লেবাননে ইজরায়েলের হামলায় মৃত অন্তত ৫৫০, ফিরে দেখা হিজবুল্লাহ-ইজরায়েল সংঘর্ষের ইতিহাস

Israel-Hezbollah Conflict: একটি ভিডিও বার্তায় লেবাননের বাসিন্দাদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু জানান, ইজরায়েলের যুদ্ধ হিজবুল্লাহের সঙ্গে, সাধারণ লেবাননবাসীর সঙ্গে নয়। হিজবুল্লাহ তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

Sohini Das
৪ মিনিট
লেবাননে ইজরায়েলের হামলায় মৃত অন্তত ৫৫০, ফিরে দেখা হিজবুল্লাহ-ইজরায়েল সংঘর্ষের ইতিহাস

আরও একটা যুদ্ধ লেগেই গেল শেষপর্যন্ত। গাজায় প্রায় এক বছর ধরে লাগাতার যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। এর মধ্যে হিজবুল্লাহের সঙ্গে ফের উস্কে উঠেছে সংঘাত, যার জেরে লেবাননে হামলার পর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। এখনও পর্যন্ত ইজরায়েলি হামলায় লেবাননে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০০ পেরিয়েছে ইতিমধ্যেই। তার মধ্যে অন্তত ৫০ জনই শিশু। রয়েছে অসংখ্য মহিলাও। যতদূর জানা গিয়েছে, হিজবুল্লাহের উপর চাপ বাড়াতে লেবাননের প্রায় আটশোটি জায়গায় ইতিমধ্যেই আকাশপথে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে হিজবুল্লাহও। তাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইজরায়েলের সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে দু'শোটিরও বেশি রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহেরা। ইজরায়েলের বায়ুসেনা ঘাঁটিকেও নিশানা করা হয়। যদিও সেই হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি ইজরায়েল।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ইজরায়েলে হামাসের হামলার পরেই গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে দেয় বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকার। সেই থেকেই ইজরায়েলের উপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরানপুষ্ট লেবাননের জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লাহ। অভিযোগ, হামাসকেও ভিতরে ভিতরে মদত দিয়ে চলে ইরানই। হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘাতের পর থেকেই ইজরায়েলকে কোণঠাসা করতে হান সেই থেকেই বিবাদ লেগেই রয়েছে ইজরায়েলের সঙ্গে হিজবুল্লাহের।

তবে এ বিবাদ মাত্র এক বছরের পুরনো, তা ভাবলে কিন্তু ভুল হবে। এর নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ ৪২ বছরের ইতিহাস। লেবানন ভিত্তিক শিয়া ইসলামপন্থী এই হিজবুল্লাহেরা লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময়ই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের দখল নেয়। ১৯৯২ সাল থেকেই দেশটির জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছে সংগঠনটি। আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা বা ইজরায়েলের মতো কয়েকটি দেশের জন্য সন্ত্রাসী সংগঠন হলেও বাকিদের জন্য কিন্তু হিজবুল্লাহ রাজনৈতিক দল এবং সশস্ত্র সংগঠন। ১৯৮২ সালে ইসরায়েল প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-কে উপড়ে ফেলার জন্য লেবানন আক্রমণ করে ইজরায়েল। দখল নিতে নিতে বেইরুট পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল তারা, সে সময় থেকেই হিজবুল্লাহের সঙ্গে বিবাদ শুরু। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে লেবাননে একাধিক বিদেশি বাহিনীর উপর হামলার দায় বর্তেছিল হিজবুল্লাহের উপরে। ১৯৮৩ সালে বেইরুটে ফরাসি এবং মার্কিন সামরিক ব্যারাকে বোমা ফেলার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। যাতে প্রায় ৩০০ জন শান্তিরক্ষী বাহিনী নিহত হয়। এরপর ক্রমশ শক্তিবৃদ্ধি করতে শুরু করে তারা। ১৯৮৫ সালে ইজরায়েলের দখলীকৃত দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদেরকে পিছু হঠতে বাধ্য করেছিল হিজবুল্লা বাহিনী।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধঘোষণা হিজবুল্লাহের, গাজার পরিণতি হতে চলেছে লেবাননেরও?

Israel-Hezbollah Conflict: এতদিন পর্যন্ত মেঘের আড়ালে ইন্দ্রজিৎ হয়েই ইজরায়েলের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল হিজবুল্লাহ। আর কোনও রাখঢাক নয়। ইজরায়েলের বিরুদ্ধে এবার খোলাখুলি যুদ্ধঘোষণা করে দিল লেবাননের এই জঙ্গিগোষ্ঠী।

তার পর তো ১৯৯২ সাল থেকে দেশের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া শুরু তাদের। সে বছর লেবাননে ১২৮ সদস্যের পার্লামেন্টে ৮টি আসন জিতেছিল তারা। এর মধ্যে ১৯৯৩ সালে উত্তর ইজরায়েলে হিজবুল্লাহের আক্রমণের প্রত্যাঘাত হিসেবে লেবাননে 'অপারেশন অ্যাকাউন্টেবিলিটি' শুরু করে ইজরায়েল। তাতে ১১৮ জন সাধারণ লেবাননবাসীর মৃত্যু হয়। ১৯৯৬ সালে 'অপারেশন গ্রেপস অব রাথ'-র মাধ্যমে ফের শুরু হয় দু'পক্ষের হিংসা। প্রায় দু'বছর দখলদারিত্বের পর ২০০০ সালের মে মাসে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছিল ইজরায়েল। আর তার নেপথ্যে ছিল এই হিজবুল্লাহই। ২০০৬ সালে দুই ইজরায়েলি সেনাকে বন্দি করা নিয়ে ফের যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ইজরায়েল ও হিজবুল্লাহের মধ্যে। প্রায় ৩৪ দিনের যুদ্ধে দু'পক্ষেরই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। অন্তত ১২০০ লেবাননবাসী ও ১৫৮ জন ইজরায়েলির মৃত্যু হয়েছিল সেই দ্বন্দ্বে।

