সংসার চালাতে করেছেন ঝাড়ুদারের কাজও, কীভাবে রাতারাতি ম্যাজিক ম্যান হয়ে উঠলেন রিঙ্কু

Rinku Singh : শেষ ৫ বলে চাই ২৮ রান, পরপর ৫ বলেই ছক্কা মেরে কে জেতালেন বাজিগর রিঙ্কু

Kankana Mukherjee
৪ মিনিট
সংসার চালাতে করেছেন ঝাড়ুদারের কাজও, কীভাবে রাতারাতি ম্যাজিক ম্যান হয়ে উঠলেন রিঙ্কু

গ্যালারি ভর্তি দর্শকের ভিড়, টানটান উত্তেজনা। যদিও পাল্লাটা বেশ ভারী একদিকে। ম্যাচের আগাম সমীক্ষা প্রায় ঘোষণা করে দিয়েছে ফলাফল। শেষ ওভার, জয়ের জন্য তখনও বাকি ২৯টা রান। দলের সবাই হাল ছেড়ে দিয়েছেন। বলা ভালো, হেরে যাওয়ার শেষ প্রমোদ গুনছেন। এমনকী ধারা ভাষ্যকারও ধরে নিয়েছিলেন গুজরাট দলের জয় আসন্ন। তবুও নিয়মমাফিক শুরু হল শেষ ওভার। প্রথম বলে উমেশ যাদব এক রান নিয়ে স্ট্রাইক ছেড়ে দিলেন রিঙ্কু সিংকে। গুজরাট টাইটান্স দল অবশ্য ততক্ষণে ধরে নিয়েছিল জয় শুধু আর ৫ বলের অপেক্ষা। কিন্তু এই এত টালমাটাল পরিস্থিতি, এত উত্তেজনার মধ্যেও একমাত্র স্থির ছিলেন একজনই। তখন অবশ্য কেউই বুঝতে পারেননি এই স্থির চোখের আড়ালেই ছিল গনগনে আঁচ। এক্কেবারে চুপিসাড়ে মরণ কামড় দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কেকেআর -এর রিঙ্কু সিং। যশ দয়াল নিজেও ভাবতে পারেননি তাঁর করা পরবর্তী পাঁচটি বলের ফলাফল কী হতে পারে!

প্রথম বল, ছক্কা হাঁকালেন রিঙ্কু। কলকাতার দল এবং সমর্থকেরা অনেকক্ষণ পর একটু উত্তেজিত হলেন। কিন্তু জয় তো তখনও অনেক দূর। যশ দয়ালও ভাবলেন বলের ধরনটা একটু বদলে ফেললেই হল, ম্যাচ তো হাতের মধ্যেই রয়েছে। পরবর্তী বল, আবার ছয়। রিঙ্কু সিংয়ের শান্ত চোখে যেন আগুন জ্বলছে। ওভারের চতুর্থ বল, ফের ছয় মারলেন রিঙ্কু। মুষড়ে পড়া নাইট বাহিনী এতক্ষণে যেন ফের চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। রিঙ্কুর ওই আগুন রাঙা চোখ দিয়ে তারাও স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে। যশ দয়ালও এবার খানিক ঘাবড়ে গিয়েছেন। গুজরাট দল নিজেদের মধ্যে আরও একবার আলোচনা সেরে নিচ্ছেন, আর মোটেই সহজ ভাবে নেওয়া যাচ্ছে না রিঙ্কুকে। গ্যালারি থেকে শুরু করে টিভির পর্দা দর্শকদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা। শেষ দুই বল, জয়ের জন্য দরকার আর মাত্র দশ রান। তবে কি সত্যিই কোনও ম্যাজিক হতে চলেছে? মুহূর্তের মধ্যেই যেন ঘটে গেল সেই ঘটনাটা। এক্কেবারে সিনেমার দৃশ্য। শেষ দুই বলেই ফের ছক্কা হাঁকিয়ে শেষ রাতের বাজিগর হয়ে উঠলেন রিঙ্কু সিং।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আইপিএল মানেই গ্যালারি জুড়ে সেই ভেঁপুর মিউজিক! বিখ্যাত সুরটির পেছনে রয়েছে কোন ইতিহাস?

