কেমন ছিল পুরীর মন্দিরের দেবদাসীদের জীবন...
Devadasi: মরার আগে অবধি মন্দির শশীমণিকে দিত মাত্র তিনশোটি টাকা পেনশন, প্রতি মাসে!

“....উজ্জ্বলিত নাট্যশালা সম রে আছিল
এ মোর সুন্দরী পুরী! কিন্তু একে একে
শুখাইছে ফুল এবে, নিবিছে দেউটি;
নীরব রবাব, বীণা, মুরজ, মুরলী;
তবে কেন আর আমি থাকি রে এখানে?
কার রে বাসনা বাস করিতে আঁধারে?”
মেয়েটি নেচে চলেছে একা। মন্দিরের বুকে অস্তরাগের লজ্জা পা রাখে। মেয়েটির গালে, ঠোঁটে, নাকের কিয়ংদশ সেই রাগ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে ঘুরেফিরে। পায়ের তালের সঙ্গে তাল রাখা সে সরলরেখার পক্ষে অসম্ভব। তবু যেটুকু পাওয়া যায়। তবু যেটুকু পড়ে পাওয়া জুটলে ধন্য হয় মালিক সূর্যদেব, সেইটুকু। ধূলায় জড়িয়ে জড়িয়ে মেয়েটির নাচের তেজ উঠ...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে
















