খোদ মমতার বিরুদ্ধেই তোপ! তমলুকে হেরে হঠাৎ কেন ভোলবদল ‘তাজা নেতা’ দেবাংশুর?

Debangshu Bhattacharya Facebook Post: রবিবার ফেসবুকে সেই ক্ষোভ নিয়ে মুখ খোলেন দেবাংশু। দলনেত্রীর বক্তব্যকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করেই নিজের কাজ করার খতিয়ান দিলেন তমলুকের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী।

Sohini Das
৪ মিনিট
খোদ মমতার বিরুদ্ধেই তোপ! তমলুকে হেরে হঠাৎ কেন ভোলবদল ‘তাজা নেতা’ দেবাংশুর?

লোকসভা ভোটে তৃণমূল তমলুকে আস্থা রেখেছিল দেবাংশু ভট্টাচার্যতে। প্রতিপক্ষ ছিল প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যাকে লড়াইয়ের প্রতিটি ধাপে কার্যত কৃষ্ণের মতোই সাহায্য করে গিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তমলুক শুভেন্দুর গড়। ফলে সেখানে দেবাংশুর লড়াই সহজ ছিল না। যে তেরোটি আসনে গো-হারা হেরেছে তৃণমূল, তার মধ্যে অন্যতম তমলুক। অভিজিতের কাছে প্রায় ৭৭ হাজার ৭৩৩টি ভোটের হেরেছেন তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। এবার সেই তমলুকে হারের জন্যই দলনেত্রীর তোপের মুখে পড়তে হল দেবাংশুকে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে বরাবরই সুনাম রয়েছে দেবাংশুর। তৃণমূলের জনপ্রিয় গান 'খেলা হবে'-র রচয়িতা দেবাংশুর তৃণমূলে উত্থানপর্ব তাক লাগানোর মতোই। তবে লোকসভা ভোটে তমলুকের মতো জরুরি কেন্দ্র দখল না করতে পারায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ এসে পড়েছে দেবাংশুর উপরে। তবে দেবাংশুও ছেড়ে কথা বলার পাত্র নয়। ফেসবুককে অস্ত্র করেই উত্থান দেবাংশুর। তাঁর যোগ্যতা বা পরিশ্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সেই ফেসবুকেই উত্তর দিলেন দেবাংশু।

এতদিন প্রায়শই মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে 'মা' সম্বোধন করতেও শোনা গিয়েছে দেবাংশুকে। এবার সেই দলনেত্রীর বিরুদ্ধেই গর্জে উঠলেন তাজা নেতা। সূত্রের খবর, সম্প্রতি দেরি করে প্রচারে বেরোনো নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষোভের মুখে পড়েন দেবাংশু। শনিবার দেবাংশুকে ভর্ৎসনা করে মমতা বলেন, ‘তোমাকে আরও পরিশ্রমী হতে হবে। তোমার মতো বয়সে যখন আমি ভোটে দাঁড়িয়েছিলাম তখন সকাল ৭টায় প্রচারে বেরিয়ে যেতাম। আর শুনছি তুমি বেলা ১২টার আগে বাড়ি থেকেই বেরোওনি। এমনকী ভোটের দিন নন্দীগ্রামে যাওনি।’

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফেসবুক থেকে টার্গেট সংসদ! দেবাংশু ভট্টাচার্যের উত্থানের গতি অবাক করবে...

Debangshu Bhattacharya Tamluk Lok Sabha: ২০১১ সালে প্রথম দেবাংশু একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে শুরু করেন।

