Film Review: জঞ্জালের স্তূপ, নেশাগ্রস্ত রোজনামচা! অন‍্য এক কলকাতার খোঁজ দেয় 'ঝিল্লি'

Film Review: ঈশান ঘোষের হাত ধরে 'ঝিল্লি'-তে কলকাতার মাঝেই লুকিয়ে থাকা অন্য এক অচেনা কলকাতা কত সহজে ধরা দিয়েছে!

Suman Saha
৪ মিনিট
Film Review: জঞ্জালের স্তূপ, নেশাগ্রস্ত রোজনামচা! অন‍্য এক কলকাতার খোঁজ দেয় 'ঝিল্লি'

জঞ্জালে ভরা, দুর্গন্ধময় ধাপার মাঠ আর কিছু 'অচ্ছুৎ' মানুষজন। ঈশান ঘোষের চলচ্ছবি 'ঝিল্লি'-র চরিত্র এরাই।

বাংলা ভাষায় নির্মিত ছবির ভিড়ে 'ঝিল্লি' অভিনব এক প্রচেষ্টা। কল্পনাতীত জীবনের রোজনামচা, অজস্র দীর্ঘশ্বাস ও অনেক কিছু না-পাওয়া দিয়ে ভরা এই ন্যারেটিভের খুব প্রয়োজন ছিল। বাংলা ফিল্ম মার্কেটে মেদসর্বস্ব গোয়েন্দাকাহিনি ও ছেলেভোলানো অ্যাডভেঞ্চারের দাপটের মুখে এই ছবি এক সপাটে থাপ্পড়।

ঈশান ঘোষের হাত ধরে এই ছবিতে কলকাতার মাঝেই লুকিয়ে থাকা অন্য এক অচেনা কলকাতা কত সহজে ধরা দিয়েছে! "ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি"― কথা-ক'টা এই ছবিতে অদ্ভুত ছন্দে উপস্থাপিত হয়েছে, যে ছন্দ একদম নতুন ও যথাযথ। ক্যামেরা ছুটছে ধাপার মাঠ করে শহরের দুরন্ত পথে-ঘাটে, 'অস্পৃশ্য' চরিত্রগুলোর তালে তাল মিলিয়ে। যেন বিহ্বল দর্শকদের ঈশান বলছেন― এই নাও, এদের চোখ খুলে-মন ভরে দেখো। এই হচ্ছে এরা, কেন্নোদের দল, যাদের কথা আধুনিক সভ্যতা ভুলে গেছে পুরোপুরি। মেট্রোপলিস বাড়ছে পরিসরে, এদের সংখ্যা কমে চলেছে, হয়তো একদিন হারিয়েই যাবে সবক'টা। যে ফ্লাইওভার দিয়ে রোজ ছুটে চলে অগুনতি স্বপ্ন, ঠিক তার তলায় হয়তো পড়ে স্বপ্নহীন ঘুমে মগ্ন কোনও অন্ত্যজ উইপোকা। স্বাধীনতার উন্মাদনায় 'প্রিভিলেজড' আমরা ভেসে বেড়াই, অথচ এদের কাছে তেরঙ্গা পতাকাটা একটা কাপড়ই কেবল। এই ছবি ভুলে ভরা জীবনের কথা বলে। আর্থসামাজিক প্রেক্ষিতে ধাপার মাঠকে কেন্দ্রে রেখে প্রশ্ন করার সাহস রাখে। ছবিটা অন্তহীন খিদেকে ক্যামেরাবন্দি করে অসম্ভব মুনশিয়ানায়।

