Hamas-Israel War: এই যুদ্ধে প্যালেস্টাইনের পক্ষে কারা?

Hamas-Israel War: আগ্রাসন কমিয়ে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটুক ইজরায়েল। সেদিকে তাকিয়েই বিশ্বের একগুচ্ছ দেশ সওয়াল করেছে শান্তির পক্ষেই।

Sohini Das
৫ মিনিট
Hamas-Israel War: এই যুদ্ধে প্যালেস্টাইনের পক্ষে কারা?

ইজরায়েলে অতর্কিতে হামাসের হামলা আর তার পরেই প্যালেস্টাইনের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে দিল ইজরায়েল সরকার। গাজায় এর পর থেকে একের পর এক হামলা চালিয়ে গিয়েছে নেতানিয়াহুর দেশ। ইজরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের উপর নেমেছে একের পর এক হামলা। দিন দুয়েক আগেই গাজার উত্তর অংশ থেকে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইজরায়েল সরকার। আর সে নির্দেশ অমান্য করার অর্থ সাক্ষাৎ মৃত্যু। কারণ হামাসদের অস্তিত্ব মুছে ফেলতে গোটা গাজা উত্তরকেই নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইছে নেতানিয়াহু সরকার। স্বাভাবিক ভাবেই প্রাণ হাতে করে বাসিন্দারা পালাচ্ছেন। নিজের দেশেই শরণার্থী হয়ে যাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। ইজরায়েল-প্যালেস্টাইনের এই বাড়তে থাকা সংঘাত স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। ইজরায়েলের সঙ্গে বেশিরভাগ বাহুবলী রাষ্ট্রেরই অন্য সমীকরণ, ফলে তাঁদের চটাতে রাজি নয় অনেকেই। এদিকে প্যালেস্টাইনিদের বঞ্চনার ইতিহাস অজানিত নয় কারওরই। ফলে তাঁদের প্রতিও সহানুভূতি রয়েছে বেশিরভাগ শুভবুদ্ধিসম্পন্ন দেশেরই। এই পরিস্থিতিতে গাজা-ইজরায়েল সংঘাত দুশ্চিন্তায় ফেলেছে বিশ্বরাজনীতিকে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র ইজরায়েলের পদক্ষেপের সরাসরি সমালোচনাও করেছে।

আগ্রাসন কমিয়ে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটুক ইজরায়েল। কারণ প্রতিশোধের এই খেলায় সবচেয়ে বেশি বলি হয়েছেন বরাবর সাধারণ মানুষ। সে আগে হোক কিংবা ২০২৩ সালের এই পরিস্থিতিতেও। হামাসের হামলাতেও ইজরায়েলের মৃত্যু হয়েছে যাঁদের, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই সাধারণ নাগরিক। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিও হয়েছে তাঁদেরই। হামাস জঙ্গিদের হাতে অপহৃত হয়েছে, গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছে যে শরীরগুলো, তাদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। গাজাতেও ছবিটা কিছু আলাদা নয়। ইজরায়েল আগ্রাসনের সবচেয়ে বড় বলি সেখানেও আম আদমীরা। যাঁদের রাজনীতির সঙ্গে, প্রতিশোধের রাষ্ট্রনীতির সঙ্গে দূরদূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। আর সেদিকে তাকিয়েই বিশ্বের একগুচ্ছ দেশ সওয়াল করেছে শান্তির পক্ষেই। কোন কোন দেশ রয়েছে সেই তালিকায়, আসুন দেখে নেওয়া যাক।

আলজেরিয়া

আন্তর্জাতিক মানবিকতা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে গাজায় ইজরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে সওয়াল করেছে আলজেরিয়া। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আলজিরিয়ার বিদেশ মন্ত্রক। প্যালেস্টাইনের সাধারণ মানুষের এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপেরও দাবিও জানিয়েছে তারা।

আফ্রিকান ইউনিয়ন

তালিকায় রয়েছে আফ্রিকান ইউনিয়নও। আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারপার্সন মুসা ফাকি মাহমত জানিয়েছেন, ভয়ঙ্কর এই যুদ্ধপরিস্থিতিতে লঙ্ঘিত হচ্ছে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের মৌলিক অধিকার। শুধু ইজরায়েলকেই নয়, একই হামাসদেরও উগ্রতা কমানোর জন্য অনুরোধ করেছে আফ্রিকান ইউনিয়ন। পাশাপাশি যা সমস্যা রয়েছে, আলোচনার টেবিলেই তার সমাধান খোঁজার পরামর্শ দিচ্ছে তারা। হামাসদের হাতে যে সব সাধারণ মানুষ পণবন্দি রয়েছেন, তাঁদের সসম্মানে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ারও দাবি তুলেছে আফ্রিকান ইউনিয়ন।

