কোন ম্যাজিকে পাকিস্তানের জেতা ম্যাচ ছিনিয়ে নিলেন বুম বুম বুমরাহ?

Jasprit Bumrah: সাম্প্রতিক ২০২৪ আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পারফরমেন্স হতদরিদ্র হলেও, বুমরাহের পারফরমেন্স ছিল পাঁকে পদ্মফুল ফোটার মতোই।

Sourish Das
৪ মিনিট
কোন ম্যাজিকে পাকিস্তানের জেতা ম্যাচ ছিনিয়ে নিলেন বুম বুম বুমরাহ?

জাসপ্রিত বুমরাহ, বিশ্বের সেরা বোলারদের তালিকায় তিনি যে এখন একেবারে ১ নম্বরে সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ফরম্যাট কন্ডিশন এবং প্রতিপক্ষ নির্বিশেষে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স নজর কেড়েছে সারা বিশ্বের। যেখানে একটা সময়ে ভারতকে সারা বিশ্ব চিনত স্পিনের গড় হিসেবে, সেখানেই নিজের পেস বোলিংয়ের জাদুতে এক রূপকথা রচনা করেছেন বুমরাহ। ভারত পাকিস্তানের হাইভোল্টেজ ম্যাচে যেখানে পাকিস্তান ইনিংসের ১৬ তম ওভার পর্যন্ত ছিল চালকের আসনে, সেই অবস্থায় পাকিস্তানের হাত থেকে ম্যাচ ভারতের দিকে টেনে আনলেন বুমরাহ। এমন জীবন মরণ ম্যাচের গতিপথে আঘাত হানার পর বুমরাহ প্রমাণ করেছেন, তিনি ক্রিকেট জগতের নতুন সম্রাট।

বুমরাহর খেলার ধরন

বুমরাহ তাঁর অসাধারণ গতির জন্য বিখ্যাত, যা নিয়মিতভাবেই ১৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার কাছাকাছি ছুঁয়ে যায়। এই গতির জন্যই ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করতে এবং উইকেট শিকারের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেন তিনি। বুমরাহ নির্ভুল বোলার। ক্রমাগত লাইন ও লেন্থ মেনে চলেন এবং ব্যাটারদের জন্য ভুল করে বেঁচে যাওয়ার সুযোগ কমিয়ে দেন। যদি একবার কোনও ব্যাটসম্যান বল মিস করেন, তাহলেই বল গিয়ে সোজা লাগবে উইকেটে, এতটাই তীক্ষ্ণ তাঁর লাইন ও লেন্থ। এছাড়াও, বুমরাহ বিভিন্ন ধরনের ডেলিভারি করতে পারেন, যার মধ্যে রয়েছে ইনসুইংকার, আউটসুইংকার, স্লোয়ার, কাটার এবং ইয়র্কার। এই বৈচিত্র্যই তাঁকে বিশ্বের সেরা বোলারদের মধ্যে একজন করে তোলে, কারণ তিনি যেকোনও পরিস্থিতিতে উইকেট শিকার করতে পারেন।

আইপিএলে জাদুকরী বোলিং

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'খলনায়ক' থেকে মহানায়ক! কেন মহম্মদ শামিই ভারতের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র?

Mohammed Shami : সেমিফাইনালের নায়ক হয়ে ততটা সম্মান কি শামি পাবেন, যতটা অপমান তাঁকে সহ্য করতে হয়েছিল পাকিস্তান ম্যাচের পরে? 

শুধু ভারত পাকিস্তান ম্যাচ নয়, এর আগেও বুমরাহ্ নিজের জাদু দেখিয়ে এসেছেন আইপিএলে। সাম্প্রতিক ২০২৪ আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পারফরমেন্স হতদরিদ্র হলেও, বুমরাহের পারফরমেন্স ছিল পাঁকে পদ্মফুল ফোটার মতোই। যখন ব্যাটাররা রীতিমতো তুলোধোনা করছিলেন মুম্বইয়ের পুরো বোলিং লাইন-আপকে, সেই সময় নিজের জাদু দেখান বুমরাহ্। ধ্বংসাত্মক ব্যাটারদের পরাস্ত করে, রানের চাকা থামিয়ে দিয়েছেন তিনি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও তাঁর সুনিপুণ পারফরমেন্স দেখেছে সারা বিশ্ব।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অসাধারণ পারফরমেন্স

