রাজনীতিতে শূন্য! দিদি নম্বর ১ দিয়ে ভোটে জিততে পারবেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়?

Rachana Banerjee TMC Candidate: রাজনীতি আর টেলিভিশনের পর্দাকে গুলিয়ে ফেলেছেন রচনা। পরপর বেফাঁস মন্তব্য করেছেন।

inscript
৪ মিনিট
রাজনীতিতে শূন্য! দিদি নম্বর ১ দিয়ে ভোটে জিততে পারবেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়?

নাম ঝুমঝুম বন্দ্যোপাধ্যায়। টিভির পর্দায় তাঁকে মানুষ চেনেন 'দিদি নম্বর ওয়ান বলেই, চেনেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই। রাজ্যজুড়ে জনপ্রিয় টেলিভিশন গেম শো দিদি নম্বর ওয়ানের মাধ্যমে ঘরে ঘরে মহিলাদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় তিনি। এই জনপ্রিয়তাকে ভোটে রূপান্তরিত করতে চেয়েছে তৃণমূল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়ে কেবল মহিলা ভোট টানা নয়, মহিলাদের 'দিদি নম্বর ওয়ান'-কে সরাসরি ময়দানে নামিয়ে ভোট জিততে চাইছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টিভির দিদিকে রাজনীতির দিদি হিসেবে মানতে কতটা প্রস্তুত সাধারণ মানুষ? রাজনীতির কোনও পাঠ না থাকা, অভিজ্ঞতা না থাকা রচনাকে কতখানি পাবেন সাধারণ মানুষ?

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৭৪ সালের ২ অক্টোবর। শুধু বাংলা সিনেমায় নয় তেলগু, তামিল এবং কন্নড়, ওড়িয়া চলচ্চিত্রেও প্রচুর কাজ করেছেন রচনা। ১৯৯৪ সালের মিস কলকাতা হয়েছিলেন। তারপর মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় মিস বিউটিফুল স্মাইল সহ ভারতের এমন পাঁচটি প্রতিযোগিতা জিতেছেন রচনা। যদিও রচনা নামটি তাঁর পর্দার নাম। ১৯৯৩ সালের তাঁর অভিষেক ঘটে চলচ্চিত্রের পর্দায়। দান প্রতিদান সিনেমার পরিচালক সুখেন দাস ঝুমঝুম পাল্টে তাঁর নাম করে দেন রচনা।

প্রথম সিনেমার ঠিক এক বছর পরে ১৯৯৪ সালে মিস কলকাতা প্রতিযোগিতা জিতেছিলেন রচনা। সাউথ সিটি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তিনি তখন। ১৯৯৪ সালে মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে থেকে বাদ পড়ে যান তিনি, জেতেন মধু সাপ্রে। চলচ্চিত্র জীবনে ৪০ টিরও বেশি সিনেমায় অভিনেতা সিদ্ধান্ত মহাপাত্রের বিপরীতে প্রধান মহিলা চরিত্রে অভিনয় করেন রচনা। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে সূর্যবংশম চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ৩৫টি বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন রচনা। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত মহাপাত্রকে বিয়েও করেন রচনা। ২০০৪ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। ২০০৭ সালে ফের প্রবাল বসুকে বিয়ে করেন তিনি। ২০১৬ সালে তাঁর থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে যান রচনা। তাঁদের এক পুত্র সন্তানও রয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যাদবপুরে সততা বনাম দুর্নীতি! সায়নী ঘোষের বিরুদ্ধে কতটা শক্তিশালী সৃজন ভট্টাচার্য?

Srijan Bhattacharyya: যাদবপুরে এবার সৃজন বনাম সায়নী, সততা বনাম দুর্নীতির লড়াই।

অভিনয়ে পড়ন্ত বেলায় তিনি চলে আসেন টেলিভিশন মাধ্যমে। জনপ্রিয় বাংলা নন-ফিকশন টিভি শো, দিদি নং ১-এর সঞ্চালনার কাজ শুরু করেন। সম্ভবত চলচ্চিত্রের থেকেও তাঁকে মানুষ সবিচেয়ে বেশি চেনে জি বাংলার এই রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে।

দিদি নম্বর ১-এর শোয়ে কিছুকাল আগে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হন। তখনও প্রার্থীতালিকা ঘোষণা হয়নি। যেভাবে একটি রিয়েলিটি শো মুখ্যমন্ত্রীর বন্দনা আর সরকারি প্রকল্প প্রচারের জায়গা হয়ে গেছিল জি বাংলাকে রাজনৈতিক চ্যানেল বলে ভুল হওয়া অস্বাভাবিক ছিল না। তখন, সেই শোয়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিগলিত মমতাস্তুতি, মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা ছবিকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। দিদি মমতা আর দিদি নম্বর ১ রচনা মিলে সেই সন্ধ্যাতে প্রায় প্রমাণ করে ফেলেছিলেন এই শোয়ের বিনিময়ে যৌথ দেনা-পাওনার গল্প আছে। তার কিছুকাল পরেই ব্রিগেডের মঞ্চে জনগর্জন সভা থেকে জানা যায় রচনা এবার হুগলি আসনে ভোটে দাঁড়াবেন।

