দেওয়া হয় না ওষুধটুকুও! যেভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনৈতিক বন্দিদের

Political Prisoners: ওষুধের অভাবে জেলে রাজনৈতিক বন্দির গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া থেকে শুরু করে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

Arnab Dutta
৪ মিনিট
দেওয়া হয় না ওষুধটুকুও! যেভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনৈতিক বন্দিদের

ভারতের জেলগুলিতে মোট যতসংখ্যক বন্দি রয়েছেন তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ বন্দিই মুসলমান, দলিত ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের। বিভিন্ন সমীক্ষাতে ধরা পড়েছে এই উদ্বেগজনক তথ্য। এও দেখা যাচ্ছে, জেলের অভ্যন্তরে যেখানে ১০০ জন বন্দির সংকুলান হওয়ার কথা, সেথানে বন্দি হিসেবে রয়েছেন অন্তত ১১৮ থেকে ১১৯ জন। এঁদের মধ্যে অনেকে নাম পর্যন্ত সই করতে পারেন না। অধিকাংশ আবার দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ নন।

দেশজুড়ে জেলগুলিতে যে বন্দিরা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই হিন্দু। সরকারের পেশ করা হিসেব অনুসারে, মোট বন্দির মধ্যে ৪৮ শতাংশ হিন্দু। জেলে বন্দির স্থান সংকুলানের জন্যে যথেষ্ট জায়গা না থাকলেও বন্দির সংখ্যা ২০২০ সাল থেকে ক্রমশ বাড়ছে। অন্যদিকে, বিচার প্রক্রিয়া চলছে বিলম্বিত লয়ে।

এদেশের জেলগুলিতে যে বন্দিরা রয়েছেন, তাঁদের স্বাস্থ্য পরিষেবাও প্রশ্নচিহ্নর মুখে। গুরুতর অসুস্থ হলেও ওঁরা ডাক্তার দেখানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত। বহু ক্ষেত্রে মিলছে না ওষুধপত্র। এই পরিস্থিতি সাধারণ বন্দিদের পাশাপাশি সহ্য করতে হচ্ছে রাজনৈতিক বন্দিদেরও। বন্দিদের উপযুক্ত স্বাস্থ্য পরিষেবা না মেলাটা কিংবা ওষুধপত্র না মেলাটা দেশের সংবিধান-স্বীকৃত অধিকারের পরিপন্থী তো বটেই, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদেরও পরিপন্থী।

সেই কবে ১৯৪৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, স্বাস্থ্যের পরিষেবার অধিকার যে কোনও মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। স্বাস্থ্য পরিষেবা লাভের অধিকার বন্দিদেরও অধিকার। এরপর দশকের পর পর দশক পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি খাতায়-কলমই থেকে গিয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কারাগারে নরকবাস! ভারতের বিচারাধীন বন্দিরা থাকছে মৃত‍্যুকূপে

সংশোধনাগারগুলিতে যেভাবে উত্তরোত্তর বন্দির সংখ্যা বেড়ে চলেছে, আর গাদাগাদি করে অতি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে হচ্ছে, কার্যত তা সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

বর্তমানে ভারতের জেলগুলিতে বেশ কিছু রাজনৈতিক বন্দি রয়েছেন। এঁদের অনেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র জমানায় 'আরবান নকশাল' সন্দেহে ধৃত। রাজনৈতিক এই বন্দিরা বয়স্ক এবং অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা ওষুধপত্র পাচ্ছেন না। ওষুধের অভাবে জেলে রাজনৈতিক বন্দির গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া থেকে শুরু করে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

এরই এক নমুনা ভীমা কোরেগাঁও মামলায় ধৃত ৮৪ বছরের জেসুইট পাদ্রি স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু। আদিবাসী আন্দোলনেন নেতা স্ট্যান স্বামী পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত ছিলেন। সিপার ও স্ট্র ছাড়া খাবার-দাবার খেতে পারতেন না। যদি সেই সামান্য সিপার ও স্ট্র পর্যন্ত জেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে জোগান দেয়নি। এরপর করোনায় আক্রান্ত হয়ে ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু হয়েছে জেল হেফাজতে। ৮৪ বছরের জেসুইট পাদ্রি স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু নিয়ে দেশ তো বটেই, আন্তর্জাতিক মহল থেকেও প্রতিবাদ উঠেছে। রাষ্ট্রসংঘ এই মৃত্যু প্রসঙ্গে জানিয়েছে, স্বামীর এভাবে মৃত্যু হওয়ার কথাই ছিল না। জেলে স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ মিললে তিনি মরতেন না।

