মোদি ঘনিষ্ঠতার ছাপ স্পষ্ট, প্রধান বিচারপতি কি বিশ্বাসভঙ্গ করলেন?

Chief Justice of India: ভারতের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে সর্বপ্রথম এই দৃশ্য দেখা গেল, একজন কর্মরত প্রধান বিচারপতি, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করেছেন একটি বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে।

suman sengupta
৫ মিনিট
মোদি ঘনিষ্ঠতার ছাপ স্পষ্ট, প্রধান বিচারপতি কি বিশ্বাসভঙ্গ করলেন?

সময়টা ভুয়ো তথ্যের, সময়টা ছবি আর ভিডিওর। লেখা পড়া বা তা পড়ে অনুধাবনের সময় এটা নয়। ফলত যা হবার তাই হচ্ছে, মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন। মিথ্যে ভাবছেন, মিথ্যে ছড়াচ্ছেন এবং মিথ্যে বিশ্বাস করছেন। ভয় হচ্ছে এমন একটা সময় আসতে চলেছে, যেখানে আর কোনও সত্যিকেই বিশ্বাস করতে সমস্যা হবে। আজকের আরজিকরের জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রাসঙ্গিক। একদিন শোনা গেল, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে নাকি আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরিবারের কোনও একটি যোগসূত্র আছে। একটি সরকারি অনুষ্ঠানের ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হল, বোঝাপড়া আছে বলেই তিলোত্তমার বিচার নিয়ে এত টালবাহানা হচ্ছে। তারপরে সর্বোচ্চ আদালতের দফতর থেকে যখন জানা গেল যে বিষয়টার সত্যতা নেই, তখন ক্ষান্ত দিলেন মানুষ। যাঁরা ভাবছিলেন, এই যোগসূত্রের কারণেই আরজিকর কাণ্ডের বিচার পাওয়া যাচ্ছে না, তাঁদের জন্য আরও চমক অপেক্ষা করেছিল। দেখা গেল, সেই সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি নিজের বাড়ির গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানে অভ্যর্থনা করছেন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এবং তিনি এসে বিচারপতির পাশে দাঁড়িয়ে আরতি করছেন। সমস্ত সেটিং, সমস্ত বোঝাপড়া সব কিছু গেল গুলিয়ে ।

অনেকে বলতেই পারেন এই বিষয়টি একটি ব্যক্তিগত বিষয় এবং এর সঙ্গে রাজনীতির যোগসূত্র খোঁজা অনুচিত, কিন্তু তা-ও কিছু প্রশ্ন উঠে আসে, যা নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন। একজন প্রধান বিচারপতি বা আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন নির্বাচিত হয়ে শপথ নেন, সেদিন তাঁরা

বলেন যে তাঁরা সত্য এবং ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে ভারতের সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করবেন। তাঁরা বলেন, যে কোনও ভয় বা আনুকুল্যের জন্য তাঁদের দায়িত্ব পালন থেকে নিজেদের বিরত করবেন না। যে ছবি প্রধানমন্ত্রী নিজে তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে দিয়েছেন, তা দেখে পরিষ্কার

বোঝা যায়— তিনি অতিথি হিসেবেই এসেছিলেন। সেখান থেকেই প্রথম প্রশ্ন উঠে আসে, আমাদের প্রধান বিচারপতি কি ভারতের সংবিধানের প্রতি সততা দেখালেন? ১৯৯৪ সালে এস আর বোম্মাই বনাম ইউনিয়ন সরকারের একটি মামলায়, দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছিল, ভারতের সংবিধানের অন্যতম চালিকা শক্তি হচ্ছে ‘ধর্ম নিরপেক্ষতা’ এবং “The state by itself, shall not espouse or establish or practice any religion”। অর্থাৎ, ভারত রাষ্ট্রের কোনও নিজস্ব ধর্ম নেই। ওই একই রায়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বলেছিল, “every individual person will have, in that order, an equal right to freedom of conscience and religion”, অর্থাৎ প্রতিটি নাগরিকের সম্পূর্ণ অধিকার আছে, ব্যক্তিগত ধর্মাচারণের। সুতরাং সেই বিষয় নিয়ে কেউ বলতেই পারেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি তো ব্যক্তিগত ধর্মাচারণই করেছেন, তাহলে অসুবিধা কোথায়? আসলে অসুবিধাটা হলো, এই যে সর্বসমক্ষে একটি বিশেষ ধর্মাচারণের ছবি এবং ভিডিও দেখা গেল, তা কি কোথাও তাঁদের প্রথম শপথকে উল্লঙ্ঘন করল না?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের গণেশপুজোয় মোদি! ভারতের প্রধান বিচারপতি আদৌ নিরপেক্ষ?

