কয়েকটি 'ক্লিক'-এই রোগ নিরাময়! রসায়নে নোবেল এনে দিল যে যুগান্তকারী আবিষ্কার

Nobel in Chemistry: সাড়াজাগানো আবিষ্কারের জন্য তিন গবেষক যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেলেন।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
কয়েকটি 'ক্লিক'-এই রোগ নিরাময়! রসায়নে নোবেল এনে দিল যে যুগান্তকারী আবিষ্কার

পাঁচ অক্টোবর ভারতীয় সময় দুপুর সোয়া তিনটে নাগাদ ২০২২ সালের রসায়নে নোবেল পুরষ্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করল 'দ্য রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস'। পুরষ্কার পেলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক ক্যারোলিন বার্তোজি়, ডেনমার্কের ইউনিভার্সিটি অফ কোপেনহেগেনের গবেষক মর্টেন মেলডাল, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর স্ক্রিপস রিসার্চের গবেষক কে. ব্যারি শার্পলেস। 'ক্লিক কেমিস্ট্রি' এবং বায়ো-অর্থোগোনাল কেমিস্ট্রির ওপরে সাড়াজাগানো আবিষ্কারের জন্য এই তিন গবেষক যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেলেন।

তবে ব্যারি শার্পলেস এই প্রথমবার নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন না। ২০০১ সালে তিনি 'স্টিরিওসিলেক্টিভ রিয়্যাকশন'-এর ওপর কাজ করে প্রথমবার নোবেল পান (এবং সেই বছরেই তিনি 'বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন মেডেল ইন কেমিস্ট্রি' এবং 'উলফ প্রাইজ় ইন কেমিস্ট্রি'-ও পেয়েছিলেন)।

ক্লিক... ক্লিক... ক্লিক... আর তাতেই তৈরি সম্পূর্ণ নতুন মৌল!

৫ অক্টোবর নোবেল পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করার সময় 'দ্য রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস'-এর সাধারণ সচিব ড. হন্স এলেগ্রিয়ান জানান, "অণু নির্মাণের স্বার্থে তৈরি একটি ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতির জন্য এই বছর রসায়নে নোবেল দেওয়া হচ্ছে।" 'ক্লিক কেমিস্ট্রি' এবং বায়ো-অর্থোগোনাল কেমিস্ট্রি ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ঠিক সেরকম হাতিয়ার বা 'ইঞ্জিনিয়ারিং টুল'।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় মাউসে 'ক্লিক' করতেই মনে পড়ল 'ক্লিক কেমিস্ট্রি' নাম কেন হলো, বলা দরকার। নোবেল কমিটি ফর কেমিস্ট্রি-র সভাপতি ইওভান অকভিস্ট এইদিন নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সময়ে জানান, "ক্লিক কেমিস্ট্রি বিষয়টা সেরকমই, খানিকটা যেভাবে 'ক্লিক' শব্দটা হয়। দুটো অণুকে খুব সহজে জোড়া লাগানোর মতো। যেন দু'টি chemical buckle-কে জোড়া লাগানো হচ্ছে।" এইভাবেই ছোট ছোট কেমিক্যাল বাকল-কে জুড়তে জুড়তে অনেক বড় এবং বৈশিষ্ট্যপূর্ণ মৌল বানানো যেতে পারে, জানাচ্ছেন তিনি।

রসায়নের একটি কার্যকর অংশ এই ক্লিক কেমিস্ট্রি। যেখানে একাধিক আণবিক গঠনগত অংশ পরস্পরের সঙ্গে খুব সহজে জোড়া লাগে। তবে শুধু সহজে জোড়া লাগলেই হবে না, সহজে যাতে তাদের রাসায়নিক বন্ধন না ভেঙে যায়। তাই তাদের মাঝে ঠিকমতো বাঁধুনি তৈরি করাও ক্লিক কেমিস্ট্রির একটি অংশ।

ক্লিক কেমিস্ট্রির এই মূল ধারণা ব্যারি শার্পলেসের মাথায় কুড়ি বছর আগেই এসেছিল। ক্লিক কেমিস্ট্রি এই মুহূর্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজেও লাগানো হয়। তবে অভাব ছিল উপযুক্ত কেমিক্যাল বাকলের। যে কেমিক্যাল বাকলগুলি সহজে পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লাগতে পারবে।

ব্যারি শার্পলেস এবং মর্টেন মেলডাল ক্লিক কেমিস্ট্রি নিয়ে কাজ করছেন বহুদিন যাবৎ। দীর্ঘদিন যাবৎ আলাদা আলাদাভাবে কাজ করে তাঁরা অবশেষে উপযুক্ত সেই কেমিক্যাল বাকল খুঁজে পেয়েছেন, যারা সহজেই পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লাগতে পারে। আর সেই উপযুক্ত দু'টি মৌল হলো অ্যাজা়ইড এবং অ্যালকাইন। এখানে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই দু'টি মৌল (পড়ুন কেমিক্যাল বাকল) নির্দিষ্টভাবে কেবল পরস্পরের সঙ্গেই জোড়া লাগবে।

