রাত দখল শুধু শহুরে মেয়েদের? আজও ডাইনি সন্দেহে খুন হওয়া মহিলাদের কথা বলবে কে?

Reclaim The Night Woman Movement: মানুষরা কি বীরভূমের ডাইনি সন্দেহে হত্যা হওয়া দুই মহিলার জন্যও লড়বেন? নাকি আন্দোলন শহুরে হয়েই থেকে যাবে?

inscript
৪ মিনিট
রাত দখল শুধু শহুরে মেয়েদের? আজও ডাইনি সন্দেহে খুন হওয়া মহিলাদের কথা বলবে কে?

একদিকে চলছে মেয়েদের রাতদখল। হাজারে হাজারে মহিলা পথে নামছেন নিরাপত্তার দাবিতে। সারারাত জেগে বিচার চাইছেন। স্লোগানে মাতিয়ে দিচ্ছেন পশ্চিমবাংলার আকাশ। আর সেই আকাশেরই নীচে, এই বাংলাতেই প্রান্তিক এলাকাগুলিতে নির্বিচারে চলছে ডাইনি হত্যা! হ্যাঁ, এখনও, এই ২০২৪-এও। আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার টানা একমাস ধরে চলছে আন্দোলন। এই আন্দোলন শুধুই কলকাতায় আটকে নেই। শিলিগুড়ি থেকে শুরু করে আসানসোল, বীরভূম সর্বত্রই সাধারণ মানুষ পথে নেমেছেন। এই আন্দোলন যখন চলছে, বিচারের দাবিতে, নিরাপত্তার দাবিতে, ঠিক তখনই ডাইনি সন্দেহে দুই আদিবাসী মহিলাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানার হরিসরা গ্রামের আদিবাসী পাড়ায়। এই নির্যাতিতা, মৃতাদের হয়ে বিচার চাইবে কে?

আরজি করের আন্দোলন শুধু আর আরজি করে আটকে নেই। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা দুর্নীতি, প্রশাসনের গাফিলতি, সমস্ত ক্ষেত্রে মহিলাদের যৌন হেনস্থা ও বিচারের নামে প্রহসন নিয়েই তো কথা বলছেন সাধারণ মানুষরা। কিন্তু কোথাকার সাধারণ মানুষ? সেই মানুষরা কি বীরভূমের ডাইনি সন্দেহে হত্যা হওয়া দুই মহিলার জন্যও লড়বেন? নাকি আন্দোলন শহুরে হয়েই থেকে যাবে? বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে মারা যাওয়া ওই দুই আদিবাসী মহিলার নাম লোদগি কিস্কু এবং ডলি সোরেন। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে বিচার চেয়ে আন্দোলন করছেন যারা তারা কি লোদগি আর ডলির বিচারও চাইবেন না? ১৪ সেপ্টেম্বর রাত দখলের সময় যখন বর্ধমানের শক্তিগড়ে প্রিয়াঙ্কা হাঁসদা নামের যুবতী শৌচকর্ম করতে বেরিয়ে নিহত হয়ে যান তাঁর হয়ে বিচার চাইবে কে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মহিলাদের রাতের শিফটে কাজ নয়! কেন রাজ্যকে বিজ্ঞপ্তি মুছতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের?

Supreme Court RG Kar Hearing: রাজ্য বলেছিল, কোনও পরিস্থিতিতেই মহিলা চিকিৎসকদের ১২ ঘণ্টার বেশি কাজ করানো যাবে না।

বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের হরিসরা গ্রামের গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার রাতে ওই দুই মহিলাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাঁদের খুন করে দেহ নালায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, গ্রামের সেচ নালা থেকে দুই মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ, রাতে বাড়ি থেকে টেনে বার করা হয়েছিল দুই মহিলাকে, তারপর তাঁদের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে দেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয় নালার জলে। লোদগি কিস্কুর কন্যা রানি কিস্কু জানিয়েছেন, ডাইনি সন্দেহেই তাঁর মাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুক এই দাবি করেছেন তিনি, বলেছেন দোষীর কঠোরতম শাস্তি হোক। সত্যিই কি পুলিশ নিরাপত্তা দিতে পারবে বা দিতে চাইবে গ্রামীণ আদিবাসী পরিবারের কন্যাদের? প্রান্তিক অঞ্চলে আন্দোলন করবে কে?

গত শনিবারই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রবিবার আরও সাত জনকে ধরা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন মহিলারাও। পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকদিন আগে গ্রামেরই কয়েকজন ওই দুই মহিলাকে ডাইনি অপবাদ দেয়। তখনও তাঁদের মারধর করা হয়েছিল। পুলিশে না যাওয়ার জন্য শাসানোও হয়। তাহলে গ্রামের পরিসরে এই মহিলাদের নিরাপত্তা দেবে কে? কেই বা পথে নামবেন লোদগি, ডলি বা প্রিয়াঙ্কাদের হয়ে? তাহলে রাজ্যজুড়ে যে নিরাপত্তার দাবির স্লোগান উঠছে এই স্লোগানে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষদের ঠাঁই নেই? ঠাঁই কেবল, মাথায় ছাদওয়ালা কর্মক্ষেত্রের অন্দরে নিরাপত্তার দাবির? ইটভাটার মহিলা শ্রমিকদের বাঁচাবে কে? নিরাপত্তার স্লোগান কেবল মেট্রো, বাস, অ্যাপ ক্যাবে সওয়ার হওয়া মহিলাদের জন্য? দীর্ঘ অন্ধকার পথ হেঁটে টিউশন যাওয়া গ্রামীণ কিশোরীর নিরাপত্তা নিয়ে কে প্রশ্ন তুলবে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফুটপাতের মেয়েটির জন্যেও আমরা গলা ফাটাবো কবে?