২০২২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের সবথেকে বড় ভরসা ছিলেন বিরাট কোহলি। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতকে এক দুরন্ত জয় এনে দিয়েছিলেন বিরাট। তাঁর অধিনায়কত্বের সময়ে একবার পাকিস্তান ১৫২ রান তাড়া করতে গিয়ে ভারতকে ১০ উইকেটে পরাজিত করেছিল। সেই খারাপ লাগা এখনও বিরাটকে কুরে কুরে খায়। সেই কারণে, ২০২২ সালের সেই ম্যাচে নিজের সবটা দিয়ে ভারতকে বাঁচিয়েছিলেন তিনি। রোহিতকে বাঁচিয়েছিলেন আরও এক বিরাট গ্লানির হাত থেকে।

২০২৪ সালে বিরাট ব্যর্থ হলেও, পাকিস্তানের বিপক্ষে উদয় হয় এক নতুন তারকার। নিজের বোলিং দিয়ে বুমরাহ্ প্রমাণ করে দিলেন, তাঁর মতো বোলার সত্যিই এই বিশ্বে বিরল। পাকিস্তানের বিপক্ষে বুমরাহ তাঁর বোলিং দিয়ে বছরের পর বছর মনে রাখার মতো পারফরমেন্স উপহার দিয়েছেন। তবে, রবিবারের ম্যাচের পারফরমেন্স ছিল সবথেকে আকর্ষণীয়। একটা সময় যখন ভারতের জেতার সম্ভাবনা মাত্র ৮ শতাংশ, তখন বুমরাহের হাতে বল তুলে দেন রোহিত শর্মা। আর বল হাতে পেয়েই নিজের জাদু দেখান এই জাদুকর। পাকিস্তানের সবথেকে ভরসাযোগ্য ব্যাটার মহম্মদ রিজওয়ানকে ক্লিন বোল্ড করে ম্যাচের চাকা ঘুরিয়ে দেন বুম বুম বুমরাহ। চার ওভারে ১৪ রান খরচ করে তিন উইকেট শিকার করেছেন তিনি। অধিনায়কের নির্দেশ মতো নিজের সেরাটা দিয়েছেন এই ডানহাতি বোলার। দুই বছর আগে বিরাট কোহলি যেভাবে অবিশ্বাস্য জয় এনে দিয়েছিলেন মেলবোর্নে, ঠিক সেটাই বল হাতে করলেন বুমরাহ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
থাপ্পড়: দ্য পাওয়ার অব কমনম্যান

Kangna Ranaut: একজন বলিউড অভিনেত্রী তথা সদ্য নির্বাচিত সাংসদের একজন সাধারণ সিআইএসএফ জওয়ানের হাতে থাপ্পড় খাওয়া নিয়ে কেন এমন মশগুল হয়ে উঠল গোটা দেশ? হঠাৎই ভাইরাল হয়ে গেলেন কুলবিন্দর।

ম্যাচের গতি পরিবর্তন

ম্যাচের শুরুতেই পাকিস্তানের মূল ভরসা বাবর আজমকে আউট করে বুমরাহ ম্যাচের গতি পরিবর্তন করে দেন। তাঁর ব্যাটের উপরে নির্ভর করেই এদিন খেলতে নেমেছিল পাকিস্তান। আগের ম্যাচে আমেরিকার বিপক্ষে চাপের মুখে এক দারুণ ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। যদিও বেশ কিছু বল তিনি প্রথমে নষ্ট করেছিলেন, তবে পরে সেটা তিনি ব্যাটিং দিয়ে পূরণ করে দেন। ২২ বলে ৭ রান করে যখন তিনি ক্রিজে, তখন একের পর এক উইকেট পড়ছে পাকিস্তানের। সেখান থেকে নিজের ইনিংসকে ৪৪ রানে নিয়ে গিয়েছিলেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। সুপার ওভারে এসে আমেরিকার বিরুদ্ধে এই ম্যাচ হারলেও, বাবর যে ফর্মে আছেন সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছিল। আর উল্টোদিকে রিজওয়ান তো ফর্মে ছিলেনই। ফলে, ১২০ রানের টার্গেট তাঁদের কাছে ছিল খুবই সহজ। তবে, সেটাকে কঠিন করে তুললেন বুমরাহ। নিউ ইয়র্কের উইকেটে বাবরই হতে পারতেন নায়ক কিন্তু তাঁকে দ্বিতীয় ওভারেই ফিরিয়ে দিয়েছেন এই বোলার। এরপর মহম্মদ রিজওয়ান যখন দলকে জয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁকে বোল্ড করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেন বুমরাহ। ফলে, দুটো বড় উইকেটের চাপে পড়ে অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে যায় পাকিস্তান।

