‘আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি’

Gaza-Israel War: ফিনিক্স নামের যে পাখিটি ভূখণ্ডের চেহারা নিয়ে এই পৃথিবীতে নেমে এসেছে, অনিবার্যভাবেই তার নাম জানবেন গাজ়া।

Suddhabrata Deb
৫ মিনিট
‘আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি’

আরবিতে সঠিক উচ্চারণ হল ‘ফ্যলাস্তিন’। প্যালেস্টাইন, ফিলাস্তিন, ফিলিস্তিন… বিবিধ নামে ডাকা হয় তাকে। নামের উচ্চারণ বা বানান যাই হোক না কেন, এ নামের মানে একটাই— প্রতিরোধ! তৃতীয় দফায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একটা বছর পেরোতে চলল। এই বছরটা জুড়ে খবরের কাগজের প্রথম পৃষ্ঠায় কিংবা হাতফোনের ছোট্ট পরদায় ধ্বংসস্তূপে বদলে যাওয়া গাজ়া স্ট্রিপের ছবি, মৃত্যুমিছিলের ছবি, পুতুলের মতো ফুটফুটে শিশুদের লাশের ছবি আমাদের চোখ-সওয়া হয়ে গেছে; আমরা ভবিতব্যে বিশ্বাস করতে শুরু করে দিয়েছি, মেনে নিয়েছি এই-ই তবে পরিণতি! গণমৃত্যুর ছায়া জীবনের থেকে দীর্ঘতর হয়ে আমাদের গিলে খেয়েছে। আপনি যদি ভেবে থাকেন, সেই হাহাকারের অবধারিত বারমাস্যা ফিরে শোনানোর জন্য এ-লেখার অবতারণা— ভুল ভেবেছেন।

এই যুদ্ধের প্রধান দিক কোনটি?

এই অগ্নিগর্ভ একটা বছরকে ফিরে দেখলে ফিলিস্তিন নিয়ে বাজার-চলতি একটা অর্ধসত্য চুরচুর হয়ে ভেঙে পড়ে। তা হল, অসহায় ফিলিস্তিনে পরম শক্তিশালী ইজরায়েলের আগ্রাসী ধ্বংস আর গণহত্যাই ফিলিস্তিন-ইজরায়েল সংঘাতের প্রধান দিক। আমরা বলছি, তা সত্যি বটে, কিন্তু সত্যের প্রধান দিক কখনও এটা নয়। ভূমধ্যসাগর-পাড়ের এককুচি এক গাজ়া স্ট্রিপ— আয়তনে যা আমাদের হুগলি জেলার তিনভাগের একভাগ মোটে, পাহাড় বা জঙ্গলের মতো একটু কোনও আড়ালও নেই যেখানে পিঠ বাঁচানোর মতো— কীভাবে তার ভাঙাচোরা চোয়াল শক্ত করে শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াই দিয়ে যাচ্ছে টানা দু-দশকেরও বেশি সময় ধরে? চূড়ান্ত ঔদ্ধত্যে যে ইজরায়েল মাত্র কয়েক সপ্তাহে যাবতীয় বিরুদ্ধতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চেতাবনি দিয়েছিল— আজ একবছর হয়ে গেল। বিজয় এখনও তাদের ধরাছোঁয়ার থেকে ঢের দূরে! গাজ়া স্ট্রিপ! সেই ২০০০ সাল থেকে ওয়েস্ট ব্যাংক নয়, গাজ়াই ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যুদ্ধের সত্যিকারের মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এক কক্ষপথ পার, নতুন সূর্যের অপেক্ষায় আজও যুদ্ধক্লান্ত গাজা

War-torn Gaza: মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতবস্থা ঘেঁটে যখন প্রবল হয়ে উঠছে দুই অক্ষশক্তি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা, সেই সময়েও কিন্তু গাজাবাসীর মাথার উপর ঘাই মেরে চলেছে ইজরায়েলের বোমারু বিমান।

১৯৮৭ সালের ৯ ডিসেম্বর জাবালিয়া রিফিউজি ক্যাম্পে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সের ট্রাক চারজন ফিলাস্তিনি শ্রমিককে চাপা দিয়ে মেরে ফেলে। সেই প্রতিক্রিয়ায় কেঁপে উঠেছিল অধিকৃত ফিলিস্তিনের মাটি, শুরু হয়েছিল এক অভূতপূর্ব গণপ্রতিরোধের— ইতিহাসে যা 'প্রথম ইন্তিফাদা' নামে চিহ্নিত। ইন্তিফাদা মানে অভ্যুত্থান। আইডিএফ-র আধুনিক অস্ত্রের মুখোমুখি দাঁড়াতে ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক আর গাজ়া স্ট্রিপের জনতা হাতে পাথর তুলে নিয়েছিলেন, পাথর প্রতিরোধের অস্ত্র হয়ে উঠেছিল এতটাই ব্যাপক আকারে যে এর ডাকনামই হয়ে দাঁড়ায় ইন্তিফাদাত অল-হিজারা (স্টোন ইন্তিফাদা)। আকস্মিকভাবে শুরু হয়েছিল বটে, কিন্তু আকস্মিকতায় শেষ হয়ে যায়নি জনগণের এই অভ্যুত্থান। রীতিমতো পাঁচ বছর ৯ মাস ধরে চলেছিল সবকটি ফ্রন্টে ফিলিস্তিনি জনগণের এই প্রতিরোধ সংগ্রাম— দিনে দিনে তা তীক্ষ্ণতর ও তীব্রতর হয়ে উঠেছিল। এতটাই, ইজরায়েলি সরকার আশি হাজার সৈন্য নামিয়েও দমাতে পারেনি ছোট্ট দু-টুকরো দেশটির জনগণের ক্রোধের লাভাস্রোতকে।