তার পরেই রবিবার ফেসবুকে সেই ক্ষোভ নিয়ে মুখ খোলেন দেবাংশু। দলনেত্রীর বক্তব্যকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করেই নিজের ‘পাগলের মতো’ কাজ করার খতিয়ান দিলেন তমলুকের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী। তিনি লিখেছেন, ‘‘সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠে টয়লেট সেরে, স্নান করে, এক বাটি ছাতুর শরবত খেয়ে রোজ বেরিয়ে পড়তাম সকাল ৮–টার মধ্যে। প্রবল রৌদ্রে দুপুর ১ টা পর্যন্ত প্রচার চলত। তারপর ঠিকানায় ফিরে একটু গা ধুয়ে, দুপুরের খাওয়া সেরে পুনরায় ৩ টে নাগাদ রওনা দিতাম। চলত রাত্রি ৯-টা পর্যন্ত.. কখনও কখনও সেটা সাড়ে দশটাও বাজত। রাতে নিমতৌড়ির বাড়িতে ফিরে খাবার খেয়ে শুরু হত বিভিন্ন নেতা, কর্মীদের সাথে বাড়ির অফিসে অভ্যন্তরীণ মিটিং , কখনও কখনও সেসব মিটিং চলেছে রাত্রি ২-টো পর্যন্তও..। মিটিং শেষে ঘুমিয়ে আবার পরের দিন সকালে ৬ টায় ওঠা..। তমলুকের দলীয় কর্মীরা, যারা সেই বাড়িতে প্রায়শই আসতেন তারা সকলেই এই রুটিন জানেন।’’ অর্থাৎ দেবাংশুর কথায়, তিনি যথাবিধি পরিশ্রম করেছেন এবং যথাসময়ে প্রচারেও বেরিয়েছেন।

এখানেই শেষ নয়, নিজের পরিশ্রমের ‘প্রমাণ’ হিসাবে তিনি লিখেছেন, ‘‘মার্চে ওজন ছিল ৮৩ কিলো। যা আজ কমে ৭৭.. সৌজন্যে শেষ আড়াই মাস। এই ৬ কিলো ওজনের বিনিময়ে ৬ লক্ষ ৮৭ হাজার মানুষের ভালবাসা পেয়েছি, আশীর্বাদ পেয়েছি। সেটাই আমার কাছে এই নির্বাচনের নির্যাস...।’’ দেবাংশু জানান, পরিশ্রমে নিজের ১০১% দিয়েছি। যা করতে পারি তার বেশি করেছি। আমার টিম, আই প্যাকের কয়েকজন এবং পর্যবেক্ষক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় উন্মাদের মত পরিশ্রম করেছে। সাথে প্রাণপাত করে দিয়েছেন বুথ স্তরের দলীয় কর্মীরা..'

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তমলুকে দেবাংশুকে জেতানোর প্রশ্নে তৃণমূলই হাত তুলে নিচ্ছে?

Debangshu Bhattacharya Tamluk: সায়ন যত ভোট বাড়াতে পারবেন, দেবাংশুর তত সুবিধা। হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে লক্ষ্মণ শেঠ উত্তর বাম ভোট গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে।

নিজের হারের পিছনে মূলত দুটি কারণের দিকেই আঙুল তুলেছেন দেবাংশু। তার একটি হল ‘টাকার কাছে হার’! দেবাংশু লিখেছেন, ‘‘নিজেদের সবটা দেওয়ার পরেও অর্থের কাছে হেরে গিয়েছি। এত কোটি কোটি টাকার বিরুদ্ধে আমাদের স্বল্প ক্ষমতার লড়াই ব্যর্থ হয়েছে। গোটা জেলায় নেতা-কর্মী নয়, ভোট করিয়েছে কেবল টাকা।’’ তিনি জানান, ‘‘নিজেদের সবটা দেওয়ার পরেও বেইমানি আর অর্থের কাছে হেরে গিয়েছি। এত কোটি কোটি টাকার বিরুদ্ধে আমাদের স্বল্প ক্ষমতার লড়াই ব্যর্থ হয়েছে।’’ তিনি আঙুল তুলেছেন নন্দীগ্রাম বা ময়নার মতো জায়গায় তৃণমূলের সাংগঠনিক দুর্বলতার দিকেও। লিখেছেন,‘‘নন্দীগ্রাম-ময়নার বাকচা অঞ্চলে তৃণমূল নাম উচ্চারিত হলে মারধর, এমনকি প্রাণহানিও সেখানে নতুন নয়। দলের ঝান্ডা বাঁধার লোক অবধি সেখানে নেই। সেই পরিস্থিতে সবটা এতটা একপেশে হয়ে গিয়েছিল, এক সময়ে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছিল এই নির্বাচন এখন লড়া, না লড়া সমান ব্যাপার। তবুও আমরা হাল ছাড়িনি! দেবাংশু কথায়, পরিস্থিতির সুযোগে আমার বিপরীতের প্রার্থী আধা বেলা প্রচার না করেও জিতে গিয়েছেন.. আর আমি পাগলের মত বুথ বুথ ঘুরেও জিততে পারিনি।’’

