ঘৃণাপ্রচারেই এদেশে আরও পিছিয়ে পড়ছেন সংখ্যালঘু মুসলিমরা?

Bangladesh-India Minority: অনেকেই বলেন, মুসলিমদের সাক্ষরতা বা পড়াশোনায় অবহেলার জন্য তাদের ধর্মের নিজস্ব গোঁড়ামি দায়ী।

suman sengupta
৪ মিনিট
ঘৃণাপ্রচারেই এদেশে আরও পিছিয়ে পড়ছেন সংখ্যালঘু মুসলিমরা?

বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে খুব ছক কষেই এগোচ্ছে বিজেপি। আমাদের নিজেদের দেশের সংখ্যালঘুদের উপর রোজ আক্রমণ নামিয়ে আনছে যারা, ভারতের সেই সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের মানুষ বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ইস্যুকে হাতিয়ার করে আসলে নিজেদেরই আকগের গোছাচ্ছে। আমাদের দেশের ঘৃণার আবহ গত দশ বছরে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, একজন মুসলিম নাগরিক নিজেকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁর নিজের ধর্ম পালনের অধিকার নেই, তাঁর নিজের বাসস্থানের অঞ্চল পছন্দ করার অধিকারও নেই। তাঁর কিংবা তাঁর পরিবারের সদস্যরা, কী খাবেন, কী পরবেন সেটাও ভারতের সংখ্যাগুরুরা ঠিক করে দেন। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের একটি বর্ধিষ্ণু অঞ্চলের এক মুসলিম চিকিৎসককে একটি আবাসনে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে চূড়ান্ত গণ্ডগোল শুরু হয়েছে। ওই আবাসনের হিন্দু বাসিন্দাদের মনে হয়েছে, তাঁদের আবাসনে মুসলিম চিকিৎসক দম্পতি পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করলে তাঁদের মহিলাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এই যুক্তি দেখিয়ে তাঁরা আবাসনে ধর্না অবধি দিয়েছেন। খবরে প্রকাশ, আবাসনটিতে প্রায় ৪০০ পরিবারের বাস। তাঁদের মধ্যে একটি পরিবারের থেকেও এই বিদ্বেষের বিরুদ্ধে কোনও আওয়াজ শোনা যায়নি।

বাসিন্দাদের ক্ষোভ, জনৈক অশোক বাজাজের বিরুদ্ধে। তিনি নিজেও একজন চিকিৎসক। তিনিই ওই দম্পতিকে ফ্ল্যাটটি বিক্রি করেছেন। অরবিন্দ আগরওয়াল বলে এক বিক্ষোভকারীর বক্তব্য, যখন আবাসনটি তৈরি হয়েছিল, তখনই নাকি অলিখিতভাবে

ঠিক হয়েছিল, যদি ভবিষ্যতে কোনও বাসিন্দা, নিজেরা আবাসন ছেড়ে চলে যান তাহলে কোনও ‘অহিন্দু’ মানুষকে তা বিক্রি করতে পারবেন না। কোন আইনে তাঁরা এমন অলিখিত নিয়ম করেছেন? অশোক বাজাজ যাতে ওই ফ্ল্যাটটি ইক্রা এবং ইউনূস জাহানের থেকে আবার কিনে নেন, সেই সংক্রান্ত ব্যানার পড়েছে আবাসনের দরজায়। মোরাদাবাদের পুলিশ-প্রশাসন বিষয়টির দিকে নজর রাখছে এবং দু-পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে বলে খবর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারত বাংলাদেশের সুসম্পর্ক ফেরাতেই হবে! পদক্ষেপ শুরু হলো দুই তরফেই

Yunus on Bangladesh India Relation: সংখ্যালঘু ইস্যু সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যেক নাগরিককে রক্ষা করতে এবং ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও লিঙ্গ নির্বিশেষে তাঁদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মধ্যপ্রদেশের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক যুবক তিনটি বাচ্চাকে জুতো দিয়ে মারছে আর ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বলছে। কলকাতার বেশ কিছু চিকিৎসক বলছেন তাঁরা আর বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা করবেন না। কোনও চিকিৎসক এমন বলতে পারেন কি?