শেষ ওভারে ভয়ানক সুন্দর বোলিং

শেষ ওভারে বুমরাহ যা করেছেন তা সত্যিই 'ভয়ানক' সুন্দর। ইফতেখার আহমেদকে ঘোল খাইয়ে ছেড়ে দিয়ে তিনি ম্যাচের ফলাফল নিশ্চিত করে দেন। সেই সময় যেখানে ১৯ নম্বর ওভারে পাকিস্তানকে মেরে খেলতে হতো সেখানেই, ম্যাচের রান গতি একেবারেই কমে যায়। এর আগের সিরাজের ওভার থেকে কিছুটা রান করেছিল পাকিস্তান। তাই আশা ছিল পাকিস্তানের শেষ ভরসা ইফতেখার কিছু একটা করে দেখাবেন কিন্তু হলো না কিছুই। বদলে ওই এক ওভারে ম্যাচের ফলাফল নিজেদের পক্ষে করে নেয় ভারত।

বুমরাহর অসাধারণ দক্ষতা

দুরন্ত গতি, দারুণ অ্যাকুরেসি, সঠিক লাইন ও লেন্থে সিম, সুইং এবং বাউন্স করানোর ক্ষমতা, একেবারে পারফেক্ট ইয়র্কার দেওয়ার ক্ষমতা এবং তার থেকেও বড় একজন ব্যটারকে রিড করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে বুমরাহর। ভারতীয় উপমহাদেশে এখন বহু ফাস্ট বোলার থাকলেও, এতটা দক্ষ হয়তো কেউই নন। সেই কারণে, নিজের দুরন্ত দক্ষতায় ক্রিকেট বিশ্বে রাজ করবেন বুমরাহ, সেটাই স্বাভাবিক। ভারতের টিমে বুমরাহ যে থাকবেন, সেটা একেবারে চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়। রোহিত শর্মার কাছে বুমরাহের ২৪ টা বল যেন এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একটা ফিক্সড ডিপোজিটের মতো। রোহিত জানেন, যখনই দরকার পড়বে উইকেটের, তখনই পাশে পাবেন বুমরাহকে। তাই, হয়তো প্রতিটি ম্যাচের আগেই বলে দেওয়া যায়, বিপক্ষের বিরুদ্ধে তিনিই হবেন ভারতের প্রধান অস্ত্র। তবুও, কীভাবে যে তাঁর বোলিং আটকানো যায়, সেটা বিশ্বের কোনও ব্যাটারই হয়তো জানেন না। অন্যরকম অ্যাকশনের কারণে একটা এক্স ফ্যাক্টর তো আছেই, তার সঙ্গে আছে এত দক্ষতা। ফলে, বর্তমানের ক্রিকেট দুনিয়া যে তাঁর সাম্রাজ্য, তা বলতে দ্বিধা নেই।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নারী টেস্টে এত অনীহা কেন, লর্ডসের ইতিহাসও বদলাবে না সেই ছবি?

Women’s Test Cricket: লর্ডসে ভারতের নারী ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয় নারী টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বদলানোর সুযোগ এনে দিয়েছে? এত সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পরও কেন এই ফরম্যাটে নিয়মিত ম্যাচ নেই?

শিব-পরশুরামের যুদ্ধবিদ্যা কালারিপায়াট্টু থেকেই জন্ম কুংফুর!