তবে এখানে রয়েছে একটি সমস্যা। অ্যাজা়ইড এবং অ্যালকাইন বিক্রিয়া করলে একাধিক বাই-প্রোডাক্ট তৈরি হয়। এবং বিক্রিয়াও ঠিকভাবে হয় না। তাই তামা বা কপারের উপস্থিতিতে এই বিক্রিয়া তাঁরা সফল করেন। পাশাপাশি প্রমাণ করেন সামান্য তামার উপস্থিতিতে বিক্রিয়ার গতি কেবল বাড়েই না, বিক্রিয়ার শেষে কেবল কাঙ্ক্ষিত মৌল ট্রায়াজো়ল-ই (Triazole) তৈরি হয়।

বায়ো-অর্থোগোনাল কেমিস্ট্রি কী?

ক্যারোলিন খুঁজে বের করল এমন একটি ক্লিক রিয়্যাকশনের পদ্ধতি, যা জীবন্ত কোশের ওপর কুপ্রভাব ফেলবে না বা জীবন্ত কোশের ভেতরকার পরিবেশ তাকে প্রভাবিত করবে না। ক্যারোলিন এই পদ্ধতিকে নাম দিলেন, বায়ো-অর্থগোনাল কেমিস্ট্রি।

আরও বিস্তারিতভাবে বলা যাক। অ্যাজা়ইড এবং অ্যালকাইনের বিক্রিয়া সফল করতে তামার প্রয়োজন। কিন্তু বিক্রিয়ার জন্য যে পরিমাণ তামা প্রয়োজন, তা জীবন্ত কোশের জন্যে ক্ষতিকর।

ছবিতে ক্যারোলিন বার্তোজি়

তামা বা কোনও অণুঘটকের ওপর নির্ভর না করে কীভাবে ক্লিক কেমিস্ট্রি-কে সফল করা যায়, ক্যারোলিন তা পরীক্ষা করে দেখছিলেন নয়ের দশক থেকেই। এবং অবশেষে জীবন্ত কোশের মধ্যেই তিনি ক্লিক কেমিস্ট্রি সফল করে দেখান। শুধু তাই নয়, তিনি দেখালেন ক্লিক কেমিস্ট্রি জীবন্ত কোশকে প্রভাবিত করবে না এবং জীবন্ত কোশের নিজস্ব পরিবেশের কারণেও বিক্রিয়া প্রভাবিত হবে না।

এই বিক্রিয়াটি সফল করার জন্য ক্যারোলিন মেটাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সাহায্য নিয়েছিলেন। মেটাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং একটি পদ্ধতি, যার সাহায্যে শরীরের বিভিন্ন জিনের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরে নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিকের ক্ষরণ বাড়িয়ে তোলা।

এই গবেষণা মানুষের কল্যাণে কতটা সাহায্য করবে?

ইওভান অকভিস্ট সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ক্লিক কেমিস্ট্রির সাহায্যে নতুন একাধিক রোগ নিরাময়ের ওষুধ বানানো যাবে। বানানো যাবে বিভিন্ন ধরনের পলিমার। ক্লিক কেমিস্ট্রি ইতিমধ্যেই ডিএনএ ম্যাপিং, রোগ নির্ণয়ে বিপুলভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

কিংবা ধরা যাক, কোশের মধ্যে নির্দিষ্ট ধরনের রাসায়নিকের উপস্থিতি এবং অবস্থান জানতে হবে। রোগ-ব্যধির চিকিৎসার সময় ভীষণভাবে এই বিষয়গুলি জানার প্রয়োজন পড়ে। তাদের অবস্থান জানতে তাদের দাগিয়ে দেওয়া বা 'মার্ক' করা সবার আগে প্রয়োজন। যাদের দাগিয়ে দেওয়ার জন্য আবার বিভিন্ন চকচকে অণু (ফ্ল্যুরোসেন্ট মলিকিউল) ব্যবহার করা হয়। আর তখনই কাজে লাগে ক্লিক কেমিস্ট্রি- যার ফলে ওই চকচকে অণুটি আরেকটি অণুর সঙ্গে জোড়া লাগতে পারে।

