বাংলাদেশ ইস্যুতে কোন পথে এগোবে ভারত? হাসিনাকে নিয়ে যা জানালেন জয়শঙ্কর

S Jaishankar on Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ পরিস্থিতি ও শেখ হাসিনার ভারতে এসে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে দিল্লিতে এদিন সর্বদল বৈঠক করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

Sohini Das
৪ মিনিট
বাংলাদেশ ইস্যুতে কোন পথে এগোবে ভারত? হাসিনাকে নিয়ে যা জানালেন জয়শঙ্কর

গণঅভ্যুত্থানের জেরে কুর্সি হারিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার শুধু কুর্সি নন, বোন শেখ রেহানার সঙ্গে দেশও ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। রাতারাতি কপ্টারে করে উড়ে আসেন ভারতে। গাজিয়াবাদে হিন্ডন বিমানবন্দরে ভেড়ে তাঁর কপ্টার। সেখান থেকে লন্ডনে উড়ে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে অস্বীকার করে ব্রিটেন। ফলে আপাতত ভারতেই রয়েছেন পড়শি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, দিল্লিতেই রয়েছেন হাসিনা। তাঁকে আপাতত কিছুটা সময় দিতে চায় ভারত সরকার। মানসিক ভাবে বেশ বিধ্বস্ত হাসিনা। এদিকে বাংলাদেশ পরিস্থিতি ও শেখ হাসিনার ভারতে এসে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে দিল্লিতে এদিন সর্বদল বৈঠক করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে সব দলের সঙ্গে বসেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। যেখানে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজেজুরাও। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূলের সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, টি আর বালু, লালন সিং, রামগোপান যাদব, মিশা ভারতী, অরবিন্দ সাওয়ান্ত, সস্মিত পাত্র, সুপ্রিয়া সুলে, রামমোহন নাইড়ু-সহ অন্যান্য দলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকেই জয়শঙ্কর জানান, হাসিনা এখন মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত। তাই তাঁকে ধাতস্থ হতে সময় দিয়েছে ভারত। এ ছাড়া, বাংলাদেশে প্রবাসী ভারতীয় নাগরিকদের পরিস্থিতি নিয়েও ওই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

বিদেশমন্ত্রী এদিন বৈঠকে জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভাল। সব সরকারের আমলেই সেই সম্পর্ক অটুট থেকেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪-এ বাংলাদেশে যে নির্বাচন হয়, সেই সময় থেকেই একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেড়েছে মেরুকরণ।’ জয়শঙ্কর উল্লেখ করেন, গত জুন মাসে শুরু হয় ছাত্র আন্দোলন। ক্রমশ হিংসাত্মক ঘটনা বাড়তে থাকে। সরকারি সম্পত্তিতে হামলা চলে, বাস ও রেল পরিষেবার ক্ষেত্রেও ব্যাপক প্রভাব পড়ে। জুলাই জুড়েও চলে সেই সংঘর্ষ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বারবার চেয়েছি কথাবার্তার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসুক।’ বাংলাদেশে হিংসা এবং লুটপাটের একাধিক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন কূটনৈতিক স্তরে নয়াদিল্লি ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস এবং সে দেশে অবস্থিত চারটি উপদূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। বাংলাদেশ সীমান্তে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বাংলাদেশে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গেও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বারবার জেগেছে বাংলাদেশ! অবাক করবে সে দেশের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস

Bangladesh coups: এমনই এক অগস্টে সেনার হাতে খুন হয়েছিলেন সপরিবার শেখ মুজিবর। আর তার কন্যা শেখ হাসিনাকেও কুর্সি ছাড়তে হল গণঅভ্যুত্থানের জেরে। বাংলাদেশের মাটিতে বারবার জনগণ জেগেছে।

Briefed an All-Party meeting in Parliament today about the ongoing developments in Bangladesh.

Appreciate the unanimous support and understanding that was extended.

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
"পরবর্তী পাকিস্তান হবে বাংলাদেশ", কেন বলছেন শেখ হাসিনার পুত্র জয়?