সিঙ্গুরে ডাকাত কালীর মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেছেন তিনি। কালীকে বেনারসি শাড়ি দিয়ছেন। এবার জনতাকে প্রতিশ্রুতি দেবেন। রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্কই নেই। ২০১৯ সালে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রটি হাতছাড়া হয় তৃণমূলের। এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবারও এই আসনে তিনিই বিজেপি প্রার্থী। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন তৃণমূলের রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় আর সিপিআইএমের মনোদীপ ঘোষ। রচনা এবং লকেট পুরনো বন্ধু, সহকর্মীও। তবে রাজনীতিতে লকেটের আনাগোনা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেয়ে বেশ বেশি। রচনা যে এই ময়দানে একেবারেই আনকোরা তা নির্বাচনী প্রচারেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি আর টেলিভিশনের পর্দাকে গুলিয়ে ফেলেছেন রচনা। পরপর বেফাঁস মন্তব্য করেছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বারুইপুর, যাদবপুর হয়ে দমদম! 'সুদিন' ফেরাতে পারবেন সুজন চক্রবর্তী?

Sujan Chakraborty CPIM: সুজন চক্রবর্তী বারবারই বলেছেন, তৃণমূলের ঘরেই বিজেপির লালন পালন। এ রাজ্যেও তৃণমূলের হাত ধরেই বিজেপির বাড়বাড়ন্ত।

প্রচারে নেমেই বলে ফেলেছেন ‘হুগলির মানুষ খুব লাকি যে আমাকে দেখতে পাবে’! মানুষ লাকি বলে তাঁকে দেখতে পাবে? তাঁকে দেখে মানুষ কী করবে? নিজের দিদি নম্বর ১ ইমেজ থেকে যদি একজন প্রার্থী বেরোতেই না পারেন তিনি মানুষের কাছে কী আশ্বাস দেবেন? সংসদ তাঁকে দেখতে পাবে, এই তাঁর ভূমিকা? এখানেই শেষ না। হুগলির শিল্প নিয়েও আলটপকা মন্তব্য করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, হুগলির কিছুই তিনি জানেন না, রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়েও তাঁর চর্চা নেই। রাজ্যের শিশুও আজকাল জানে এখানে শিল্প নেই। বিধানসভা, লোকসভা সব নির্বাচনেই বিরোধিদের মূল অস্ত্রই হচ্ছে শিল্পহীনতার অভিযোগ। অথচ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় চোখে ধোঁয়া দেখছেন। কলকারখানার চিমনি থেকে বেরনো গলগল ধোঁয়ায় তাঁর চোখ জ্বালা করছে। হুগলিতে শিল্পের অভাবই নেই! রাস্তাঘাট সব চিমনির ধোঁয়ায় ভরপুর।

রচনা বলেছেন, "আমি যখন এলাম দেখলাম অনেক কারখানা হয়েছে। চিমনি থেকে শুধু ধোঁয়াই ধোঁয়া, রাস্তাঘাট অন্ধকার। শুধু ধোঁয়া বেরোচ্ছে। এত কারখানা হয়েছে, তাহলে কী করে বলছেন কারখানা হয়নি, হয়েছে আরও হবে।"

শ্রীরামপুর কেন্দ্রের বামপ্রার্থী দীপ্সিতা ধর রচনার রাজনৈতিক চেতনা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। পর্দার অভিনেতা-গায়করা যখন রাজনীতিতে আসেন পর্দার গ্ল্যামারের বাইরে এসে তারা সকলেই প্রায় বলেন মানুষের হয়ে কাজ করবেন। দীপ্সিতা বলছেন, রচনা যে শিল্পের সঙ্গে জড়িত সেখানে বহু টেকনিশয়ান আছেন, শ্রমিক আছেন যাদের নিজস্ব অনেক দাবি দাওয়া আন্দোলন আছে। রচনা কেন এর আগে কোনওদিনই তাঁদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেননি?

সত্যিই তাহলে দলের টিকিটে জিতে সাংসদ হওয়ার পরে এখন বাড়তি মুনাফা থাকে? যে মুনাফার সঙ্গে আসলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, চাওয়া পাওয়ার কোনও যোগই নেই! রাজনীতি করতেই তাহলে একমাত্র কোনও যোগ্যতা লাগে না আজকাল?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।