হারাধনের চিতাদের নতুন ঠাঁই, ঘরছাড়া হবেন না তো কয়েক হাজার গ্রামবাসী?

Project Cheetah: আগামী জানুয়ারি মাসে আরও দশটি চিতা আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যাদের প্রথম থেকেই রাখা হবে মধ্যপ্রদেশের নিমুচ ও মন্দসৌর জেলার সীমান্তে অবস্থিত গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যে।

Sohini Das
৪ মিনিট
হারাধনের চিতাদের নতুন ঠাঁই, ঘরছাড়া হবেন না তো কয়েক হাজার গ্রামবাসী?

আজ থেকে বছর সত্তর আগে নাকি এই ভারতের বুকে দিব্যি ঘুরে বেড়াত চিতারা। ক্রমে কমতে কমতে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় দেশ থেকে। দেশের সেই হৃত গৌরব ফেরাতে সুদূর আফ্রিকা থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে উড়িয়ে আনা হয়েছিল আট-আটটি চিতা। রাখা হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে। পরের বছর উড়িয়ে আনা হয় আরও ১২টি দক্ষিণ আফ্রিকান চিতা। মোট ৫০টি চিতা পাঁচ বছরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নামিবিয়া থেকে ভারতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছিল মোদি সরকার। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতে এসে গিয়েছে মোট ২০টি চিতা। তার পর যে কী থেকে কী হইয়া গেল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের চিতারা কমতে লাগল একের পর এক। এখনও পর্যন্ত টিকে রয়েছে মাত্র হারাধনের গোটা কয়েক চিতা। আপাতত তাদের বাঁচাতেই মরিয়া মোদি সরকার। কুনোয় এসে থেকে টিকে যাওয়ার তেমন কোনও সুখবর দিতে পারেনি চিতার দল। বরং ক্রমশ কমতে থাকা সংখ্য়াগুলো বিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে একের পর এক অস্ত্র। ফলে এই পরিস্থিতিতে আশু কর্তব্য, চিতাদের বাসা পাল্টানো।

সেই মতোই বাসা বদল হতে চলেছে সুদূর আফ্রিকা থেকে উড়ে আসা চিতাবাহিনীর। না, রাজ্য পাল্টাচ্ছে না। কুনো থেকে আপাতত গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেখা যাক, তাতে চিতা এবং ভারতের ভাগ্য ফেরে কিনা। ইতিমধ্যেই সারা হয়ে গিয়েছে সব প্রস্তুতি। ২০২২ সালে নিজের ৭২তম জন্মদিনে নিজেই নিজেকে উপহার দিয়ে বসলেন মোদি। সুদূর আফ্রিকা থেকে উড়ে এসে মধ্যপ্রদেশের শেওপুর জেলার কুনো ন্যাশনাল পার্কে জুড়ে বসল আটটি নামিবিয়ান চিতা। তার পরে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আরও ১২টি দক্ষিণ আফ্রিকান চিতা। কুনো ভরে উঠল চিতায়। তারপর! মার্চের শেষ সপ্তাহেই নামিবিয়া থেকে আনা চিতা সিয়া আবার চারটি শাবকের জন্ম দিলে। চিতার সংখ্যা বেড়ে হল ২৪। তবে তার কিছুদিন যেতে না যেতেই তিনটি শাবকের মৃত্যু হয়। ততদিনে মারা দিয়েছে পূর্ণবয়স্ক আরও ৬টি চিতা। আপাতত মেরেকেটে কুনো জাতীয় উদ্যানে ১৪টি চিতা ও একটি শাবক রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত আনা চিতাদের সামলাতে এবং প্রাণে বাঁচাতেই হিমশিম খাচ্ছে বনদফতর। এরই মধ্যে আবার আগামী জানুয়ারি মাসে আরও দশটি চিতা আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যাদের প্রথম থেকেই রাখা হবে মধ্যপ্রদেশের নিমুচ ও মন্দসৌর জেলার সীমান্তে অবস্থিত গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যে। ইতিমধ্যেই সারা হয়ে গিয়েছে সব প্রস্তুতি। প্রায় ৩০ কোটি টাকা খরচ করে ঘেরা হচ্ছে ৬৭ বর্গকিলোমিটারের একটি জায়গা। আগামী মাসের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোথায় গেল শেষ চিতা নির্ভা? কেন আফ্রিকা থেকে আনা একের পর এক চিতার মৃত্যু ঘটছে ভারতে?

