মমতা নেই, নীতীশ নেই! বিজেপির বিরোধিতা করতে ইন্ডিয়া জোটে রইল কারা?

INDIA Block and BJP : জেডি(ইউ) বিজেপিতে যাওয়ার ফলে, উচ্চবর্ণের পাশাপাশি ওবিসি এবং ইবিসি (অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণি) সম্প্রদায়ও এনডিএ-কে ভোট দিতে পারে।

inscript
৩ মিনিট
মমতা নেই, নীতীশ নেই! বিজেপির বিরোধিতা করতে ইন্ডিয়া জোটে রইল কারা?

হারাধনের ২৮ টি দল থেকে কমতে কমতে রইল কারা? গত বছরের সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে প্রথম বৈঠক করেছিল বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। তারপর থেকে বিরোধী এই জোটে এখনও টিকে রয়েছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে, মহারাষ্ট্রের শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরের শিবির), কেরলের সিপিএম, বিহারের আরজেডি এবং উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টি। বাকিরা? কংগ্রেসের নেতা, ইন্ডিয়া জোটের প্রধান মুখ রাহুল গান্ধি এখন ভারত জোড় ন্যায় যাত্রায় বেরিয়েছেন। দেশকে জুড়তে গিয়ে একে একে জোট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে! একদিকে ভারত জোড় আরেকদিকে ইন্ডিয়া ছোটো- দুই চলছে সমানতালে। জেডি(ইউ) নেতা নীতীশ কুমারের দলবদল এর সাম্প্রতিকতম সংযোজন। তাহলে ইন্ডিয়া জোট বলে কি আদৌ কিছু আছে?

হারাধনের যে কয়েকটি সন্তান এখনও অবশিষ্ট আছে, তাদের মধ্যে, RJD নেতারা ইন্ডিয়া জোটে এখনও টিকে থাকছে কারণ তারা মনে করে যে জোট থেকে নিজেদের দূরে রাখলে বিহারে তাদের মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক প্রভাবিত হতে পারে। ডিএমকে-র জাতীয় রাজনীতিতে ভূমিকা প্রায় নেই বললেই চলে কারণ এই দলের শক্তি তামিলনাড়ুতেই সীমাবদ্ধ। সমাজবাদী পার্টি উত্তরপ্রদেশে ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে রাজ্যের মোট ৮০টি আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সপা।

এমতাবস্থায় ভগ্নপ্রায় জোটের শক্তি কতটুকু? জোট কি তবে সত্যিই নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করছে মুসলিম ভোটের উপর ভর করে? এনডিএ-র কাছে কোনও বিরোধীই তবে নেই জবাব দেওয়ার মতো? বিরোধী জোটের মধ্যে তৃণমূল এবং আম আদমি পার্টি আর নেই। তৃণমূল আর আপ পশ্চিমবঙ্গ এবং পঞ্জাবে আসন ভাগ করতে অস্বীকার করেছে। এখন তো বিহারেও জেডি(ইউ) চলে গেল বিজেপির সঙ্গে। ইন্ডিয়া জোট যতই মুখে বলুক কোনও প্রভাব পড়বে না, দেশশুদ্ধ মানুষ বুঝতে পারছে বিজেপি বিরোধীহীন হওয়ার মুখে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিজেপির সঙ্গে কতদিন থাকবেন নীতীশ? ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের...

Prashant Kishor on Nitish Kumar : পিকে নির্দিষ্ট করে বলছেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে এই জোট ভেঙে যাবে।

জেডি(ইউ)-এর জোটত্যাগ সত্যিই বড় ধাক্কা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আসন ভাগাভাগিতে সাফ 'না' জানিয়ে দিয়েছেন। আসলে বিরোধী নেতারা ইন্ডিয়া জোট নিয়ে শুরুতে যতই আশাবাদী ছিলেন, ধীরে ধীরে আঞ্চলিক অনৈক্যই প্রবল হয়ে উঠে জোটকে শেষ করে দিতে থাকে। আঞ্চলিক মিত্রশক্তিদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস। বাংলায় ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা প্রবেশের ঠিক একদিন আগে, মমতা বলেন রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। ন্যায় যাত্রা বিহারে পৌঁছনোর এক দিন আগে, আরেক মিত্রশক্তি জেডিইউ ইন্ডিয়া জোট থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিদ্বন্দ্বী এনডিএ-র দলে যোগ দেয়। বিরোধী বলে আদৌ কি কিছু অবশিষ্ট রইল যাকে দেশের মানুষ ভরসা করতে পারে?