দ্বিতীয় এই কাজটি করে দেখিয়েছেন ক্যারোলিন।

১ম ছবিতে জীবন্ত কোশের পর্দায় আটকে থাকা গ্লাইকেনে আবদ্ধ হচ্ছে চকচকে মলিকিউল। সেখানেও আশ্রয় নেওয়া হয়েছে ক্লিক কেমিস্ট্রির। দ্বিতীয় ছবিতে সেই রকম চকচকে মলিকিউলই কোশের পর্দায় গ্লাইকেনের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। দ্বিতীয় ছবিতে লাল রঙ নতুন তৈরি গ্লাইকেনের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। অন্যদিকে পুরনো গ্লাইকেন সবুজ রং ধারণ করেছে চকচকে মলিকিউলের প্রভাবে। প্রথম ছবিটির উৎস নোবেল প্রাইজ় কমিটি। অন্যদিকে দ্বিতীয় ছবিটি PNAS জার্নালে (২০১০) ক্যারোলিন বার্তোজি় এবং তাঁর সহকর্মীদের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে নেওয়া।

বিভিন্ন ধরনের ড্রাগ দেহে সরবরাহ (ড্রাগ ডেলিভারি) করার সময়েও প্রয়োজন হতে পারে এই পদ্ধতির। ড্রাগ ডেলিভারির একটি অন্যতম গুণ হলো, শরীরের ঠিক জায়গায় ড্রাগটিকে পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু সমস্ত গবেষণার মতো ড্রাগ ডেলিভারির কিছু খামতি আছে। ড্রাগ কিন্তু টার্গেট অর্গ্যান, অর্থাৎ ঠিক যে অংশে পাঠাতে চাইছি, সেই অংশ ছাড়াও অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এবং তা কেবল অনাবশ্যকই নয়, বেশ কিছু ক্ষেত্রে একেবারেই অবাঞ্ছিত এবং ক্ষতিকরও। আর সেজন্যই ড্রাগ ডেলিভারির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো শরীর বা কোশের মধ্যে ড্রাগ সঠিক পথে, সঠিক জায়গায় পৌঁছচ্ছে কি না, তা নজরে রাখা। আর সেখানেই ড্রাগের সঙ্গে 'মার্ক' করতে হতে পারে 'চকচকে পদার্থ'-কে। যা শরীর বা কোশের মধ্যে ড্রাগের উপস্থিতি আর অবস্থান জানান দেবে। আর তখনই তাদের 'মার্ক' করার জন্য ক্লিক কেমিস্ট্রির আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আগে যে ভুলগুলি এড়ানো জরুরি

Stock Market Psychology: শেয়ারবাজারে একজন বিনিয়োগকারীর সবচেয়ে বড় সমস্যা অনেক সময় সে নিজেই। আজকের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক বাজারে এই পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। কারণ এখন সমস্যা তথ্যের অভাব নয়, বরং তথ্যের অতিরিক্ত প্রবাহ।

মহাবিশ্বকে বুঝতে গিয়ে সমাজকে ভুলে যাননি অশোক সেন

পিএইচডির প্রথম প্রায় তিন বছর তাঁর গবেষণায় কোনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতিই হয়নি। চারদিকে শুধু স্থবিরতা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী যেখানে এমন পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন বা হতাশ হয়ে পড়েন, অশোক সেন তা করেননি।

মেষ নয়, হায়াডিস? ভ্যান গগের ‘স্টারি নাইট’ নিয়ে কী বলছে নতুন গবেষণা?

The Starry Night mystery: এর আগে দীর্ঘকাল ধরে ধারণা করা হতো যে ভ্যান গগের আঁকা ছবিটির উপরের অংশটি মেষ রাশির কোনো তারামণ্ডল। তবে, সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত 'দ্য অ্যাকচুয়াল স্কাই অফ ভ্যান গগস স্টারি নাইট: এ মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিঅকনস্ট্রাকশন' নামক গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, ভ্যান গগের ছবির কেন্দ্রীয় পাঁচ তারার বিন্যাস মেষ রাশির সঙ্গে নয়, বরং হায়াডিস নক্ষত্রপুঞ্জের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মেলে।

ডার্কওয়েবে SBI-র তথ্য ফাঁস, কতটা সুরক্ষিত আপনার সঞ্চয়? যা জানাচ্ছেন সাইবার বিশেষজ্ঞ

সন্দীপ সেনগুপ্তের পরামর্শ, যাঁদের তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে আশঙ্কা রয়েছে, তাঁদের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তিনি এমনকি ব্যাঙ্কে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার কথাও বলেছেন।

আইনস্টাইনের কাল্পনিক পরীক্ষা এবার বাস্তবে, কোয়ান্টাম জগতের কণা-তরঙ্গ রহস্যের কী হলো?

Einstein Bohr quantum debate: সম্প্রতি ১০০ বছর আগের আইনস্টাইনের সেই কাল্পনিক পরীক্ষাটি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না (USTC)-এর বিখ্যাত কোয়ান্টামবিজ্ঞানী জিয়ান-উই প্যান (Jian-Wei Pan) এবং তাঁর সহকর্মীরা ল্যাবরেটরিতে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন।

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?