হাত বাড়িয়েছিল রাশিয়া ইরান, তবু কেন সিরিয়ায় মুখ থুবড়ে পড়ল আসাদ সরকার?

Syria Bashar Al Assad Govt: ২০১১ সালে দাদরা শহরে গণতন্ত্র রক্ষার বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। প্রথম থেকেই বিদ্রোহীদের সমর্থন জানিয়েছিল আমেরিকা।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
হাত বাড়িয়েছিল রাশিয়া ইরান, তবু কেন সিরিয়ায় মুখ থুবড়ে পড়ল আসাদ সরকার?

রবিবার সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের পতন হয়েছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশে গৃহযুদ্ধ চলছিল। এখন রাজধানী দামাস্কাস সহ একাধিক শহর চলে গিয়েছে বিদ্রোহীদের দখলে। রবিবারই দেশ ছাড়েন বাশার। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পরিবার নিয়ে তিনি মস্কোয় থাকছেন। রাশিয়া বহুদিন ধরেই আসাদ সরকারকে সমর্থন জানিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, বিদ্রোহীদের সমর্থন জানিয়েছে তুরস্ক। যদিও তুরস্ক বিদ্রোহীদের সমর্থন জানালেও, এইচটিএস-কে (হায়াত তাহরির আল-শাম) সমর্থনের দাবি প্রত্যাখান করেছিল। আসাদের সরকার যুদ্ধক্ষেত্রে আস্থা রেখেছিল রাশিয়ার বিমানশক্তি, ইরানের সামরিক সহায়তা এবং হিজাবুল্লাহর উপর। কেন ইরান ও রাশিয়ার সহযোগিতা পেয়েও ক্ষমতা হারালেন আসাদ?

ইসলামপন্থী সশস্ত্র দুই গোষ্ঠী 'হায়াত তাহরির আল-শাম' (এইচটিএস) এবং তাদের সহযোগী 'জইশ আল-ইজ্জা'-র যৌথবাহিনী উৎখাত করেছে আসাদ সরকারকে। হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছিল এইচটিএস। আবু মহম্মদ আল-জুলানির নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল এই অভিযান। নভেম্বরের শেষ দিকে বিদ্রোহীরা প্রথমে আলেপ্পো দখল করে নেয়। এটি দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এর কয়েক দিনের মধ্যেই হামা, হোমসের মতো শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বিদ্রোহীরা দখলে নিয়ে নেয়। পূর্ব ও দক্ষিণ দিক থেকেও এগিয়ে আসছিল তারা। একটা সময়ে দামাস্কাসকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে তারা। তার পরই সিরিয়ায় সরকারের পতন হলো।

২০১১ সালে দাদরা শহরে গণতন্ত্র রক্ষার বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। প্রথম থেকেই বিদ্রোহীদের সমর্থন জানিয়েছিল আমেরিকা। সেই সময় থেকেই সিরিয়ায় বহু বিদ্রোহী দলও তৈরি হয় এবং দিন দিন হিংসা বাড়তে থাকে। দেশে কার্যত গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। আইএস ও আল-কায়দার মতো উগ্রপন্থী গোষ্ঠীরাও সিরিয়ায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। সিরিয়া সরকার তখন আন্দোলনকারীদের উপর ব্যাপক দমনপীড়ন চালিয়েছিল। এই আন্দোলন নৃশংসভাবে দমন করার জন্য আসাদের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় বয়ে গিয়েছিল। অথচ এবার একপ্রকার বিনা বাধাতেই রাজধানী দখল হয়ে গিয়েছে। তেমন কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি আসাদের সরকার। কেন?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চক্ষু চিকিৎসক থেকে স্বৈরশাসক! অবাক করবে সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের উত্থান

Bashar Al-Assad: ২০০০ সালে হাফেজ মারা গেলে সংসদ রাষ্ট্রপতি হওয়ার বয়স ৪০ থেকে কমিয়ে করে দেয় ৩৪ এবং দেশব্যাপী গণভোটের মাধ্যমে বাশার একমাত্র প্রার্থী হয়ে রাষ্ট্রপতি হয়ে যান

২০১১ সালে আসাদ এই আন্দোলনকে 'বিদেশ সমর্থিত সন্ত্রাসবাদ' বলেছিলেন। এতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছিল এবং তখন থেকেই এই আন্দোলন আসাদ সরকারের পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়। অন্যদিকে, ২০১১ সালে আসাদ রাশিয়া ও ইরানের সহযোগিতা নিয়ে আন্দোলন দমন করে নিজেকে রক্ষা করেছিলেন। সেই সময় আসাদ সরকার রাশিয়ার বিমান শক্তি ব্যবহার করেছিল, ইরান সিরিয়ায় তাদের সামরিক উপদেষ্টাকে পাঠিয়েছিল, হিজবুল্লাহ তাদের প্রশিক্ষিত যোদ্ধাদের মোতায়েন করেছিল। এরকম পূর্ণ সমর্থন এবার আসাদ পাননি। সহযোগীরা নিজেদের সমস্যা সমাধানে ব্যস্ত ছিল। পূর্ব ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ চলছে। আর তাতে আসাদের দুই সমর্থকই ব্যস্ত। ইরান ইজরায়েলের সঙ্গে এবং রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। তারা আসাদকে একপ্রকার পরিত্যাগ করেছিল বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাছি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, বিদ্রোহীরা যখন রাজধানী দখলের জন্য এগোচ্ছিল তখনও নাকি ইরান কোনও হস্তক্ষেপের আহ্বান পায়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আসাদ সরকারের পতনের কারণে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে ইরান। তাঁরা যুক্তি দিয়েছেন, আসাদের আমলে সিরিয়াই ইরানিদের সঙ্গে হিজবুল্লাহর যোগাযোগের মূল পথ ছিল। আসাদ সরকারের পতনের পর হিজবুল্লাহকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠাতে সমস্যা হতে পারে। উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে ইজরায়েলে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে জোরদার হামলা হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলিতে লেখা শুরু হয়েছিল, হিজবুল্লাহ নাকি ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে অনেকটাই শক্তি হারিয়েছে। এতে সিরিয়ায় হিজাবুল্লাহর নেটওয়ার্ক অনেকটাই দুর্বল হয়েছে। ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী- ইয়েমেনের হুথি, ইরাকের মিলিশিয়া এবং গাজার হামাস গোষ্ঠীগুলিও এখন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত। বিশেষজ্ঞরা এও বলছেন, সিরিয়ায় ইরানের সামরিক কমান্ডোদের উপর ইজরায়েলের আক্রমণ বিদ্রোহীদের হঠাৎ আলেপ্পো দিকে যেতে বাধ্য করেছে। আরও একটি কারণ হিসাবে বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননে ইজরায়েলের আক্রমণে হিজাবুল্লাহর যে পরিণতি হয়েছে তার কথাও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সিরিয়ায় চরমপন্থীদের উত্থান! কোন বিপদের মুখে ভারত?

