ঘুণধরা ব্যবস্থাকে জোরালো থাপ্পড় আমাদের এই সমস্বরে 'না'

RG Kar Movement: আরজি কর কাণ্ড পরবর্তী সময়ে এই যে গণরোষ, সেখানে এমন ব্যক্তিরা পথে নেমেছেন যারা কোনও দিন কোনও ধরনের আন্দোলনে যোগ দেননি।

Rimjhim Singha
৬ মিনিট
ঘুণধরা ব্যবস্থাকে জোরালো থাপ্পড় আমাদের এই সমস্বরে 'না'

আরজি কর কাণ্ডের পর রাজ্যজুড়ে গড়ে ওঠা জনতার আন্দোলন এবং ডাক্তারদের আন্দোলন মিলেমিশে গিয়েছে। কারণ দু'ক্ষেত্রেই মূলস্বর— 'না। মেনে নেওয়া আর হবে না। অনেক হয়েছে, আর না'। এখানে বারবার সিস্টেমকে প্রশ্ন করা হচ্ছে। নাগরিকরা মনে করছেন, ডাক্তারদের দাবি পূরণ হলে কোথাও গিয়ে আমাদের দাবির অংশবিশেষ পূরণ হবে। এই সমস্বরে 'না' বলাটা ঘুণধরা ব্যবস্থাটাকে জোরালো থাপ্পড়।

এতদিন ধরে প্রান্তিক লিঙ্গের, অন্য যৌনতার মানুষদের নিয়ে, নারীদের নিয়ে মানুষজনকে যে কথাগুলো চেপে রাখতে বাধ্য করা হতো এই আন্দোলনের কারণে সেগুলিই এবার উঠে আসছে। দলীয় ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে সমস্যা নিয়ে সমাজের সব স্তরে কথা বলা হচ্ছে, কোনও দলের 'হ্যাঁ' তে হ্যাঁ বলতে হচ্ছে না, এটা বড় পাওনা। আমরা হয়তো এখনও শুধুমাত্র ১০ থেকে ২০ শতাংশ দাবির কথা জানতে পেরেছি, কিন্তু কথাবার্তা শুরু হয়েছে। এখন যদি আলোচনাটা বন্ধ করে দিই তবে যে তিমিরে ছিলাম সেই তিমিরেই থেকে যেতে হবে। ফলে এখন ভাবার যে, এই পরিসর কতটা বড় করা যায়।

আমারা পুরুষতান্ত্রিক পরিসরে বড় হই। আমাদের গোটা সিস্টেমটা পুরুষদের মাথায় রেখেই বানানো। তেমনই আমাদের কাজের জায়গা, আমাদের বিদ্যালয়, পরিবারও পুরুষদের মাথায় রেখেই চলে। আমাদের ভাষাও পুরুষদের সামনে রেখে বানানো। সম্প্রতি আমরা দেখতে পাচ্ছি, ব্যাটসম্যান থেকে বিষয়টা 'ব্যাটার'-এ গিয়েছে, আবার ক্যামেরাম্যান থেকে ক্যামেরাপার্সনে বিষয়টা কিছুদিন হল গিয়েছে। এই সিস্টেম আমাদের দেখিয়েছে যে একজন পুরুষ প্রাধান, বাকি সবাই অপ্রয়োজনীয়। এখন এই বিষয়টিকেও 'না' বলার সময় সমাগত। ভাবতে হবে, যে ধরনের শব্দচয়ন করছি তার মধ্যে আমি কি কোথাও কাউকে খাটো চোখে প্রকাশ করছি? যদি করে থাকি, সেটা যে কোনও লিঙ্গের প্রতিই হোক না কেন সেই শব্দকে বাদ দিতে শিখতে হবে। আমার কাছে যে ভাষা ছোটবেলা থেকে আনা হয়েছে তাও তো সিস্টেমের দ্বারাই এসেছে, আজ তার সংস্কার সময়ের দাবি।