RG Kar Protest: যে সব মেয়েরা ফুটপাতে থাকে, রাতের অন্ধকারে যাঁদের উপরে নেমে আসে ধর্ষণ, নির্যাতন, কুমারী শরীরে রাতারাতি গর্ভসঞ্চার হয়, তাঁদের হয়ে একটিও প্রশ্ন কি করেছি আমরা কোনওদিন সমাজকে?

আরজি কর কাণ্ডের প্রেক্ষিতে মেয়েদের রাত দখল সহ অন্যান্য কর্মসূচির পুরোভাগে রয়েছেন শতাব্দী দাস। তিনি অবশ্য বলছেন, “কোনও নারীবাদী আন্দোলন হলেই সেটাকে শহরকেন্দ্রিক বলে দাগিয়ে দেওয়ার প্রবৃত্তি মানুষের থাকে। শুধু কলকাতা শহরে ১৪ তারিখ তো মেয়েরা নামেনি। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করছেন প্রায় ১৫০ জায়গার মেয়েরা। তারা সকলেই শহরের নন। বীরভূম, মেদিনীপুর, বর্ধমানের বহু অংশের মেয়েরাই সেখানে আছেন। আন্দোলন ব্যাপক আকার নিয়েছে বলে মানুষের প্রত্যাশাও আকাশছোঁয়া হয়েছে। কিন্তু এটাও বুঝতে হবে যে আন্দোলনের বয়স সবে একমাস। এখনও বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চলছে। এটার দীর্ঘস্থায়ী ফল পেতে দীর্ঘ সময়ই লাগবে। লিঙ্গন্যায়ের উপর ভিত্তি করে শহরের সঙ্গে গ্রামের সমন্বয় সাধনের কাজটা শুরু হয়ে গিয়েছে।" সমাজকর্মী শতাব্দী জানাচ্ছেন, বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চল, যেখান থেকে এই ধরনের খবর উঠে আসছে সেখানে 'ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম' পাঠানোর চেষ্টাও করছেন তারা। ১৪ অগাস্ট রাত্রে শক্তিগড়ে যে আদিবাসী যুবতীর খুন হয়, সেই অঞ্চলে একটি দল গিয়েছিল। বীরভূমেও পাঠানো যায় কিনা তা তারা দেখছেন। তবে তাতে সময় তো লাগবেই।

তাহলে আরজি কর কাণ্ড নিয়ে মূল আন্দোলন কি এই মহিলাদের ব্যাতিরেকেই? শতাব্দী জানাচ্ছেন, সমস্ত নির্যাতিতার কথাই ধীরে ধীরে উঠে আসছে। রাতের সভা বা রাতের বৈঠক বলে একটি বিষয় তারা চালু করতে চলেছেন যা বিভিন্ন জেলায় হবে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে হবে, একেবারেই কলকাতা কেন্দ্রিক হবে না। "মেয়েদের সুরক্ষিত গণ পরিসর বা সুরক্ষিত কর্মজগতে কী কী চাই, সেই দাবিদাওয়া তো শহরে বসে আমরা ঠিক করতে পারি না। ধরা যাক, শক্তিগড়ের প্রিয়াঙ্কা হাঁসদা। তাঁর তো বাড়িতে শৌচালয় অবধি নেই। সেটা তো তাঁর মূল চাহিদা ছিল। এই চাহিদা তো আমি কলকাতায় বসে বলতে পারব না। ফলে সেই দাবি যাতে তাঁদের থেকেই উঠে আসে এই চেষ্টাই করছি আমরা," বলছেন শতাব্দী।

মেয়েদের রাত দখলের ডাক প্রথম দিয়েছিলেন রিমঝিম সিনহা। রিমঝিম বলছেন, "প্রথম থেকেই বহু গ্রাম-মফসসলের মহিলারা যোগাযোগ করেছেন এবং এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। এমন বহু মহিলার থেকে আমি ফোন পেয়েছি যারা বলেছেন রাত এগারোটার পর যাতায়াতের কিছু পাবেন না তাই তারা রাত ৯ টা থেকে ১১ টা পথে নামবেন। আমার মাকে যিনি অসুস্থতার কারণে দেখাশোনা করেন তিনিও জানান, তাঁর পাড়ার জমায়েতে যাচ্ছেন তিনি। আমরা এই মুহূর্তে প্রায় ১০০জন কো-অর্ডিনেটরের সঙ্গে কথা বলছি যারা বাঁকুড়া পুরুলিয়ার গ্রামের বাসিন্দা। সেখান থেকে তারা যে ধরনের দাবির কথা তুলে ধরছেন সেই দাবিও যাতে প্রকাশ্যে আনা যায় আমরা চেষ্টা করছি।" রিমঝিমের মতে, এই আন্দোলন আসলে প্রত্যেক পেশার সঙ্গে জড়িত মহিলাদের সুরক্ষার, স্বাধীনতার আন্দোলন। ডাক্তারি বা কর্পোরেট পেশার সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের কথাই কেবল এই আন্দোলনে বলা হচ্ছে না। শুরু শহুরে মহিলাদের দাবি নয় গৃহশ্রমিকদের কথাও বলা হবে, চা-বাগানের মহিলা শ্রমিকদের কথা, মহিলা শ্রমিকদের শৌচাগারের কথা তুলে আনবে এই আন্দোলন।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।