শেষপর্যন্ত চাঁদের মাটি স্পর্শ করতে পারবে তো চন্দ্রযান ৩?

Chandrayaan-3 to land on Moon: আপাতত চাঁদের আকাশে ২৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সেটি। সেখান থেকেই চাঁদের মাটিতে নেমে আসার কথা তার। কিন্তু পরিস্থিতি ও ল্যান্ডার মডিউলের অবস্থা কি আদৌ সঙ্গ দেবে, ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।

Sohini Das
৪ মিনিট
শেষপর্যন্ত চাঁদের মাটি স্পর্শ করতে পারবে তো চন্দ্রযান ৩?

অপেক্ষা মাত্র কয়েকটা ঘণ্টার। চাঁদের মাটি ছোঁবে বহু প্রতীক্ষিত চন্দ্রযান ৩। বারবার ব্যর্থতার পরেও হার মানে না বিজ্ঞান। আর এইখানটিতেই তার সবচেয়ে বড় সাফল্য। বছর কয়েক আগের কথা। সাফল্যের দোরগোড়ায় এসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল চন্দ্রযান ২। বিজ্ঞানীদের এত এত দিনের পরিশ্রম মাটিতে মিশে গিয়েছিল এক মুহূর্তে। তবু হার মানেননি তাঁরা। ফের রণসাজে সেজে তাঁরা চন্দ্রপাড়ি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করেছেন চন্দ্রযান ৩-কে। গত ১৪ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের লঞ্চিং প্যাড থেকে মহাকাশে পাড়ি দেয় সেটি। ৫ অগস্ট তা পৌঁছে যায় চাঁদের কক্ষপথে। ২৩ অগস্ট, বুধবার সেটির চাঁদে পা দেওয়ার কথা।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, বুধবার বিকেল পৌনে ছ'টায় চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা ছিল চন্দ্রযান ২-এর। প্রাথমিক ভাবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, সময় কিছুটা পিছিয়েছে। পৌনে ছ'টার পরিবর্তে সন্ধে ৬টা বেজে ৪ নাগাদ অবতরণ করবে চন্দ্রযান ৩। তবে কথা দিয়েও রাখতে পারলেন না ইসরোর বিজ্ঞানীরা। শেষলগ্নে তৈরি হল অনিশ্চিয়তা। ভারতীয় মহকাশ সংস্থা ইসরোর তরফে নতুন করে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূল না থাকলে পিছনো হতে পারে অবতরণ। সে ক্ষেত্রে চাঁদের মাটি ছোঁয়ার তারিখ চারদিন পিছিয়ে বুধবারের পরিবর্তে রবিবারও হতে পারে। একদিন আগেই ইসরোর স্পেস অ‌্যাপ্লিকেশন সেন্টারের ডিরেক্টর নিলেশ এম দেশাই জানান, কবে অবতরণ হবে, সে ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ২৩ অগস্ট অবতরণের দু'ঘণ্টা আগে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ল‌্যান্ডার মডিউলের অবস্থা এবং চাঁদের পরিস্থিতি বুঝে ঠিক করা হবে অবতরণের সময়। সামান‌্যতম প্রতিকূল অবস্থা বুঝলেই অবতরণ পিছিয়ে ২৭ তারিখ করা হবে। তেমনই বিকল্প ভেবে রেখেছে ইসরো।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চাঁদ ছুঁতে আর সামান্য কয়েক ঘণ্টা! চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের সম্ভাবনা কতটা?

Chandrayaan 3 Landing: এখনও পর্যন্ত যে তিনটি দেশ চাঁদে পা রেখেছে, অর্থাৎ আমেরিকা, রাশিয়া ও চিন কেউই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নামতে পারেনি।

২০১৯ সালে চাঁদজয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে পাড়ি দিয়েছিল চন্দ্রযান ২। চাঁদের মাটিতে পা দিতে যাবে কি যাবে না, মাত্র ২.১ কিলোমিটার দূরে আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল এর ল্যান্ডার। ইসরো জানায়, সফটওয়্যার গোলযোগের কারণেই কাজ করেনি ব্রেক। ধীরে ধীরে নামার বদলে চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল চন্দ্রযান ২। তবে চাঁদের কক্ষপথেই থেকে গিয়েছিল চন্দ্রযান ২-এর অরবিটার। তবে ওই যে 'হারায় যা তা হারায় শুধু চোখে।' চাঁদের কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে চন্দ্রযান ২ এর সেই অরবিটারের সঙ্গে হঠাৎই দেখা হয়ে গিয়েছে চন্দ্রযান ৩-এর বিক্রমের।