বিরোধীদের ভোট ব্যাঙ্ক কমছে ক্রমেই। লোকসভায় মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ১৩১টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। সংখ্যার মধ্যে ৮৪টি তপশিলি জাতি এবং ৪৭টি তপশিলি উপজাতিদের জন্য। মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে দলিত এবং উপজাতির ভোটব্যাঙ্কে বিজেপিতে যাচ্ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আবার প্রতারণা নীতীশের! যেভাবে এগোয় পল্টুরামের পাল্টির কিসসা

Nitish Kumar Resigns : এক দশকে এই নিয়ে পঞ্চম ডিগবাজি খেলেন নীতীশ। বিহারের পল্টুরাম বলছেন, বিরোধী জোটে কেউ নাকি কোনও কাজ করছিল না।

মুসলিম সম্প্রদায় বিজেপি-বিরোধী দলদের, কংগ্রেস বা আঞ্চলিক শক্তিকে কীভাবে ভোট দিচ্ছে তাও স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ২০১৯ সালের নির্বাচনের ফলাফল এবং গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ ও কর্ণাটকের শেষ গুরুত্বপূর্ণ ভোটের বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে মুসলিমরাও বিজেপিকেই ভোট দিয়েছে। কিছু নির্দিষ্ট মুসলিম ও খ্রিস্টান গোষ্ঠী এবং উপগোষ্ঠীর কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরাসরি পৌঁছে যাওয়ার মতো ঘটনা এই সম্প্রদায়গুলির নির্বাচনী সমীকরণকেও বদলে দিয়েছে।

বিহার এবং বাংলায় এমন ধাক্কার পরে, বিরোধী জোটে কংগ্রেস এবং তার বাকি সঙ্গীদের কাছে ভোটব্যাঙ্ক খুবই কম। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দিয়েছেন রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, তিনি জোটের অংশ থাকবেন তবে আসন ভাগাভাগি করবেন না। এই অদ্ভুত নিয়ম যে আখেরে কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও হিমশিম খাচ্ছেন। তৃণমূলের সূত্র বলছে, দল এখন 'নির্বাচন-পরবর্তী জোট' বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তৃণমূল একাই এই বাংলায় নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। মানে লড়াই সরাসরি তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে। কংগ্রেস এবং সিপিএম কোনও সমীকরণেই নেই। লোকসভা, বিধানসভা, পঞ্চায়েত এবং পৌরসভা সহ এর আগের নির্বাচনের ফল থেকে স্পষ্ট হয়েছে কংগ্রেসের ঘাঁটি বলে পরিচিত মুর্শিদাবাদ এবং মালদহেও কংগ্রেস ক্রমেই ক্ষয়িষ্ণু, আর সিপিএম তো নিশ্চিহ্নই।

বিহারে, জেডি(ইউ) বিজেপিতে যাওয়ার ফলে, উচ্চবর্ণের পাশাপাশি ওবিসি এবং ইবিসি (অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণি) সম্প্রদায়ও এনডিএ-কে ভোট দিতে পারে। বিজেপি মিশ্র ভোটার তৈরি করে ফেলেছে। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মনোজ যাদবকে সামনে রেখে বিহারের যাদব ভোটারদের প্রভাবিত করা গিয়েছে। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের নির্বাচনের পরে এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, কিছু রাজ্যে মুসলিমরাও বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। কর্ণাটকে, মুসলমানদের ভোটের শতাংশ ছিল প্রচুর বেশি, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

বিহারে সবসময়ই জাতপাতের সমীকরণ ভিত্তিক নির্বাচনই হয়। মানুষ রাষ্ট্রের শাসন বা উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেয় না এখানে। সুতরাং, নীতীশ কুমার যাই করুন না কেন, যতবার পালটি খান না কেন জাতপাতের সমীকরণ একই থাকে। ওবিসি এবং ইবিসি ভোটারদের দখল থাকবে জেডিইউয়েরই। আরজেডি শুধুমাত্র মুসলিম এবং যাদব ভোটের উপর নির্ভরশীল। ভুলে গেলে চলবে না ২০১৯ সালে, বিজেপি ১৭টি আসনের সবক'টিতেই জিতেছিল। সুতরাং, ‘মোদি নেহি তো কৌন' প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জায়গাতেই নেই বিরোধীরা।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।