বেছে বেছে মন্ত্রীদের তোপ, কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ মমতার?

Mamata Banerjee: এদিন বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সাফ হুঁশিয়ারি, ‘ রাজ্যের আইডেন্টিটি যেন নষ্ট না হয়।’ নাম না করেই ‘বাইরের লোক’ ইস্যুতে এদিন গর্জে ওঠেন মমতা।

Sohini Das
৬ মিনিট
বেছে বেছে মন্ত্রীদের তোপ, কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ মমতার?

লোকসভা ভোটে কার্যত বিজেপিকে ধুয়েমুছে সাফ করে দিয়েছে তৃণমূল। তবে এই নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্যেও কাঁটার মতো জেগে রয়েছে পুরসভাগুলি। লোকসভা ভোটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে শহর কলকাতার একটা বড় অংশের মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে শাসক দল তৃণমূলের থেকে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণে জিতলেও কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ছেচল্লিশটিতেই পিছিয়ে তৃণমূল। সেই সব কটি ওয়ার্ডই দখল করেছে এবার বিজেপি। এমনকী তৃণমূলের যথেষ্ট পরিচিত মেয়র পারিষদদের ওয়ার্ডেও জয় আসেনি। এই নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্যেও সেই ব্যাপারটি গোড়া থেকেই বিঁধছে তৃণমূলকে। আর সে নিয়েই এবার পুরবৈঠকে কার্যত খড়্গহস্ত হলেন মমতা। এমনকী নিজেদের দলের মন্ত্রীদেরও বললেন না ছেড়ে কথা।

গত কয়েকদিন ধরেই প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে টুকরো টুকরো অসন্তোষের কথা শোনা গিয়েছিল। তবে সোমবার নবান্নের সভাঘরে পুরসভাগুলির সঙ্গে বৈঠকে রেগে অগ্নিশর্মা হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়ে একাধিক পুরসভা। বিধাননগর, নিউটাউন, কলকাতা কর্পোরেশন সকলকেই এদিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্নের মধ্যে পড়তে হয়েছে। প্রোমোটার রাজ, প্রশাসনের একাংশের কাটমানি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের গা ছাড়া মনোভাব-সহ একাধিক ইস্যু তুলে এক হাত নিলেন রাজ্যের পুর-প্রতিনিধিদের। সবচেয়ে বেশি কড়া আক্রমণের মুখে পড়েন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। নাম করেই রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন দলনেত্রী। মমতার কথায়, "কারও কারও অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, থানার আইসি, জেলাশাসক, এসডিও হলে ইনকাম করা ৷ অনুগ্রহ করে আর এসব করবেন না ৷ এবার খুব চোখে লাগছে ৷ রাজারহাটে সল্টলেকে ইচ্ছামতো বাইরের লোক বসাচ্ছে সুজিত বসু ৷"

বিধায়ক, মন্ত্রী আমলা থেকে শুরু করে পুলিশ এবং পুরসভা নিয়ে পর্যালোচনায় মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে সকলেই। একটা সময় তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনটাও বলতে শোনা গেল, "তাহলে কি ঝাঁটা হাতে এবার নামতে হবে আমাকে ?" পুরসভাগুলোকে নিয়ে আলোচনা উঠতেই এদিন পুকুর ভরাট, প্রমোটার রাজ, সরকারি জমি বেহাত হয়ে যাওয়া, ফুটপাত দখল একের পর এক অভিযোগ এসেছে মমতার মুখে। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, অনেক হয়েছে। কাজকর্মে আগামী দিনে কোনও অস্বচ্ছতাই বরদাস্ত করবেন না তিনি।

কার্যত এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর তোপের একটা বড় অংশই গিয়েছে সুজিত বসুর ভাগ্যে। মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক অভিযোগের ঠেলায় খানিকটা হকচকিয়েও যান দমকলমন্ত্রী। তাঁকে বলতে শোনা যায়, "আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না।" সে সব কার্যত উপেক্ষা করেই মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "সল্টলেক আমার বলতে লজ্জা লাগছে। রাজারহাটেও শুরু হয়েছে বেআইনি দখল। সল্টলেকেও ইচ্ছামতো সুজিত বসু লোক বসাচ্ছেন। কেন বাইরের লোক বসবে।” এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, "কত টাকার বিনিময়ে সল্টলেকে জবরদখল হচ্ছে ? কেন কর্পোরেশন কাজ করছে না ? আমি কোনও অবহেলা বরদাস্ত করব না ৷ একটা চক্র কাজ করছে ৷ কোনওভাবেই এসব চলবে না ৷ সব ভেঙে দেব ৷" এরপরই একটি ছবি তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “ছবি দেখালে নিজেরাই লজ্জা পাবেন। এআরডি অফিসের সামনের রাস্তাও দখল হয়ে গিয়েছে। একটা করে ত্রিপল লাগাচ্ছেন বসে পড়ছেন। কেন? হোয়াই…হোয়াই…হোয়াই? কেন রাস্তা ঝাড় দেয় না। শুধু কি উপর দিকে তাকালে হবে? কলকাতা শহরের ভিডিয়ো করা ছিল কোন রাস্তা কতটা দখল রয়েছে। তা সত্ত্বেও একটা করে নতুন ওসি আসে। আর বসিয়ে দেয়। আমি বেরলেই দেখতে পাই। অথচ পুলিশের চোখে পড়ে না।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৪৬টি ওয়ার্ডে পিছিয়ে! শহর কলকাতায় কেন কাজ করল না মমতা-ম্যাজিক?

