ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধঘোষণা হিজবুল্লাহের, গাজার পরিণতি হতে চলেছে লেবাননেরও?

Israel-Hezbollah Conflict: এতদিন পর্যন্ত মেঘের আড়ালে ইন্দ্রজিৎ হয়েই ইজরায়েলের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল হিজবুল্লাহ। আর কোনও রাখঢাক নয়। ইজরায়েলের বিরুদ্ধে এবার খোলাখুলি যুদ্ধঘোষণা করে দিল লেবাননের এই জঙ্গিগোষ্ঠী।

Sohini Das
৪ মিনিট
ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধঘোষণা হিজবুল্লাহের, গাজার পরিণতি হতে চলেছে লেবাননেরও?

গাজায় যুদ্ধের আগ্রাসন থেকে এক বিন্দুও সরে দাঁড়ায়নি ইজরায়েল। এর মধ্যে যে আশঙ্কায় কাঁপছিল গোটা বিশ্ব, তেমনটাই হল। লেবাননের জঙ্গিগোষ্ঠী হিজবুল্লাহের সঙ্গে এবার পুরোমাত্রায় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল ইজরায়েল। দিন কয়েক আগেই লেবানন, সিরিয়া ও বেইরুটের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে পেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণ ঘটে। যে হামলার দায় ইজরায়েলের কাঁধেই ঠেলেছিল ইরানপোষিত জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লাহ। এতদিন পর্যন্ত মেঘের আড়ালে ইন্দ্রজিৎ হয়েই ইজরায়েলের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। এবার আর কোনও রাখঢাক নয়। ইজরায়েলের বিরুদ্ধে খোলাখুলি যুদ্ধঘোষণা করে দিল হিজবুল্লাহ।

পেজার হামলার ব্য়াপারটাকে যে হিজবুল্লাহ বা ইরান, কেউ-ই যে ভালো ভাবে নেয়নি, তা প্রথম থেকেই ঘোষণা করে দিয়েছিল তারা। কার্যত এর ফল ভুগতে হবে ইজরায়েলকে, এমন হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছিল ইরান। গত সপ্তাহে প্রায় দিন তিনেক ধরে একের পর এক পেজার বিস্ফোরণ হতে থাকে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায়। প্রায় চার-সাড়ে চার হাজার মানুষ জখম হন সেই হামলায়। মৃ্ত্যু হয় অন্তত ৩২ জনের। যার মধ্যে বেশিরভাগই হিজবুল্লাহ জঙ্গি রয়েছেন। রয়েছে দুটি শিশুও। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার, এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরেও হামলার তীব্রতা থেকে সরে আসেনি কোনও পক্ষই।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিলিস্তিনি জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস ইজরায়েল হামলা করার পরেই গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে দেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তার পর থেকেই ইজরায়েলে হামলার পর হামলা চালিয়ে গিয়েছে হিজবুল্লাহ জঙ্গিরা। এই হামাসও ইরানের মদতপুষ্ট হিসেবেই পরিচিত। গাজায় আগ্রাসন বাড়াতেই ইজরায়েলের দিকে একের পর এক রকেট, ড্রোন নিক্ষেপ করে গিয়েছে হিজবুল্লাহ। ইজরায়েলের জোরালো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগকেই মাঝআকাশে প্রতিহত করেছে। কখনও কখনও হিজবুল্লাহকে উত্তরও ফিরিয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। কিন্তু সম্প্রতি সেই যুদ্ধ অন্যরূপ নেয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোবাইল ছেড়ে হাতে হাতে পেজার! কেন সেকেলে যোগাযোগ মাধ্যমেই ভরসা লেবাননের?