Modi Chandrachud: প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতির 'একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা'-ও ভুল কারণ সুপ্রিম কোর্টের দায়িত্ব ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধগুলিকে বজায় রাখা।

ভারতের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে সর্বপ্রথম এই দৃশ্য দেখা গেল যে একজন কর্মরত প্রধান বিচারপতি, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করেছেন একটি বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং তার জন্য চিত্রগ্রাহক থেকে শুরু করে ভিডিওগ্রাফার সবাই উপস্থিত। এই ছবি তোলা এবং

তা সংবাদ বা সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া হবে, তা জেনে বুঝেই এই আয়োজন যে করা হয়েছিল, এবং কোনও ভাবেই তা মানুষের অগোচরে রাখার চেষ্টা হয়নি, তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাঁদের দুজনেই চেয়েছিলেন এই ছবি যেন মানুষ দেখে। তাঁরা যেন চাইছিলেন,

তাঁদের এই সখ্যতার দৃশ্য সারা দেশ প্রত্যক্ষ করে। অর্থাৎ খোলাখুলি তাঁরা যে সংবিধানের অবমাননা করছেন, তা-ও কি তাঁরা দেখাতে চেয়েছিলেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে। কিছুদিন আগেও কিন্তুএই প্রধান বিচারপতিকে আমরা দেখেছি গুজরাটের দ্বারকা মন্দিরে যেতে। তখনও বেশ কিছু ছবি আমরা দেখতে পেয়েছিলাম। শুধু তাই নয়, সেই সময়ে জেলার আইনজীবীদের তিনি উপদেশ দিয়েছিলেন, এমনভাবে কাজ করতে হবে, যাতে ‘বিচারের ধ্বজা’ উড্ডীন থাকে। খেয়াল রাখতে হবে, এই ‘ধ্বজা’ শব্দটি কিন্তু হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। যে প্রধান বিচারপতি সংবিধানের শপথ নিয়েছেন, সেই বিচারপতি কি পদে পদে সংবিধানের অন্যতম চালিকা শক্তিরই অবমাননা করছেন না? দু’জন মানুষের গণেশ পুজোর আরতি করা, একটি ব্যক্তিগত ধর্মাচারণ। কিন্তু সেই দুই ব্যক্তি যদি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হন, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, ভারতীয় বিচারব্যবস্থায় কি সরাসরি ধর্মের অনুপ্রবেশ ঘটেই গেছে? তাহলে সেই ১৯৯৪ সালের মামলার রায়ে যে বলা হয়েছিল, "The Constitution does not recognise, it does not permit, mixing religion and state power. Both must be kept apart”, অর্থাৎ ধর্ম এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা কখনওই মিলেমিশে থাকতে পারে না। তবে সেই রায় কি মাঠে মারা গেল?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আরজি কর: কেন এগিয়ে এলেন চিফ জাস্টিস চন্দ্রচূড়? কখন হস্তক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্ট?

