পাকিস্তানে বৈঠকে জয়শঙ্কর! কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ এসসিও-সম্মেলন?

S Jaishankar in Pakistan: এসসিওর ২৩তম শীর্ষ সম্মেলনটি এ বছর অনুষ্ঠিত হয়েছে ইসলামাবাদে। এই সম্মেলনে যাতে কোনও হিংসার ঘটনা না ঘটে, তার জন্য ইসলামাবাদকে কার্যত সেনা দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল।

Tanvia Barua
৫ মিনিট
পাকিস্তানে বৈঠকে জয়শঙ্কর! কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ এসসিও-সম্মেলন?

ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও-র বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন পাকিস্তান। মঙ্গলবার সেই বৈঠক হয়ে গিয়েছে। প্রায় এক দশক পরে ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী পাকিস্তান সফরে গেলেন। এর আগে ২০১৫ সালে ভারতের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ 'হার্ট অব এশিয়া' সম্মেলনের জন্য ইসলামাবাদ গিয়েছিলেন। তার কিছু দিনের মধ্যেই আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আচমকা লাহৌরে যান। গত বছর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন(এসসিও) বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন। কার্যত সেটা ছিল ১২ বছর পর পাকিস্তানের কোনও বিদেশমন্ত্রীর ভারতে আগমন। এর মাঝে দুই দেশের মধ্যে বিবাদের কারণে পাকিস্তানের কোনও মন্ত্রী বা নেতা ভারত আসেননি এবং ভারতের কোনও মন্ত্রী পাকিস্তান যাননি। ৯ বছর পর ভারতের বিদেশমন্ত্রী আবার পাকিস্তান গেলেন। কী কথা হল বৈঠকে? কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ এসসিও বৈঠক?

আগেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, জয়শঙ্করের এই সফর এসসিও বৈঠকের জন্যই। এর থেকে বেশি কিছু নয়। যেহেতু পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যার এখনও সমাধান হয়নি, তাই ক্ষমতায় এখন কারা রয়েছে, তা-ও পরিষ্কার নয়। ফলত এই মুহুর্তেই হয়তো কোনও সরাসরি আলোচনায় যাবে না ভারত, এমনটাই মনে করেছিলেন ওয়াকিবহাল মহলের একটা বড় অংশ। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নিজে পাকিস্তানে না গিয়ে বিদেশমন্ত্রীকে পাঠানোর ক্ষেত্রেও ইঙ্গিত এটাই ছিল যে, পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবে না ভারত। জয়শঙ্কর নিজেও জানিয়েছিলেন, "এসসিও বৈঠক বহুপাক্ষিক ইভেন্ট। আমি সেখানে ভারত-পাকিস্তান প্রসঙ্গে আলোচনা করতে যাচ্ছি না। আমি এসসিও সদস্য দেশের প্রতিনিধি হিসাবে যাচ্ছি।" পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, "ভারত বা পাকিস্তানের কেউই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের জন্য কোনও অনুরোধ করেনি।"

তবে বৈঠকের পর অনেকেই মনে করছেন, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এসসিও মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। জয়শঙ্কর এসসিও মঞ্চ থেকে বলেছেন, "যদি পুরোপুরি বিশ্বাস না থাকে, যথেষ্ট সহযোগিতা না করা হয়, বন্ধুত্বে খামতি থাকে, প্রতিবেশী সত্তায় ফাঁকি পড়ে যায়, তাহলে তো অবশ্যই পর্যালোচনা এবং অন্তঃসমীক্ষা করে দেখতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "তিনটি অশুভ শক্তিকে আপসহীনভাবে দমন করতে হবে। সেগুলি হল সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ। যদি সীমান্তের বিভিন্ন কার্যক্ষেত্রে এই তিন অশুভ শক্তি ঢুকে পড়ে, তাহলে তা বাণিজ্য, শক্তির চলাচল এবং দু'দেশের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদানে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।" বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান আর চিনের নাম না নিলেও এই কথাগুলি যে ওই দুই দেশকে ইঙ্গিত করেই বলা হয়েছে, তা কার্যত স্পষ্ট।

Landed in Islamabad to take part in SCO Council of Heads of Government Meeting.

— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ! বাংলাদেশের পথে এবার পাকিস্তান?

Pakistan: তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সেই সমস্ত অভিযোগই ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক। এই দাবি করেই রাস্তায় নেমেছেন ইমরানপন্থীরা। দাবি একটাই, দ্রুত মুক্তি দিতে হবে ইমরান খানকে।

মনে রাখতে হবে, গত পাঁচ বছর ধরে পূর্ব লাদাখে চিনা সেনাদের অনুপ্রবেশ নিয়ে চিন্তায় ভারত সরকার। সম্মেলনে জয়শঙ্কর সরাসরি জানান, ভারত-চিনের সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি)-এর সম্প্রসারণ নিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিদেশমন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, "সিপিইসি-র একাংশ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।" তাঁর বক্তৃতায় খাদ্য, জ্বালানি ও সারের নিরাপত্তা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। বৈঠকের বেশ কিছু দিন আগে সাবেক কূটনীতিক অশোক সাজ্জানহার এনডিটিভি-তে বলেছিলেন, "ভারত পাক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা নিয়ে বল এখন পাকিস্তানের কোর্টে। ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা এবং তার পরে বালাকোটের ঘটনার পর আলোচনা ও সন্ত্রাসবাদ একসঙ্গে চলতে পারে না। কিন্তু এরপর পাকিস্তান কোনও গঠনমূলক পদক্ষেপ নেয়নি।" তিনি আরও বলেন, "৩৭০ ধারা বিলোপের পর পাকিস্তান হাইকমিশন প্রত্যাহার করে নেয়। ভারতও একই কাজ করে। পাকিস্তানের সঙ্গে ৩৭০ ধারার কোনোও যোগাযোগ নেই।"

Delivered 🇮🇳’s national statement at the SCO Council of Heads of Government meeting today morning in Islamabad.