Pager Blast in Lebanon: কিন্তু গোটা বিশ্ব যখন চব্বিশ ঘণ্টা মোবাইলে মজে, তখন লেবাননে এখনও কেন হাতজোড়া পেজার? সেই প্রশ্ন ওঠে বৈকি।

গত শনিবার ইজরায়েলের জেজরিল উপত্য়কার উত্তরাঞ্চলীয় শহকগুলি লক্ষ্য় করে অন্তত দশটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হিজবুল্লাহ। ইজরায়েলের তরফে অবশ্য দাবি, বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্রকেই মাঝপথে প্রতিহত করা গিয়েছে। তবে সেই ক্ষেপণাস্ত্রের শার্পনেলে আঘাত পায় বছর ষাটেকের এক ব্যক্তি। সেই হামলার দায় স্বীকার করে হিজবুল্লা। তারা জানায়, তাদের নিশানায় ছিল লেবানন সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড এয়ারবেস, যেটা ইজরায়েলি বিমানবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগত স্থান। এর জবাবে দক্ষিণ লেবাননে একের পর এক প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে থাকে ইজরায়েল। আইডিএফ জানায়, হিজবুল্লাহ-র অন্তত ১১০টি জায়গা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। যার মাধ্যমে হিজবুল্লাহের আরও আক্রমণ প্রতিহত করা গিয়েছে বলেও জানায় তারা। এরপরেই ইজরায়েলের তরফে সামনে আসতে থাকে তাদের সাফল্যের একের পর এক খতিয়ান। আইডিএফ জানায়, হিজবুল্লাহের রকেট-ফায়ারিং সক্ষমতা ধ্বংস করতে হাজার হাজার রকেট ব্যারেল-সহ অন্তত ২৯০টি হিজবুল্লাহ সাইটে বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফের নতুন করে হামলা বেইরুটে, পেজার বিস্ফোরণে কেন জড়াচ্ছে ইজরায়েলের Unit 8200-র নাম?

Pager Explosions in Lebanon: এই গণপেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণের এই পরিকল্পনার পিছনে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দা শাখা ইউনিট ৮২০০-র হাত রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে পাল্টা হামলা চালায় হিজবুল্লাহও। ইজরায়েলি বাহিনীকে নিশানা করে তাদের তরফে ছোড়া হয় অন্তত ৯০টি রকেট। এদিকে ইজরায়েলের বেইরুট বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। তাতে হিজবুল্লাহের এক সিনিয়র কম্যান্ডারের মৃত্যুর খবর মেলে। কার্যত ইজরায়েলের একের পর এক স্ট্রাইকে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে লেবাননে, তেমনটাই জানানো হয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে। আর এর পরেই ক্ষুব্ধ লেবানন ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে নামার কথা ঘোষণা করেছে। হিজবুল্লাহের রাদওয়ান ফোর্সের প্রধান ইব্রাহিম আকিল-সহ আরও কয়েক জন উচ্চপদস্থ কম্যান্ডার নিহতদের তালিকায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যার প্রতিশোধ নেওয়া হবেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে হিজবুল্লাহ। হিজবুল্লাহের আরেক উচ্চপদস্থ নেতা আহমেদ মাহমুদ ওয়াহবিও নিহত হন ইজরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায়। হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এই হামলার নিন্দা করে একে যুদ্ধপরাধের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

এর পরেই ইজরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার মাত্রা আরও বাড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। উত্তর ইজরায়েল জুড়ে বিমান হামলার সাইরেন বাজছে তো বাডছেই। হাজার হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে ইজরায়েল। হাইফার কাছের কিরিয়াল বিয়ালিক শহরের একটি আবাসিক ভবনের কাছে এসে পড়ে হিজবুল্লাহ-র ছোড়া একটি রকেট। মুহূর্তে আগুন ধরে যায় ভবনটিতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় একাধিক গাড়ি। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ইজরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বা আয়রন ডোম তেমনভাবে কাজ করে উঠতে পারছে না।