২০২৪ সালে যখন প্রথম ইন্তিফাদা-র সাইত্রিশ বছর হতে চলেছে— ফিলিস্তিনের দিকে ফিরে তাকালে আমরা দেখব, কীভাবে যুঝতে যুঝতে জীবন ও যুদ্ধের চিহ্ন ও অস্ত্রগুলি বদলে গেছে এতগুলি বছর ধরে। সেই কোন ১৯৬৮ সালে শত্রুপক্ষ যখন আলাম ফিলাস্তিন, মানে ফিলিস্তিনের পতাকার প্রদর্শন, বহন করা এমনকী তা আঁকাও নিষিদ্ধ করে দিল, একফালি তরমুজের ছবিতে ভরে উঠতে লাগল অধিকৃত ফিলিস্তিনের দেয়ালগুলি; পথে ঘাটে, জমায়েতে, শত্রুপক্ষের খোলা চোখের সমুখে মানুষ তুলে ধরতে লাগলেন কাটা তরমুজের ফালি। কারণ— সবুজ, লাল, কালো এমনকী সাদাও— তরমুজের টুকরোয় পতাকার সবকটি রং-ই রয়েছে! প্রথম ইন্তিফাদা-র সময়ে যখন সার্বিকভাবে ইজরায়েলি পণ্য বয়কট শুরু করা হয়েছিল, সেই সময়ে ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের বেইত সাহোর-এ কিছু মানুষ ইজরায়েলে উৎপাদিত দুধকে বয়কট করতে নিজেরা কয়েকটি গরু কিনে সমবায় শুরু করেছিলেন। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে ইজরায়েলকে প্রত্যাখ্যানের প্রতীক হয়ে উঠল গরু। আর চাবি প্রতীকায়িত করল স্বভূমিতে ফেরার অধিকারকে। অলিভের শাখা ছিল শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধের প্রতীক, মাহমুদ দারভিশ লিখলেন— “অলিভ গাছেরা জানে কোন হাত পুঁতেছিল তাকে, নিঙড়ানো তেল তার অশ্রুবিন্দু হবে।” যুদ্ধ দু-পক্ষে যত ক্ষমাহীন হয়ে উঠতে লাগল, ততই কমে আসতে লাগল অলিভ শাখার ব্যবহার। ‘শান্তিপূর্ণ’ আর ‘প্রতিরোধ’ ফিলিস্তিনি ভুবনে তখন পরস্পরবিরোধী দুটি শব্দ। তুলনায় নবীন আরেকটি প্রতীক, চামচ, দ্রুত হয়ে উঠল অপ্রতিরোধ্য ফিলাস্তিনি সংগ্রাম আর মুক্তির সমার্থক—২০২১ সালে যখন ওয়েস্ট ব্যাংক থেকে মাত্র ছ-কিলোমিটার দূরে ইজরায়েল রাষ্ট্রসীমার মধ্যে অতিসুরক্ষিত গিলোবা কয়েদখানার ছ'জন ফিলিস্তিনি রাজবন্দি শুধু ক'টি স্টিলের চামচ দিয়ে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে জেল থেকে পালাতে পারলেন। এবং কাফিয়্যাহ্ (স্কার্ফ) আর গেরিলা পোশাকে সজ্জিত, আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ফিলিস্তিনের হয়ে প্রথম নারী বিমান-ছিনতাইকারী লাইলা খালিদ বিশ্ব জুড়ে হয়ে দাঁড়ালেন ফিলিস্তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধ, সংগ্রামী নারী আর বামপন্থার ‘পোস্টার গার্ল’।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরেই বন্ধ ইরানের আকাশপথ! জবাব ফেরাতে পারবেন নেতানিয়াহু?

