিতে খুব দ্রুত কিছু পরিবর্তন ঘটে যায়। ঘটনাগুলো এতই একে অন্যের সঙ্গে জড়িয়ে এবং এত দ্রুত ঘটতে থাকে যে একদিন বিশ্ব রাজনীতি সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন নিয়ে আমি এবং আরও কয়েকজন হাজির হই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কাছে। এত সহজে, এত গুছিয়ে গ্রিসের সঙ্কট, ব্যাঙ্কিংয়ের সঙ্কট, তৃতীয় বিশ্বের দেশে কী প্রভাব, ভারতের কী শিক্ষণীয় সবটা বুঝিয়েছিলেন তিনি। ওই ২০১১-১২ নাগাদ তখনও বিজেপি ক্ষমতায় আসেনি ভারতে। আমার এই ঘটনাটা মনে আছে বিশেষ করে কারণ, সেই সময় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, বিশ্বজোড়া এই যে সঙ্কট, একে সামাল দিতে যদি পাল্টা জনমুখী কথা না বলা যায় তাহলে এর চরম পরিণতি হিসেবে দেশে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে, গরিব মানুষদের মধ্যে ভেদাভেদ বৃদ্ধি পাবে এবং আবারও মন্দির-মসজিদই হয়ে উঠবে দেশের অন্যতম ইস্যু।

নতুন প্রজন্মকে নিয়ে খুবই উৎসাহী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সিনেমা, গল্প, নাটক, গান কী কী নতুন হচ্ছে সব খবর রাখতেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে ঘিরে যা যা বিতর্ক, তা ঘিরে তাঁকে প্রশ্ন করলেও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্নেহ বাৎসল্য কম হয়নি। তাঁর আদর্শ আমাদের বেঁচে থাকাকে অলক্ষ্যে গড়ে দিয়ে গেছে। আমাদের অসংখ্য কমরেড আছেন যারা তীব্র জীবন যন্ত্রণা সয়েও, প্রলোভনের হাতছানি সরিয়ে রেখে অত্যন্ত সৎভাবে শুধু কমিউনিস্ট পার্টিতে কাজ করে যাচ্ছেন তাই নয়, জীবনটাও সেই সততা দিয়েই অতিবাহিত করছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মূল্যবোধ ও সততার প্রশ্নে বিরলতম ব্যক্তি ছিলেন ঠিকই। তবে যে বোধের সঞ্চার তিনি ঘটিয়ে গেছেন তা নিয়ে চলার মতো মানুষ এই পৃথিবীতে আজও আরও অনেকেই আছেন। সবাই যে আমাদের দলের মানুষ তাও নয় কিন্তু সমাজে তারা আছেন। আছেন বলেই আমরা এখনও জীবন চালিয়ে যাচ্ছি, স্বপ্ন দেখছি। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য যে যে বিষয়ে আমাদের সতর্ক করে গেছিলেন, তা সে সাম্প্রদায়িকতা হোক বা আত্মকেন্দ্রিকতার চক্রব্যূহ, সেগুলো নিয়ে সচেতন হওয়াই এই মুহূর্তে, তাঁর অবর্তমানে আমাদের প্রজন্মের মূল কাজ।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।