"দলিত এখন একটা ফ্যাশন"! আম্বেদকরের আর প্রয়োজন কোথায়?

B R Ambedkar and Dalits: পাড়ার দোকানে ডিম কিনতে গেলে পাড়ার ছেলে ছোকরাদের জটলা থেকে ভেসে আসে, “এসব মণ্ডল ফণ্ডল ডি এম দিয়ে কি কোনও কাজের কাজ হয়?”

Amrita Sarkar
৪ মিনিট
"দলিত এখন একটা ফ্যাশন"! আম্বেদকরের আর প্রয়োজন কোথায়?

“দলিত এখন একটা ফ্যাশন”

গত বছর একটা গল্প পাঠের আসরে এই মন্তব্যটি করেন একজন শ্রোতা। দলিতসাহিত্য নিয়ে কাজ করি শুনলে বহু মানুষ বলে ফেলেন, “দলিত ব্যাপারটা এখন লোকে খুব খায়”। কেউ বলেন “ভিকটিম কার্ড খেলে এরা”। স্বাধীনতার পর এতগুলো বছর তো কেটে গেল, এখনও কেন প্রয়োজন রিজার্ভেশনের, যখন আমরা চারদিকে দলিত দেখতে পাই না, কারণ বর্ণরিক্তরা মিলে মিশে গেছে বর্ণহিন্দুদের সঙ্গে। আমরা পাশাপাশি বসে কাজ করি, রাস্তায় চলি, দোকান বাজারে যাই, একই টেবিলে বসে খাই, ছোঁয়াছুয়িতে কোনও বাধানিষেধ নেই। তাহলে আর কেন আম্বেদকর প্রাসঙ্গিক? আমরা তাঁকে মনে রাখব স্বাধীন ভারতের সংবিধান রচয়িতা হিসেবে? আম্বেদকর ১৯৩০ সালে গোলটেবিল বৈঠকের পর ১৯১৯ সালের সংবিধানে দলিত সংক্রান্ত কিছু সংশোধনী প্রণয়ন করেন যা স্বাধীন ভারতের সংবিধানেও প্রযোজ্য হয়। এই সংশোধনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো, দলিতের সমনাগরিকত্ব এবং দলিতের সমনাগরিকত্বের মূল নীতি লঙ্ঘনকারীদের শাস্তি প্রদান। সংবিধানে বলা রয়েছে, যে ভারতীয় নাগরিক একজন দলিতকে হোটেলে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, পথে ঘাটে, অলিতে গলিতে, জলে,স্থলে, অন্তরীক্ষের কোনও পরিবহনে কোনও না কোনওভাবে অচ্ছুৎ প্রতিপন্ন করবেন বা কোনও না কোনওভাবে অপরায়িত করবেন সেই ভারতীয় নাগরিককে জরিমানা সহ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অর্থাৎ দলিতকে দেওয়া হলো রক্ষাকবচ যাতে সে মানুষের জীবন বাঁচতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোনও পক্ষকে রেয়াত করেননি, হিন্দুত্বকে দূরে ঠেলে কেন বৌদ্ধধর্ম বেছেছিলেন আম্বেদকর?

Ambedkar and Buddhism: আম্বেদকর ব্রিটিশ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন, দলিতদের সংখ্যালঘু ঘোষণা করা হোক।

