রবিশঙ্কর থেকে জাকির-মহাদেবন, গ্র্যামির মঞ্চে ভারতের ম্যাজিক

Year of India at Grammy Awards 2024: আজ থেকে নয়। গ্র্যামির মঞ্চে বছরের পর বছর ধরে ভারতীয় জাদু চলেছে। একের পর এক ভারতীয় প্রতিভা জয় করেছে ওই মঞ্চ। এবার সেই তালিকাতেই নয়া সংযোজন ফিউশন ব্যান্ড 'শক্তি'।

Sohini Das
৪ মিনিট
রবিশঙ্কর থেকে জাকির-মহাদেবন, গ্র্যামির মঞ্চে ভারতের ম্যাজিক

বিশ্ব সঙ্গীতের ভুবনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার গ্র্যামি। আর সেই মঞ্চে এ বার আলো ছড়িয়েছে একদল ভারতীয়। তাঁরা প্রত্যেকেই কম বেশি পরিচিত মুখ ভারতীয় সঙ্গীত জগতের। তবে তাঁদের এই মিলিয়ে দিয়েছে একটি বিশেষ কাজ। ফিউশন ব্যান্ড 'শক্তি'-র হাত ধরে যেন একসঙ্গে হয়েছিল একগুচ্ছ গুণী মানুষজন। আর সেই ফিউশন ব্যান্ডের গ্লোবাল অ্যালবামই এনে দিয়েছে অনোন্য সম্মান। 'দিস মোমেন্ট' বলে সেই গ্লোবাল মিউজিক অ্যালবামের জন্য ৬৬তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস জিতে নিয়েছেন বিখ্যাত তবলিয়া উস্তাদ জাকির হুসেন ও জনপ্রিয় সঙ্গীতকার-গায়ক শঙ্কর মহাদেবন। না, তাঁরা একা নন। জন ম্যাকলাফলিন, জাকির হুসেন, শঙ্কর মহাদেবন, ভি সেলভাগণেশ এবং গণেশ রাজাগোপালন— এই পাঁচ মাথা নিয়েই গড়ে উঠেছিল ফিউশন ব্যান্ড 'শক্তি'।

আজ থেকে নয়। গ্র্যামির মঞ্চে বছরের পর বছর ধরে ভারতীয় জাদু চলেছে। একের পর এক ভারতীয় প্রতিভা জয় করেছে ওই মঞ্চ। এবার সেই তালিকাতেই নয়া সংযোজন ফিউশন ব্যান্ড 'শক্তি'। 'দিস মোমেন্ট' নামে অ্যালবামটি বিশ্বমঞ্চে মুক্তি পেয়েছিল ২০২৩ সালের ৩০ জুন। যেখানে তবলাবাদকের ভূমিকায় ছিলেন উস্তাদ জাকির হুসেন, বেহালায় গণেশ রাজাগোপালন এবং অন্যান্য তালবাদ্যে ভি সেলভাগণেশ। গিটারে ছিলেন জন ম্যাকলাফলিন। আর এই ব্যান্ডের সবকটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন অ্যালবামটিতে জনপ্রিয় সুরকার ও গায়ক শঙ্কর মহাদেবন। মোট আটটি গান রয়েছে এই অ্যালবামে। বেস্ট গ্লোবাল অ্যালবাম হিসেবে শিরোপাটি জিতে নিয়েছে 'দিস মোমেন্ট'। জানা গিয়েছে, গ্র্যামির মঞ্চে মনোনয়নের তালিকায় ছিলেন সুজ়ানা বাকা, বোকান্তে, ডেভিডো এবং বার্না বয়ের মতো সঙ্গীতশিল্পীরাও। তবে তাদেরকে ছাপিয়ে এই খেতাব জিতে নেন জাকির-শঙ্কররা।