Famous Trumpet of IPL : গ্যালারি থেকে রিংটোন, ভারত আর আইপিএলকে জুড়ে রেখেছে ওই বিশেষ সুর, সেই স্পেশাল ভেঁপুর শব্দ।

রবিবার, ছুটির দিন। সকালে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া, তারপর ভাত ঘুম সেরে বাঙালি এক্কেবারে তৈরি ছিল টিভির সামনে। নির্ধারিত সময়েই বেগুনি রঙা পোশাকে মাঠে নেমেছিল কলকাতার নাইটরা। মুখোমুখি লড়াইয়ে সওয়ার ছিল গুজরাট দলও। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে ২০ ওভারে চার উইকেটে ২০৪ রান তোলে গুজরাট। রানের ধাক্কাটা অবশ্য প্রথম থেকেই খানিক তাড়িয়ে বেরিয়েছিল কেকেআর-কে, যার জের সামলাতে বেশ খানিকটা সময়ও কেটে যায়। কেকেআর-কে ফের ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন বেঙ্কটেশ আইয়ার এবং নীতীশ রানা। কিন্তু আইয়ার আউট হওয়ার পর ১৭ তম ওভারে রশিদ খানের হ্যাটট্রিকে কেকেআরের হাত থেকে ম্যাচ প্রায় বেরিয়ে গিয়েছিল। পরপর তিন বলে আউট হন আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারিন এবং শার্দুল ঠাকুর।

কিন্তু তখনই কেই বা জানত আসল কারিগর হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন অন্য একজন। রিঙ্কুও অবশ্য প্রথম থেকে কিছুতেই ঠিক টাইমিং করে উঠতে পারছিলেন না। শেষ পাঁচ বছর ধরেই কেকেআর দলে রয়েছেন তিনি, অথচ মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন হাতে গোনা কয়েকবার মাত্র। গ্রিনরুমের গ্যালারিতে বসে কেবল ম্যাচগুলিকে অনুধাবন করে গিয়েছেন ছেলেটি। আর স্বপ্ন দেখেছেন একদিন মাঠে নেমে নায়ক হয়ে ওঠার। তার সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন যে এমন অপূর্ব হতে পারে তেমন ধারণা ছিল না কারোরই। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সাল থেকে নাইট রাইডার্স শিবিরে আছেন তিনি। প্রথম চার মরশুমে ৮০ লাখ টাকার চুক্তিতে দলে ছিলেন। তার ঘরোয়া পারফরম্যান্সের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, কেকেআর তাকে আইপিএল ২০২৩-এর আগে অকশনে ফের ৫৫ লাখ টাকা দিয়ে দলে সামিল করে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রঙিলা আইপিএল এবং ভারতীয় ক্রিকেটের বৃষোৎসর্গ শ্রাদ্ধ

IPL 2023: রাহুল যে দ্রুত রান করতে পারেন না তা আর কতবার প্রমাণিত হলে কোচ রাহুল দ্রাবিড়, অধিনায়ক রোহিত এবং নির্বাচকরা তাঁকে অপরিহার্য ভাবা বন্ধ করবেন তাঁরাই জানেন।

সোনার চামচটা অবশ্য কোনওদিনই মুখে ছিল না রিঙ্কু সিংয়ের। মধ্যবিত্ত নয়, বরং বলা ভালো, নিম্ন বিত্ত পরিবারে জন্ম তাঁর। ১৯৯৭ সালে উত্তর প্রদেশের আলিগড়ে খানচাঁদ সিং-এর পরিবারে জন্মগ্রহণ করে ভবিষ্যতের বাঁ-হাতি ব্যাটার রিঙ্কু। ছোট থেকেই অভাব অনটনের মধ্যে কেটেছে তাঁর জীবন। ক্রিকেট খেলার সরঞ্জাম তো দূর, দুবেলা দুমুঠো অন্ন পর্যন্ত জুটত না তাঁর। বাবা খানচাঁদ সিং বাড়ি বাড়ি গ্যাস সিলিন্ডার বিলি করে কোনওক্রমে সংসার চালাতেন। গ্যাস এজেন্সির স্টোরেজ কম্পাউন্ডে ছোট ছোট দুটি ঘর, আলুথালু স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশেই চার ভাই-বোন ও মা-বাবাকে নিয়ে ছিল রিঙ্কুর সংসার। যদিও এতো অভাব সত্বেও স্বপ্ন হাতড়ে বেড়িয়েছেন তিনি আজীবন। ব্যাটে বলে উড়ান দেওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করেছেন ওই পরিবেশে থেকেই। একটু বড় হওয়ার পর সংসারের অভাব যখন চরমে তখন রিঙ্কুর দাদা বাধ্য হয়েই ভাইকে ঝাড়ুদারের কাজে ঢুকিয়ে দেন। কিন্তু এতেও তাঁর ২২ গজে খেলার স্বপ্নকে ধামাচাপা দেওয়া যায়নি কিছুতেই। সেই স্বপ্ন নিজের মতো করেই ডাল পালা মেলেছে বিস্তর।