Cheetahs Death at Kuno National Park: রেডিও কলার পরানোর কারণে সেপ্টিসিমিয়া হওয়াতে তেজস এবং সুরজ নামের চিতাদের মৃত্যুর পরে আফ্রিকান চিতাদের দেখভাল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এদিকে চিতা আসার খবর যবে থেকে শুনেছেন, ঘুম উড়েছে গান্ধীসাগরের বাসিন্দাদের। গান্ধীসাগর অভয়ারণ্য লাগোয়া এলাকায় রয়েছে তিন-তিনটি গ্রাম। চইনপুরিয়া, রাভালিকুড়ি ও পাথর। সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫২টি পরিবারের বাস সেই গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায়। মোটামুটি আড়াই হাজার বাসিন্দা ধরা যেতে পারে, যাদের অধিকাংশরই জীবিকা কৃষিকাজ ও পশুপালন। গ্রামের প্রতি ঘরে ঘরে গবাদি পশুর খামার। মোটামুটি প্রতিটি গ্রামবাসীর কাছে ৭০-১০০টি করে গবাদি পশু তো রয়েইছে। বেশির ভাগই গোরু, বাদবাকি ছাগল ও মহিষ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফের চিতা মৃত্যুর ঘটনা কুনোয়, অসুস্থতা নাকি অন্য কিছু, কেন অকালে মারা যেতে হল স্ত্রী চিতাটিকে?

Cheetah died: কুনোয় মৃত্যু স্ত্রী চিতার, প্রজননের সময় বাজেভাবে জখম হয় সে, কিন্তু কেন? ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?

চিতা আসার খবরে আনন্দের চেয়ে দুশ্চিন্তাই চেপে ধরেছে ওই সব এলাকার মানুষদের। এমনিই গ্রামে কষ্টের শেষ নেই। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ নেই। সেচের জলের অভাব, তার উপর জমির অধিকার নিয়ে সমস্যা লেগেই রয়েছে গ্রামে। এর মধ্য়ে আবার গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দিতে চলেছে চিতারা। হ্যাঁ, গবাদি পশুর উপর চিতার হামলার সম্ভাবনা তো রয়েইছে। পাশাপাশি দুগ্ধচাষীদের অভিযোগ,যে জায়গাটিকে পাথরের দেওয়াল ও তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে, সেখানেই গরু, ছাগল চড়াতে যেতেন তাঁরা। জঙ্গলে গবাদি পশু চড়ানোর ঘটনা নতুন কিছু নয়। প্রায় প্রতিটি জঙ্গলেই আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা পশু চড়াতে যান। জঙ্গলে বাঘ থাকলেও, বাঘের গতিবিধি বাসিন্দা ও বনকর্মীদের জানা। খুব অঘটন না ঘটলে নিজেদের চেনা রাস্তাতেই যাতায়াত করতে পছন্দ করে বাঘ। কিন্তু এই আফ্রিকান চিতাদের গতিবিধি বা ধরনধারন কিছুই জানেন না গ্রামবাসীরা। ফলে সেটা তাদের জন্য একটা নতুন দুশ্চিন্তা।

সরকার অবশ্য সে ব্যাপারটি নিয়েও ভেবে রেখেছে। তারা ইতিমধ্যেই গরুপালনের জন্য একটি নতুন আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। প্রতিটি গ্রামপঞ্চায়েতেই তাদের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রকল্প। তবে শুধু তো গরু নিয়ে তো আর কারবার নয়। অথচ ছাগল বা মহিষ নিয়ে তেমন ভাবিত নয়। অথচ ওই সব গ্রামের অজস্র পরিবারের প্রধান জীবিকা দুগ্ধবিক্রয়। সুধা বাই নামে এক দুগ্ধবিক্রেতার পরিবার জানান, আমাদের ৫৫টি গরু রয়েছে। বাদবাকি ২৫টি ছাগল ও মহিষ। চিতার দৌলতে খাবারের অভাবে তাদের প্রাণসংশয় হওয়ার আতঙ্কে বাঁচছেন এখন ওই সব গ্রামের মানুষ।

গান্ধী সাগর অভয়ারণ্যের উপর এমন ভয় নতুন নয়। বছর পঞ্চাশ আগে গান্ধী সাগর বাঁধ তৈরির সময় সমস্ত কিছু ছেড়ে যেতে হয়েছিল গ্রামের মানুষকে। জমিজিরেত বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল মানুষকে। সেখান থেকে আজকের এই কৃষি ও পশুপালনের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহের জায়গায় পৌঁছেছেন মানুষ। এখন সরকার যদি ফের গবাদি পশু চড়ানোর অধিকার থেকে তাঁদের বঞ্চিত করে, ফের নতুন করে জায়গা খুঁজতে হবে মানুষকে। ফলে গান্ধীসাগরের মানুষের কাছে এই চিতার আগমন যেন ফের বিপদের মেঘ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে চিঠি লিখে নিজেদের সমস্যার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। স্থানীয় জেলাশাসকের কাছেও দরবার করা হয়েছে। প্রতিবাদ, আবেদন, স্মারকলিপি- সব কিছুর শেষেও কি মিটবে গ্রামবাসীদের সমস্যা। ভারতের গর্বের চিতা কি কেড়ে নেবে স্থানীয় গ্রামবাসীদের জীবিকাটুকু, তাদের গবাদি পশুর চারণভূমিটুকু! সেই প্রশ্নটাই এখন ঘুরপাক খায় গান্ধীসাগরের ওই সব গ্রামের হাওয়ায়।

চিত্রঋণ:Big Cat Cheetah

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।