এতদিন আমরা বাধ্যত যে দলই ক্ষমতায় এসেছে তাকে 'হ্যাঁ' বলে এসেছি। কিন্তু এবার মনে মনে কোথাও বুঝতে পেরেছি, আমি যেটা পাচ্ছি, সেটাই যে আমার প্রাপ্য, সেই জায়গায় বিষয়টা আর নেই। আমার মনে হচ্ছিল, ওই রাত দখলের ফেসবুক পোস্টটা কোথাও একটি সুপ্ত আগুনকে ফুলকি দিতে পেরেছিল। আমি গোটা আন্দোলনে নিমিত্তমাত্র। সাধারণ নারীরা, যারা বেরিয়ে এসেছেন, যে প্রান্তিক লিঙ্গ-যৌনতার মানুষেরা বেরিয়ে এসেছেন তাঁরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে যে কথাগুলি বলছেন, যে দাবিগুলি নিয়ে আসছেন, সেগুলি তাঁদের মাথায়, মনে বহু বছর ধরে চলেছে। তাঁদের এটা ভাবতে বাধ্য করা হয়েছে যে, সিস্টেম এতটাই তোমার উপর চেপে বসে আছে যে তুমি এই দাবিগুলি নিয়ে বলতে পার না এবং তোমার অধিকারই নেই এই দাবিগুলি বলার, যা হচ্ছে তা মেনে নিয়ে সেটার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। কিন্তু এই দৃশ্যপট বদলাচ্ছে। যে সাধারণ নারীরা, প্রান্তিক লিঙ্গ যৌনতার পরিচয়ের যে মানুষরা এই আন্দোলনকে গণ আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলেছেন তাঁরা সবাই এই আন্দোলনের নেতৃত্ব।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আরজি করের প্রতিবাদ আন্দোলন নকশালবাড়ি, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের মতোই তীব্র?

RG Kar Mass Movement: আরজি করের ঘটনাটি ঘিরে যে প্রতিবাদ হচ্ছে তা সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলন থেকে কতটা আলাদা?

বলতে চাইছি, এই আরজি কর কাণ্ড সামনে রেখে মানুষ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। কোথাও 'Enough is enough' বলতে চাইছে। তাঁরা বলতে বাধ্য হয়েছে যে, আমরা একটার পর একটা ঘটনা দেখছি কিন্তু আমরা যে ধরনের সুরাহা আশা করছি তা কোথাও পাচ্ছি না। সেই কারণেই আমার মনে হয় যে, তাঁরা সকলেই ১৪ তারিখ রাস্তায় নেমেছিলেন, রাত দখল করেছিলেন। গোটা একমাস ধরে বহু জায়গায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে একদম সাধারণ ঘরের মহিলারা বাইরে এসে রাত দখল আন্দোলনে যোগদান করছেন। মফসসলের মহিলারা, শহরের মহিলারা, গ্রামের মহিলারা, প্রত্যেকে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে এসেছেন। তাঁরা বলছেন, এই সংসদীয় সিস্টেম তাঁদের কোনও সুরাহা দিতে পারেনি। আমার মনে হয় এই 'না' টা কোথাও এই অসম্পূর্ণতার বিরুদ্ধেও। আমি এতদিন বাধ্য হয়ে তোমাকে 'হ্যাঁ' বলেছি কিন্তু আজকে দাঁড়িয়ে এই স্বাধীনতার সময়, আমি আমার স্বাধীনতা নিয়েও কথা বলতে চাই। আমি আমার 'না'-টুকু তোমাকে জানাচ্ছি যে আর বাধ্য হয়ে তোমাকে 'হ্যাঁ' বলতে আমি আর রাজি নই।

এনসিআরবি-র পরিসংখ্যানই যদি আমরা দেখি তাহলে বোঝা যাবে, প্রতি ১৫ থেকে ১৬ মিনিটে ১ জন করে মহিলার ধর্ষণ হচ্ছে। সেটা যদি দিন হিসেবে দেখি তাহলে ৯০টি ঘটনা উঠে আসার কথা। আমাদের কাছে সংবাদমাধ্যমে যে ধরনের সংবাদ উঠে আসে, তা কিন্তু সংখ্যায় এত নয়। কারণ বহু ধর্ষণের ঘটনা রেজিস্টারই হতে পারে না, তার এফআইআর-ই লেখা হয় না এবং তার পেছনে প্রচুর কারণ থাকে। প্রভাব খাটানো হয়। অনেক সময় হয় যে আমাদের আইনি ব্যবস্থা যেভাবে চলছে তার উপর ভরসা করতে পারেন না অত্যাচারিত। এমনও হয়, ঘটনাস্থল থেকে থানা এতটাই দূরে যে যিনি অত্যাচারের মুখোমুখি হলেন, তিনি মনে করছেন যে গোটা 'গোলমেলে' আইনি সিস্টেমের মধ্যে আমি না ঢুকে আমি বিষয়টা নিজের মতো নিজের কাছে রেখে দিলাম। কারণ এটা ছোটবেলা থেকেই আমাদের শেখানো হয় যে, সমাজ বিভিন্নভাবেই চলবে, তোমাকে এটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। প্রান্তিক লিঙ্গের-যৌনতার মানুষদের ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি করে বোঝানো হয় যে, তুমি আসলে সমাজের সঙ্গে বেড়ে ওঠার জন্য তৈরি হয়েছ। তোমার ইচ্ছে এবং তোমার আকাঙ্খা সমাজের সঙ্গে খাপ খেলে তবেই তুমি টিকে থাকবে।