হাজার প্রতিকূলতাকে সঙ্গে করেই নিজের খেলাকে চালিয়ে যান রিঙ্কু সিং, ক্রিকেটেই যেন ছিল তাঁর একমাত্র মুক্তির স্বাদ। একবার দিল্লিতে একটি স্থানীয় টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় হওয়ার জন্য তিনি একটি মোটরবাইক জেতেন। আর এই ভালোবাসা এবং খেলার জেদের প্রকৃত ফল মেলে ১৭ বছর বয়সে। উত্তরপ্রদেশের রাজ্য দলে ডাক পান। এরপর ২০১৬ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ২০১৭ সালে আইপিএল-এ পাঞ্জাব কিংস তাকে দলে নিলেও মাঠে নামার সুযোগ দেয়নি। আর তার দু’বছর পরই নাইট শিবিরে সুযোগ। কেকেআর-এর জার্সি গায়ে চাপিয়ে আর্থিক সংকট কাটালেও মানসিক শান্তি পাননি রিঙ্কু। খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য বারবার নেট মাধ্যমে ট্রোলড হতে হয়েছে তাঁকে।

আর এই সমস্ত ট্রোলডই তাঁর প্রধান অস্ত্র হয়ে ওঠে, আর তার সঙ্গে যোগ হয় তাঁর এতদিনের লড়াই এবং ওই পরিবেশ থেকে বেড়ে ওঠার জেদ। নিজেকে যেন খুব আড়ালে, খুব সন্তর্পনে সজ্জিত করে তুলেছিলেন রিঙ্কু। যার সবটুকু হিসেব কড়ায় গন্ডায় দর্শকদের বুঝিয়ে দিয়েছেন গত রাতের শেষ পাঁচটি বলে।গুজরাটের মাটিতে রাতারাতি ম্যাজিক ম্যান হয়ে উঠেছেন ছাপোষা নিম্নবিত্ত ঘরের ছেলেটি। আজ অবশ্য সে তারকা, রাতারাতি বদলে গিয়েছে চারপাশের পরিস্থিতি, কেবল বদলায়নি রিঙ্কু সিংয়ের মধ্যে থাকা প্রকৃত মানুষটা। যে মানুষটা কেবল জানে লড়াই করতে, যে মানুষটার কাছে জীবনের সব জয়ের নেপথ্য কেবল তাঁর লড়াকু পরিবারের প্রতিচ্ছবি। তাই হয়তো এতো উত্তেজনার মধ্যেও স্থির তিনি। আসলে শেষ রাতের যে পাঁচটি বল তিনি মাঠের বাইরে পাঠিয়েছেন, সেই প্রতিটাতেই লেখা রয়েছে এতদিনের লড়াইয়ের গল্প এবং আগামীর জন্য আরও আরও অনেক সম্ভাবনার খতিয়ান।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নারী টেস্টে এত অনীহা কেন, লর্ডসের ইতিহাসও বদলাবে না সেই ছবি?

Women’s Test Cricket: লর্ডসে ভারতের নারী ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয় নারী টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বদলানোর সুযোগ এনে দিয়েছে? এত সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পরও কেন এই ফরম্যাটে নিয়মিত ম্যাচ নেই?

শিব-পরশুরামের যুদ্ধবিদ্যা কালারিপায়াট্টু থেকেই জন্ম কুংফুর!