কোনও মানুষ বলতে পারেন কি যে তিনি কোনও মুসলিমকে প্রতিবেশী হিসেবে চান না? এই হিংসা-দ্বেষ কি আমাদের মধ্যে নিহিতই ছিল, যা গত দশ বছরে আরও ফুলেফেঁপে উঠেছে? নাহলে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৩২ বছর পরে কোনও মানুষ যদি মনে করেন, এই ঘটনা জাতীয় লজ্জা, তখন ঘৃণার কারবারিরা একযোগে সেই মানুষটিকে হেনস্থা করতে চলে আসেন কেন সামাজিক মাধ্যমে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশিদের চিকিৎসা না করার হুমকি ভারতের ডাক্তাররা দিতে পারেন?

Bangladesh Crisis: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের এই সিদ্ধান্ত শুধু চিকিৎসা শাস্ত্রের বিচারে অনৈতিক নয়,একই সঙ্গে তা মানবতা বিরোধী।

সামাজিক মাধ্যম না থাকলে কি ঘৃণার প্রচারকারীরা এইরকম আস্ফালন করতে সাহস পেত না? এই ঘৃণা-বিদ্বেষ শুধু গোবলয়ের? এর কোনও প্রভাব কি বাংলায় নেই? এখানেও কি মুসলমান মানুষেরা তাঁদের সম্প্রদায়ের বাইরে পছন্দমতো জায়গায়, ফ্ল্যাট কিনে বসবাস করতে পারেন? এই বাংলার মুসলমানদের নিয়ে বিশদে কাজ করেছে স্ন্যাপ সংস্থা এবং অধ্যাপক অমর্ত্য সেনের প্রতীচী ট্রাস্ট। যে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে তার নাম- ‘লিভিং রিয়ালিটি অফ মুসলিমস ইন বেঙ্গল’। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৫ সালে প্রকাশিত সাচার কমিটির রিপোর্টের পরে, পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের অবস্থান এতটুকুও বদলায়নি। যে রাজ্যে প্রায় ২৭ শতাংশ মুসলমান মানুষ বসবাস করেন, সেই রাজ্যে এই ধারণা হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে মুসলিম জনসংখ্যা রোজ দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং একদিন তারা হিন্দুদের ছাপিয়ে যাবেন। ২০১১ সালে শেষ যে জনগণনা হয়, তাতে বলা হয়েছিল, সমস্ত ধর্মের মানুষদের জন্মহার বৃদ্ধির হার দেখে মনে করা হচ্ছে, ‘হিন্দু, মুসলমান এবং ক্রিশ্চানদের বৃদ্ধির হার ২০২১ সালের জনগণনায় আরও কমবে বলে আশা করা যায়…’। লিভিং

রিয়ালিটি যে কতটা জীবন্ত, তা ওই প্রতিবেদনের প্রতিটি ছত্রে ছত্রে আছে। গ্রামীণ অঞ্চলে মুসলমানদের সাক্ষরতার হার ৬৮.৩ শতাংশ, যা অন্য ধর্মের মানুষদের তুলনায় অন্তত ৪ শতাংশ কম। ২০১১ সালের জনগণনাতেও একইরকম তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। অর্থাৎ বাম জমানা থেকে আজকের তৃণমূল জমানায় এই বিষয়ে অন্তত খুব বেশি তফাত হয়নি। উচ্চশিক্ষাতেও মুসলিমদের অবস্থা হিন্দুদের তুলনায় বেশ খারাপ। মাত্র ২.৭ শতাংশ মুসলমান মানুষ স্নাতক।

