প্রিয়জনকে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে উপহার? বিটকয়েন নাকি অন্য কিছু দেবেন?

শেষ মুহূর্তে আপনার প্রিয়জনের জন্য কোনো একটি গিফট কেনার  কথা ভাবছেন? কিন্তু ভেবে কুল করতে পারছেন না কি দেওয়া যায়? উপহার সুন্দর পাওয়া যাচ্ছে,  বাজেট মিলছে না, আবার বাজেট মিলল কিন্তু উপহার মনের মতো হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বাজেটের মধ্যেও থাকবে আবার যুতসই হবে এমন উপহারের খোঁজে যদি আপনি ব্রক্ষ্মাণ্ড তাহলে আজকের আলোচনা আপনার জন্যই। এখানে আমরা এমন একটি গিফট অপশনের সুবিধা এবং কার্যকারিতার ব্যাপারে আপনাকে জানাব, যা আপনার সমস্ত সমস্যার সমাধান করার পাশাপাশি আপনার প্রিয়জনকে একটা নতুন আয়ের রাস্তাও খুলে দেবে।

উপহারটি হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি। বিগত এক বছর যাবত ক্রিপ্টোকারেন্সি সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ভারতও খুব একটা পিছিয়ে নেই। বর্তমানে ক্রিপ্টোকারেন্সি জগতে ভারতের বহু বিনিয়োগকারী রয়েছেন যারা বিটকয়েন এবং ইথিরিয়ামের মত ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে নিয়মিত লেনদেন করে থাকেন। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে, বিশ্বের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জন মানুষ উপহার হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি পেতে পছন্দ করেন। গত নভেম্বর মাসে বিটকয়েন এবং ইথিরিয়াম গ্লোবাল স্টক মার্কেটে একটা বিশাল জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। তারপর থেকে এই দুটি ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম কিছুটা হলেও হ্রাস পেয়েছে ভারতের মার্কেটে। সঙ্গে রয়েছে কিছু অনলাইন লেনদেনের অ্যাপ, যারা এই ক্রিপ্টোকারেন্সিকে জনপ্রিয় করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো পেপাল, ভেনমো। আর এইগুলিকে সহায়তা করতেই আছে বিটকয়েনে বিনিয়োগ করার একাধিক অ্যাপ্লিকেশন, যেমন - গ্রো, কয়েনসুইচ কুবের, রবিনহুড।

এরকম কিছু অ্যাপের মাধ্যমেই আজকাল ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার আরো সরল হয়েছে।  নিউইয়ার কিংবা কোন বিশেষ উপলক্ষের গিফট অপশন হিসেবে উঠে এসেছে ক্রিপ্টো। তবে, ক্রিপ্টো বিশেষজ্ঞদের অভিমত, যদি আপনি কোনও বিশেষ উপলক্ষ্য়ে কাউকে ক্রিপ্টোকারেন্সি উপহার হিসেবে দিতে চান তাহলে আপনাকে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রথমে আপনাকে জানতে হবে, আপনি যাকে ক্রিপ্টোকারেন্সি উপহার দিচ্ছেন, তিনি কি আদৌ এই ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যাপারে উৎসাহী? ভারতে এখনো অনেক মানুষ আছেন যাদের এই ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কিছুটা অনীহা রয়েছে। তারা এই ধরনের ডিজিটাল কারেন্সি একেবারেই ব্যবহার করতে উৎসাহী থাকেন না। আপনার প্রিয়জন যদি সে রকম কোনও মানুষ হন, তাহলে এই উপহার তার কোনও কাজেই লাগবে না। 

তবে শুধু এটুকুই নয়, ক্রিপ্টোকারেন্সি উপহার দেওয়ার আরও কিছু অসুবিধে রয়েছে। চলুন সেগুলোর ব্যাপারে আরেকটু বিস্তারিত জানা যাক এবং দেখা যাক, ভারতের মতো দেশে যেখানে সিংহভাগ মানুষ এখনো ক্যাশ অথবা নেট ব্যাংকিং এবং ইউপিআই এর মাধ্যমে লেনদেন করতে অভ্যস্ত, সেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি কী ভাবে হয়ে উঠতে পারে একটি আদর্শ উপহার। 

কোন ক্রিপ্টোকারেন্সিটি উপহার দেবেন? 

বর্তমানে বিশ্ব বাজারে এক হাজারের কাছাকাছি ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রচলিত রয়েছে। কিন্তু সব ক্রিপ্টোকারেন্সি একই রকমভাবে কিন্তু জনপ্রিয় নয়। বর্তমানে ভারতে যে সমস্ত ক্রিপ্টোকারেন্সি বেশি প্রচলিত তার মধ্যে জনপ্রিয়তার দিক থেকে সবথেকে উপরে রয়েছে বিটকয়েন। তার পরেই দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডজিকয়েন এবং ইথিরিয়াম। বিশ্ব মার্কেটের একটি সমীক্ষা বলছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের ঝুঁকি থাকার দরুন এই তিনটি ক্রিপ্টোকারেন্সি মধ্যে  যে কোনও একটি যদি আপনি উপহার হিসেবে দেন তাহলে আপনি সব দিক থেকে সুরক্ষিত থাকবেন। 