সঙ্গীতের আসলে কোনও দেশ-কাল-সীমানা হয় না। আর সে কথাই ফের একবার মনে করিয়ে দিল ৬৬তম গ্র্যামির মঞ্চ। গত ৪ ফেব্রুয়ারি লস অ্যাঞ্জেলসে বসেছিল গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের আসর। যেখানে চতুর্থবারের জন্য সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন বিখ্যাত কৌতুকশিল্পী ট্রেভর নোয়া। সেখানে মোট তিনটি গ্র্যামি খেতাব এবার জিতে নিয়েছেন উস্তাদ জাকির হুসেন। একটি শক্তি ব্যান্ডের জন্য তো বটেই, দ্বিতীয়টি নিজের সৃষ্টি 'পাশতো'-র জন্য। একই সঙ্গে গ্র্যামির মঞ্চে এবার খেতাব জিতে নিয়েছেন বিখ্যাত বংশীবাদক রাকেশ চৌরাসিয়া। সম্পর্কে কিংবদন্তী হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার ভাইপো তিনি। এই নিয়ে তিন বার গ্র্যামি জিতলেন জাকির, রাকেশের ঝুলিতে রয়েছে মোট দু'টি গ্র্যামি। তবে এই প্রথম বার গ্র্যামি জিতলেন শঙ্কর মহাদেবন। এ বছর মোট ছ'টি গ্র্যামি এসেছে ভারতবর্ষের ঝুলিতে। এ বছর অবশ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি গানও ছিল গ্র্যামির মনোনয়ন তালিকায়। তবে শেষপর্যন্ত লড়াইয়ে ছিটকে গিয়েছে সেই গান।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই নিয়ে বারো বার গ্র্যামি স্যালুট, ৮১ বছর বয়সে এসেও কীভাবে জনপ্রিয়তার শিখরে পল সাইমন

Paul Simon : “বার্কলি কলেজ অফ মিউজিক”এর ডক্টরেট অথবা ২০০১ সালের ‘রক এন্ড রোল হল অফ ফেম’ থেকে শুরু করে ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান, এসবই রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।

তবে গ্র্যামির মঞ্চে কিন্তু এর আগেও একাধিক বার ম্যাজিক দেখিয়েছে ভারত। যে যাত্রা শুরু হয়েছিল আসলে ১৯৬৮ সালে বিখ্যাত সেতারবাদক রবিশঙ্করের হাত ধরে। সেই বছর 'ওয়েস্ট মিটস ইস্ট' অ্যালবামের জন্য খেতাব জিতে নেন রবিশঙ্কর। ১৯৭৩ সালে ফের অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার হয় 'দ্য কনসার্ট অব বাংলাদেশ' নামে রবিশঙ্করের একটি লাইভ অ্যালবাম। এর মাঝখানে অবশ্য বেশ কয়েকবার বেশ কয়েকটি বিভাগে নমিনেশন পেয়েছিলেন বিখ্যাত বিখ্যাত পশ্চিমি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কনডাক্টর জুবিন মেহতা। তবে গ্র্যামির শিকে ছেঁড়েনি কপালে। সেই স্বপ্নপূরণ হল ১৯৮১ সালে। বেস্ট ক্ল্যাসিক্যাল পারফর্মেন্স বিভাগে খেতাব জেতেন জুবিন। শুধু একটি নয়, সে বছর বেস্ট ইঞ্জিনিয়ারড রেকর্ডিং বিভাগেও গ্র্যামি জেতেন তিনি। 'আইস্যাক স্টার্ন সিক্সিটিয়েথ অ্যানিভার্সারি সেলেব্রেশন' অ্যালবামটির জন্যই মিলেছিল দু'টি খেতাব। সে বছর আরও দু'টি বিভাগে নমিনেশন পেয়েছিলেন জুবিন। ১৯৮২ সালে ফের বেস্ট ক্ল্যাসিক্যাল ভোকাল সোলোইস্ট পারফর্মেন্স বিভাগে গ্র্যামি জেতেন জুবিন। ১৯৯০ সালে ফের দুটি বিভাগে গ্র্যামি জিতেছিলেন জুবিন। একটি ছিল বেস্ট ক্ল্যাসিক্যাল পারফর্মেন্স, ইনস্ট্রুমেন্টাল সোলোইস্ট (উইদ অর্কেস্ট্রা) এবং অন্যটি বেস্ট ক্লাসিক্যাল ভোকাল পারফর্মেন্স। সবচেয়ে বেশিবার গ্র্যামির মঞ্চে মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তি বোধহয় জুবিনই।

