এই শীতে ফের ফিরছে কোভিড আতঙ্ক! বাতাসে হু হু করে বাড়ছে মারণ ভাইরাস

Covid-19 Alert: উৎসবের মরসুমে সারা বিশ্বে দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা়। সেক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
এই শীতে ফের ফিরছে কোভিড আতঙ্ক! বাতাসে হু হু করে বাড়ছে মারণ ভাইরাস

সারা বিশ্বে দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে কোভিড। টানা কয়েক মাস যাবৎ শান্ত থেকে সবাইকে স্বস্তি দিলেও, শীতকালীন উৎসবের মরসুমে আবার মাথা চাড়া দিচ্ছে কোভিড। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজে়শনের (WHO) অতিমারী বিশারদ এবং কোভিড-১৯ প্রযুক্তিক প্রধান মারিয়া ভ্যান কারকোভ সাম্প্রতিক একটি টুইটে জানিয়েছেন কোভিড-১৯ তো বটেই, তার পাশাপাশি বাতাসে সাধারণ ফ্লুয়ের ভাইরাস, রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাসও দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে। ২ ডিসেম্বরের একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন এই মুহূর্তে কেবল ওমিক্রোনেরই ৫০০ টি সাব-ভ্যারিয়েন্ট বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। রেস্পিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর বা সর্দির মতো মৃদু উপসর্গ দেখা গেলেও, বয়স্ক বা শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের প্রভাব হতে পারে মারাত্মক।

WHO-এর আপৎকালীন স্বাস্থ্য কার্যক্রমের কার্যনির্বাহী অধিকর্তা ডা. মাইক রায়ান জানাচ্ছেন, “নোভেল করোনাভাইরাস এখনও দ্রুত নিজের রূপ বদলাচ্ছে। যার ফলে একাধিক সাবভ্যারিয়েন্ট এখনও আমাদের চিন্তায় ফেলছে। যদি জানতে চান কোভিড এখনও আমাদের বিপদে ফেলতে পারে কিনা, আমি বলব হ্যাঁ।"

Please take care.

, flu, RSV & other pathogens are circulating at very high rates right now. Use all available tools to keep you & your loved ones safe: vaccinate,mask,distance,ventilate,self test, stay home if unwell,clean hands… know your risk, lower your risk.

— Maria Van Kerkhove (@mvankerkhove)

WHO-এর ১৪ ডিসেম্বরের সাপ্তাহিক রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, ১১ ডিসেম্বর কোভিডে সংক্রামিতের সংখ্যা সারা বিশ্বে ৬৪৫ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় দ্বিতীয় সপ্তাহে মৃত্যুর হার বেড়েছে ১০ শতাংশ। ১১ ডিসেম্বর সারা বিশ্বে কোভিডের কবলে মৃতের সংখ্যা ছিল ৬.৬. মিলিয়নেরও বেশি। "হয়তো সব দেশে এই মুহূর্তে কোভিড দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে না। তবে আপনি যদি সারা বিশ্বের নিরিখে দেখেন, তাহলে কিন্তু কোভিড আবারও মানুষকে সঙ্কটের মুখে ফেলছে। এবং নোভেল করোনাভাইরাস থাকবেই। এর নিশ্চিহ্ন হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই”, জানাচ্ছেন ডা. রায়ান।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৮ কোটি শিশু বিপন্ন, ৩০ টি দেশ আক্রান্ত! করোনার পরে মহামারী হয়ে ফিরছে কলেরা?

Cholera Pandemic: টিকাকরণ কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় যে সব রোগ হারিয়ে গিয়েছিল সেগুলি আবার ফিরে আসার উপক্রম হয়েছে। বিশ্বের প্রায় ৮ কোটি শিশুর জীবন বিপন্ন।

কোভিডের পাশাপাশি ছড়াচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা়ও

উৎসবের মরসুমে সারা বিশ্বে দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা়। সেক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। ইনফ্লুয়েঞ্জা় প্রায় অতিমারীর আকার নিয়েছে উত্তর আমেরিকায়। সেখানে ইনফ্লুয়েঞ্জা়য় সব থেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ৬৫ ও তার উর্ধ্বে বয়স্করা এবং ৫ বছরের নীচে শিশুরা। বেড়েছে হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর ঘটনাও। WHO জানাচ্ছে, উত্তর আমেরিকায় চলতি বছরে ইনফ্লুয়েঞ্জা় যে হারে বাড়ছে, বিগত পাঁচ বছরেও এমনটা দেখা যায়নি।

বর্তমানে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে চিন এবং কোরিয়াতে অত্যধিক না হলেও, সেখানকার ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ চিন্তায় ফেলছে WHO-এর মহামারী বিশারদদের। এই মুহূর্তে ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ বা H3N2 সাবটাইপের দাপটই নজরে সবচেয়ে বেশি, জানাচ্ছে WHO। তবে আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এই সাবটাইপটির পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে Influenza A (H1N1) pdm09। অন্যদিকে, ইউরোপে H3N2 সাবটাইপ দাপিয়ে বেড়ালেও, Influenza A (H1N1) pdm09 ও Influenza B-এর উপস্থিতিও চোখে পড়েছে WHO-এর। এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও এই তিন সাবটাইপেরই প্রকোপ বিভিন্ন তারতম্যে দেখা গিয়েছে।