তমলুকের মতো জরুরি কেন্দ্রে যে দেবাংশুর উপরে আস্থা রেখেছিল তৃণমূল নেতৃত্ব, সেই দেবাংশুর গলায় এ হেন সুর শুনে স্বাভাবিক ভাবেই হতবাক তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা।রবিবার তাঁর এই ফেসবুক পোস্টের পরেই জোর বিতর্ক শুরু হয়ে যায় বিষয়টি ঘিরে। তৃণমূলের মুখপাত্র শান্তনু সেন এই পোস্ট দেখার পর নিজের বিরক্তি গোপন রাখেননি। তাঁর মতে, নিজের ভাল চাইলে তরুণ দেবাংশু নেত্রীর কথা অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন। তৃণমূল নেত্রীর কাছে বকাঝকা খেয়েছেন, এমন নেতানেত্রী কম নেই তৃণমূলে। একসময় তৃণণূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রও যথেষ্ট বকা খেয়েছেন মহুয়া। আবার বিপদের দিনে মহুয়ার পাশেই দেখা গিয়েছে মমতাকে। দলের বেশিরভাগ সদস্যই বিশ্বাস করেন, মমতা যা বলেন, তা আসলে ভালোর জন্যই বলেন। শুধু রাজনীতিতেই নয়, দলের অন্দরেও বড় দিদি, অভিভাবকের মতোই থাকেন মমতা। তৃণমূলের মুখপাত্র শান্তনু এ সম্পর্কে জানান, ‘‘দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই শেষ কথা, তাঁর বলা কথাকে কনট্রাডিক্ট না করে শিরোধার্য করা উচিত। তিনি যা বলেন, আমাদের ভালোর জন্য, দলের ভালোর জন্য।’’

আসলে দলীয় শৃঙ্খলা অনুযায়ী, দলের ভিতরের কথাবার্তা দলের অন্দরেই থাকার কথা। সে নিয়ে বাইরে কথা বলা শোভন তো নয়ই, তা দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী। তবে কি দলের কনডাক্ট ভেঙে নিজের বিপদই ডেকে আনলেন দেবাংশুকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অভিষেক, বারবার দেবাংশুকে ভাতৃসম বলে আখ্য়া দিয়েছেন। সেই দেবাংশুই ভোটে হারতেই পাল্টি খেলেন ১৮০ ডিগ্রি। এমনকী দলনেত্রীর ভর্ৎসনা ঘিরে যে ভাবে জট পাকিয়েছেন দেবাংশু, তাতে দলীয় অন্তর্কলহের দিকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ফের। দু'দিন আগেই শুভেন্দুর সুরে সুর মিলিয়ে দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধেই তোপ দাগতে দেখা গিয়েছিল দেবাংশুকে। তিনি দাবি করেছিলেন, দু'নৌকায় পা দিয়ে চলে দলের বিভিন্ন পদ সামলানো যায় না। ভোটে লড়তে গিয়ে তাঁকে এ ধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। সেই নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক হয়। সেই বিতর্কের রেশ ফুরোতে না ফুরোতেই নয়া বিতর্কে জড়ালেন দেবাংশু। দলনেত্রীর বকাঝকার উত্তরে যে উগ্রতা তিনি দেখিয়েছেন, তাতে তার রাজনৈতিক কেরিয়ার চাপের মুখে পড়বে না তো? নানা মহল থেকে আপাতত উঠছে সেই প্রশ্নই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?