কোভিডের পর আবার বিশ্বজুড়ে হু হু করে ছড়াচ্ছে বিরল ভাইরাস! কতটা ভয়ংকর এই অসুখ?

মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ রুখতে খুব সম্ভবত কনটেনমেন্ট স্ট্র্যাটেজি অবলম্বন করতে হবে না, কোভিডের ক্ষেত্রে যা আবশ্যক ছিল।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
কোভিডের পর আবার বিশ্বজুড়ে হু হু করে ছড়াচ্ছে বিরল ভাইরাস! কতটা ভয়ংকর এই অসুখ?

বর্তমানে আফ্রিকার বাইরে অন্তত এগারোটি দেশে ১২০-র বেশি মানুষ মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে বা আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।সাধারণত আফ্রিকার বাইরে হয় না যে অসুখ, সেই অসুখ বর্তমানে ছড়িয়ে পড়ছে নানা দেশে। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস এঞ্জেলেসের এপিডেমিওলজিস্ট অ্যান রিমোয়েন এক দশকের বেশি সময় যাবৎ আফ্রিকার কঙ্গোতে মাঙ্কি পক্স নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর মতে, মাঙ্কি পক্সের এই ধরনের সংক্রমণ বেশ চিন্তার।

কীভাবে ছড়ায় মাঙ্কি পক্স?

১৯৫৮ সালে গবেষণাগারে রাখা বাঁদরদের মধ্যে প্রথম এই রোগের সন্ধান পাওয়া যায়। আর সেই জন্যই নাম রাখা হয় মাঙ্কি পক্স। ভাইরোলজিস্টদের ধারণা ছিল, এই মাঙ্কি পক্স বন্যপ্রাণী, যেমন ইঁদুরগোত্রীয় জীব থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এবং মাঙ্কি পক্সে সংক্রমিত মানুষের থেকে অন্য মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

আফ্রিকায় প্রায় প্রতি বছরই গড়ে কয়েক হাজার মানুষ মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হন, বিশেষ করে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার বাসিন্দারা।

কিন্তু আফ্রিকার বাইরে মাঙ্কি পক্স সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। কিন্তু ১৯৭০ সালে যখন সর্বপ্রথম মাঙ্কি পক্স মানুষকে সংক্রমিত করে, তারপর থেকে আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের বাইরে এই প্রথম এতসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর যেভাবে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে বিজ্ঞানীদের কাছে ভ্রূকূটির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাঙ্কি পক্স কি কোভিডের মতোই আতঙ্কের?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পৃথিবীজুড়ে ফিরছে এই সংক্রামক রোগ, আক্রান্ত ভারতও! কতটা ক্ষতিকর, প্রতিকার কী?

১৯৫৮ সালে প্রথম এই ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া যায়। সেসময় বাঁদরদের মধ্যে পক্সে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় একটি গবেষণা শুরু করা হয়।

এখনও অবধি যা দেখা গেছে, মাঙ্কি পক্সের ভাইরাস, নভেল করোনাভাইরাসের মতো সংক্রমিত ব্যক্তিদের থেকে খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে না। নভেল করোনাভাইরাস ছড়ায় মূলত এরোসলের মাধ্যমে, কিংবা কথা বলা, হাঁচি-কাশির সময়ে, মুখ বা নাক থেকে নির্গত থুতু বা সর্দির কণা, যা বাতাসে কয়েক কিলোমিটার অবধি ভেসে যেতে পারে বা বাতাসে ভাসমান থাকতে পারে বেশ কিছু সময়, তার থেকেই। মাঙ্কি পক্সের ভাইরাস লালারস বা দেহরস থেকে ছড়ালেও, এই ভাইরাস বাতাসে ভাসমান অবস্থায় থাকে না। অর্থাৎ, নভেল করোনাভাইরাসের মতো একসঙ্গে অনেক মানুষকে সংক্রমিত করার ক্ষমতা মাঙ্কি পক্সের নেই।

তাছাড়া পক্স ভাইরাসের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী টীকাকরণও হয়েছে। পক্স ভাইরাস-বিরোধী টিকা বা ভ্যাকসিন, মাঙ্কি পক্সের হাত থেকেও সুরক্ষা প্রদান করে।

এখনও অবধি মাঙ্কি পক্সের জিনগত তথ্য বলছে, পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তে পাওয়া মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের স্ট্রেনের সঙ্গে জিনগত মিল আছে পশ্চিম আফ্রিকায় পাওয়া মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের স্ট্রেনের।