গত বছর অক্টোবর মাসের সাত তারিখ। ইহুদিদের পবিত্র দিনে দেশের সমস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যর্থ করে ঢুকে পড়েছিল হামাস জঙ্গিরা। ঘটনার ভয়াবহতায় কেঁপে উঠেছিল গোটা বিশ্ব। প্রায় ১৪০০ মানুষকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। বন্দি বানানো হয় বেশ কিছু ইজরায়েলিকে। তার পরেই হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েল। সেই স্মৃতি উস্কে অক্টোবর আসার আগেই ফের ইজরায়েলবাসীর মাথার উপর চক্কর কাটছে নয়া যুদ্ধের আশঙ্কা। কান ঝালাপালা করে দিচ্ছে রকেটের সাইরেন। গাজায় যে লাগাতার যুদ্ধ প্রায় এক বছর ধরে চালিয়ে গিয়েছে ইজরায়েল, তেমন কিছুই কি ঘটতে চলেছে এবার নেতানিয়াহুর নিজের দেশে। নাকি স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই আঘাত ফিরিয়ে দেবে ইজরায়েল। তেমনটাই জানিয়েছেন অবশ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী?

নেতানিয়াহু সাম্প্রতিক এই হামলার বিষয়ে জানান, কোনও দেশই তার শহরগুলিতে অযৌক্তিক রকেটিং মেনে নিতে পারে না। মানবে না তারাও। নেতানিয়াহুর বার্তা, উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা ফেরাতে এবং মানুষকে রক্ষা করতে ইজরায়েল সরকার যে যে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন, তা নেবে। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। গাজায় যখন পুরোদমে যুদ্ধ শুরু করে ইজরায়েল, সে সময় আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্সের মতো একাধিক শক্তিশালী দেশকে পাশে পেয়েছিলেন নেতানিয়াহু। কিন্তু হিজুবুল্লাহের এই যুদ্ধে যেহেতু সরাসরি জড়িত ইরান এবং ইরানকে কোনও ভাবেই চটাতে চায় না আমেরিকা, ফলে নতুন এই লড়াইয়ে বন্ধু বাইডেনকে কতটা পাশে পাবেন নেতানিয়াহু, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। এমনিতেই পেজার হামলার দায় ইজরায়েলি জঙ্গিগোষ্ঠী মোসাদের উপরে চাপাতেই উঠেপড়ে লেগেছিল আমেরিকা। এমনকী সেই হামলার বিষয়ে যে তারা কিছুই জানত না, তা-ও বোঝাতে কম কসুর করেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে হিজবুল্লাহকে যদি পুরোদমে সমর্থন করে ইরান, তবে এই যুদ্ধে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারবে তো ইজরায়েল। এমনিতেই গাজায় এক বছর ধরে যুদ্ধ করতে করতে ইজরায়েলি সেনার অবস্থা যথেষ্ট চাপে। এই পরিস্থিতিতে হিজবুল্লাহকে সর্বশক্তি দিয়ে আটকাতে পারবে তো ইজরায়েল? উঠছে প্রশ্ন।

এরই মধ্যে লেবাননে ইজরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরাকের শিয়া ইসলামের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি সিস্তানি। ইজরায়েলের এই বর্বর আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা করেন তিনি। হিজবুল্লাহের তরফে যে ভাবে ইজরায়ের সঙ্গে যুদ্ধের নয়া পর্বে প্রবেশের কথা বলা হয়েছে, তাতে কাঁপছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। রাষ্ট্রের সঙ্ঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতারেসের আশঙ্কা, চলমান গাজা সংঘাতের মধ্যে ইজরায়েল-হিজবুল্লাহের এই লড়াই চলতে থাকে লেবাননের আরও একটি গাজা হয়ে ওঠার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও এই পরিস্থিতিতে দু'পক্ষকেই সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, আমেরিকা এই সংঘাত আটকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে। তবে যেভাবে দু'পক্ষই নিজের অবস্থানে অনড় থেকে যুদ্ধ পরিস্থিতি চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছে, তাতে সঙ্কট আরও বেড়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।

দিল্লিতে মহিলা বিক্ষোভকারীদের হেনস্থার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে যে সব প্রশ্ন

Delhi protest: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে মহিলা আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।