আম্বেদকরের এই রক্ষাকবচ দলিতকে খানিক বাতাস ধার দিল শ্বাস নেওয়ার জন্য। ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদী সমাজ মানতে বাধ্য হলো লেখাপড়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে দলিতের প্রবেশাধিকার। কিন্তু মেনে নেওয়া আর মনে নেওয়া এক বিষয় নয়। মোটা দাগের ব্রাহ্মণ্যবাদ এই ছুঁচো গিলতে বাধ্য হলেও, নয়া ব্রাহ্মণ্যবাদ দলিতকে অপরায়ণের আপাত সূক্ষ্ণ নানা ফিকির খুঁজেই নেয়। তাই এখন অপরীকরণের উপায়গুলি লুকনো ছুরির মতো সংক্ষিপ্ত ও ধারালো, রক্তক্ষরণ তাতে কমেনি কিছুমাত্র। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কর্মক্ষেত্রে একজন দলিত শিক্ষক হিসেবে যখন শুনতে হয়, কোটায় চাকরি পাওয়া, যখন প্রতি মুহূর্তে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের বাড়তি দায় এসে বর্তায়, বর্ণহিন্দু সহকর্মীরা যখন ঠাট্টার ছলে নিজেদের পৈতে এবং কৌলীন্যের গর্ব করেন, তখন একজন দলিত হিসেবে অপরায়িত হওয়ার যে উদ্বেগ-আতার-যন্ত্রণা হয় তার কি বিন্দুমাত্র বদল হয়েছে? উত্তর হলো, না। রোজকার জীবনে সহজেই ক্যাজুয়াল কাস্টিজম চর্চা করা হয়। দলিত পদবিধারী ডাক্তারের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বর্ণহিন্দুর অধিকারের মধ্যে পড়ে। পাড়ার দোকানে ডিম কিনতে গেলে পাড়ার ছেলে ছোকরাদের জটলা থেকে ভেসে আসে, “এসব মণ্ডল ফণ্ডল ডি এম দিয়ে কি কোনও কাজের কাজ হয়?”

দেখা যাচ্ছে, আম্বেদকরের দেওয়া রক্ষাকবচ দলিতের অর্থনৈতিক ও শিক্ষাগত পরিসরে ঢোকার ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা সাহায্য করেছে। তাই ‘মণ্ডলফণ্ডল’রা আজকাল ডিএমের চেয়ারে বসতে পারেন, আমার মতো জাতে ‘চাঁড়াল’রা কনৌজি, বারিন্দ, রাঢ়ী, মৈথিল এবং আরও বিবিধ ‘সম্ভ্রান্ত’ ‘কা-বা-ব’দের (কায়েত-বামুন-বদ্যি) মাঝে অপাচ্য হাড্ডিসম হয়ে আকাডেমিক চর্চাও করতে পারছে খানিক। সাহিত্যের পরিসরে আমরা দেখি মনোরঞ্জন ব্যাপারীর মতো ‘চণ্ডাল’ নিজের জীবন লিখছেন প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মণ্যবাদী সাহিত্যের ধারাকে তোয়াক্কা না করেই। সেই লেখা সর্বভারতীয় স্তরে সুপরিচিত ও পুরস্কৃত হচ্ছে। খুব মজার ব্যাপার হলো যেদিন মনোরঞ্জন ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার তরফ থেকে সেই বছরের শ্রেষ্ঠ ‘নন-ফিকশন’ পুরস্কারটি পেলেন, তার নিজের রাজ্যের তথাকথিত ‘রুচিশীল’ সংবাদপত্রগুলির একটিরও প্রথম পাতায় ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়নি। এই নীরবতা দলিতের প্রতিস্পর্ধা নিয়ে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের আশঙ্কা ও ঘৃণাকে সরব করে তোলে। এই ঘৃণা আসলে আম্বেদকরের প্রতি ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদীদের পুঞ্জীভূত অবচেতনে বয়ে চলা ঘৃণা, তার চেয়েও বেশি ঘৃণা আম্বদেকরের দেওয়া রক্ষাকবচকে। এই অবচেতনের আরও গভীরে গেলে আমরা দেখতে পাব সেই দু' হাজার বছর বয়সি ব্রাহ্মণ্যবাদীকে যে ‘সেলফ অ্যান্ড আদার’-এর গঠন মেনে নিজের চেয়ে আলাদা যা কিছু তার প্রতিই পোষণ করে চূড়ান্ত সন্দেহ, ঘৃণা এবং বিবমিষা। এই অপরায়নের পরিসরে গায়ের রঙ থেকে শুরু করে, গায়ের গন্ধ, নাক-চোখের গঠন, উচ্চারণ ভঙ্গিমা, খাদ্যরুচি, পোশাক , রঙের রুচি, পরিচ্ছন্নতাবোধ, আবেগের প্রকাশভঙ্গি সবকিছুই পড়ে। অপরায়িত হওয়ার ভয় একজন ‘চাঁড়াল’ কিশোরীর মনে সারাজীবনের জন্য গেঁথে যায় যখন তার মাস্টারমশাইয়ের তথাকথিত রাবীন্দ্রিক রুচিশীল স্ত্রী গল্পের ছলে ফিসফিসিয়ে বলে ওঠেন, “নমঃশূদ্রদের গা থেকে, এমনকী ওদের বালিশ বিছানা থেকে কীরকম নোংরা, চিটচিটে একটা গা-গোলানো গন্ধ আসে না!”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গান্ধীকে পছন্দ ক‍রি না, কেন বলেছিলেন আম্বেদকর?