১৯৯১ সালে কিন্তু প্রথম বার গ্র্যামি জিতেছিলেন উস্তাদ জাকির হুসেন। বেস্ট ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যালবাম বিভাগে টি এইচ বিনায়াক্রমের সঙ্গে যৌথভাবে ওই অ্যাওয়ার্ডটি জেতেন জাকির। সেটি মিলেছিল 'প্ল্যানেট ড্রাম' অ্যালবামের জন্য। ১৯৯২ সালে ওই একই বিভাগে একই অ্যালবামের জন্য গ্র্যামি জেতেন বিশ্ব মোহন ভাট। এরপর গ্র্যামি মঞ্চে অনেকদিনের খরা ভারতের। ২০০২ সালে সেই খরা কাটল ফের রবিশঙ্করের হাত ধরে। বেস্ট ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যালবাম বিভাগে জিতে নেন তিনি সেই সম্মান।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মাত্র কয়েক ঘণ্টায় 'পথের পাঁচালি'-র সুর সৃষ্টি করেছিলেন রবিশঙ্কর!

Pather Panchali: দুর্গার সঙ্গে যে আহির ভৈরবকে অবলীলায় মিলিয়ে দেওয়া যায়, তা তো ‘পথের পাঁচালি’ই শিখিয়েছে আমাদের।

২০০৮ সালে গ্র্যামির মঞ্চ মাতল রহমান-ম্যাজিকে। 'স্লামডগ মিলিনিয়র' সিনেমার জন্য 'বেস্ট কমপ্লিয়েশন সাউন্ডট্র্যার অ্যালবাম' বিভাগে এইচ শ্রীধর, পিএ দীপকের সঙ্গে গ্র্যামি জেতেন এআর রহমান। ওই বছরই 'বেস্ট সং রিটেন ফর ভিস্যুয়াল মিডিয়া' বিভাগে একই সিনেমার জন্য গুলজার ও তনভি শাহের সঙ্গে ফের খেতাব জেতেন রহমান। সেই বছর বেস্ট কনটেম্পোরারি ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যারবাম বিভাগে আরও একটি গ্র্যামি জেতেন উস্তাদ জাকির হুসেন তাঁর 'গ্লোবাল ড্রাম প্রজেক্ট'-এর জন্য।

২০১৩ সালে ফের গ্র্যামি জেতেন পণ্ডিত রবিশঙ্কর। সে বছর গ্র্যামির মঞ্চ লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট দেয় তাঁকে। একই সঙ্গে বেস্ট ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যালবাম বিভাগেও আরও একটি গ্র্যামি জেতেন রবিশঙ্কর তাঁর 'দ্য লিভিং রুং সেশন পার্ট ওয়ান' অ্যালবামের জন্য। ২০১৫ সালে বেস্ট নিউ এজ অ্যালবামের জন্য গ্র্যামি জেতেন ভারতীয় সঙ্গীতকার রিকি কেজ, তাঁর 'উইন্ডস অব সামসেরা' অ্যালবামের জন্য। ওই বছরই বেস্ট চিলড্রেন'স অ্যালবাম বিভাগে নীলা ভাস্বানী। ২০২২ সালে বেস্ট নিউ এজ অ্যালবাম বিভাগে পিএ দীপক, রিকি কেজ ও স্টিওয়ার্ট কোপল্যান্ড তাঁদের 'ডিভাইন টাইডস' অ্যালবামের জন্য খেতাব জেতেন। ২০২২ সালে বেস্ট চিলড্রেনস মিউজিক অ্যালবাম বিভাগে গ্র্যামি জেতেন ফাল্গুনি শাহ।

তবে এর মধ্যে অসংখ্য আরও ভারতীয় সঙ্গীতকারেরা মনোনীত হয়েছেন গ্র্যামির মঞ্চে। তাঁদের কাজ, সঙ্গীত বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত হয়েছে। ২০২২-র পর ফের ২০২৩ সালে গ্র্যামির মঞ্চে জয়জয়কার ভারতের। আর এ বছরের সবচেয়ে বড় পাওয়া বোধহয় শঙ্কর মহাদেবন ও পণ্ডিত জাকির হুসেনের এই সম্মান। নিজস্ব সঙ্গীত ও সংস্কৃতির জন্য বরাবরই বিশ্বমঞ্চে নন্দিত হয়েছে ভারত। আর সেই সম্মানকেই আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল গ্র্যামির মঞ্চে সাম্প্রতিক এই খেতাব।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।