ছোট্ট চালে নেহরুকে একঘরে করেছিলেন, মোদিদের আসল পূর্বসূরি তিনিই

বিজেপির এযাবৎ নেহেরু-ইস্যুর প্রথম বাহক এই লোহিয়াই। যা যুক্তি-বিতর্কে আলোচিত হলেও প্রকাশ্য সত্যই বটে!

Ramen Das
৫ মিনিট
ছোট্ট চালে নেহরুকে একঘরে করেছিলেন, মোদিদের আসল পূর্বসূরি তিনিই

গণতন্ত্রে বিরোধিতা শুভ! শাসকের ভুল ধরিয়ে সমালোচনা, ভিত্তি শক্ত করে মানুষের উন্নয়নের। এই ভারতে, ইংরেজ শাসনাধীন ভারতের তুলনায় ঠিক কতটা শাসক-বিরোধিতা সম্ভব, কতটা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা ভুল ধরিয়ে দেওয়া সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে নিরন্তর। উমর খালিদ থেকে শিলাদিত্য, অম্বিকেশ; চিকিৎসক কাফিল থেকে কামদুনির টুম্পা-মৌসুমী। শাসক-সমালোচনা, সরকার-বিরোধিতার পথের ৭৫ বছর আজ অতিক্রান্ত। কিন্তু এই সময় এবং আজ থেকে প্রায় ৭০ বছর আগের ভারত কি এক ছিল? সমালোচনা, শাসক-বিরোধিতার আবহে ব্রিটিশ-পরবর্তী নেহরু-যুগে সম্ভব ছিল বিরোধিতা? উত্তর যদি না হয়, তবুও, আবার এর উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, সেই ক্ষেত্রেও যাঁর নাম প্রথমত সামনে আসবে, তিনি হলেন রামমনোহর লোহিয়া।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কংগ্রেস-অন্দরে বিরোধিতার পরে, স্বাধীনোত্তর ভারতে শাসক সমালোচনায় অগ্রগণ্য ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম এই মুখ। কেটে গিয়েছে সময়। পরিবর্তিত হয়েছে ধারণা। ইতিহাস লেখা হয়েছে নতুনভাবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে, ইতিহাসের চিরাচরিত দাবি মেনে তিনি রয়েছেন একইভাবে। রয়েছেন বর্তমানের অনুষঙ্গেই! এখনও মুখে মুখে অতি-প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন তিনি। কেন?

তাঁর প্রাসঙ্গিকতার আবহে জড়িয়ে আছে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নাম। আজও যাঁর নাম উচ্চারিত হয় বর্তমান শাসকের ভাষণে। যাঁর নীতি, সরকারের 'কালো দিক' আলোচিত হয় বর্তমান শাসকের গোলটেবিল বৈঠকে। প্রকাশ্যে সমালোচিত হন তিনি। নেহরু-অস্বস্তি ঠেকাতে আজও ব্যাটন ধরতে হয় ক্রমশ রাজনৈতিক মোক্ষের পথে অগ্রসর হওয়া কংগ্রেসকে। কিন্তু কেন? যে কংগ্রেস দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে পথ দেখাল, যে নেহরু-গান্ধী দেশকে 'স্বাধীন করলেন', আধিপত্যযুক্ত স্বাধীন ভারত থেকে গণপ্রজাতান্ত্রিক ভারতের পথকে সূচিত করলেন যাঁরা- তাঁদেরও কালো দিক! সমালোচিত তাঁরাও!

একদা, দেশের সামগ্রিকতায় একাধিপত্য বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দু পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু সরকারের বিরোধিতায়, নিজস্ব দলীয় কোন্দলের ফলপ্রসূ গঠিত হয়েছিল 'জনসংঘ'। যে প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই মূলত, নেহরু-মিথ সম্পর্কে সরব হতে দেখা যায় অনেককেই। অর্থাৎ, যে নেহরু ১৯৪৭-এর আগে থেকে শুরু করে স্বাধীনোত্তর ভারতের শাসনব্যবস্থায় একছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, তাঁকেই ছয়ের দশকের প্রথম দিকে পড়তে হল সমালোচনার মুখে। পরবর্তীতে ইন্দিরা-রাজের জরুরি অবস্থা এবং বিরোধীদের কণ্ঠরোধের অভিযোগ নেহরুর বিরুদ্ধে না উঠলেও তাঁর সরকার চালানোর সঙ্গে দেশের প্রতিটি স্তরের মানুষের যোগাযোগ স্থাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কেউ কেউ। আর এখানেই উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে আসে রামমনোহর লোহিয়ার নাম।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং জওহরলাল নেহরুর বিরোধ, নেতাজি অন্তর্ধানের পর লোহিয়ার নেহরু-বিরোধ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্য মাত্রা দান করে। যেখানে নেহরুর শাসনকাল এবং প্রতিষ্ঠানবিরোধিতায় প্রতিষ্ঠিত আকস্মিক 'জনসংঘ'-র প্রতিষ্ঠার অনেক আগে থেকে মূলত পাঁচ-ছয়ের দশক থেকেই নেহরুর একাধিক কার্যক্রমের বিরোধিতায় সরব হন রামমনোহর লোহিয়া। বাবার গান্ধী-প্রীতি, কংগ্রেস-যোগ, স্বাধীনতা আন্দোলন, বিদেশ থেকে ফিরে 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এই কংগ্রেস নেতা দলেরই নেতার বিরুদ্ধে সরব হন। যা পরবর্তীকালে, জনসংঘ এবং নেহরু-বিরোধী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা পালন করেছে বলেই মেনে নেওয়া হয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অধীন থেকেই স্বাধীন! নেতাজির দুঃস্বপ্ন সত্যি হয়েছিল গান্ধী-নেহরুর হাত ধরে?

