ইমরানই প্রথম নন, যেভাবে বারবার প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয়েছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীরা

Imran Khan: কেন গুলিবিদ্ধ ইমরান খান?

Ramen Das
৪ মিনিট
ইমরানই প্রথম নন, যেভাবে বারবার প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয়েছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীরা

অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে চলল গুলি! আহত ইমরানকে ইতিমধ্যেই ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। পায়ে একাধিক গুলি লেগেছে প্রাক্তন ক্রিকেটারের। পাকিস্তান সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পাকিস্তানের ওয়াজিরবাদের (Wazirabad) জাফর আলি চকের কাছে এই ঘটনা ঘটে। একটি কনটেনার থেকে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন ইমরান খান। সেখানেই ইমরানকে লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালায় অজ্ঞাতপরিচয় এক আততায়ী। ইমরানের নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় সঙ্গে সঙ্গে সরানো হয় তাঁকে। ইমরান খান-সহ আহত হয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত সহায়ক রশিদ এবং সিন্ধুপ্রদেশের প্রাক্তন গভর্নর ইমরান ইসমাইল-সহ একাধিক।

এই ঘটনার পরেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাকিস্তানজুড়ে। শোরগোল পড়েছে বিশ্বে। ঘটনায় তড়িঘড়ি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ইমরানকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন। অনেকেই বলছেন, ইমরান খান অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ঠিকই, কিন্তু ওই গুলি পায়ে না লেগে যদি প্রাণঘাতী হত! তখন? প্রয়াত ইমরানকে নিয়েই শুরু হত আলোচনা?

যদিও পাকিস্তানে এই ঘটনা প্রথম নয়। একের পর এক কাণ্ডে বারবার আক্রান্ত হয়েছেন রাজনেতারা। কেউ বিদায় নিয়েছেন চিরতরে। কেউ বেঁচেছেন একটুর জন্য। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বা রাজীব গান্ধীর মতো অকালমৃত্যুর মুখে পতিত হয়েছেন প্রাতিষ্ঠানিক প্রধানরা। কী বলছে এই হামলা বা খুনের ইতিহাস? কেন ইমরান খানের (Imran Khan) ওপর হামলায় ফের জল্পনায় এই প্রসঙ্গ?

১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই এই হামলার ইতিহাস বারবার কুরে কুরে খেয়েছে পাকিস্তানকে। বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশের।

১৯৫১। ১৬ অক্টোবর। খুন করা হল লিয়াকত আলি খানকে (Liyaqat Ali Khan)। পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে খুন হতে হয় প্রকাশ্যে। তাঁকে লক্ষ‍্য করে গুলি চালানো যায়। বুকে লাগে আততায়ী সৈয়দ আকবরের ছোড়া গুলি। রাওয়ালপিন্ডির কোম্পানি বাগে খুন করা হয় তাঁকে। লিয়াকতের মৃত্যুর পর অশান্ত হয় পাকিস্তান (Pakistan)। যে এলাকায় খুন হন তিনি, সেই অঞ্চলের নাম পরিবর্তন করে পরে রাখা হয় লিয়াকত বাগ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পাকিস্তান মানেই দুর্নীতি! ইমরান খানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে

ইমরান খানের গদিচ্যুতি হওয়ার পরেও ঠিক যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল তেহরিক-এ-ইনসাফ, তখনই এই ঘটনা সামনে আসা আবারও যে তাদের যথেষ্ট বিপদে ফেলবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

১৯৫৮ সালের মে মাস। মাত্র ৭ বছর পর আবার পাকিস্তান দেখল বড় হত্যার ঘটনা। খুন হলেন 'সীমান্ত গান্ধী' খান আব্দুল গফ্ফার খানের ভাই খান আব্দুল জব্বার খান (Khan Abdul Jabbar Khan)। দাদার পরে পাকিস্তান রাজনীতিতে যিনি ছিলেন অন্যতম মুখ। পশ্চিম পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীকে প্রাণ হারাতে হয় অকালেই। আলতা মহম্মদ নামে এক পরিচিত ব্যক্তির হাতে, বাড়িতেই খুন হন তিনি।