কার্যত দিনে দিনে লেবাননের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি এবং হিজরায়েলের বিরুদ্ধে আরব-প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবেই উত্থান হতে থাকে হিজবুল্লাহের। লেবাননের সাধারণ মানুষের সমর্থন তাদের সে কাজে আর বেশি করে সাহায্য করেছিল। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল হিজবুল্লাহেরা। এরই মধ্যে ইরানের সমর্থন আরও খানিকটা শক্তি বাড়িয়ে দেয় তাদের। ২০২৩ সালে হামাস-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে নতুন করে ইজরায়েলের উপর হামলা বাড়াতে থাকে হিজবুল্লাহেরা। প্রায়শই হিজবুল্লাহের ছোড়া রকেট ছুটে আসত ইজরায়েলকে নিশানা করে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা সিস্টেম বেশিরভাগকেই মাঝপথেই প্রতিহত করে বলে দাবি করা হয় ইজরায়েলের তরফে। এই এক বছর ধরে ইজরায়েল-হিজবুল্লা সংঘাত নতুন মাত্রা নিয়েছে। যা চরমে পৌঁছয় গত সপ্তাহে লেবাননে পেজার হামলাকে কেন্দ্র করে। যার দায় ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ ও ইউনিট ৮২০০ -র উপরেই ঠেলেছিল হিজবুল্লাহ, এমনকী আমেরিকাও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিস্ফোরক লুকানো ছিল পেজারেই, লেবাননে বিধ্বংসী হামলার নেপথ্যে ‘ধুরন্ধর’ মোসাদ?

Pager Explosions in Lebanon: হিজবুল্লাহের তরফে স্বাভাবিক ভাবেই দাবি, এর নেপথ্যে রয়েছে মোসাদ। পৃথিবীর যত ক'টি দেশের কাছে গুপ্তচর সংস্থা রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ইজরায়েলের মোসাদ।

তার পরেই ইজরায়েলে তড়িঘড়ি হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। যার উত্তরে লেবাননে একের পর এক হামলা চালাতে থাকে ইজরায়েলের বাহিনী। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দেন, পৃথিবীর কোনও দেশই অকারণে তার দেশের শহরে অবাঞ্ছিত রকেট হামলা বরদাস্ত করবে না। ফলে করবে না ইজরায়েলও। তার পর থেকেই লেবাননকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়েই যাচ্ছে ইজরায়েল। সম্প্রতি ইজরায়েলের বিরুদ্ধেও যুদ্ধের কথা বলেছে হিজবুল্লাহ। ইজরায়েলের পদক্ষেপকে সরাসরি যুদ্ধ বলেই ব্যাখ্যা দিয়েছে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ।

সম্প্রতি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর তরফে লেবাননবাসীর বিরুদ্ধে বার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, তাঁরা যেন কোনও ভাবেই হিজবুল্লাহের মানবঢাল হয়ে ওঠার চেষ্টা না করেন। একটি ভিডিও বার্তায় লেবাননের বাসিন্দাদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু জানান, ইজরায়েলের যুদ্ধ হিজবুল্লাহের সঙ্গে, সাধারণ লেবাননবাসীর সঙ্গে নয়। হিজবুল্লাহ তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। তাদের বসার ঘর, গ্যারেজ মিসাইল রাখার জন্য ব্যবহার করছে জঙ্গিরা। যা ব্যবহার করা হচ্ছে ইজরায়েলের নাগরিকদের বিরুদ্ধে। সেই সব অস্ত্রশস্ত্র সরিয়ে ফেলতে হবে বলে জানান ইজরায়েলের প্রধাবমন্ত্রী। তিনি এ-ও জানিয়ে দেন, হিজবুল্লাহের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান শেষ হলেই আবার পুরনো জীবনে ফেরত আসতে পারবেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তেমনটা যে গাজায় গত এক বছরেও হয়নি, তা দেখেছে গোটা বিশ্ব। সেই গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। এখনও পর্যন্ত গাজায় মৃতের সংখ্যা ৪১ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। জখম এক লক্ষের কাছাকাছি। আর মাত্র এক সপ্তাহের লড়াইয়ে সাড়ে পাঁচশোরও বেশি লেবাননবাসীর মৃত্যু হয়েছে। জখম প্রায় আঠারোশো। হতাহতের মধ্যে অসংখ্য শিশু ও মহিলা রয়েছেন। হামাসের পরে কি এবার তবে হিজবুল্লাহকে খতম করার অভিযানে নামল ইজরায়েল? আর সেই লড়াইয়ে কি গাজার মতোই অবস্থান হতে চলেছে লেবাননের। দু-পক্ষের লড়াইয়ে উলুখাগড়ার মতো মরবেন শুধু তাঁরাই। গাজায় এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নিরাপদ বলে আর কিছুই নেই। গোটা শহরটাকেই আস্ত একটা গণকবরে পরিণত করেছে ইজরায়েল। এবার কি তেমন পরিণতির অপেক্ষায় দিন গুনছে লেবানন? কার্যত ২০০৬ সালের যুদ্ধের পরে সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত বলা যায় সাম্প্রতিক এই হিজবুল্লাহ-ইজরায়েল যুদ্ধকে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের ভূমিকা কী হতে চলেছে? আমেরিকাই বা কী ভূমিকা নেবে নতুন এই সংঘাতে? ইতিমধ্যেই দু'পক্ষকেই পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। আদৌ কোথায় পৌঁছতে চলেছে এই যুদ্ধ? উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?