Mahatma Gandhi: ক্ষুব্ধ আম্বেদকর বলেছিলেন, "আমি আবারও জোর দিয়ে বলছি, আমি গান্ধীকে অপছন্দ করি, কারণ এই দেশের প্রতি প্রেম আমার বেশি।"

একবিংশ শতাব্দীর নয়া ব্রাহ্মণ্যবাদ উপরে উল্লিখিত ঘটনাগুলির মতো মোটাদাগের অপরায়ন করবে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত শ্রেণির দেখতে ‘ভদ্রলোক’ দলিতকে তার পাশে বসাবে, একই টিফিনবাক্স থেকে খাবার ভাগ করে খাবে, কিন্তু দলিতের প্রতিটি সামাজিক উন্নতিকে দেগে দেবে যোগ্যতাহীনতা, ধান্দাবাজি, ভিকটিম-কার্ড খেলা এবং আইডেন্টিটি-পলিটিক্সের খারাপ দিক হিসাবে। নয়া ব্রাহ্মণ্যবাদীরা আম্বেদকরের রক্ষাকবচকে ভেঙে ফেলতে আগে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে আগে ‘হান্ড্রেড পয়েন্ট রোস্টার’ না মেনে দলিতদের জন্য সংরক্ষিত আসন, সচেতনভাবে অসংরক্ষিত করে দিত; এখন তারা উচ্চশিক্ষায় গবেষণার ক্ষেত্রে ‘এন এফ এস’ (নান ফাউন্ড স্যুটেবল) নোটিশ দিয়ে উচ্চশিক্ষায় দলিতের প্রবেশাধিকার যতটা সম্ভব আটকাবার চেষ্টা করে।

আম্বেদকরের রক্ষাকবচের সবচেয়ে বড় সুফল দলিত পেয়েছে সরকারি ইস্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ইত্যাদি পরিসরকে ব্যবহার করে। সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়েই গড়ে উঠেছে দলিত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণিটি। ভারতীয় দলিতের যে স্বর আজকে শোনা যায় তা এই সরকারি শিক্ষাব্যবস্থারই সুফল। নয়া ব্রাহ্মণ্যবাদীরা দলিতকে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত করার জন্য সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাটিকেই ভেঙে দিতে তৎপর। এরা নব্য উদারপন্থার মুখোশ নিয়ে আসে। সেই উদারপন্থা যা আপাতভাবে ‘যোগ্যতর ভোগ্যা বসুন্ধরা’ স্লোগান দিয়ে তিন হাজার বছরের দলিতকে নিষ্পেষিত করার ইতিহাসকে মুছে ফেলতে চায়। সরকারি শিক্ষা ও সরকারি চাকরির পরিসর সংকুচিত হয়ে আসা মানে অবশ্যই দলিতকে আম্বেদকরের দেওয়া রক্ষাকবচ থেকে বার করে নিয়ে আসা। তাই ভারতবর্ষে নয়া উদারপন্থা ব্রাহ্মণ্যবাদের নয়া ক্যামোফ্লেজ কিনা তা নিয়ে একজন দলিত বারংবার প্রশ্ন করবে, এখানেই আম্বেদকরের প্রাসঙ্গিকতা। এই প্রশ্ন না থাকলে একজন ‘দলিত’ আদৌ দলিত কিনা তা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যায়।

লিখেছেন
Amrita Sarkar
Amrita Sarkar
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।