শপথ নিয়েও স্বস্তি নেই চম্পাইয়ের, সুপ্রিম কোর্টে অস্বস্তি হেমন্তেরও! কোথায় দাঁড়িয়ে ঝাড়খণ্ড?

Jharkhand Crisis: তবে শুধু শপথগ্রহণ করলেই হল না। আগামী দশদিন সময় দেওয়া হয়েছে চম্পাইকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার জন্য। আর আপাতত সোরেন-জোটের নয়া ভয় এই বেঁধে দেওয়া সময়।

Sohini Das
৪ মিনিট
শপথ নিয়েও স্বস্তি নেই চম্পাইয়ের, সুপ্রিম কোর্টে অস্বস্তি হেমন্তেরও! কোথায় দাঁড়িয়ে ঝাড়খণ্ড?

শিয়রে লোকসভা ভোট। অন্তর্বর্তী বাজেটের ঘোষণা সেই দামামাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। আর ঠিক এই সময়েই জমি-কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। স্বাভাবিক ভাবেই ভোটের ঠিক আগে আগে মুখ্যমন্ত্রীর এ হেন গ্রেফতারিতে অস্থিরতা তো তৈরি হয়েছেই ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতে। যদিও সামনে ভোট আর বিজেপির আগ্রাসনের কথা মাথায় রেখে বুঝেশুনেই পদক্ষেপ নিয়েছেন হেমন্ত। রাজভবনে গিয়ে ইস্তফা দিয়ে রীতিমতো উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা করে গিয়েছেন তিনি।

শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা হেমন্ত সোরেনের মামলায় হস্তক্ষেপ করবে না। মামলাটি ফের হাইকোর্টের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, হেমন্তকে আগে হাইকোর্টে আবেদন জানাতে হবে। উচ্চ আদালতের এক্তিয়ার লঙ্ঘন করবে না সুপ্রিম কোর্ট। গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হেমন্ত। সেই মামলায় বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চও গঠন করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। তবে এখনই সেই বেঞ্চের হাতে উঠছে না হেমন্তের মামলা। হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। সেখানে তাদের নির্দেশের পরেই ফের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানো যাবে।

তবে নিজের ক্ষেত্রে সব কিছু পরিকল্পনা মাফিক না চললেও, নিজের রাজ্যের ক্ষেত্রে কিন্তু কোনও ঝুঁকি নেননি হেমন্ত। ভোটের আগে হেমন্তকে নিয়ে ইডি-র টানাটানি শুরু হতেই সম্ভবত তিনি আঁচ করে ফেলেছিলেন, এই সুযোগটাই ব্যবহার করতে চলেছে বিজেপি। কারণ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হলেই সেখানে এক ধরনের অস্থিরতা শুরু হবে। সেই সুযোগে বিধায়কদের ভাঙিয়ে জেএমএমের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ভাগ বসাতে পারে বিজেপি। তেমন পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে জন্য গ্রেফতারির আগেই দলের কাছে নয়া জেএমএম সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছিলেন হেমন্ত। গ্রেফতারির আগে তড়িঘড়ি রাজ্যপালের কাছে গিয়ে পদত্যাগও করে আসেন তিনি। রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দলের তরফে ঘোষণা করা হয় জেএমএমের গোড়ার দিকের সদস্য ও রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী চম্পাই সোরেনের নাম। তবে বৃহস্পতিবার রাত গড়ালেও রাজ্যপালের তরফে সরকার গড়ার ডাক পাননি চম্পাই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চম্পাই সোরেন 'মাস্টারস্ট্রোক' হেমন্তের, এত করেও ঝাড়খণ্ডে বিজেপিকে রুখতে পারবে JMM?

Jharkhand Political Crisis: বিজেপির বিধায়ক কেনাবেচার ইতিহাস পুরনো। বিরোধীদের একাংশের আশঙ্কা, বিধায়ক কেনাবেচার ‘সময়’ করে দিতেই চম্পইকে সরকার গড়তে আমন্ত্রণ জানাতে দেরি করা হচ্ছে।

আশঙ্কা ছিল, অন্য কোনও ষড়যন্ত্র চলছে না তো ভিতরে ভিতরে। তড়িঘড়ি সমর্থনে থাকা বিধায়কদের কংগ্রেসশাসিত তেলঙ্গানার রাজধানী হায়দরবাদে সুরক্ষিত করা হয়। তবে যা যা আশঙ্কা করা হয়েছিল, তেমন কিছুই হয়নি। রাজ্যপালের ডাকে সাড়া দিয়ে শুক্রবার সকালেই ঝাড়খণ্ডের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জেএমএম নেতা তথা দলের সহ-সভাপতি চম্পাই সোরেন। শোনা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই চম্পাইকে সরকার গড়ার ডাক দিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল। শুক্রবার রাঁচীর রাজভবনে চম্পইকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণণ। নয়া মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন কংগ্রেস বিধায়ক তথা দলের পরিষদীয় নেতা আলমগির আলম এবং লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির সত্যানন্দ ভোগতা। আলমগির এবং সত্যানন্দ, দু’জনেই আগে হেমন্ত সোরেন মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