আফ্রিকার এই স্ট্রেনটির থেকে হওয়া মাঙ্কি পক্সের প্রাবল্য ভীষণ কম এবং মৃত্যুর হারও অত্যন্ত কম। আর এই স্ট্রেনটি সচরাচর আক্রমণ করে অনুন্নত এলাকার গরিব জনসংখ্যার এক শতাংশকে। অন্যদিকে মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের অন্যান্য স্ট্রেনগুলি আফ্রিকার অনেক বেশি জনসংখ্যাকে আক্রমণ করে। তবে বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে পাওয়া ভাইরাস স্ট্রেনটির সাথে, পশ্চিম আফ্রিকায় পাওয়া স্ট্রেনটির জিনগত মিল কত শতাংশ, তা এখনও অজানা।

ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলসের এপিডেমিওলজিস্ট রায়না ম্যাকলেন্টায়ারের মতে, নভেল করোনাভাইরাসের মতো মাঙ্কি পক্স ভাইরাস এত দ্রুত মিউটেট করে নতুন স্ট্রেন গঠন করতে পারে না। তার অন্যতম কারণ, এই দু'টি ভাইরাসের মধ্যস্থ নিউক্লিক অ্যাসিডের তারতম্য। নভেল করোনাভাইরাসের শরীরে নিউক্লিক অ্যাসিড হল আরএনএ বা রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড। এই আরএনএ-ই নভেল করোনাভাইরাসের জেনেটিক বস্তু। অন্যদিকে, মাঙ্কি পক্স ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে উপস্থিত থাকে ডিএনএ বা ডি-অক্সি রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড। মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে আবার ডিএনএ-ই এদের জেনেটিক বস্তু। ডিএনএ ভাইরাস, আরএনএ ভাইরাসের মতো এত দ্রুত এবং এত সহজে মিউটেট করতে পারে না। আরএনএ-তে মিউটেশন বা রাসায়নিক পরিবর্তন যত সহজে হয়, ডিএনএ-তে তা হয় না। আর নতুন স্ট্রেন তৈরি হয় মিউটেশন হলেই। তাই অন্যান্য ডিএনএ ভাইরাসেও মাঙ্কি পক্সের মতো এত সহজে নতুন স্ট্রেন তৈরি হয় না।

তাছাড়াও কোভিড লক্ষণহীণ বা অ্যাসিম্পটোম্যাটিক হতে পারে,।মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে কিন্তু স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায়। তাই সেক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা কোভিডের থেকে অনেক সোজা হয়।

তবে মাঙ্কি পক্সের প্রবণতা কুড়ি থেকে পঞ্চাশ বছর বয়সি পুরুষদের মধ্যে বেশি, বিশেষত যারা সমকামী, উভকামী বা পুরুষদের সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হন। যদিও মাঙ্কি পক্স ভাইরাসকে যৌনতার মাধ্যমে বাহিত ভাইরাস বলা যায় না, কিন্তু তা কেন দু'টি পুরুষের যৌন সঙ্গমের মাধ্যমে ছড়ায়, তা এখনও অজানা।

মাঙ্কি পক্স প্রতিরোধের উপায়?

১৯৭০ সাল নাগাদ যখন প্রথমবার মাঙ্কি পক্স ভাইরাস মানুষকে আক্রমণ করা শুরু করে, তখন থেকেই স্মল পক্স বা গুটিবসন্তের বিরুদ্ধে সতর্কতা প্রচারের সময়, মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণের বিরুদ্ধেও সতর্ক করা হতো আফ্রিকায়।

তবে আফ্রিকায় বেশ বড় মাপের মাঙ্কি পক্স সংক্রমণ ঘটেছে ২০১৭ সালেই। অন্যদিকে, আফ্রিকার বাইরের মহাদেশগুলির মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু অঞ্চলে ২০০৩ সালে ছড়ায় মাঙ্কি পক্স।

সুতরাং, মাঙ্কি পক্স ও তার প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিষয়ে ভাইরোলজিস্টরা একেবারে অজ্ঞ নন। জৈব সন্ত্রাস রুখতে কিছু পরিমাণ স্মল পক্সের ভ্যাক্সিন সবসময় মজুতও থাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজি়জ়্ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-এর পক্স ভাইরাস টিমের মুখ্য ভাইরোলজিস্ট অ্যান্ড্রিয়া ম্যাককোলামের মতে, সেই সুবিধা হয়তো বহুল পরিমাণ মানুষ পাবেন না। তাঁর মতে, মাঙ্কি ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে হয়তো 'রিং ভ্যাক্সিনেশন' পদ্ধতির প্রচলন করা হবে। অর্থাৎ, সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে যাঁরা আসবেন, তাঁদেরই একমাত্র ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

ম্যাককোলামের মতে, মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ রুখতে খুব সম্ভবত কনটেনমেন্ট স্ট্র্যাটেজি অবলম্বন করতে হবে না, কোভিডের ক্ষেত্রে যা আবশ্যক ছিল। তবে তাঁর মতে, মাঙ্কি পক্স একটি বিরল অসুখ এবং যেভাবে অসুখটি আফ্রিকার বাইরে ছড়াচ্ছে, তা যথেষ্ট চিন্তার। তবে, আতঙ্কের নয়।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।