সেখান থেকেই দাঁড়িয়ে এই আন্দোলনের একদম শুরু থেকে যে দাবিগুলি উঠে আসছে, সেই দাবিগুলি কোনও একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নয়। প্রাথমিকভাবে সবারই দাবি, আরজি কর কাণ্ডে যত জন দোষী রয়েছেন তাঁদের সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। চাঁইদের শনাক্ত করতে হবে। কারণ আমরা যখন আরজি করের ঘটনাপ্রবাহ পড়ছি তখন বুঝতে পারছি, সেখানে এক ধরনের 'থ্রেট কালচার' ছিল যার কারণে বহু মানুষ সামনে এসে কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। কিছু দিন আগে অবধিও এটাই ছিল। আমরা যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছি, তখন আমরা থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধেও কথা বলছি এবং এই গণ-সমাবেশের লক্ষ্য ক্রমশ পরিধি বাড়িয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফুটপাতের মেয়েটির জন্যেও আমরা গলা ফাটাবো কবে?

RG Kar Protest: যে সব মেয়েরা ফুটপাতে থাকে, রাতের অন্ধকারে যাঁদের উপরে নেমে আসে ধর্ষণ, নির্যাতন, কুমারী শরীরে রাতারাতি গর্ভসঞ্চার হয়, তাঁদের হয়ে একটিও প্রশ্ন কি করেছি আমরা কোনওদিন সমাজকে?

আমরা অনেক সময় ভুলে যাই, পুরুষ এবং মহিলা যে ধরনের সিস্টেমের বাইনারির মধ্যে রয়েছেন তাঁরা যে ধরনের শোষণের শিকার হন, তার থেকে বহু বেশি শোষণের স্বীকার হন প্রান্তিক লিঙ্গ-যৌনতার মানুষরা। তাঁরা তাঁদের নিজের পরিবারকেও বিশ্বাস করতে পারেন না। তাঁদের নিজের পরিবার তাঁদেরকে নিয়ে যে ধরনের সিদ্ধান্ত নেয় সেই সিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত সমস্যার সৃষ্টি করে। তাঁদের জোর করে চিকিৎসালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, মনে করা হয় তাঁদের চিকিৎসার মধ্যে দিয়ে এই বাইনারির মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। সেটা অত্যন্ত কষ্টকর জীবন। সেই প্রতিটি জীবনের লড়াই নিয়ে যদি আমারা মজা করতে থাকি, তাহলে আমরা প্রতি মুহূর্তে তাঁদের ছোট করতে থাকি। এসব বিষয়কে এবার জোরালো ভাবে 'না' বলব আমরা।

আরজি কর কাণ্ড পরবর্তী সময়ে এই যে গণরোষ, সেখানে এমন ব্যক্তিরা পথে নেমেছেন যারা কোনও দিন কোনও ধরনের আন্দোলনে যোগ দেননি। তাঁরা নিজেরা স্লোগান লিখছেন। চিৎকার করে শাসককে নিজেদের 'না'-টা জানিয়ে দিয়েছেন। এই স্বতঃস্ফূর্ততাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। সেখানে থেকেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে পরবর্তী আন্দোলনের পদক্ষেপ কী হওয়া উচিত। বহু মানুষ মনে মনে ভাবছেন, তাঁরা যখন আন্দোলনটা করছেন সংসদে বিষয়টাকে কীভাবে নিয়ে যেতে পারবেন। আমার মনে হয়, সংসদেই এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলা যেতে পারে, নয়তো এই আন্দোলন কোথাও গিয়ে বিফল হয়ে যাবে, এই চিন্তা ভাবনা থেকেও বাইরে বেরনো প্রয়োজন।