Syria-India Relation: গৃহযুদ্ধের চরম পর্যায়ে যখন বেশ কয়েকটি দেশ দামাস্কাসের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে আরব লীগ থেকে সিরিয়াকে বহিষ্কৃত করে তখনও ভারত কিন্তু সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল।

বোঝাই যাচ্ছে, সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পতনে ইজরায়েল খুশি হবে। সিরিয়ার গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইজরায়েলের যুদ্ধবিমান রাজধানী দামাস্কাস সহ শত শত জায়গায় হামলা চালিয়েছে। তার মধ্যে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন সংক্রান্ত একটি গবেষণা কেন্দ্র, দামাস্কাসের একটি অঞ্চল যেখানে ইরানের বিজ্ঞানীরা রকেট উৎক্ষেপণের কাজ করতেন সেখানেও হামলা হয়েছে। বলে রাখা দরকার, এই হামলা এমন সময় হয়েছে যখন জাতিসংঘের রাসায়নিক অস্ত্র সম্পর্কিত পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র থাকলেও তা সুরক্ষিত রাখার বিষয় সতর্কবার্তা দিয়েছে। ইজরায়েল জানিয়েছে, আসাদের পতনের পর অস্ত্র, গোলাবারুদ যাতে 'উগ্রপন্থীদের হাতে চলে না যায়' সে জন্যই তারা এই পদক্ষেপ করেছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের অস্তিত্ব নিয়ে সংশয় দেখা দিতে পারে। আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আসাদ সরকারের পতনের পর এবার প্রেসিডেন্ট পুতিনের দ্রুত ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। যদিও একাধিক আন্তজার্তিক সংবাদমাধ্যম বলছে, রাশিয়া ইউক্রেন আগ্রাসনে শক্তি বাড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সাল থেকে আসাদ ক্ষমতায়। গত ২৭ নভেম্বর তাঁর পতনের সূচনা হয় এবং মাত্র ১২ দিনেই দেশের সরকারের পতন হয়। ইসলামপন্থী সশস্ত্র দুই গোষ্ঠী 'হায়াত তাহরির আল-শাম' (এইচটিএস) এবং তাদের সহযোগী 'জইশ আল-ইজ্জা'-র যৌথবাহিনী আসাদ সরকারের পতন ঘটিয়েছে। এইচটিএস-এর লক্ষ্যই ছিল আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা। ২০১১ সালে এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা হয়। সূচনালগ্নে সংগঠনের নাম ছিল জাবাত আল নুসরা। সেই সময় এটি আল-কায়দা জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। সংগঠনটি গঠনের সময় আইএস গোষ্ঠীর নেতা আবু বকর আল বাগদাদিও ছিলেন। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গোষ্ঠী বিপ্লবের চেয়ে জিহাদি আদর্শকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক সহ একাধিক দেশে এইচটিএস সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে তালিকাভুক্ত।

আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিদ্রোহীরা 'ফ্রি সিরিয়া' নামে একটি জোট করেছিল। পরে এই জোটে মতের ভিন্নতা দেখা যায়। ২০১৬ সালে এইচটিএসের নেতা আবু মহম্মদ আল-জুলানি নতুন সংগঠন তৈরি করেন এবং জাবাত আল নুসরাকে বিলুপ্ত করেন। নতুন সংগঠনেরই নাম হয় তাহরির আল-শাম। মাঝে বেশ কিছুদিন এইচটিএস সিরিয়ার উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশকে ক্ষমতার কেন্দ্র করেছিল। সংগঠনটি ওই এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনও চালু করে। সেখানে তাদের বিরুদ্ধে মানবধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল।বিশ্লেষকরা মনে করেন, আল কায়দার সঙ্গে জোট ভাঙার পর তারা খিলাফতের চেয়ে সিরিয়ায় ইসলামি শাসনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উল্লেখ্য, সিরিয়া এখন এমন সংগঠনের হাতে যাদের অতীত হিংসার, যাদের উৎপত্তিই হয়েছে আল-কায়দার মতো সহিংস গোষ্ঠী থেকে। দেশে বহু মানুষই আছেন যাঁরা এই সংগঠনগুলি নিয়ে আশ্বস্ত নন। এর পরিণতি কী হবে? ক্ষমতার পরিবর্তন কি আরও বিপজ্জনক শূন্যতার মুখে ঠেলে দেবে? দেশটিতে কি আরও হিংসা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে? এই প্রশ্ন থাকছেই।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।