জন্ম থেকেই ছিল 'ইংরেজ ঠেঙানোর শখ'! এই বাঙালি বিপ্লবী আজ বিস্মৃতপ্রায়

Siliguri Corridor: পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে অসমের সংযোগ তৈরির এক পরিকল্পনা করেছিলেন সেই বিপ্লবী।

Pratick Mukherjee
৪ মিনিট
জন্ম থেকেই ছিল 'ইংরেজ ঠেঙানোর শখ'! এই বাঙালি বিপ্লবী আজ বিস্মৃতপ্রায়

যদি এখনই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয় সামরিক দিক থেকে ভারতের কোন কোন অঞ্চল বিপদসংকুল? অনেকেরই মাথায় প্রথমেই আসবে লাইন অব কন্ট্রোল, মানে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত অথবা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের নাম। তবে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গেও রয়েছে এমন এক সংবেদনশীল অঞ্চল যার গুরুত্ব পূর্বে উল্লেখিত এলাকাগুলির থেকে কোনও অংশে কম নয়। সর্বনিম্ন, মাত্র ২০ কিমি প্রস্থের শিলিগুড়ি করিডোরের কথাই হচ্ছে। আকৃতির কারণে একে চিকেন'স নেক নামেও অভিহিত করা হয়। আপাত নিরীহ অথচ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এই করিডোরের মাধ্যমেই উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাকি ভারতের সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয়। এর দুইপাশে নেপাল ও বাংলাদেশ এবং উত্তরে ভুটান অর্থাৎ মোট তিনটি বিদেশি রাষ্ট্রের উপস্থিতি রয়েছে। শত্রুর নজর থেকে এই করিডোরকে বাঁচাতে সেনাবাহিনীর দাপটও এই অঞ্চলে বেশি। এছাড়াও মায়ানমারের সঙ্গে ৪৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ের কালাদান রোড প্রজেক্টের মাধ্যমে মিজোরামের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে বিকল্প পথেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এক অধুনা বিস্মৃত বাঙালি বিপ্লবীই রয়েছেন এ গল্পের গোড়ায়। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে অসমের সংযোগ তৈরির এক পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। সেই পরিকল্পনা দিনের আলোর মুখ দেখলে চিকেন'স নেক সমস্যার হয়তো সৃষ্টিই হতো না।

বিস্মৃত সেই বিপ্লবী হলেন সুনীল কুমার গুহ। অবিভক্ত বাংলার রংপুর জেলায় জন্ম। এই বাঙালি বিপ্লবী তাঁর জন্মতারিখ সম্পর্কে একেবারে নিখুঁত তথ্য না দিলেও এইটুকু নিশ্চিত করে বলে গিয়েছেন যে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সেই দিনটি এক অন্যতম বিশেষ দিন। সেদিনই নাকি জার্মানদের হাতে ইংরেজরা বেশ ভালোরকম বিপর্যস্ত হয়েছিল। নিজের লেখা গ্রন্থে তিনি রসিকতা করে এও লিখেছেন, একদম ছোটবেলায় যখন তিনি স্বাধীনতার অর্থও ভালোভাবে বুঝতে শেখেননি তখন থেকেই তাঁর মধ্যে যে প্রবল 'ইংরেজ ঠেঙানোর' শখ অন্তর্নিহিত রয়েছে সেটিও নাকি ওই ইংরেজদের নাকাল হওয়ার তিথিতে জন্মানোর ফলেই সম্ভব হয়েছে। পরিণত বয়সে স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগদানকালীন কংগ্রেসের সংস্পর্শে থাকলেও দেশের 'শত্রু' ব্রিটিশদের সঙ্গে নরমপন্থী আন্দোলনের মাধ্যমে 'আপোস' করাকে তিনি কোনওদিনই বিশেষ সুনজরে দেখেননি। সুনীল লিখেছেন,

"ইংরেজকে দেশ থেকে তাড়াবও,আবার তাদের সঙ্গে একটু প্রেম করব, তার বিপদে সহানুভূতি জানাব, তার দুঃসময়ের সুযোগ নেব না- এ সব যেন কেমন কেমন লাগত- যেন একটু ঢং ঢং মতো... ইংরেজকে তাড়াতে হয় ঠেঙা দাও, তাকে বিপদে ফেল, তার বিপদের সুযোগ নিয়ে তাকে লাথি মার। ক্ষমতায় না কুলোয় তার শত্রুর সাথে মিতালি কর, নিজে শক্তি সঞ্চয় কর, তারপর ইংরেজের দুর্যোগকে নিজের সুযোগ জেনে একবার মার জোয়ান হেঁইও বলে লাগাও ধাক্কা।"