ক্রিপ্টোকারেন্সির ঝুঁকি -

ক্রিপ্টোকারেন্সি আদতে কিন্তু অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিনিয়োগ। যারা ক্রিপ্টো বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তারা বলেন, কখনোই ৫% এর বেশি পরিমাণ টাকা ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিনিয়োগে খরচ করবেন না। আর ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে যখনই লেনদেন করবেন, তখন সেই লেনদেনটি দীর্ঘসময়ের জন্য করবেন। অনেকটা শেয়ার মার্কেটের মতই ক্রিপ্টোকারেন্সির দীর্ঘ লেনদেনে আপনার আয়ের পরিমাণ হয়তো একটু কমবে, কিন্তু বিনিয়োগগত ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে ফেলতে পারবেন আপনি। 

দ্বিতীয়ত, আপনার ভবিষ্যতের জন্য করা সেভিংস কখনো ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসেবে রাখবেন না। ক্রিপ্টোকারেন্সি আপনাকে বিনিয়োগের পর অনেক বেশি টাকা আয় করার সুযোগ দিলেও এই ধরনের কারেন্সির ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি সমস্যা হয়ে যায় বিনিয়োগের ঝুঁকি। ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে কখনও কোনও রকম স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করবেন না। ভবিষ্যতের জন্য কখনও ক্রিপ্টোকারেন্সি সেভিংস হিসেবে রাখবেন না, কারণ এর মূল্য সব সময় এক্সচেঞ্জ ভ্যালু এবং স্টক মার্কেটের উপর নির্ভর করে। যদি কখনও স্টক মার্কেট নীচে নামে, তাহলে আপনার জমিয়ে রাখা ক্রিপ্টোকারেন্সি নিজের মূল্য এতটাই হারাবে, যে আপনি দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে পড়তে পারেন।

আরও পড়ুন-বছর শেষ হোক পিটার ক্য়াটের চেলো কাবাবে, বানিয়ে ফেলুন বাড়িতেই

যদি আপনি নিজের প্রিয়জনকে ক্রিপ্টোকারেন্সি গিফট করতে চান, তাহলে আগে জেনে নেবেন সেই ব্যক্তি ক্রিপ্টোকারেন্সির সমস্ত রকম ঝুঁকির ব্যাপারে এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের ব্যাপারে ভালোভাবে সবকিছু জানেন কিনা। ইথেরিয়াম এবং বিটকয়েন ২০২১ বছরটিতে দারুণভাবে স্টক মার্কেটে নিজের জায়গা দখল করেছে। এই বছরের শুরুতে বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের দাম শুরু হয়েছিল ৩০,০০০ মার্কিন ডলারের কিছুটা না‌ীচে থেকে। সেই দাম নভেম্বর ২০২১ এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮,০০০ মার্কিন ডলারে। কিন্তু এই দাম একেবারেই স্থবির সেরকম কিন্তু নয়। যদি কোন কারণে স্টক মার্কেট ড্রপ করে, তাহলে মুহূর্তের মধ্যে এই বিটকয়েনের দাম ৮৬,০০০ মার্কিন ডলার থেকে ৪০,০০০ মার্কিন ডলার হয়ে যেতে পারে। তাই এই ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ হঠাৎ করেই করে দেওয়া যায় না। আপনাকে স্টক মার্কেট নিয়ে আগে চর্চা করতে হবে, এবং তারপরেই আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সির বিনিয়োগ নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে পারেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি ও আয়কর - 

বিটকয়েন এবং ইথিরিয়াম এর মত ক্রিপ্টোকারেন্সি সাধারণত একপ্রকার বিকেন্দ্রীকৃত মুদ্রা ব্যবস্থা। এগুলো সাধারণত কাজ করে ব্লকচেইন টেকনোলজির উপরে এবং কিছু কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সঙ্গে এই ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি সংযুক্ত থাকে। সারা বিশ্বের মানুষ এই ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করেন এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে এই ক্রিপ্টোকারেন্সির সমস্ত সুবিধাগুলি গ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু সব থেকে বড় প্রশ্ন হল, বিকেন্দ্রীকৃত মুদ্রা হওয়া সত্ত্বেও ক্রিপ্টোকারেন্সির উপরে কি ট্যাক্স পড়ে? উত্তরটা হলো, হ্যাঁ। তবে সরাসরি নয়। ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্যাক্স এর আওতায় পড়বে, কিন্তু একটু ঘুরপথে। 