LIVE: Q&A on

with

and Dr

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
করোনার পর ফের মহামারীর সামনে পৃথিবী? কারণ দেখিয়ে ভয়াবহ ইঙ্গিত বিজ্ঞানীদের

Global Warming Pollution: বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য বরফ গলার ফলে কেবল মাটিই উন্মুক্ত হচ্ছে না। কয়েক হাজার বছর ধরে বরফের ভেতর আটকে থাকা ভাইরাস, জীবাণুরাও মুক্তি পাচ্ছে।

.

— World Health Organization (WHO) (@WHO)

ইনফ্ল্যুয়েঞ্জা়র পাশাপাশি উত্তর আমেরিকাতে বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা় লাইক ইলনেস (ILI)। কানাডাতেও হু হু করে বাড়ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা় লাইক ইলনেসের মতো ঘটনা। পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা় লাইক ইলনেসের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে এবং এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু এবং তরুণরা।

বর্তমান পরিস্থিতি মাথায় রেখে, উত্তর গোলার্ধের দেশগুলিতে ইনফ্লুয়েঞ্জার সংক্রমণ প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজে়শন। পাশাপাশি ইনফ্লুয়েঞ্জা়র সংক্রমণ ও রোগের প্রকোপ কমাতে জনসাধারণকে ইনফ্লুয়েঞ্জা়র ভ্যাক্সিন নিতেও আবেদন জানাচ্ছে তারা।

নোভেল করোনাভাইরাসের রূপ বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে, বদলাচ্ছে কোভিড-ভ্যাক্সিনের নকশাও। আমরা ইতিমধ্যেই তৃতীয় প্রজন্মের কোভিড ভ্যাক্সিন ব্যবহার করছি। কিন্তু ভাইরাস যেহেতু ক্রমাগত রূপ বদলাবে, ভবিষ্যতের কোভিড-ভ্যাক্সিনগুলিতেও ক্রমাগত বদল আনতে হবে। "ঠিক এই সমস্যাটা দেখা যায় ইনফ্লুয়েঞ্জা় ভাইরাসের ক্ষেত্রেও। ইনফ্লুয়েঞ্জা়র ভ্যাক্সিনও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা়র নির্দিষ্ট ‘স্ট্রেইন’-কেই প্রতিহত করে মাত্র। তাই আমাদের বারে বারে ইনফ্লুয়েঞ্জা়র ভ্যাক্সিন নিতে হয়", জানাচ্ছেন ডা. রায়ান।

বায়ুবাহিত ভাইরাস থেকে বাঁচতে কী করণীয়?

"আমরা কোভিডের সঙ্গে বাঁচতে শিখে গেছি। বিগত দুই বছর ধরে আমরা সহাবস্থান করছি কোভিডের সঙ্গে। প্রথম প্রথম যেভাবে আমরা আতঙ্কিত হয়েছিলাম, সেই আতঙ্কের রেশ আর নেই বলেই আমার ধারণা।... কিন্তু আমাদের মাথায় রাখতে হবে কোভিডের হাত থেকে বাঁচতে যা যা দরকার, তা কিন্তু সব দেশে এখনও নেই এবং সেখান থেকেই আবারও ছড়াতে পারে এই মারণ ভাইরাস," জানাচ্ছেন ডা. রায়ান।

"এখনও সারা বিশ্বের ৩০ শতাংশ মানুষ ভ্যাক্সিনের একটি ডোজ়ও পাননি। যারা ভ্যাক্সিন এখনও নেননি, তাঁরা যেন অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাক্সিন নেন। নইলে কিন্তু আমরা বারবার কোভিডে আক্রান্ত হতে থাকব", জানাচ্ছেন মারিয়া ভ্যান কারকোভ।

তাঁর মতে কোভিড-১৯, ফ্লু, রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস এবং অন্যান্য বায়ুবাহিত ভাইরাস থেকে নিজেদের বাঁচাতে ভ্যাক্সিন অবশ্যই নিতে হবে। তার পাশাপাশি মাস্ক ও স্যানিটাইজা়রের ব্যবহার করতে হবে। নিজের হাত ঘন ঘন পরিষ্কার রাখা কিংবা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি ঘরের মধ্যে পর্যাপ্ত বায়ুচলাচলের বিষয়টিকেও মাথায় রাখতে হবে। অসুস্থ বোধ করলে নিজেকে সাময়িকভাবে সবার থেকে আলাদা রাখা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার বিষয়টিতেও জোর দিয়েছেন মারিয়া ভ্যান কারকোভ।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।