তবে শুধু শপথগ্রহণ করলেই হল না। আগামী দশদিন সময় দেওয়া হয়েছে চম্পাইকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার জন্য। আর আপাতত সোরেন-জোটের নয়া ভয় এই বেঁধে দেওয়া সময়। জুজু সেই একটাই। কোনও ভাবে সূঁচ হয়ে ঢুকে বিধায়ক কেনাবেচা করে না ঝাড়খণ্ডের গদি বাগিয়ে নেয় বিজেপি। এমনটা বহু রাজ্যেই করে থাকে বিজেপি। অতীতে এমন নজির ঝুড়ি ঝুড়ি রয়েছে। ৮১ আসনের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় ‘জাদুসংখ্যা’ ৪১। শাসক জোটের হাতে রয়েছে ৪৮ জন বিধায়ক। জেএমএম ২৯, কংগ্রেস ১৬, আরজেডির ১ এবং সিপিআই (লিবারেশন) ১। এর মধ্যে হেমন্ত গ্রেফতার হওয়ায় তিনি বিধানসভায় ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারবেন না। বর্তমানে চম্পইয়ের সঙ্গে রয়েছেন ৪৩ জন বিধায়ক। বাকি চার জনের দেখা পাওয়া যায়নি। অন্য দিকে, বিরোধী শিবিরে রয়েছেন ৩২ বিধায়ক। এঁদের মধ্যে বিজেপির ২৫, আজসুর ৩, এনসিপি (অজিত) ১ এবং নির্দল ৩ জন। অতীতে উত্তরাখণ্ড, অরুণাচল, কর্নাটক কিংবা মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘বিধায়ক কেনাবেচা’র অভিযোগ উঠেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পরিবারেই লুকিয়ে বিপদ! হেমন্ত সোরেনের স্ত্রী কল্পনার মুখ্যমন্ত্রিত্বের পথের কাঁটা কে?

Hemant Soren Kalpana Soren : হেমন্ত সোরেন গ্রেফতার হওয়ায় জেএমএমের প্ল্যান বি হিসাবে দেখা হচ্ছে কল্পনা সোরেনকে৷ কিন্তু এতই সহজ নয় সীতা সোরেনকে উপেক্ষা করা।

প্রাথমিক ভাবে শোনা গিয়েছিল, হেমন্তের গ্রেফতারির পরে তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনের কাছেই যেতে চলেছে ঝাড়খণ্ডের গদি। তবে শেষ পর্যন্ত চম্পাই কল্পনাকে পিছনে ফেলে এড়িয়ে যান গদির লড়াইয়ে। তবে লড়াইয়ের শেষ হয়নি এখনও। এখন ঝাড়খণ্ডের টাইগারের সামনে আরও বড় লড়াই বাকি। প্রমাণ করতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা। এদিকে, সুপ্রিম কোর্ট থেকেও প্রত্যাখ্যাত হলেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। গত পাঁচ দিন ধরে ইডি হেফাজতে রয়েছেন তিনি। সোরেনের আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে জানান, হাইকোর্টে এর আগে একটি আবেদন করা হয়েছিল। পরে সেই মামলা প্রত্যাহার করা হয়। সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার যুক্তিও দিয়েছেন তিনি। হেমন্তের তরফে আইনজীবীর সওয়াল, ‘‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এক জন মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই আমরা সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাইছি।’’ তবে তার সেই আর্জি সরাসরি খারিজ করে বিচারপতি সঞ্জীব খন্না জানেন, আদালতের কাছে সবাই সমান। তা-ই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আলাদা কোনও সুবিধা পাবেন না হেমন্ত সোরেন। এর আগেও ইডির তলবের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হেমন্ত। সে বারও মামলা ঝাড়খণ্ড হাই কোর্টে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। হাই কোর্ট হেমন্তের আবেদন খারিজ করে দেয়। তাঁকে ইডির তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। জমি জালিয়াতি মামলায় ৬০০ কোটি টাকার দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে হেমন্তের বিরুদ্ধে।

আপাতত ঝাড়খণ্ড এবং হেমন্ত সোরেন, কেউ-ই তেমন সুরক্ষিত নয়। নয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ, তা-ও আবার মাত্র দশ দিনের মধ্যে। অন্যদিকে, হেমন্তকে পেরোতে হাইকোর্টের অগ্নিপরীক্ষা, তবেই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতে পারবেন তিনি। কোনদিকে যাবে ঝাড়খণ্ডের ভবিষ্যত। লোকসভা ভোটের আগে আপাতত গোটা দেশের চোখ থাকবে সেদিকেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?