একটি রাষ্ট্রের ওপর অন্যের আধিপত্য। একজনের প্রতি অন্যর অযাচিত আধিপত্য। সমকালীন সেই ভারত ১৯৪৯ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত একপ্রকার এমন স্বাধীনতাই লাভ করেছিল!

ঠিক কী নিয়ে সরব ছিলেন লোহিয়া? নেহরু এবং তাঁর সরকার চালানোর ভাষায় ইংরেজির আধিক্য। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের কাজের ভাষাগত ফারাক এবং এলিট ক্লাসের সরকার, এই বিতর্কে প্রথমেই ধাক্কা খেতে হয় নেহরুকে। প্রধানত, মানুষ সরকার-প্রধানের ভাষা বুঝতে পারছে না, এই নিয়েই সলতে পাকে নেহরু-বিরোধিতার প্রদীপে। এর থেকেই নেহরু-মিথের, নেহরু-মিথ্যার দিকে রূপান্তরিত হওয়ার সূচনা করেন লোহিয়ারা। যেখানে সাধারণ মানুষের সরকার, সাধারণের জন্য সরকার এবং নেহরু শাসনের সেই সাধারণের ধর্তব্যে সরকারের না আসা নিয়েই সরব হন লোহিয়া। মূলত, ছয়ের দশকের মধ্যবর্তী পর্যায় থেকে লোহিয়ার নেহরু-বিরোধিতার সুর চড়তে থাকে। যা ইন্ধন পায় বিজেপির পূর্বসূরি জনসংঘের প্রতিষ্ঠায়।

লোহিয়া মূলত স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে নেতাজির পরে স্বাধীনোত্তর ভারতে নেহরুর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধিতার সূচনা করেন। মূলত, নেহরু এবং তৎকালীন কংগ্রেসকে অভিজাত এবং ইংরেজি ভাষার দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষমতা অর্জন করেছিলেন রামমনোহর লোহিয়ারা।

যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, অনগ্রসর শ্রেণি-ইস্যু। জাতিগত সংরক্ষণবাদ। এই আবহেই লোহিয়া বাবাসাহেব আম্বেদকরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার চেষ্টা করেছিলেন বারবার। নেহরু যে জাতিগত সংরক্ষণ এবং ওবিসি ইস্যুতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না, এই বিষয়টিও বারবার দেখানোর চেষ্টা হয়। যে কালো অধ্যায় আজও নেহরুর বিরুদ্ধে প্রতিফলিত হয়, কংগ্রেস-বিরোধীদের নির্বাচনী জনসভায়।

নেহরুর ধর্মনিরপেক্ষতা, নগরবাদ এবং সমাজতান্ত্রিক নানা উদ্যোগ একাধারে জনহিতে নেওয়া হলেও কিছু ক্ষেত্রে তাই-ই 'ভারতের জন্য সঠিক নয় নেহরুর এই নীতি', এমন বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। মূলত, মহিলাদের দাম্পত্য অধিকার-সংক্রান্ত নীতি, হিন্দু কোড বিল, জমিদারি বিলোপ আইন; সমকালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নেহরুর সঠিক রাজনৈতিক, সামাজিক পথ বিস্তার সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিল। যেখানে অনগ্রসর শ্রেণির সামগ্রিক অবস্থান এবং নেহরুর 'জনতা-বিরোধী নীতি' নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছিল বিরোধীদের। এখানেই, স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে এক এবং অদ্বিতীয় নেহরু সাম্রাজ্যের প্রথম বিরোধী হয়ে উঠেছিলেন রামমনোহর লোহিয়া। যেখানে দাঁড়িয়ে, জনসংঘের বৃদ্ধি এবং পরবর্তীকালে স্বল্প মেয়াদের সোশ্যালিস্ট পার্টি, যা ১৯৫০-১৯৬০ সময়কালে সমাজতন্ত্রের নামে সর্বাধিক সোচ্চার হয়েছিল নেহরু-বিরোধিতায়। লোহিয়াই প্রথম, যিনি নেহরু এবং তাঁর ক্ষমতাকালের নীতি, আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