Lok Sabha Election 2024: এবার দেখা যাচ্ছে, অন্তত পাঁচ বোরো চেয়ারপার্সনের ওয়ার্ডেও স্বস্তিতে নেই শাসক দল। দেবলীনা বিশ্বাস, সাধনা বসু, জুঁই বিশ্বাস, সুদীপ পোল্লে, সুস্মিতা ভট্টাচার্যের ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি।

সেক্টর ফাইভের ওয়েবেলের সামনে খাবার দোকানের রমরমা নিয়ে তাঁকে সরব হতে দেখা যায়। তিনি জানান, “ওয়েবল আমি নিজে চোখে দেখে এসেছি। কারোও কথা না শুনে। একটু শিফট করাতে হবে। ওইখানে অনেকে আসেন। ফুটপাতে কালো-কালো ত্রিপল দিয়ে ঘেরা। একটু দূরে গিয়ে খাবার খাবেন। আমি বেকার ছেলেদের চাকরি খাওয়ার পক্ষে নই। এভাবে রাস্তা আটকে খাবার দোকান না করে আলাদা করে ফুড জোন করা যেতে পারে ৷” এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধান নগরের মেয়র কৃষ্ণ চক্রবর্তীও। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, "বিধান নগরের সাফাইয়ের কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গায় ময়লা জমে আছে।"

শুধু সল্টলেক নয়, কলকাতার হাতিবাগান, গড়িয়া মার্কেট নিয়েও কড়া আক্রমণ করেছেন মমতা ৷ তাঁর কথায়, "গড়িয়াহাটে কলকাতা কর্পোরেশনের তরফ থেকে যে স্টলগুলো দেওয়া হয়েছিল তার পরেও দখলদারি বাড়ছে ৷ এক্ষেত্রে কালো প্লাস্টিক টাঙিয়ে আবার এলাকা সৌন্দর্য নষ্ট করা হচ্ছে ৷" বিভিন্ন পুরসভায় পানীয় জল ও রাস্তার আলোর যথেচ্ছ অপচয় নিয়েও সোমবার ক্ষোভপ্রকাশ করেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "জোকায় এখনও কাঁচা রাস্তা আছে ৷ কলকাতা কর্পোরেশনের অধীনে থাকা সত্ত্বেও কেন এমনটা হবে ৷ পুকুর ভরাট হলে সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে দিতে হবে ৷ যারই হোক, যত বড় অফিসার মন্ত্রীরই হোক না কেন বরদাস্ত করব না ৷ নবান্নের পাশেও বেআইনি বাড়ি হয়েছে ৷ রাস্তা ফুটপাথে জবরদখল বেড়েই চলেছে ৷ পুরসভা- পুলিশ সবাই চোখ বন্ধ করে আছে ৷ কেউ দেখছে না ৷" জল অপচয় রুখতে আধুনিক ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেই পরামর্শও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক থেকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
খোদ মমতার বিরুদ্ধেই তোপ! তমলুকে হেরে হঠাৎ কেন ভোলবদল ‘তাজা নেতা’ দেবাংশুর?

Debangshu Bhattacharya Facebook Post: রবিবার ফেসবুকে সেই ক্ষোভ নিয়ে মুখ খোলেন দেবাংশু। দলনেত্রীর বক্তব্যকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করেই নিজের কাজ করার খতিয়ান দিলেন তমলুকের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী।

একইভাবে বিদ্যুতের অপচয় রুখতে বিকেল পাঁচটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত পুরসভা গুলিতে আলো জ্বলবে বলে সময়ও বেধে দিয়েছেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, বর্ষা এলে বিভিন্ন জায়গায় শর্ট সার্কিটের সমস্যার কথা শোনা যায় ৷ এদিন তা নিয়েও রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর অরূপ বলার চেষ্টা করেছিলেন, এই বিষয়টি দেখে পুরসভাগুলিই। এক্ষেত্রে তাকেও এই ব্যবস্থা সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন মমতা। মোটের উপর রাজনীতির রং না দেখে পুলিশ আধিকারিক জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সকলকে এক লাইনে রেখে মূলত নাগরিক পরিষেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন এক্ষেত্রে ভুল ভ্রান্তি থাকলে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই তা শুধরে নেওয়ার জন্য সময় দিয়েছেন ৷