Sheikh Hasina Bangladesh: হাসিনা পুত্র বলছেন, পরিস্থিতিকে আরও খারাপ দিকে নিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সের হাত থাকতে পারে।

— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar)

বাংলাদেশে হিংসা শুরু হওয়ার পর থেকে কয়েক হাজার ভারতীয় সে দেশ থেকে এ দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। প্রথম দফায় দেশে ফেরা ভারতীয়দের বেশিরভাগই ছিলেন শিক্ষার্থী। বিদেশমন্ত্রী এ দিন জানিয়েছেন, কর্মসূত্রে এবং পঠন পাঠনের জন্য বাংলাদেশে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় থাকেন। তাদের মধ্যে আট হাজার ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশে ভারতীয়দের পরিস্থিতির দিকেও নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার, সর্বদল বৈঠকে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। এখনই জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনা হচ্ছে না। তবে প্রয়োজনে যে কোনও সময়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। ভারত প্রস্তুত আছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি তেমন গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘‘যে পরিস্থিতি বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে, তার দিকে আমরা নজর রাখছি। সঠিক সময় এলে ভারত সরকার সঠিক পদক্ষেপ করবে।’’ এদিকে বৈঠকে কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে নয়াদিল্লি। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৩ হাজার ভারতীয় আছেন বলে বৈঠকে জানান জয়শঙ্কর।

সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন শেখ হাসিনা। তারপর ছাড়েন দেশও। আর এর পরেই বাংলাদেশের ক্ষমতা চলে যায় সেনাবাহিনীর হাতে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ়-জ়ামান দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সেনার নেতৃত্বে সেখানে তদারকি সরকার গঠন করা হবে। পরবর্তী ভোট না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই বাংলাদেশ চালাবে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এর পরে বাংলাদেশের ক্ষমতা যেতে চলেছে কাদের হাতে। বিএনপি বা জামাতের মতো কট্টোরপন্থীরাই কি ফের বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসবে? সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের সেখানে সমস্যায় পড়তে হবে কিনা সে নিয়েও যথেষ্ট উদ্বেগের জায়গা রয়েছে। এমনিই কাল গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্দির, হিন্দু স্থাপত্যে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে হিন্দু শরণার্থীরা ভারতে ভিড় জমালে তা নিয়েও নতুন করে সঙ্কটে পড়বে ভারত। বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সোমবারই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত ওই বৈঠকেও হাজির ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রীরা। ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রিন্সিপাল সচিব পিকে মিশ্র, ‘র’-এর প্রধান রবি সিন্‌হা এবং গোয়েন্দা বিভাগ (আইবি)-এর ডিরেক্টর তপন ডেকা। তবে আপাতত পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই কেন্দ্রের লক্ষ্য, জানিয়েছেন জয়শঙ্কর।

হাসিনা যে দিল্লিতেই রয়েছেন, তা এদিন সর্বদল বৈঠকে পরিষ্কার করে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। সূত্রের খবর, আগামী ২-৩ দিন ভারতেই থাকতে পারেন শেখ হাসিনা। এরপর পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন তিনি। তবে ব্রিটেন আশ্রয় দিতে অস্বীকার করায় ভারতেই পাকাপাকিভাবে হাসিনা থেকে যেতে পারেন, এমন গুঞ্জনও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জয়শঙ্কর জানান, ভারত সরকারের প্রতিনিধির সঙ্গে শেখ হাসিনার সামান্য কথা হয়েছে। তিনি ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নিতে চান তা ভাবনাচিন্তার জন্য কিছুটা সময় চেয়েছেন। তিনি পরিস্থিতির প্রাথমিকতা কাটিয়ে ধাতস্ত হয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি জানান, এর পরে কোথায় যেতে চান এবং কবে যেতে চান, তা নিয়ে তাঁকেই সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। এদিকে হাসিনাকে কোনও প্রকারের চাপ দেওয়া হবে না বলেও জানান জয়শংকর। এর জন্য তাঁকে কিছুটা সময় দেওয়া হয়েছে। হাসিনার পরিকল্পনা জানার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে নয়াদিল্লি। এদিকে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি চাইছেন স্থায়ী স্ট্র্যাটেজি নেওয়া হোক বাংলাদেশ নিয়ে। শান্তি ফেরার কামনাও করেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল। তবে শেষপর্যন্ত হাসিনা ভারতেই থেকে যাচ্ছেন, নাকি অন্য কোনও দেশই হতে চলেছে পাকাপাকি ঠিকানা, তা নিয়ে অস্পষ্টতা এখনও কাটেনি।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।