বকুল, গণেশ, শম্ভুদা, চম্পা আর গুড্ডুর মতো এমনই অনেক উইপোকা আমাদেরই আশপাশে ঘুরে বেড়ায়, যাদের অবয়ব আমাদের শোভিত চোখে ধরা পড়ে না। গোটা শহরের ময়লা জমা হয় যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে, সেখানকার বাসিন্দা এরা। আমাদের চিরাচরিত ঠিক-ভুলের বাইরে বেরিয়ে অন্য সব জীবনকে লেন্সে ধরা হয়, যা ভয় ধরায়, দম বন্ধ করে দেয়। গণেশ শহরে রোজগারের ধান্দায় থাকে। ক্রমশ অন্ধকারে তলিয়ে যেতে থাকা বকুলকে বলে 'এখান' থেকে বেরিয়ে যেতে। ধাপার মাঠে বেশিদিন থাকলে দেহ বিকল হয়ে যাবে চিরতরে। বকুল পারে না বের হতে। মাদকাসক্ত বকুলকে আরও অন্ধকারে ঠেলে দিতে থাকে জীবনের অর্থহীনতা। চম্পা তার তৃতীয় লিঙ্গপরিচিতির জন‍্য সর্বত্র লাঞ্ছিত হয়। শম্ভুদার এত বয়স হলো, অথচ জীবনে স্থায়ী রোজগারপাতি কিচ্ছু নেই। বড় জায়গায় সুপারভাইজারের চাকরি পেয়েছে, বিশহাজার টাকা মাইনে― এইসব মিথ্যে বলে ক্ষণিকের শান্তি পায়। এইসব অচ্ছুৎদের যে জীবন হতে পারত, অথচ হয়নি― এই না-হওয়াকেই ক্যামেরাবন্দি করেছেন ঈশান। অথচ কাজটা সামলেছেন বেশ দক্ষ হাতে। তার কারণ, এই ধরনের ছবি করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, 'আর্ট হাউজ', 'অ্যাস্থেটিক্যালি অ্যারাউজিং' গোছের ছবি বানানোর চেষ্টা ছবির কাঠামোতে প্রকট হয়ে ওঠে। ঈশান সেইসব দিক মেপে-বুঝেই ছবি বানিয়েছেন ও সম্পাদনা করেছেন, যার দরুন 'ঝিল্লি' বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যম হয়ে ওঠেনি। ঈশান দেখাতে চেয়েছেন যে, জীবন এরকমই। এই গল্পগুলোও তাই আমাদের দেখা-শোনা-বোঝা প্রয়োজন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ডেনড্রাইটকে অক্সিজেন ভাবে যারা, সেইসব মানুষের গল্প বলে 'ঝিল্লি'

‘ঝিল্লি’ এমন এক ছবি, যার বিস্তার কাব্যিক। আকাশ-মাটি-পাতালে এর ব্যাপ্তি।

এত গতিশীল একটা ছবি দেখে বিভোর হয়ে যেতে হয়। ক্যামেরার সে কী লিরিক্যাল মুভমেন্ট! কোনও দেখনদারি নেই, নেই কোনও আতিশয্য। 'ঝিল্লি' সবাই বানাতে পারবে না। ওইভাবে ক্যামেরাকে দিয়ে কথা বলানো সবার পক্ষে সম্ভব নয়।

ঈশান ঘোষ প্রখ্যাত ফিল্মমেকার গৌতম ঘোষের সুযোগ্য সন্তান। বাবার ছবিতে বিভিন্ন টেকনিক্যাল কাজকর্ম শেখার মাধ্যমে ফিল্মমেকিং-এ হাতেখড়ি। গৌতম ঘোষের ছেলে, তার মানে অনেক সুবিধাপ্রাপ্ত কেউ, এই ধারণাকে আক্রমণ করতে চেয়েছেন 'ঝিল্লি' বানিয়ে। সবসময় একটা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে-যেতে আরও বেশি পরিশ্রম করে নিখুঁত কাজ বের করার মনোবাসনা তৈরি হয়। চার-পাঁচ বছর ধরে এই ছবিটা শুট করা হয়েছে। ঈশান একটা ক্যামেরা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন। ধরেছিলেন সেইসব না-দেখাকে, যা আমাদের চোখের অদৃশ্য পর্দার আড়ালেই থেকে যায়।

