দিল্লি যেন 'দুর্গ'! লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির পাশা পাল্টে দিতে পারে কৃষক-বিক্ষোভ?

Farmers protest in Delhi: সকাল থেকেই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে সেই এলাকা। কৃষকদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ।

Sohini Das
৪ মিনিট
দিল্লি যেন 'দুর্গ'! লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির পাশা পাল্টে দিতে পারে কৃষক-বিক্ষোভ?

ভোটের ঠিক আগে আগে উত্তাল দিল্লি। রাজপথ জুড়ে বিক্ষোভে নেমেছেন কৃষকেরা। একগুচ্ছ দাবি ও দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার প্রতিবাদে। ২০২০-২১ সালে কৃষকদের আন্দোলনের জেরে বড় ধাক্কা খেতে হয়েছিল মোদি সরকারকে। এবার আর সেই সুযোগ কৃষক আন্দোলনকে দিতে নারাজ প্রশাসন। জোর কোমর বেঁধেছে দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার থেকেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছে কৃষকদের মিছিল। দিল্লি-সোনিপত লাগোয়া সিঙ্ঘু সীমানা দিয়ে যাতে তাঁরা রাজধানীতে ঢুকে পড়তে না পারে, তার জন্য কড়া নজর রেখেছে পুলিশ। হরিয়ানা ও পঞ্জাবের সীমান্তগুলিতে রাখা হয়েছে কড়া নজরদারি। যাতে কোনও ভাবেই কৃষকবিক্ষোভের মুখে না পড়তে হয় রাজধানীকে।

মঙ্গলবারই পঞ্জাব-হরিয়ানা সীমানার শম্ভু এলাকায় কৃষক আন্দোলনকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে হয়েছিল পুলিশকে। বুধবারও ছবিটা বিশেষ বদলালো না। বেশিরভাগ কৃষকই পঞ্জাব ও হরিয়ানা সীমান্ত থেকে দিল্লির দিকে আসছেন। দিল্লিকে তো এমনিতেই নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘিরে দিয়েছে প্রশাসন। সিমেন্টের ব্লক, তিন দিকে বেড়া, বিরাটাকার সব কন্টেনার এনে রুদ্ধ করা হয়েছে কৃষকদের রাস্তা। মঙ্গলবার শম্ভু এলাকায় কৃষকেরা ব্যারিকেড সরানোর চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্য়াস ছোড়ে পুলিশ। রাতের দিকে আন্দোলন থেকে আংশিক বিরতি নিয়েছিলেন কৃষকনেতারা। তারপর বুধবার সকাল থেকে নতুন দমে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ আন্দোলন। দিল্লি চলো মার্চে যোগ দিয়েছেন হাজার হাজার কৃষক। তবে কার্যত শম্ভু এলাকার মতোই একই ছবি দেখা গেল দিল্লির সিংগু সীমান্তেও। সকাল থেকেই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে সেই এলাকা। কৃষকদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দিল্লি সীমান্তে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জারি ১৪৪ ধারা, ভোটের আগে দিল্লির পারদ চড়াছে কৃষক বিক্ষোভের আঁচ

Farmers' protest: সেই আন্দোলনের আঁচ রাজধানীতে পড়ার আগে সোমবারই রাজ্যজুড়ে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। একদিন-দু'দিনের জন্য নয়। একমাসের জন্য জারি করা হয়েছে কার্ফু।

দিল্লিকে কৃষি আন্দোলনের আঁচ থেকে বাঁচাতে এক মাসের জন্য সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে রায়ট পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী। তবে হার মানতে নারাজ কৃষকেরাও। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য-সহ একাধিক দাবি নিয়েছেন কৃষকেরা। নিজেদের লক্ষ্যে অচল তাঁরাও। বুধবার শম্ভু সীমান্তে কৃষকদের চোখ ঢাকার জন্য বিশেষ চশমা বিতরণ করতে দেখা গিয়েছে। যা তাঁদের কাঁদানে গ্যাস থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে। সেখানেই একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেন কৃষক-নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, শুধু কাঁদানে গ্যাসই নয়। তাঁদের বিরুদ্ধে প্লাস্টিক ও রাবার বুলেট ব্যবহার করছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত মঙ্গলবারের ঘটনায় কৃষক ও সংবাদমাধ্যম কর্মী-সহ ৬০ জনেও বেশি মানুষ জখম হয়েছেন বলে খবর। তবে কৃষক সংগঠনগুলির দাবি, সেই সংখ্যাটা শতাধিক। এখানেই শেষ নয়, কৃষক-নেতাদের দাবি, শাসকদল এমন একটা ধারণা তৈরি করছে, যাতে প্রমাণ করা যায় হয় কৃষকেরা বিরোধী দলের লোক নাহলে আতঙ্কবাদী। একই সঙ্গে কৃষিআন্দোলন নিয়ে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকারও নিন্দা করেছেন তাঁরা।