আমাদের এবার নিজেদের কাজের জায়গা বড় করতে হবে। ২০১৫ সাল থেকে নারী অধিকার এবং নারী আন্দোলনে কাজ করার ইচ্ছে নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে কথাবার্তা বলার একটা চেষ্টা করছি আমরা কয়েকজন। বীরভূমের পাথর খাদানে যেখানে মহিলারা কাজ করেন তাঁরা প্রত্যেক বছর ইউটিআই-এর সংক্রমণে ভোগেন। তাঁর থেকে তাঁদের পরিবারেও বিষয়টা ছড়িয়ে যায়। সেখানে পিরিয়ড সংক্রান্ত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এবং শারীরিক পরিচ্ছন্নতাকে মাথায় রেখে এক ধরনের প্রচার চালিয়েছি আমরা। সেখানে আমাদের সঙ্গে কিছু ডাক্তার ছিলেন। তাঁরা কোনওদিনই তাঁদের যা রোজগার, সেখান থেকে ৮০ টাকা দিয়ে একটা স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্যাকেট কিনে ব্যবহার করবেন এইটা ভেবে উঠতে পারেন না। হয়তো তাঁদের দিনের রোজগারই ১০০ টাকা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তাঁদের মধ্যে যখন প্রচার করেছিলাম তখন তাঁদের কিছু বিষয়, কিছু দাবি দাওয়া আমাদের সামনে আসে। সেখানে আমরা চেষ্টা করি তাঁরা যেন নিজেদের স্যানিটারি ন্যাপকিন নিজেরাই বানাতে পারেন এবং নিজেদের মধ্যে বিলি করতে পারেন। একধরনের বিকল্প অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করা যায় কিনা সেই নিয়ে একটা পর্যালোচনা করছিলাম।

২০১৭ এবং ২০১৮ সাল নাগাদ বাংলায় এবং অন্যত্রও গৃহহিংসার অনেক ঘটনা উঠে আসে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম জায়গাগুলিতে পৌঁছতে। নির্যাতিতাদের কথা শুনতে। আর, ২০১৯ সালে প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির সঙ্গে যে ঘটনাটি ঘটেছিল তখন থেকে রাতদখল শুরু। তাতে মহিলা এবং পুরুষ মিলিয়ে ৭০ থেকে ১০০ জন মানুষ এসেছিলেন। রাত্রিবেলা আমরা ছোট একটি মিছিল করেছিলাম যাদবপুর ৮বি থেকে বাঘাযতীন পর্যন্ত। সেদিন India's Daughter ডকুমেন্টারির স্ক্রিনিং হয়েছিল। আমার ভূমিকা এসবে একজন অংশ্রগ্রহণকারীর। আমি চাই সকলেই এই ভূমিকা নিক, যে যার সাধ্যমতো 'না' বলাটুকু চালিয়ে যাক।

প্রান্তিক মহিলারা অনেকেই জানেন না, হিংসা এবং অত্যাচার আসলে কোনটা? কোনটা চিহ্নিত করা উচিত। আমাদের কাছে ইন্টারনেটের সুবিধে রয়েছে, কোনও আইনি ব্যাপারে না জানলে কোনওভাবে জেনে নিতে পারব। কিন্তু সত্যিই প্রত্যন্ত এলাকায় একজন মহিলা, যাকে ছোটবেলা থেকে বোঝানো হচ্ছে- তোমার বর তোমাকে মারবে, সেটাই খুব স্বাভাবিক, এটা তোমার দাম্পত্য জীবনেরই অংশ সেটা যে আসলে যে শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এটা জানান দিতে হবে তাঁকে।

সরকারের তরফে শ্রমজীবী শ্রেণির মানুষের কাছে নানা ধরনের তথ্য নিয়ে যাওয়াই হয় না। তাঁদেরকে এই অজ্ঞতার জায়গায় রাখাটা সরকারি সিস্টেমের জন্য কোথাও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কয়েকটি জায়গায় কথা বলার কারণে আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, আসলে নাগরিকরা জানেন তাঁরা তাঁদের 'না' টা কীভাবে বলতে চান কিন্তু নাগরিক আন্দোলন সব সময় কোনও পার্টি হাইজ্যাক করার চেষ্টা করেছে বা আন্দোলনের অভিমুখ ভোট রাজনীতির দিকেই ঘুরে গেছে। তার জন্য তাঁদের স্বর কোথাও আটকে গিয়েছে। এবার আর সেই প্রতিকূলতা নেই।

লিখেছেন
Rimjhim Singha
Rimjhim Singha
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।