SCO needs to be able and adept at responding to challenges facing us in a turbulent world. In this context, highlighted that:

➡️ SCO’s primary goal of combatting…

— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এবার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত! দেনায় ডোবা পাকিস্তানের জন্যে কী অপেক্ষা করছে?

Pakistan Currency: স্টেট ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তানের গভর্নর জামিল আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সমস্ত কাগজের নোট পলিমার প্লাস্টিকের নোট দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হবে।

এসসিওর ২৩তম শীর্ষ সম্মেলনটি এ বছর অনুষ্ঠিত হয়েছে ইসলামাবাদে। এই সম্মেলনে যাতে কোনও হিংসার ঘটনা না ঘটে, তার জন্য ইসলামাবাদকে কার্যত সেনা দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই বিক্ষোভের কথা জানিয়েছিল। এরপর ইমরানের দলের বহু সমর্থককে গ্রেফতারও করা হয়। পরে দল জানিয়ে দেয়, বৈঠক চলাকালীন তাঁরা কোনও বিক্ষোভ দেখাবে না। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান সরকার তিন দিনের ছুটি পর্যন্ত ঘোষণা করে। একই সঙ্গে পার্লামেন্ট, দূতাবাস, বৈঠকস্থল, বিদেশি অতিথিদের থাকার জায়গায় নিরাপত্তার দায়িত্ব সেনাদের হাতে দেওয়া হয়েছিল। ইসলামাবাদে শরিফের আমন্ত্রণে নৈশভোজেও যোগ দেন জয়শঙ্কর। বলে রাখা দরকার, এর আগে যখন রাজনাথ সিং পাকিস্তানে গিয়েছিলেন, সে সময় পাকিস্তানের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলি খান রাজনাথের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেননি। গত বছর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভারতে এসে যা বক্তব্য রেখেছিলেন, তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি একরত্তিও।

A productive meeting of the SCO Council of Heads of Government concluded in Islamabad today.

Signed eight outcome documents. India made a positive and constructive contribution to the deliberations.

8 key takeaways from the Indian perspective:

➡️ Developing a dialogue on the…

— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar)

এসসিও একটি বহুপাক্ষিক সংগঠন। বিভিন্ন দেশে এই বৈঠকের আয়োজন হয়। ২০১৭ সালের পর থেকে ভারত প্রতিটি বৈঠকে যোগ দিয়েছিল। এই সম্মেলনে ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিবারই বিদেশমন্ত্রী গিয়েছেন, শুধু একবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিয়েছিলেন। এ বার ইসলামাবাদের এসসিও বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন - চিন, বেলারুশ, কাজখস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীরা। এ ছাড়াও ছিলেন কিরঘিজস্তানের মন্ত্রিসভার চেয়ারম্যান, ইরানের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সম্মেলনে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবং তুর্কেমেনিস্তানের বিদেশমন্ত্রীকে।

বিশ্বের প্রায় ৪০% জনসংখ্যাই এসসিও-ভুক্ত দেশের। বিশ্বের জিডিপিরও ২০% এসসিও সদস্যের দেশ। এই দেশগুলোতেই ২০% বিশ্বের জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। এর জন্যই এসসিও-ভুক্ত দেশগুলির উপর নজর রাখে গোটা বিশ্ব। সে ক্ষেত্রে এসসিও বৈঠকের জন্য ভারতের বিদেশমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈঠকে অংশগ্রহণ করে ভারত বার্তা দিতে চেয়েছে, এসসিও-তে তারা সম্পূর্ণ ভাবে অংশগ্রহণ করেছে এবং ইতিবাচক লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈঠকে যেন ইঙ্গিত ছিল ভারত নিজের স্বার্থকে এগিয়ে রেখে নিজের শর্তে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের কথা ভাববে।

চিন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান একত্রে ২০০১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এসসিও গঠন করে। ২০১৭ সালে তাতে যোগ দেয় ভারত ও পাকিস্তান। এসসিও-র নেতৃত্ব দেয় রাশিয়া আর চিন। এই দুই দেশের সাথেই পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক ভালো। পাকিস্তানের জন্য এসসিও বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ব্যবসা, সংযোগ এবং শক্তি খাতগুলিতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় পাকিস্তান। আবার ভারতের জন্যেও এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রতিবেশী দেশ এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি করতে চায় ভারত। বর্তমানে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের সংযোগ সীমিত। এই সকল করণের জন্য অনেকেই এই সফরকে বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের অংশগ্রহণের দিককে দেখা উচিত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে এসসিও বৈঠকের মাধ্যমে অন্যান্য দেশে ভারতের উপস্থিতি ও যথাযথ ভূমিকা বজায় রাখা গেল কিনা, সেই উত্তর মিলবে ভবিষ্যতেই।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।