২০২০ সালে কৃষির ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও, সরকার এ ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ। এর ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। এবারও কৃষকদের দাবিগুলির মধ্যে কৃষি সহায়ক মূল্য নির্ধারণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট আইন প্রণয়নেরও দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া, বিদ্যুৎ আইন, ২০২০ বাতিল, কৃষিঋণ মুকুব, লখিমপুর খেরিতে কৃষক হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির শাস্তিরও দাবি করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। একই সঙ্গে মৃত কৃষকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিতেও সরব হয়েছে তারা। এছাড়া, চার বছর আগে আন্দোলনের সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী কৃষকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই সব মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিলেও, সরকার কথা রাখেনি বলেই অভিযোগ। সেই সমস্ত কিছু নিয়েই এবার পথে নেমেছেন কৃষকেরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জলপাই ক্ষেতে ছিটকে উঠল কৃষকের রক্ত, আর কত বিলালের নিথর দেহ দেখে থামবে ইজরায়েল?

Israel-Gaza War: হঠাৎ করেই ইজরায়েলি এক বসতিস্থাপনকারীর বন্দুক থেকে গুলি এসে ফুঁড়ে দিয়ে চলে গেল বিলালের বুক। মুহূর্তে লুটিয়ে পড়লেন বিলাল তাঁর সাধের জলপাই ক্ষেতে।

লোকসভা ভোটের আর দেরি নেই। এরই মাঝে ফের কৃষকদের এ হেন বিদ্রোহকে মোটেই ভালো চোখে দেখছে না বিজেপি সরকার। ২০২০ সালে কৃষকবিক্ষোভ যখন মাথাচাড়া দিয়েছিল, সে সময় তা থামানো রীতিমতো চ্যালেঞ্জের কাজ হয়ে উঠেছিল সরকারের পক্ষে। বাধ্য হয়ে পিছু হঠে সরকার। এমনিতেও হরিয়ানার জাঠদের চটাতে চায়না বিজেপি। হবে না-ই বা কেন! তাদের ভোট রাজ্যগুলির অন্তত চল্লিশটি লোকসভা আসনকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে সে বার আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না বিজেপি সরকারের হাতে। তবে এবার আর সেই জায়গাটাই তৈরি হতে দিতে চাইছে না কেন্দ্র। পঞ্জাব ও হাইকোর্টের তরফে স্বাধীন ভাবে চলাফেরার অনুমতি পেলেও দিল্লিতে যে কোনও ভাবে কৃষকদের ঢেউকে প্রতিহত করতে বধ্যপরিকর সরকার। বুধবার সকাল থেকেই সিঙ্ঘু সীমানায় দেখা গিয়েছে সেই ছবি। নামানো হয়েছে র‌্যাফ। গাজিপুর সীমান্তে বহুস্তরীয় ব্যারিকেড তৈরি করেছে পুলিশ। পুলিশের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কৃষকদের ‘দিল্লি চলো’ কী ভাবে মোকাবিলা করা হবে, সেই কথা বলা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে, আন্দোলন মোকাবিলায় কৃষকদের প্রতি ‘নরম মনোভাব’ দেখাবে না পুলিশ। কৃষকেরা যদি আক্রমণাত্মক হয়, তবে তা কঠোর হাতে দমন করতে হবে। কৃষকদের রুখতে পঞ্জাব-হরিয়ানা সীমানা এবং দিল্লিতে ঢোকার সমস্ত রকম প্রবেশপথে ব্যারিকেড, কাঁটা দেওয়া তার জড়িয়ে কার্যত দুর্গের চেহারা দেওয়া হয়েছে। দিল্লির টিকরি সীমানার দিকে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে যানবাহন চলাচল।

এরই মধ্যে কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের নেতৃত্বে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। সরকার নমনীয় না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে কৃষকদের ইউনিয়নের তরফে। কৃষকেরাই রোদেজলে কাজ করে দেশের মানুষের মুখে জল তুলে দেয়। তাঁদের সঙ্গে বঞ্চনার পরিণাম যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, তার ভুক্তভোগী বিজেপি সরকার। আর সেটাই ভাবাচ্ছে বিজেপির শীর্ষনেতৃত্বকে। আর সে কারণেই সম্ভবত কৃষক আন্দোলনকে বিন্দুমাত্র সুযোগই দিতে চাইছে না বিজেপি। এদিকে, ভোটের আগে সেই সুযোগটাই নিতে মরিয়া বিজেপি বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। ভোটে জিতে ক্ষমতায় এলে কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের গ্যারান্টি দিয়ে একটি আইন আনার কথা বলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গে। কৃষকদের উপর এই অন্যায়ের তীব্র নিন্দা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।