ইসরোর তরফে জানানো হয়, ওই দুটি যানের মধ্যে দ্বিমুখী একটি যোগাযোগ স্থাপিত হয় দেখা হওয়ার পরেই। চন্দ্রযান ৩ বিক্রম ল্যান্ডার চন্দ্রযান-২ অরবিটারের সঙ্গে যোগাযোগও স্থাপন করে। আর চাঁদের মাটিতে পা দেওয়ার আগে এ খবর খানিকটা আশাপ্রদ তো বটেই। কীভাবে দুই প্রজন্মের অরবিটারের দেখা হল, এ নিয়ে একটি অ্যানিমেটেড উপস্থাপনাও প্রস্তুত করে ইসরো। তারা আরও জানায়, এই সাক্ষাৎ ও দ্বিমুখী যোগাযোগের ফলে ল্যান্ডার মডিউলে পৌঁছনোর আরও একটা রাস্তা বেরিয়ে এসেছে ইসরোর কাছে। এবার অপেক্ষা শুধুই ল্যান্ডিংয়ের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চাঁদে যেতে গিয়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেছিলেন ওঁরা

Chandrayaan 3 and Moon Mission: দু'বছর পরই খুন হয়ে যাওয়ায় তিনি আর দেখে যেতে পারেননি তাঁরই নামাঙ্কিত কেনেডি স্পেস স্টেশন থেকে আরোহী সমেত উড়ে যাচ্ছে অ্যাপোলো-১১।

কিন্তু সেই ল্যান্ডিং ঘিরেই ফের সংশয় দানা বেঁধেছে বিজ্ঞানীদের অন্দরে। ২৩ অগস্ট ল্যান্ডিংয়ের যে সম্ভাবনা গাঢ় হয়ে উঠেছিল, সেই ব্যাপারে নিঃসংশয় হতে পারছেন না তাঁরা। চাঁদ ছোঁয়ার জন্য বর্তমানে সর্বনিম্ন কক্ষপথে প্রতীক্ষায় রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম। সোমবার রাত পর্যন্ত বিক্রমের গতিবিধি একেবারে স্বাভাবিক ছিল। রবিবার দ্বিতীয় দফায় গতি কমানোর পর তা নিয়ন্ত্রণ করা আরও সহজ হয়েছে। আপাতত চাঁদের আকাশে ২৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সেটি। সেখান থেকেই চাঁদের মাটিতে নেমে আসার কথা তার। হিসেব অনুযায়ী, ২৫ কিলোমিটারের কক্ষপথ থেকে চাঁদের মাটিতে সফট স্যান্ডিং করতে বিক্রমের সময় লাগার কথা ১৭ মিনিট। কিন্তু পরিস্থিতি ও ল্যান্ডার মডিউলের অবস্থা কি আদৌ সঙ্গ দেবে, ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের। সব কিছু ঠিক থাকলে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ীই চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে নামবে বিক্রম। তার পর তার পেটের ভিতর থেকে নেমে আসবে রোবট গাড়ি প্রজ্ঞান। একদিকে যখন বিক্রম অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, অন্যদিকে কাজ শুরু করে দিয়েছে চন্দ্রযান ৩-এর অরবাইটার। ইতিমধ্যেই তার পাঠানো বেশ কিছু ছবি প্রকাশও করেছে ইসরো।

তবে এ বার তেমন কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না মহাকাশবিজ্ঞানীরা। গত বার মুহূর্তের অপ্রস্তুতিতে চন্দ্রযান ২-এর পাশা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল তাঁদের সমস্ত স্বপ্ন, আশাও। তবে এ বার তেমন কোনও ভুল করতে রাজি নয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এর আগে আমেরিকা, রাশিয়া ও চিন শুধুমাত্র চাঁদের মাটি ছুঁয়েছে। চাঁদ অভিযান সফল হলেই সেদিক থেকে 'এলিট' দেশের তালিকায় ঢুকে পড়বে ভারতও। শুধু তাই নয়, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী হিসেবে প্রথম দেশ হবে ভারত।

চন্দ্রযান ৩-র সাফল্য নিয়ে গোটা দেশ উৎকণ্ঠায়। উত্তেজিতও বটে। সেই উত্তেজনার ছোঁয়াচ পৌঁছে গিয়েছে বিজেপি সদর দফতরেও। চাঁদের মাটি ছোঁয়ার আগেই সেই সাফল্যের যাবতীয় কৃতিত্ব যেচে পড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘাড়ে তুলে গিয়েছেন মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিংহ। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কারণেই দেশের এমন উন্নতি। শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, দেশের মহাকাশ গবেষণাকে যে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে, তা তো মোদির জোরেই। আগের সরকার এমন ব্যপার স্যাপারে একেবারেই মাথা ঘামায়নি বলেও তোপ দেগেছেন তিনি। যদিও চন্দ্রযান ৩ ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা তুঙ্গে, তবু মহাকাশ অভিযান বলে কথা। যে কোনও মুহূর্তে যা কিছু হতে পারে। সাফল্যের আগেই যে সাফল্যের ভার মোদির ঘাড়ে যাচ্ছে, ব্যর্থতার ভারও কি তাঁর পিঠেই চাপাবেন দলের সতীর্থরা! সে কথাও কিন্তু ভাবাচ্ছে চন্দ্রযান ৩-র সফল অবতরণের মতোই!

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।