যে সময় দাঁড়িয়ে মূলত, জাতিগত আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সচেষ্ট হন ভারতের সমকালীন 'সামাজিক' নেতা। যাঁর মধ্যে সমকালীন বিশ্বের কমিউনিস্ট ভাবমূর্তির একটা প্রভাব ছিল বলেও নিশ্চিত করেন রাজনৈতিক বিশারদরা। যা মূলত নেহরু-রাজে অধরা ছিল, সেখানেও বিরোধে সরব হন লোহিয়া। অর্থাৎ বিজেপি, মোদির নেহরু-বিরোধের অনেক আগেই এই লোহিয়াই সূচনা করেছিলেন নেহরু-বিপক্ষের। রামমনোহর লোহিয়ার লেখা, একাধিক বইয়েও এমনই এক প্রকাশ্য আভাস পাওয়া যায়। যা নেহরু সমালোচনার এক অন্যতম অস্ত্র হিসেবেও পরিগণিত হয় বারবার।

নিজের দল এবং ব্যক্তিত্বকে অস্ত্র করে বাবাসাহেব আম্বেদকরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। ১৯৫৫ সালে তাঁর দলের অধিবেশনে আসার আমন্ত্রণ জানান বাবাসাহেবকে। আমৃত্যু নেহরুর নীতি, কাজের বিরোধিতায় সরব রামমনোহর: প্রজা সোশ্যালিস্ট পার্টি, সংযুক্ত সোশ্যালিস্ট পার্টি গঠনের মাধ্যমে সামনে আসতে থাকেন। যদিও নেহরুর 'রাজনৈতিক ক্রেজ' লোহিয়ার বিরোধিতা-পথে বাধা হলেও সেই সময়ে নেহরুর কঠিন রাজনৈতিক দেওয়ালে ছেদ করতে পেরেছিলেন লোহিয়া।

১৯৬৪ সালের নির্বাচনে রামমনোহরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নেহরু, লোহিয়ার চিঠি আদানপ্রদান ঐতিহাসিকভাবে এই বিরোধিতার এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষর বহন করে। নেহরুর প্রয়াণের পর, ১৯৬৭ এবং উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন, সরকার গঠনের আবহে অ-কংগ্রেসি সরকার প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা পালন করেন লোহিয়া। মূলত, জনসংঘের নানাজি দেশমুখের সঙ্গে জোট বেঁধে কংগ্রেসকে রাজনৈতিক ধাক্কা দেন তিনি।

কিন্তু কেন এই বিরোধ? বিদেশের পাট চুকিয়ে আসার আগে-পরে থেকেই লোহিয়া, তাঁর বাবার কংগ্রেসি আদর্শ এবং গান্ধী-ভক্তিতে প্রভাবিত ছিলেন। ছোট থেকেই দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি অমোঘ টান ছিল তাঁর। বারবার নেতাজি-সহ একাধিক স্বাধীনতার লড়াইয়ের নেতাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন তিনি। সেখানে দাঁড়িয়ে বিদেশ থেকে ফিরে 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে বড় ভূমিকা পালন করেন এই যুবক। কিন্তু নেতাজির অনুপস্থিতিতে সমসাময়িক কংগ্রেস এবং নেহরু-প্রভাব ভালভাবে নেননি তিনি। নিজের নীতি-আদর্শ, খানিকটা বাম-প্রভাবিত সামাজিক ভাবনার আবহে লোহিয়ার সঙ্গে মানসিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে কংগ্রেসের। বরাবর সাহসী এই নেতা, সমাজতন্ত্র এবং সমাজের সকল গোষ্ঠীর প্রতি দায়বদ্ধতাকে প্রাধান্য দিয়ে ক্রমশ নেহরু আবহ থেকে দূরে সরেছেন। সেখান থেকেই তৈরি হয়েছে বিরোধ। মূলত, নেহেরুর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। অনেকেই দাবি করেন, নেহেরু ঘনিষ্ঠ বৃত্ত এবং সরকারে ভূমিকা পালনের সুযোগ না থাকায় বিগড়ে গিয়েছিলেন তিনি।

নেহরু-বিরোধ এবং কংগ্রেসের কাজকর্মের তীব্র প্রকাশ্য এই প্রতিবাদ কাজে লাগায়, নেহরু-বিরোধিতায় তৈরি জনসংঘ। পরবর্তীকালে সমাজতান্ত্রিক লোহিয়া অচিরেই শুধুই হিন্দুত্ববাদের বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে প্রতিফলিত হন। যা তাঁর আদর্শের সঙ্গে কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠলেও, একথা সত্য বিজেপির এযাবৎ নেহেরু-ইস্যুর প্রথম বাহক এই লোহিয়াই। যা যুক্তি-বিতর্কে আলোচিত হলেও প্রকাশ্য সত্যই বটে!

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।

রামলীলার সভার জন্য ক্ষতি হয়েছে ছোট দোকানদারদের, কতটা প্রচার, কতটা সত্যি?

loss claim for Ramlila rally: রামলীলা ময়দানের সমাবেশ ঘিরে ছোট দোকানদারদের ‘২.৫ লক্ষ দোকান বন্ধ’ ও ‘১০-১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি’র দাবি আসলে, দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন সিটিআই-এর অনুমান আসলে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের হিসাবের ভিত্তিতে করা হয়েছে। বিজেপি-কংগ্রেস পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এই সংখ্যাগুলি এখন রাজনৈতিক হাতিয়ার।