Kalaripayattu Indian Martial Art: ভারতীয় পৌরাণিক ঐতিহ্যে কালারিপায়াট্টুকে স্রেফ যুদ্ধের কৌশল হিসেবে দেখা হয়নি, বরং এটিকে মানব শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রাণশক্তিকে জাগিয়ে তোলার এক মহান সাধনা বলে মনে করা হয়।

দু'হাজার বছর পুরনো ‘আত্য পাত্যা’: এই খেলাই শিখিয়েছিল যুদ্ধের কৌশল!

Atya Patya Traditional Indian Game: আনুমানিক ১০০ থেকে ৩০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত প্রাচীন তামিল সাঙ্গম সাহিত্য ‘নাটতৃণৈ’-তে এই খেলার প্রথম লিখিত প্রমাণ পাওয়া যায়। অতএব, এই খেলার বয়স প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি। সেখানে বলা আছে, প্রাচীন চোল রাজবংশের সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার আগে নিজেদের ক্ষিপ্রতা, দ্রুত দৌড়ানোর ক্ষমতা আর শরীরকে এক নিমেষে বাঁকানোর চপলতা বাড়াতে এই খেলায় মেতে উঠত।

১৬ বছর পর ফের ভারতের পথে ললিত মোদী

Lalit Modi return to India: দীর্ঘ সময় পর দিল্লির আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আর্থিক অনিয়মের বড় অভিযোগ ও জরিমানা বাতিল করে দেওয়ার পরেই এই আলোচনার সূত্রপাত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ললিত মোদী নিজেই স্পষ্ট করেছেন, সমস্ত বড়সড় আইনি জটিলতা কাটার পর ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৭-এর শুরুতেই ফের তিনি ভারতে পা রাখতে চলেছেন।

গোলের আড়ালে ঘৃণার খেলা: ২০২৬ বিশ্বকাপে ট্রাম্প, ফিফা আর ফুটবলের পরাজয়

Trump FIFA World Cup: এই বিশ্বকাপ শুধুই একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; মাঠের লড়াই ছাপিয়ে তা হয়ে উঠেছে ভূ-রাজনীতি, বর্ণবিদ্বেষ এবং বাণিজ্যিক আধিপত্যের এক জটিল ময়দান।

একটা রাজপুত্তুর যার মুকুট হারিয়ে গিয়েছে

Lionel Messi Retirement: তিনটে ফাইনালের বোঝা। একে একে ছেড়ে যায় সহযোদ্ধারা। রক্তাক্ত মাসচেরানো চলে যান, কুন আগুয়েরোর অসুখ... তবু লিও পড়ে থাকে, আমরা পড়ে থাকি আর কিছুদিন। বৃত্ত সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজন ছিল একজন স্ক্যালোনির, তিনি সেটুকু সেতু নির্মাণের দায়িত্ব নিলেন। আমরা অপেক্ষা করলাম লুসাইলে। আমরা তো কবেই হেরে গিয়েছিলাম, সৌদি আরব শুধু চিনিয়ে দিয়েছিল আশপাশটা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: যেভাবে ১৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় পরিণত হল ফুটবল

FIFA Revenue 2026: 'কুইন্টেট প্রাইভেট ব্যাংক'-এর সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের অনুঘটক হওয়ার চেয়ে বিশ্বকাপ আসলে একটি শক্তিশালী স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যিক উদ্দীপক হিসেবেই বেশি কাজ করে। ফিফা, সম্প্রচারকারী সংস্থা, স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড এবং আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ক্ষেত্রগুলি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করলেও, কোম্পানির শেয়ারের দামে সেই ইতিবাচক প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে রাখা বেশ কঠিন।

যখন ইউরোপে নারীরা গৃহবন্দি, তখন অসমে মেয়েরা খেলছিলেন ধোপখেল

Dhop Khel Assam: আহোম রাজাদের রাজপ্রাসাদ থেকে বিহুর মেঠো মাঠ—অসমের মাটিতে একসময় গমগম করত ধোপখেলের আওয়াজ। ফুটবল, কাবাডি আর দূরন্ত নিশানার এই অদ্ভুত রোমাঞ্চকর খেলাটি শুধু পুরুষদের বীরত্ব প্রমাণের লড়াই ছিল না; যখন ইউরোপে নারীদের জীবন ছিল চার দেওয়ালে বন্দি, তখন অসমে মেয়েরাও মাঠে নেমে মেতে উঠতেন ধোপখেলে।