ব্রাজিল

ব্রাজিলও সওয়াল করেছে সেই শান্তির পক্ষেই। ব্রাজিলের বিদেশমন্ত্রী মাইকো লুইজ ইকার জানান, যে ভাবে ইজরায়েল উত্তরগাজার সমস্ত মানুষকে রাতারাতি ঘর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, তা কার্যত অভাবনীয়। দু-দেশেরই আগ্রাসন বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনিও। কারণ আখেরে এতে ক্ষতি হচ্ছে দু'দেশেরই একগুচ্ছ সাধারণ মানুষের।

কলম্বিয়া

আলোচনার টেবিলেই সমাধানসূত্র খুঁজুক ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইন। আর তার পক্ষেই সওয়াল করেছে কলম্বিয়াও। গাজার মানুষ যে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে রয়েছেন, তা ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো।

কিউবা

যুদ্ধশান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে কিউবাও। দু-দেশই যে ভাবে পরস্পরের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুবে নিয়েছে, তার নিন্দা করেছে দেশটি। পাশাপাশি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনিদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, সে দিকটাতেও আলো ফেলেছে কিউবা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কফিতে রক্তের দাগ! ইজরায়েল প্যালেস্তাইনের যুদ্ধে কেন স্টারবাকস বয়কটের ডাক?

Boycott Starbucks : স্টারবাকস সুচতুরভাবে নিজেকে এই শ্রমিক সংগঠন থেকে দূরে রেখে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।

ইন্দোনেশিয়া

এই সংকটময় পরিস্থিতিতে গাজার পাশে দাঁড়িয়েছে ইন্দোনেশিয়াও। তাদের মতে, এই যুদ্ধ দু-দেশকেই আরও বেশি মৃত্য়ু, আরও বেশি প্রাণহানির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার মতে, প্যালিস্টাইনিদের ভূমির উপরে ইজরায়েলের জবরদখলই এই অশান্তির উৎস।

ইরাক

গাজায় ইজরায়েলি হিংসার বিরোধিতা করেছে ইরাকও। ফিলিস্তিনিদের উপরে দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে যে নিগ্রহ চালিয়ে এসেছে ইজরায়েল, তার কড়া নিন্দা করেছে তারা।

ইরান

একই মত ইরানেরও। তাদের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র নাসের কানানিও পক্ষ নিয়েছে প্যালেস্টাইনেরই। তাঁর মতে, ফিলিস্তিনিদের এই প্রতিরোধ বা আক্রমণ ইজরায়েলের ধারাবাহিক উষ্কানির প্রতিক্রিয়া। ফলে এই যুদ্ধের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে দায়ী ইজরায়েলই।

আয়ারল্যান্ড

আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারদাকার নিন্দা করেছেন ইজরায়েলের। যে ভাবে প্যালেস্টাইনের একাধিক অংশে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও জল সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে ইজরায়েল, সেই পদক্ষেপের কড়া নিন্দা করেছে আয়ারল্যান্ড। সেই ব্যাপারটিকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন বলেও আখ্যা দিয়েছে তারা।

কুয়েত

ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়ে বিষয়টি নিয়ে কুয়েতও। ইজরায়েলের আগ্রাসন থেকে ফিলিস্তিনিদের বাঁচাতে আন্তর্জাতিক সমস্ত বড় শক্তিকে সংহত হওয়ার ডাক দিয়েছে তারা।

মরক্কো

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইজরায়েলের ডানপন্থী সরকার প্যালেস্তাইনের হামাস, দুইয়ের পতন চাই

Israel Palestine War 2023 : সন্ত্রাসবাদ আসলে তো ফ্যাসিবাদ এবং ছদ্ম-ধর্মীয় মৌলবাদের পছন্দের অস্ত্র। সন্ত্রাস চিরকালই জাতীয় মুক্তি ও বিপ্লবের শত্রু।

গাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মরক্কোও। অবিলম্বে হিংসা বন্ধ করে শান্তি ফেরানোর দাবি জানিয়েছে তারা। তার জন্য আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তারা দু-দেশকেই।