অমর্ত্য সেন ওই প্রতিবেদন প্রকাশের সময়ে যে কথাগুলো লিখেছেন ভূমিকায়, তা আজও প্রাসঙ্গিক। ২০১৬ সালে এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরে আরও অন্তত ৮ বছর পেরিয়েছে। এই প্রতিবেদন যাঁরা তৈরি করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন গবেষক সাবির আহমেদ সম্প্রতি কলকাতার মেডিকেল কলেজে আরটিআইয়ের আবেদন করেন। তাঁকে উল্টে বলা হয়, আগে তাঁর নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে, তবে তাঁকে উত্তর দেওয়া হবে। দেশে কোথাও এমন কোনও আইন নেই। যে তথ্য সাবির জানতে চেয়েছেন, তা এমন কিছু গোপনীয়ও নয়। তাও একজন জাতীয় স্তরের গবেষককে এই অপমান করা হলো। সাবির নিজের আধারের প্রতিলিপি পাঠালে তাঁকে বলা হয়, আধার নাগরিকত্বের প্রমাণ নয় (যদিও এটা ঠিকই বলা হয়েছে)। তাহলে কেন এই হেনস্থা?

এই ঘটনা দেখিয়ে দেয়, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে মুসলমানদের জন্য এই দেশ আরও কঠিন ঠাঁই হয়ে উঠেছে। অনেকেই বলেন, মুসলিমদের সাক্ষরতা বা পড়াশোনায় অবহেলার জন্য তাদের ধর্মের নিজস্ব গোঁড়ামি দায়ী। কিন্তু সাবির আহমেদের উদাহরণ কী বলে? শুধু সাবির আহমেদ কেন, এইরকম অজস্র উদাহরণ আছে। মফসসল শহর থেকে যাঁরা কলকাতায় পড়তে আসেন, তাঁদের বাড়িভাড়া পেতে অভাবনীয় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যদি বা পান, তাঁদের ধর্ম পরিচয় গোপন রাখতে হয়, সমস্ত ধরনের পরিচয়পত্র জমা রাখতে হয়। আসলে আমাদের সমাজে সংখ্যালঘুদের ‘অপর’ বানানোর এই প্রক্রিয়া বহু বছর ধরে ছিলই। প্রচলিত গণমাধ্যমের কল্যাণে তা শুধু বেড়েছে।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু নির্যাতন নিয়ে গণমাধ্যমগুলি যে অতিরঞ্জিত খবর প্রকাশ করছে, এতে ওই দেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের কোনও উপকার হচ্ছে না। একমাত্র ভারতের বিজেপির উদ্দেশ্য সাধন হচ্ছে। যাতে ২০২৬ সালের বাংলার নির্বাচনে হিন্দু ভোটকে এককাট্টা করা যায় সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের বা যে কোনও প্রতিবেশি দেশের সংখ্যাগুরু মুসলমানদের নিয়ে আরও হিংস্র গল্প তৈরি করা হচ্ছে। এই কি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা? বাংলাদেশের অধ্যাপক আনু মহম্মদ, সলিমুল্লা খান সহ ১৪৫ জন বিশিষ্ট মানুষজন বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, “আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িক প্রবণতা আর শক্তির বিরুদ্ধে আমরা লড়ব, আপনারাও আপনাদের দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। আপনাদের দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে, গণ অভ্যুত্থানে যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের আকাঙ্খার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে আপনারা এই চক্রান্ত প্রতিহত করবেন। এ লড়াই ভারতের বৃহৎ পুঁজির শোষণ-লুণ্ঠন আর নিপীড়ন-নির্যাতন-আধিপত্যের বিরুদ্ধে উভয় দেশের জনগণের নিরন্তর লড়াই। বিভেদ, বিদ্বেষ আর ধর্মকেন্দ্রিক স্বার্থান্বেষী চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ লড়াই। এই লড়াই এগিয়ে যাবে, এই প্রত্যাশা আমরা করি। এই লড়াইয়ে আমরা শেষ পর্যন্ত জয়ী হব।" এই বিবৃতি জন্মসূত্রে এদেশের একজন সংখ্যাগুরুর প্রতিনিধি হিসেবে লজ্জায় মাথা নিচু করে দেয়। এই বক্তব্যকে সমর্থন করা ছাড়া কোনও উপায়ও থাকে না।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।