পুরসভার টেন্ডার ডাকা নিয়েও মমতার এদিন রণংদেহি মূর্তি দেখা গেল। ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বললেন, 'কে খাচ্ছেন না জানি না, নিশ্চয় দিয়েই খাচ্ছেন’- টেন্ডার নিয়েও চলছে দুর্নীতি! খোদ মমতার মুখেই এমন অভিযোগ। বললেন, 'বালির এসডিও অমৃতা কী করছেন, কেন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। নিজেরা টেন্ডার দিচ্ছেন, কার থেকে কতটা খাচ্ছেন জানি না। কে খাচ্ছেন না জানি না। নিশ্চয় দিয়েই খাচ্ছেন। আমি এই কথাগুলো বলার জন্য মোটেই খুশি নেই, আমি দুঃখিত।' এরপরেই তিনি ঘোষণা করেন, এবার পুরসভার কোনও টেন্ডার স্থানীয় ভাবে ডাকা যাবে না। সব টেন্ডার সেন্ট্রালি হবে। সরকার তার তদারকি সরাসরি করবে।

এদিন বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সাফ হুঁশিয়ারি, ‘ রাজ্যের আইডেন্টিটি যেন নষ্ট না হয়।’ নাম না করেই ‘বাইরের লোক’ ইস্যুতে এদিন গর্জে ওঠেন মমতা। দিদি বলেন,'আমি একটা রাজ্যের রেভিনিউ পাই, তার উপর কেন্দ্র সরকার টাকা দেয় না। কোত্থেকে চালাব জানি না, ৩ বছর ধরে ফেস করছি… তারমধ্যে আরও ৫ টা রাজ্যের সব কিছু আমাকে টানতে হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও সে পাচ্ছে, স্বাস্থ্যসাথীও সে পাচ্ছে, বিনা পয়সার রেশনও সে পাচ্ছে।' ক্ষোভের মাত্রা বাড়িয়ে মমতা বলেন,'আমার কাছে তো সেই ট্রেজারি নেই যে ৫ টা রাজ্যকে টানতে পারব।' ক্ষোভের সুর চড়া করে মমতা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার তো আমাদের হাতে নেই, তারা তো আমাদেরই টাকা দেয়না। আমি ৫ টা রাজ্যকে টানব কী করে? নিশ্চয়ই সে চিকিৎসা পাক, আমরা তাই, আমাদের রাজ্যের হাসপাতালে আসুক… পয়সা দিয়ে করবে।’ মমতা বলেন, ‘আমাদের ঘাড়ের ওপরে আমি দেখছি যত বোঝা, এরপর তো স্টেটটার আইডেন্টিটি নষ্ট হবে, বাংলায় কথা বলার লোক খুঁজে পাবেন না।’

রাজ্যের নিজস্ব পরিচিতি নিয়ে বারবার সরব হতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন। 'হিন্দি ইংরেজি আজ সবাই জানেন, আমি কোনও ভাষাকে ছোট করছি না। সবাইকেই বড় করেই বলছি। মনে রাখবেন সব রাজ্যের একটা নিজস্ব আইডেন্টিটি রয়েছে। একটা সংস্কৃতি আছে, অন্য সংস্কৃতিকেও আমরা ভালোবাসি, সম্মান জানাই, কিন্তু বাংলার আইডেন্টিটিকে নষ্ট করার চক্রান্তে যাঁরা লিপ্ত, আমি তাঁদের সকলকে সাবধান করে দিয়ে বলছি, বাংলার আইডেন্টিটি অর্থের বিনিময়ে যেন নষ্ট না হয়। এটা আমার প্রথম আর শেষ সতর্কবার্তা।'

সব মিলিয়ে লোকসভা ভোটের রেজাল্টে কলকাতার পুরসভাগুলিতে যেভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূল, তা ঘিরে যে যথেষ্ট চিন্তিত মমতা, তা বোঝা গিয়েছে সেদিনের সভা থেকেই। লোকসভা ভোটে তৃণমূলের চমকপ্রদ ফলাফলের পিছনে রয়েছে আসলে গ্রামাঞ্চলগুলি, তা মেনেছেন অনেকেই। মমতার একাধিক জনমোহিনী প্রকল্প সেখানে মমতাকে অনেকটাই ব্রাউনি পয়েন্ট দিয়েছে তা অস্বীকার করার জো নেই। কিন্তু শহরাঞ্চল? সেখানে কেন তৃণমূলের থেকে মুখ ঘোরাচ্ছে মানুষ? কেন কাজ করছে না মমতা-ম্যাজিক? লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি বিশ্লেষণ করা শুরু করেছিল ঘাসফুল শিবির। মানুষের ক্ষোভের একাধিক কারণ খুঁজে বের করে সেসব যে সমাধানের রাস্তা খুঁজতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী, তা নবান্নের বৈঠক থেকেই আসলে স্পষ্ট করে দিতে চেয়েছেন মমতা। এমনকী এ নিয়ে ভবিষ্যতে কড়া সিদ্ধান্ত নিতেও যে পিছু হঠবেন না মমতা, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন সোমবার ওই বৈঠক থেকে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।