মালয়েশিয়া

গাজার উপর হিংসা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে মালয়েশিয়াও। যেভাবে দীর্ঘ বঞ্চনার শিকার হয়েছে ফিলিস্তিনিরা, তার নিন্দা করেছে তারা। আল-আকসা মসজিদকে অপবিত্র করার এই হিংসার মূলে বলে মনে করছে মালয়েশিয়া।

মলদ্বীপ

গাজায় যেভাবে প্রতিদিন বাড়ছে হিংসার ছবি, তার নিন্দা করেছে মলদ্বীপও। ফিলিস্তিনি মানুষের বর্তমান অবস্থান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।

নরওয়ে

প্রত্যক্ষ ভাবে না হলেও পরোক্ষ ভাবে আলোচনার টেবিলে বসার ডাক দিয়েছে নরওয়ে দু-দেশকেই। হামাসদের হামলার নিন্দা করে নরওয়ে জানিয়েছে, ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার অবশ্যই আছে। কিন্তু সেক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক আইন মানাটা দরকারি। তেমনটাই মনে করছেন নরওয়ের বিদেশমন্ত্রী অ্যানিকেন হুইটফেল্ট। পাাপাশি গাজায় যেভাবে পানীয়, খাদ্য, বিদ্যুৎসরবরাহ বন্ধ করেছে ইজরায়েল, তার নিন্দাও করেছেন তিনি। যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে গাজা, যে বিপুল সংখ্যক নিরপরাধ মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেখানে, তার নিন্দা করতেও ভোলেনি নরওয়ে।

ওমান

ফিলিস্তিনি ও ইজরায়েলিদের এই সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওমানের বিদেশমন্ত্রকও। এই পরিস্থিতি আটকাতে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। শুধু তা-ই নয়, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানও চেয়েছে তারা।

কাতার

ফিলিস্তিনি অধিকার লঙ্ঘনের যে ধারাবাহিক ইতিহাস, তার নিন্দা করেছে কাতারও। তারাও মনে করে, এই অশান্তির নেপথ্যে রয়েছে আল আকসা মন্দিরে অনুপ্রবেশের ঘটনা, যার জন্য দায়ী ইজরায়েল। এই পরিস্থিতিতে শান্তি ফেরাতে দু-পক্ষকেই নমনীয় হওয়ার দাবি করেছে কাতার। এই মুহূর্তে দু-দেশের রাষ্ট্রনেতারই সংযম প্রয়োজন বলে মনে করছে দেশটির বিদেশে মন্ত্রক।

রাশিয়া

এমনকী যুদ্ধবাজ রাশিয়া পর্যন্ত মনে করছে শক্তিপ্রদর্শনের মাধ্যমে দু-দেশের সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ফলে কূটনৈতিক পথেই সেই সমাধানসূত্র খুঁজে বের করতে হবে ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইনকে। পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের উপরেও জোর দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সিরিয়া

ইজরায়েলের এই দখলতদারী মনোভাবের নিন্দা করেছে সিরিয়াও। তাদের ভোট ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ দলগুলির পক্ষেই। ৭ অক্টোবরে ইজরায়েলে হামাস-হামলার প্রশংসাও করেছিল তারা।

দক্ষিণ আফ্রিকা

ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপচি সিরিল রামাফোসাও। একই সঙ্গে ইজরায়েলের পদক্ষেপকে স্বৈরাচারী শাসন হিসেবেও বর্ণনা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

ভেনিজুয়েলা

গাজা স্ট্রিপের পরিস্থিতি নিয়ে ভয়ঙ্কর রকমের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভেনিজুয়েলা সরকারও। যেভাবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড জুড়ে হিংসার ছায়া ফেলে চলেছে ইজরায়েল, তার নিন্দা করেছে দেশটি। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসঙ্ঘকে আন্তর্জাতিক গ্যারেন্টার হিসেবে নিজেদের ভূমিকা পালন করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে ভেনিজুয়েলা।

এই সমস্ত দেশগুলি প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়ালেও আমেরিকার মতো শক্তিশালী দেশের সমর্থন কিন্তু রয়েছে ইজরায়েলের পাশেই। এবার রাষ্ট্রপুঞ্জ দু-দেশের সংঘাত মেটাতে এগিয়ে আসে কিনা সেটাই দেখার। পাশাপাশি কোথায় গিয়ে আত্মসংবরণ করে পিছিয়ে আসে ইজরায়েল? আদৌ কি তা ঘটবে না ইজরায়েলের আগ্রাসনে মুখ থুবড়ে পড়বে প্যালেস্টাইনের সমস্ত প্রতিরোধ? সেটাই এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতিক মঞ্চের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার বিষয়।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।