Kalaripayattu Indian Martial Art: ভারতীয় পৌরাণিক ঐতিহ্যে কালারিপায়াট্টুকে স্রেফ যুদ্ধের কৌশল হিসেবে দেখা হয়নি, বরং এটিকে মানব শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রাণশক্তিকে জাগিয়ে তোলার এক মহান সাধনা বলে মনে করা হয়।

দু'হাজার বছর পুরনো ‘আত্য পাত্যা’: এই খেলাই শিখিয়েছিল যুদ্ধের কৌশল!

Atya Patya Traditional Indian Game: আনুমানিক ১০০ থেকে ৩০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত প্রাচীন তামিল সাঙ্গম সাহিত্য ‘নাটতৃণৈ’-তে এই খেলার প্রথম লিখিত প্রমাণ পাওয়া যায়। অতএব, এই খেলার বয়স প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি। সেখানে বলা আছে, প্রাচীন চোল রাজবংশের সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার আগে নিজেদের ক্ষিপ্রতা, দ্রুত দৌড়ানোর ক্ষমতা আর শরীরকে এক নিমেষে বাঁকানোর চপলতা বাড়াতে এই খেলায় মেতে উঠত।

১৬ বছর পর ফের ভারতের পথে ললিত মোদী

Lalit Modi return to India: দীর্ঘ সময় পর দিল্লির আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আর্থিক অনিয়মের বড় অভিযোগ ও জরিমানা বাতিল করে দেওয়ার পরেই এই আলোচনার সূত্রপাত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ললিত মোদী নিজেই স্পষ্ট করেছেন, সমস্ত বড়সড় আইনি জটিলতা কাটার পর ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৭-এর শুরুতেই ফের তিনি ভারতে পা রাখতে চলেছেন।

গোলের আড়ালে ঘৃণার খেলা: ২০২৬ বিশ্বকাপে ট্রাম্প, ফিফা আর ফুটবলের পরাজয়

Trump FIFA World Cup: এই বিশ্বকাপ শুধুই একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; মাঠের লড়াই ছাপিয়ে তা হয়ে উঠেছে ভূ-রাজনীতি, বর্ণবিদ্বেষ এবং বাণিজ্যিক আধিপত্যের এক জটিল ময়দান।

একটা রাজপুত্তুর যার মুকুট হারিয়ে গিয়েছে

Lionel Messi Retirement: তিনটে ফাইনালের বোঝা। একে একে ছেড়ে যায় সহযোদ্ধারা। রক্তাক্ত মাসচেরানো চলে যান, কুন আগুয়েরোর অসুখ... তবু লিও পড়ে থাকে, আমরা পড়ে থাকি আর কিছুদিন। বৃত্ত সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজন ছিল একজন স্ক্যালোনির, তিনি সেটুকু সেতু নির্মাণের দায়িত্ব নিলেন। আমরা অপেক্ষা করলাম লুসাইলে। আমরা তো কবেই হেরে গিয়েছিলাম, সৌদি আরব শুধু চিনিয়ে দিয়েছিল আশপাশটা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: যেভাবে ১৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় পরিণত হল ফুটবল

FIFA Revenue 2026: 'কুইন্টেট প্রাইভেট ব্যাংক'-এর সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের অনুঘটক হওয়ার চেয়ে বিশ্বকাপ আসলে একটি শক্তিশালী স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যিক উদ্দীপক হিসেবেই বেশি কাজ করে। ফিফা, সম্প্রচারকারী সংস্থা, স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড এবং আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ক্ষেত্রগুলি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করলেও, কোম্পানির শেয়ারের দামে সেই ইতিবাচক প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে রাখা বেশ কঠিন।

যখন ইউরোপে নারীরা গৃহবন্দি, তখন অসমে মেয়েরা খেলছিলেন ধোপখেল

Dhop Khel Assam: আহোম রাজাদের রাজপ্রাসাদ থেকে বিহুর মেঠো মাঠ—অসমের মাটিতে একসময় গমগম করত ধোপখেলের আওয়াজ। ফুটবল, কাবাডি আর দূরন্ত নিশানার এই অদ্ভুত রোমাঞ্চকর খেলাটি শুধু পুরুষদের বীরত্ব প্রমাণের লড়াই ছিল না; যখন ইউরোপে নারীদের জীবন ছিল চার দেওয়ালে বন্দি, তখন অসমে মেয়েরাও মাঠে নেমে মেতে উঠতেন ধোপখেলে।