তিনি মনে করতেন এটিই স্বাধীনতা অর্জনের সনাতন পথ। শঙ্করাচার্য ও স্বামী বিবেকানন্দের দেখিয়ে দেওয়া পথকে পাথেয় করেছিলেন সুনীল। তমগুণে আচ্ছন্ন জাতিকে রজোগুণের পথে নিয়ে গেলেই উন্নতি সম্ভব! ভারতবাসীর উদ্দেশ্যে স্বামীজির দেখানো এই পথের উপর সে সময়ের অন্যান্য বিপ্লবীদের মতো তিনিও প্রবলভাবে ভরসা রাখতেন। নিজের ভালোমন্দের ভাবনা ছেড়ে ভারতবর্ষের মুক্তি, ভারতবর্ষের মঙ্গল তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।স্বাধীনতার প্রাক্কালে ভারত ভেঙে দুইপ্রান্তে দুই ভূখণ্ড যখন পাকিস্তানে যাবে এমনটা নিশ্চিত, ঠিক সেই সময়ে তিনি দেশভাগের ক্ষত যতখানি কম করা যায় তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। দেশ যেহেতু ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হচ্ছে তাই রংপুর জেলা মুসলমান প্রধান হওয়ায় সেটি যে পূর্ববঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হবে তাই স্বাভাবিক। তাঁর জন্মস্থান পাকিস্তানের অংশ হবে এ মেনে নেওয়া সম্ভব হয়নি। সেই সময় বাংলা থেকে অসম যাওয়ার জন্য যে রেলপথ ছিল বড় ভরসা, তার কিছু অংশ রংপুরের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিল। মনে রাখতে হবে, কোচবিহার তখন ছিল দেশিয় রাজ্য। সেই সময়ে অসমের সঙ্গে বাকি ভারতের সরাসরি যোগাযোগের আর কোনও রাস্তা ছিল না। পূর্ববঙ্গের অংশ হতে চলা চট্টগ্রাম বন্দর বা ব্রহ্মপুত্র নদের জলপথে যোগাযোগেরও কোনও উপায় ছিল না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলা ভুলেছে তাঁকে, অথচ তিনি না থাকলে তৈরিই হতো না পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র!

Atul Chandra Gupta: ১৯৪৭ সালের ২০ জুন ভোটগ্রহণের মাধ্যমে বাংলা ভাগ সুনিশ্চিত হওয়ার পর সব থেকে দুরূহ কাজ ছিল সীমানা কমিশনে দুই বাংলার সীমানা নির্ধারণ করা।

এমতাবস্থায় তিনি রংপুরের মধ্যে দিয়ে যাওয়া সেই রেললাইনের উত্তরের রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু মুসলিম প্রধান থানা পশ্চিমবঙ্গের ভাগে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা করেই এই দুরূহ সমস্যা সমাধানের শেষ চেষ্টা করতে উদ্যত হলেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতি আস্থা রাখা দেশ ধর্মের ভিত্তিতে দেশ বিভাজনের পরেও কোনওদিন অন্য ধর্মকে দূরে ঠেলে দেবে না, বিশ্বাস ছিল বিপ্লবী সুনীলের। তাছাড়া, তিনি লক্ষ্য করলেন, দেশভাগের পরেও কয়েক কোটি মুসলিম ভারতবর্ষেই রয়ে গেলেন। তাই বাংলা-অসম রেলপথের উত্তরের কয়েকটি মুসলিম প্রধান থানা ভারতে থেকে গেলেও তাতে কারও আপত্তি থাকতেই পারে না। তার থেকেও বড় কথা, দেশের অঙ্গছেদ কোনওদিনই সঠিক কাজ বলে বিবেচিত হতে পারে না। এই কাজকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজনীয় মানচিত্র ও সংখ্যাতত্বের কাগজ নিয়ে প্রথমেই তিনি এলেন কলকাতায়। দেখা করলেন তৎকালীন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সুরেন ঘোষ, আচার্য কৃপালনীর মতো মানুষদের সঙ্গে। তাঁর প্রস্তাব প্রশংসিত হলো ঠিকই, তবে তাঁকে এই বিষয়ে আশার আলো কেউই দেখাতে পারলেন না। সুরেন ঘোষ তাঁকে পরামর্শ দিলেন, এই বিষয়ে অসমে গিয়ে সেখানকার প্রাদেশিক সরকারকে এই প্রস্তাব দিলে হয়তো কাজের কাজ হতে পারে। গুয়াহাটি গেলেন সুনীল। সেখানে পৌঁছে বহু বিশিষ্টজনের সামনে প্রস্তাবটি পেশ করলেন। শিলংয়ে গিয়ে দেখা করলেন অসমের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী গোপীনাথ বরদলৈর সঙ্গে। বরদলৈ তাঁর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে তাঁকে কথা দেন অতি গুরুত্বপূর্ণ এই প্রস্তাবটি তিনি দিল্লিতে উত্থাপন করবেন। সুনীল অবশ্য থামলেন না। জনমত গঠনের লক্ষ্যে ঘুরে বেড়ালেন অসমের জেলায় জেলায়।

অসমের নানা প্রান্তে যত সংগঠন রয়েছে তাদের দ্বারা বা নিজেই সচেষ্ট হয়ে তাদের নামে রেললাইনটি ধরে সীমানা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে কংগ্রেসের নেতাদের ও বড়লাট লর্ড মাউন্টব্যাটনের কাছে টেলিগ্রাম পাঠাতে লাগলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বরদলৈর সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলেন দিল্লিতে বিষয়টি উত্থাপন করা হলেও এ বাস্তবের মুখ দেখবে না। সম্ভাব্য সীমানা দিল্লিতে আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়ে গিয়েছে। ভারতের বহির্বিশ্বের বাণিজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে যে অসমের স্থান পশ্চিমবঙ্গের পরেই, সেই জায়গার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা না রেখে সীমানা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে থাকা তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়নি।

কুখ্যাত দেশভাগের পালাও সাঙ্গ হলো। নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে চাইলেন না সুনীল। কষ্ট করেই তিনি রয়ে গেলেন পাকিস্তানে। ছোট ছোট শিশুদের পড়ানোরর উদ্দেশ্যে নিজের বাড়িতেই একটি স্কুল গড়লেন। আর যুগের পর যুগ, চিকেন নেক হয়ে রইল নিরাপত্তার কাঁটা। সে কাঁটা উগরানোও গেল না, গেলাও সম্ভব হলো না।

তথ্যসূত্র:

স্বাধীনতার আবোল তাবোল- সুনীল কুমার গুহ, যুগানুশীলন সাহিত্য সংঘ

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।