R G Kar Doctor Rape and Murder Case: মঙ্গলবার কোর্ট খুললেই এই মামলা শুনবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। ডিওয়াই চন্দ্রচুড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির এই বেঞ্চে রয়েছেন - বিচারপতি জেবি পাদ্রিয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।

যদি ধরেও নেওয়া যায়, এই গণেশপুজো সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃত একটি বিষয়। তাহলেও প্রশ্ন ওঠে, নিমন্ত্রিতদের তালিকায় কেন রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি বা অন্যান্য বিচারপতি, এমনকী বিরোধী দলনেতা নেই? সুপ্রীম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এই প্রশ্নটিই তুলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, বর্তমান প্রধান বিচারপতির বাবা একসময়ে প্রধান বিচারপতি ছিলেন,

তিনিও তো কোনওদিন তাঁর নিজের বাসগৃহে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানি। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে দেশের সংখ্যালঘু মানুষের কাছে কী বার্তা গেল? তাঁরা কি আর দেশের প্রধান বিচারপতি বা বিচারব্যবস্থার ওপর ভরসা রাখতে পারবেন? এমনিতেই গত দশ বছরে তাঁরা সঙ্কুচিত, কুন্ঠিত হয়ে বসবাস করেন, আতঙ্কে থাকেন। কখনও যদি তাঁরা কোনও অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন, তাহলে

তাঁদের ঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হতে পারে রাষ্ট্রশক্তির দ্বারা, এরপরেও কি আমরা তাঁদের প্রবোধ দিতে পারবো, দেশে এখনও সংবিধান অবশিষ্ট আছে, ভরসা রাখতে হবে তার উপরে। তাঁরা শুনবেন তো আমার বা আমাদের কথা?

গত নির্বাচনে অনেকেই হয়তো আন্দাজ করতে পারেননি, ‘সংবিধান বাঁচাও’ বিরোধীদের অন্যতম রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠবে। বিরোধী জোট কিন্তু বারেবারেই বলে এসেছিল, ওই লোকসভা নির্বাচন ভারতের সংবিধান বাঁচানোর নির্বাচন। শাসকদলের বহু নেতাকর্মী বলেছিলেন, একবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে তাঁরা সংবিধান বদলে দেবেন। সেই ভয় থেকেই হয়তো অনেকে শাসক বিজেপিকে

হারানোর কথা ভেবেছেন। আজকের সময়ে ছবি কথা বলে। যেদিন আরএসএসের দফতরে, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী উপস্থিত হন, সেই ছবি যেমন একটা বার্তা দেয়, তেমনি বাবরি মসজিদ মামলার রায় দেওয়ার পরে সমস্ত বিচারপতিদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো ছবিও একরকম বার্তা দিয়েছিল। ফলে স্বাভাবিক প্রধান বিচারপতির বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত হওয়া এবং গণেশ পুজোয় আরতি করার ছবিও যে কথা বলবে, তাতে আর আশ্চর্য কী! প্রতিটি সংখ্যালঘু মানুষ,প্রতিটি সংবিধান মেনে চলা মানুষও ভাবতে বসবেন তাহলে আম্বেদকরের সংবিধানের প্রয়োজনীয়তা কি আদৌ আছে? প্রধান বিচারপতিকে যদি প্রশ্ন করা হয়, তিনি তাঁর বিবেকের কাছে পরিষ্কার তো? তিনি তাঁর নেওয়া শপথের প্রতি দায়িত্বশীল তো? তিনি উত্তর দিতে পারবেন তো?

একদিকে আরজিকরের নৃশংস ঘটনা নিয়ে জুনিয়ার ডাক্তারদের আন্দোলন চলছে, অন্যদিকে মহিলাদের ‘রাত দখল’ কর্মসূচী আরও জোরালো হচ্ছে, নাগরিকেরা রাতের রাস্তা দখল করছেন, আর অন্যদিকে হাজির হচ্ছে সেটিং অর্থাৎ বোঝাপড়া তত্ত্ব। কার সঙ্গে যে কার সেটিং, কেন্দ্রও রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলগুলোর মধ্যে শুধু এই বোঝাপড়া আছে, না আরও বড় কোনও বোঝাপড়ার সূত্র সেখানে লুকিয়ে, তা বোঝা না গেলেও, একটা কথা ভালোই বোঝা যাচ্ছে যে মানুষ এই চলমান ব্যবস্থা সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ। আজকের এই জুনিয়র ডাক্তার আন্দোলন কি পারবে, মানুষের এই আস্থা ফিরিয়ে দিতে?

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।