৪ এপ্রিল, ১৯৭৬। ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হয় জুলফিকার আলী ভুট্টোকে (Zulfikar Ali Bhutto) । পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল সে দেশেরই সেনা সরকার। এটি প্রকাশ্যে খুন না বলা হলেও এটিও যে রাজনৈতিক হত্যা, রাজনীতির কারণেই মেরে ফেলা হয় তাঁকে, সেই বিষয়েই সরব হয়েছিল বিশ্ব। জেনারেল জিয়াউল হকের নেতৃত্বে পঞ্জাবের রাওয়ালপিন্ডিতে এই ঘটনা ঘটে।

যদিও জুলফিকারের মৃত্যুর প্রায় ৯ বছর পর বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান তৎকালীন সেনা সরকারের প্রধান জিয়াউল হক (Ziaul Haque)। সেই ঘটনায় খুনের তত্ত্ব খাঁড়া হয় ফের। ফের যে বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্ব, কয়েকদিন আগে থেকেই উঠে এসেছে তেহরিক-ই-ইনসাফের (Tehrik e Insaf) নেতা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে মেরে ফেলার চক্রান্তের অভিযোগে। তার মধ্যেই ঘটল ইমরানের উপর হামলার ঘটনা।

২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল। খুন হওয়া জুলফিকার আলি ভুট্টোর পুত্রও 'খুন' হলেন এবার। পাকিস্তান পিপলস পার্টির (Pakistan Peoples Party) নেতা মুর্তাজা ভুট্টো-সহ (Murtaza Bhutto) ওই দলের ৬ নেতাকে গুলি করে মারে পুলিশ। করাচির ক্লিফটন এলাকায় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় মুর্তাজার। যদিও চক্রান্ত করে খুন করার দাবি ওঠে সে-বারও।

২৭ ডিসেম্বর, ২০০৭। বিশ্বে বেনজির খুনের ঘটনার উদাহরণ তৈরি করে খুন হন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো (Benazir Bhutto)। দেশের দু'বারের প্রধানমন্ত্রীকে, খুন হওয়া আর এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুস্থলেই মেরে ফেলা হয়। রাওয়ালপিন্ডির (Rawalpindi) লিয়াকত বাগের পদযাত্রায় আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রাজীব গান্ধী (Rajiv Gandhi) হত্যার কায়দায় মারা হয় বেনজিরকে। রাজনৈতিক কারণে চিরবিদায় নিতে হয় ভুট্টো পরিবারের আর এক সদস্যকে। প্রশ্ন ওঠে বিস্তর। বেনজিরের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত থেকে শুরু করে দেহের সৎকারেও বাধা দেওয়া হয়। খুন হওয়ার পরেও বিতর্কে জড়াতে হয় বেনজিরকে। যিনি বহুদিন দেশের বাইরে ছিলেন রাজনৈতিক কারণে।

এই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা, পাকিস্তানের তেহরিক-ই-তালিবানের (Tehrik e Taliban) বিরুদ্ধে। ওই একই হামলায় মৃত্যু হয় কমপক্ষে ২৪ জনের। বেনজির ভুট্টোর মৃত্যুর পরে পাকিস্তান সরকারের ভূমিকা এবং দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে বিশ্বের সমালোচনার মুখোমুখি হয় পাকিস্তান সরকার। নিন্দায় সরব হয় ভারতও।

২০১১ সালের জানুয়ারি মাস। খুন হন সলমন তাসির (Salman Taseer) । পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা, একদা পাকিস্তানের জনপ্রিয় মুখ, পঞ্জাবের গভর্নর (Punjab Governor) হিসেবে কাজ করা তাসিরকে খুন হতে হয় তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী মালিক মমতাজ কাদরির হাতে। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (Indira Gandhi) হত্যার কায়দায় গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে রক্তাক্ত হন তাসির। প্রতিপত্তিশালী ব্যবসায়ী ছিলেন সলমন। কিন্তু এই খুনের কারণ হিসেবে উঠে আসে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার তত্ত্ব।

২০১১ এর ২ মার্চ। ইসলামাবাদে খুন হন পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা, দেশের প্রাক্তন সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী শাহবাজ ভাট্টি (Shahbaz Bhatti) । আততায়ীদের হাতে খুন হন এই ক্যাথলিক নেতা। সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন নিয়ে উঠল প্রশ্ন। ফের সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয় পাকিস্তান সরকারকে।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।