বকুলের চরিত্রে অরণ্য গুপ্ত ধাপার মাঠে নিজেকে পুরোপুরি মিশিয়ে দিয়েছেন। এমন সুদক্ষ চরিত্রচিত্রণ খুব সহজ কথা নয়। বিতান বিশ্বাস (গণেশ) আশ্চর্য অভিনয় করেছেন। এছাড়া অবশ্যই উল্লেখযোগ্য শম্ভুনাথ দে (শম্ভুদা), সায়নদীপ গুহ (গুড্ডু) ও সৌরভ নায়েক (চম্পা)। প্রত্যেকেই মন দিয়ে নিজেদের কাজ করেছেন। ঈশান ছবিটা লিখেছেন, পরিচালনা করেছেন, সম্পাদনা করেছেন, সিনেমাটোগ্রাফি সামলেছেন। একা হাতে অনেক কাজ সামলাতে গেলে দক্ষতার প্রয়োজন হয় এবং 'ঝিল্লি' দেখে বলাই চলে যে, ঈশানের সেই দক্ষতা রয়েছে। তবে যা নিয়ে না বললেই নয়, তা হচ্ছে এই ছবির সাউন্ডের কাজ। ছবির নিজস্ব দৃশ্য-শ্রাব্যর সুরকে নানান মাত্রা যোগ করেছে অনীশ বসুর সাউন্ড ডিজাইন ও মিক্সিং। হাইব্রিড প্রোটোকলের সৌম্যজিৎ ঘোষ ও রাজর্ষি দাস এই ছবির স্কোর তৈরি করেছেন। এই ছবির মেজাজের সঙ্গে তাল রেখে কালারের অপূর্ব কাজ করেছেন মানস ভট্টাচার্য। সবার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে যে ফসল ঘরে তোলা হয়েছে, তার স্বাদ অতুলনীয়।

'ঝিল্লি' দেখাকালীন ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত 'নোম্যাডল্যান্ড'-এর ছন্দ মনে পড়ে যাচ্ছিল কয়েকবার। ২০২০ সালে সেরা চলচ্চিত্রর জন্য অস্কার ও আরও অন্যান্য খ্যাতনামা পুরস্কার জিতে নেওয়া এই ছবিতে দেখানো হয় একুশ শতকের চরম আর্থিক মন্দার সম্মুখীন আমেরিকার পরবর্তী দশকে বদলাতে থাকা অর্থনীতি আর কিছু ঠিকানাহীন মানুষের লড়াইকে। অদ্ভুত ছন্দ দুটো ছবিরই, অথচ, তা কিন্তু কানে আঙুল গুজে শুনিয়ে দেওয়ার ছন্দ নয়। এই ছন্দ অনুভব করতে হয়। ছবির অভ্যন্তরীণ রিদম। হৃদয়ঙ্গম করার উপযোগী মন থাকতে হয়।

'ঝিল্লি'-তে কি খারাপ কিছুই নেই? অবশ্যই আছে। ন্যারেটিভে উত্থান-পতন কম, বেশ কিছু রিপিটেটিভ সিকোয়েন্স আছে (আকাশ দিয়ে এরোপ্লেন যাওয়ার শট), ক্লাইম্যাক্সের শেষ মিনিট পনেরোতে তাড়াহুড়ো ও এলোমেলো ভাব। এসব কয়েকটি প্রেক্ষিত রয়েছে, যেগুলোতে আরও যত্ন নেওয়া যেতেই পারত। কিন্তু ঈশানের এই সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি দিয়ে গোটা একটা ছবি বানানোর সৎ প্রচেষ্টাকে কোনও ভাবেই বাতিল করে দেওয়া যায় না। 'ঝিল্লি' অবশ্যই প্রয়োজনীয় একটা ছবি। এইভাবেও কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিকে যে দেখানো যেতে পারে, তা 'ঝিল্লি' না বানানো হলে বোঝা সম্ভব হত না। বিবিধ আলোচনার দাবি রাখে এই ছবি।

ঈশান ছবিটার উৎসর্গপত্রে লিখেছেন, 'To all the misfits of society whose voices remain unheard... but they do exist.' এ যেন এক অচ্ছুৎনামা, যার কোনও শুরু নেই, শেষও নেই। ঘটমান যাপনের ছন্দ, সুর, তাল, লয়, হতাশা, আফসোস, উৎসাহ ও ঔজ্জ্বল্য― সব নিয়েই 'ঝিল্লি'।

লিখেছেন
Suman Saha
Suman Saha
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।