আরও পড়ুন-বাঙালির ইয়েতি অভিযান, সিনেমা নয়, এই গল্পটা সত্যিই…

ভারতে যে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং আর্থিক সংস্থা রয়েছে সেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ২০১৮ সালের গাইডলাইনস অনুযায়ী এই ধরনের আর্থিক সংস্থায় বিকেন্দ্রীকৃত কোনরকম মুদ্রার লেনদেন সম্পূর্ণরূপে আইনবিরুদ্ধ। এরপর, ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্ট এই ধরনের ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে একটি নতুন রায় ঘোষণা করে। বহু প্রতীক্ষিত সেই রায়ের পর ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ ভারতে আইনি ছাড়পত্র পায়। এখনও পর্যন্ত কোন আইনি টেন্ডার না থাকলেও, আপনি যদি ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে কোনও রকম লেনদেন করেন, তাহলে আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে। আয়কর আইন ১৯৬১ এর রুল বুকে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কোনোরকম সঠিক গাইডলাইনস দেওয়া নেই। তাই, যদি আপনি প্রতিনিয়ত ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করেন তাহলে আপনি যে আয় করবেন তা ব্যবসায়িক আয় হিসেবে চিহ্নিত করবে কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থাৎ সে ক্ষেত্রে আপনাকে আয়কর দিতে হবে ব্যাবসায়িক আয় সংগত আইন অনুসারে।

কী ভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সি পাঠাবেন?

কাউকে উপহার হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি পাঠানোর মূলত দুটি রাস্তা রয়েছে। একটি হলো আপনি গিফট কার্ড এর মাধ্যমে কাউকে ক্রিপ্টোকারেন্সি পাঠাতে পারেন। অপর রাস্তাটি হল আপনি নিজের ক্রিপ্টো ওয়ালেট থেকে সেই ব্যক্তির ক্রিপ্টো ওয়ালেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি পাঠিয়ে দিতে পারেন। তবে আপনাকে জানিয়ে রাখি, যদি আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেন তাহলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। কিন্তু আপনার প্রিয়জন যদি প্রথমবার ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করেন, সে ক্ষেত্রে আপনি ওয়ালেট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে তাকে ক্রিপ্টোকারেন্সি উপহার দিন। সে ক্ষেত্রে তিনি আরও কিছু সুবিধা পেয়ে যাবেন নিজের প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জে। 

তবে, ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ হোক, অথবা গিফট কার্ড এর মাধ্যমে উপহার দেওয়া, যিনি পাঠাবেন তার কাছে আগে থেকে একটি উন্নত মানের ক্রিপ্টো ওয়ালেট থাকতে হবে, তার সঙ্গেই লাগবে একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্ট না থাকলে আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সি কোন ভাবেই আপনার প্রিয়জনকে পাঠাতে পারবেন না উপহার হিসেবে। অন্যদিকে, আপনি যাকে উপহার পাঠাবেন তার কাছেও এক্সচেঞ্জ অ্যাকাউন্ট এবং ক্রিপ্টো ওয়ালেট থাকতে হবে। যদি তার কাছে এরকম কোনও ওয়ালেট ও অ্যাকাউন্ট না থাকে তাহলে আগে সেই ব্যক্তিকে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলুন এবং সেখানে একটি ওয়ালেট সংযুক্ত করতে অনুরোধ করুন।

ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ চার্জ -

ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে আপনি যদি কাউকে উপহার দিতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই আরো একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে এবং সেটা হল ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ চার্জ। যদি আপনি একটি ওয়ালেট থেকে অন্য ওয়ালেটে ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ করেন তাহলে বেশ কিছু জায়গায় আপনাকে বেশ মোটা অঙ্কের চার্জ দিতে হয়। আপনি কি ধরনের বিনিয়োগ এবং এক্সচেঞ্জ করছেন তার নিরিখে একাধিক চার্জ রয়েছে। প্রত্যেকটি ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ এর ক্ষেত্রে সেই চার্জ আপনাকে দিতে হবে। 

কিন্তু যদি আপনি শুধুমাত্র ওয়ালেট থেকে ওয়ালেটে ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ করতে চান তাহলে আপনি কয়েনবেস ওয়ালেট ব্যবহার করতে পারেন। কয়েনবেসের মাধ্যমে যদি একটি ওয়ালেট থেকে অন্য ওয়ালেটে আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সি পাঠান তাহলে কয়েনবেস কোন অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করে না। কিন্তু আপনি যাকে পাঠাবেন তিনি যদি কয়েনবেস থেকে নিজের ক্রিপ্টোকারেন্সি অন্য কোথাও নিয়ে যান, তাহলে তাকে অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে, এবং ট্রানজাকশন এর খরচ বেশ ভালই। তবে যদি আপনি ক্রিপ্টো গিফট কার্ডের মাধ্যমে কাউকে ক্রিপ্টোকারেন্সি উপহার দিতে চান তাহলে আপনার অতিরিক্ত খরচ একটু কম হবে। কয়েনবেস, বিনানস, ক্যাশঅ্যাপ, রবিনহুডের মত অ্যাপ আপনাকে গিফট কার্ডের সুবিধা দিয়ে থাকে। সেই সমস্ত অ্যাপ থেকে ক্রিপ্টো গিফট কার্ড কিনে আপনি আপনার প্রিয়জনের কাছে সেটি পাঠিয়ে দিতে পারবেন। এগুলি সাধারণত রিটেইল গিফট কার্ডের মতই কাজ করবে। তবে সেই গিফট কার্ড সময় মতো ক্লেইম করতে হবে এবং সেই কার্ড ব্যবহার করতে হবে। নাহলে এই কার্ড একটা সময় পরে বাতিল হয়ে যাবে।

More Articles

;