জেল হেফাজতে থাকাকালীন একইভাবে ডাক্তার দেখানোর সুযোগ পাননি কিংবা ওষুধপত্র জুটছে না ভীমা কোরেগাঁও মামলায় 'আরবান নকশাল' হিসেবে ধৃত অন্য রাজনৈতিক বন্দিদের। এঁদের মধ্যে রয়েছেন সমাজকর্মী তথা শিক্ষাবিদ ভারনন গঞ্জালভেস, কবি ও লেখক সাগর গোরখে, সাংবাদিক সিদ্দিকি কাপ্পানের মতো রাজনৈতিক বন্দি। গুরুতর অসুস্থ রাজনৈতিক বন্দিদের জন্যে় ডাক্তার কিংবা ওষুধপত্রর ব্যবস্থা না করাটা মানবাধিকার সম্পূর্ণ পরিপন্থী হওয়া সত্ত্বেও যেন রীতি হয়ে্ উঠেছে। যা এদেশের সংবিধানের ১৪ এবং ২১ নম্বর ধারার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

হার্ভার্ডের তরফে করা আর একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ভারতের জেলগুলিতে যে বন্দিরা রয়েছে তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেও শুশ্রূষার কোনও ব্যবস্থাই নেই। এও এদেশের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। তাছাড়া ভারতের জেলগুলিতে বন্দিদের স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোও নেই। এ-ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিজন পলিসি ইনিশিয়েটিভের চালানো সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, জেলে বন্দিরা অনেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা, এইচআইভি কিংবা যক্ষ্মায় আক্রান্ত। অথচ ওষুধপত্রের কোনও ব্যবস্থা নেই। এছাড়া জেলবন্দিদের একাংশ মানসিক সমস্যার শিকার। জেলে নিয়মিত মাদক নেওয়ার ফলে ওঁরা নানা ধরনের মানসিক অসুখে ভুগছেন।

দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেও ভারতের জেলগুলিতে রাজনৈতিক বন্দিদের অসহনীয় অত্যাচারের শিকার হতে হত। এখন স্বাধীন দেশেও রাজনৈতিক বন্দিরা একই অবিচারের শিকার। ১৯২৯ সালের সেপ্টেম্বরে লাহোর জেলে ২৪ বছরের বিপ্লবী যতীন দাস রাজনৈতিক বন্দিদের প্রতি ব্রিটিশ সরকারের অমানবিক আচরণে্র বিরোধিতায় লাগাতার ৬৩ দিন অনশন করেন। অনশনরত অবস্থাতেই মৃত্যু হয় যতীন দাসের। যতীন দাসের মৃত্যু দেশবাসীকে নাড়া দিয়েছিল। লাহোর থেকে যতীন দাসের মরদেহ কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। এরপর কলকাতায় বিপ্লবী যতীন দাসের মৃতদেহ নিয়ে বিরাট মিছিল বেরিয়েছিল। সাড়ে তিন কিলোমিটার লম্বা সেই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।

ব্রিটিশরা ভারত থেকে ১৯৪৭ সালে বিদায় নিয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক বন্দিদের প্রতি অত্যাচারের যে নিদর্শন রেখে গিয়েছে, সেই ট্র্যাডিশন বহন করে চলেছে স্বাধীন দেশের সরকার। সরকারের বিরোধিতা করলে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে বিনাবাক্যব্যয়ে পুরে দেওয়া হচ্ছে জেলে। এরপর চলছে অকথ্য নির্যাতন। আবার ব্রিটিশ আমলেও যে রাজনৈতিক বন্দিদের জেলে পোরা হতো, তাঁরা সকলেই ব্রিটিশ শাসকের চোখে ছিল সন্ত্রাসবাদী। এই যুক্তিতে পরাধীন ভারতে জেলবন্দি হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামীর ওপর অসহনীয় নির্যাতন চালিয়েছে ব্রিটিশরা।

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার যে পথে চলেছে, তা নিয়ে দেশজুড়ে ঘোরতর আপত্তি উঠেছে। বিশিষ্ট সমাজকর্মী, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, আইনজীবী, ডাক্তার, পরিবেশবিদ এমনকী, সরকারের সমালোচনার দায়ে অভিযুক্ত ছাত্রছাত্রীদের নির্বিচারে জেলে পোরা হচ্ছে। সরকারের অভিযোগ, এঁরা সকলেই সন্ত্রাসী কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। যাঁদের জেলে পোরা হয়েছে তাঁদের মধ্যে নগণ্য সংখ্যক বন্দিই জামিন পেয়েছেন টানা কয়েকমাস জেলে থাকার পরে। বাকিরা এখনও জেলকুঠুরিতে পচে মরছেন।

আর একটা কথা, ব্রিটিশ আমলেও রাজনৈতিক বন্দিদের জেলে পোরা হতো নানা ষড়যন্ত্র মামলা সাজিয়ে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯২৪ সালের কানপুর ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯২৪ সালের মীরাট ষড়যন্ত্র মামলা। আর আজ, স্বাধীন দেশেও একই কৌশল অবলম্বন করে ভীমা কোরেগাঁও-এলগার পরিষদ ষড়যন্ত্র মামলা সাজানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে। কিন্তু কথা হলো, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছিলেন, 'অচ্ছে দিন'-এর। সেই 'অচ্ছে দিন' আসলে যে সোনার পাথরবাটি- তা হাড়ে হাড়েই মালুম পড়ছে।

লিখেছেন
Arnab Dutta
Arnab Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।