Iran-Israel Conflict: এদিকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি সামনে আসতেই নিজেদের আকাশপথ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।

প্রতীকের এই বদলে যাওয়াটা শুধু উপরিকাঠামোয় ছিল না। ২০০০ সালে যখন দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরু হয় (অল-আক্‌সা ইন্তিফাদা), তখন ফিলিস্তিনের মানুষ পাথরের বদলে আস্থা রাখতে শুরু করে দিয়েছেন ইনসাস, মর্টার, মিসাইলে। মুহুর্মুহু আক্রমণের ধাক্কায় ইজরায়েলের ভিত কেঁপে উঠেছে তখন। প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলা এই প্রতিরোধ-যুদ্ধ ইজরায়েলকে বাধ্য করেছিল ডিসএনগেজমেন্টে । দ্বিতীয় ইন্তিফাদা চলেছিল ২০০৫ অবধি। এর ঠিক আঠারো বছর পরে ২০২৩-এর অক্টোবর সাতে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ-যোদ্ধারা যখন ইজরায়েলের সীমারেখার মধ্যে ঢুকে মারাত্মক আঘাত হানল, তার অভিঘাত ইজরায়েলের শাসকদের শিরদাঁড়া দিয়ে হিমস্রোত বইয়ে দিয়েছিল। কারণ ইজরায়েলের বহু-আস্ফালিত আয়রন ডোম ইত্যাদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বাগাড়ম্বর প্রমাণ করে ছেড়েছিল এই অতর্কিত হানা। পুরোটাই কি তার অপ্রত্যাশিত ছিল ইজরায়েলের শাসকদের কাছে? বারবার দেশি ও মার্কিনি গোয়েন্দা-দপ্তর সতর্ক করার পরেও যখন আগাম ব্যবস্থা নেয়নি নেতানিয়াহু-র সরকার, তখন বেশ বোঝা যায় তারা চেয়েছিল একটা আক্রমণ হোক ফিলিস্তিনের দিক থেকে, তাহলে সেটাকে অজুহাত করে গাজ়ায় সৈন্য ঢুকিয়ে দেওয়াটাকে বৈধতা দেওয়া যাবে। তখন নেতানইয়াহু দুঃস্বপ্নেও কি ভেবেছিল যে আক্রমণের তীব্রতা এই পর্যায়ে যাবে?

২০২৩-এর অক্টোবর সাতাশে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স গাজ়ায় আক্রমণ শুরু করে। তার মানে এই নিবন্ধ লেখার সময় অবধি পেরিয়ে গেছে ৩৪৫টি দিন। এই দীর্ঘ সময় ধরে ধ্বংস আর গণহত্যা চালিয়ে কী অর্জন করেছে ইজরায়েল? গোটা পৃথিবীর সুস্থ বুদ্ধির মানুষের ঘৃণা আর প্রত্যাখ্যান ছাড়া? পণবন্দিদের ছাড়িয়ে আনতে পারেনি তারা; এই ৩৪৫-এর মধ্যে এমন একটা দিনও নেই আইডিএফ প্রতিরোধ-যোদ্ধাদের পাল্টা আক্রমণের মোকাবেলা করতে হয়নি! দেশের মানুষের জীবন বাজি রেখে নেতানিয়াহুর উচ্চাকাঙ্ক্ষী একরোখা এই দখল-নীতির প্রতিক্রিয়ায় স্বদেশবাসীর গণরোষ তার গদিই নড়িয়ে দিয়েছে। নিরাপত্তাহীনতা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আর ইয়োভ গ্যালান্টকে আরও হিংস্র, আরও মরিয়া করে তুলছে। যত ব্যর্থ হচ্ছে তারা, ততই গণহত্যার পরিধি সম্প্রসারিত হচ্ছে। যত বাড়ছে সেই পরিধি, ততটাই দৃঢ়ভাবে ফিলিস্তিনের মানুষেরা ফিদায়িঁ-দের চারপাশ ঘিরে দাঁড়াচ্ছেন। কোনও অনুশোচনা নেই, অনুতাপ নেই কোনও। ধ্বংসস্তূপে ভাঙা দেয়ালের ওধার থেকে যে কোনও সময়ে ছুটে আসতে পারে মর্টারের শেল। মৃত্যুকে দেখে নিয়েছেন গাজ়ার মানুষজন। অশ্রু শক্তিতে, ঘৃণা ক্রোধে বদলে গিয়েছে। মনে রাখবেন, ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স নামটাই ব্যবহার করেন না ফিলিস্তিনিরা। তাঁরা বলেন ইজরায়েল অকুপেশন ফোর্স । দেশের মাটিতে হানাদারদের কবরের মাটি চেনাতে বদ্ধপরিকর তাঁরা। গাজ়ার পর অভ্যুত্থান মাথা তুলছে ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে, আর ফিলিস্তিনের সীমা ছাড়িয়ে যুদ্ধ আজকে ছড়িয়ে পড়েছে লেবাননে, ইরানের দ্বারপ্রান্তে। পশ্চিম এশিয়ার রণাঙ্গনে ইজরায়েল আজ একা। আর ফিনিক্স নামের যে পাখিটি ভূখণ্ডের চেহারা নিয়ে এই পৃথিবীতে নেমে এসেছে, অনিবার্যভাবেই তার নাম জানবেন গাজ়া।

(শিরোনামটি মৃদুল দাশগুপ্ত-র কবিতা থেকে ধার করা)

লিখেছেন
Suddhabrata Deb
Suddhabrata Deb
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।