ইজরায়েলকে আর অস্ত্র দেবে না আমেরিকা! বাঁচবে রাফাহ-র শিশুরা?

Rafah invasion: এবার ইজরায়েলকে সমস্ত ধরনের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করল মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

Sohini Das
৪ মিনিট
ইজরায়েলকে আর অস্ত্র দেবে না আমেরিকা! বাঁচবে রাফাহ-র শিশুরা?

পরিস্থিতি যাই হোক, ইজরায়েলের সঙ্গ ছাড়েনি কখনই আমেরিকা। তা হামাসের সঙ্গে যুদ্ধপরিস্থিতি হোক বা ইরানের সঙ্গে সংঘাত। সেই আমেরিকাই যেন একটু বেসুরো বাজছে। এবার ইজরায়েলকে সমস্ত ধরনের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করল মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

দীর্ঘদিন ধরেই গাজায় আগ্রাসন কমানোর জন্য ইজরায়েলকে অনুরোধ জানিয়ে আসছে আমেরিকা। যদিও হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের প্রথম পর্বে আমেরিকা ছিল ঘোরতর যুদ্ধের পক্ষেই। তবে পরবর্তীতে যুদ্ধ কমানোর পক্ষে রায় দেয় আমেরিকাও। এমনিতেই হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ সংক্রান্ত আদালতে কোণঠাসা ইজরায়েল। যে কোনও সময়ে ইজরায়েলের নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজায় যুদ্ধের প্রায় সাত মাস পেরিয়ে গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে ৩৪ হাজার। গোটা গাজাকেই এই সাত মাসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইজরায়েলি সেনা। বাকি ছিল শুধু গাজার রাফাহ শহর। সেই শহরটিকেও ধ্বংস করার কাজে ইতিমধ্যেই হাত লাগিয়েছে ইজরায়েল। রাফাহ শহরে ভয়াবহ ধ্বংসলীলা রুখতে আমেরিকার কাছে আবেদন জানিয়েছেন প্যালেস্টাইনের মাহমুদ আব্বাস। আমেরিকাও নানা ভাবে আবেদন-নিবেদন চালিয়ে গিয়েছে ইজরায়েলকে এই ভয়ঙ্কর ক্ষয়ক্ষতি থেকে সরে আসতে।

হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধটাকে গোড়া থেকেই পুরোদমে গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে দেখে এসেছে ইজরায়েল। তাই এত এত সাধারণ মানুষের মৃত্যু, শিশুদের শেষ হয়ে যাওয়া, কোনও কিছুকেই ধর্তব্যে ধরেনি তারা। এরই মধ্যে রাফাহ শহর পুরোপুরি শেষ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে দেয় ইজরায়েল। শুরু হয় রাফাহ থেকে গাজাবাসীকে সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া। গোটা গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য পালানোর জায়গা বলতে ওই রাফাহ শহরটুকুই বেঁচে ছিল। বাকি শহরটাকে ইতিমধ্যেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইজরায়েলি সেনা। ফলে গাজাবাসীর পালানোর জায়গা বলতে আর কোনও নিরাপদ জায়গা বেঁচে ছিল না গোটা গাজায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সত্যিই গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু? গ্রেফতারি পরোয়ানা বেরোলে কী হতে চলেছে ইজরায়েল-প্রেসিডেন্টের সঙ্গে?

Isreal Gaza Conflict: একদিকে প্যালেস্টাইনের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের আগ্রাসন, অন্য দিকে ইরানের সঙ্গে ক্রমাগত বেড়ে চলা সংঘাত। এরই মধ্যে নয়া সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

ক্রমে এক পা এক পা করে রাফাহ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। এদিকে দীর্ঘদিন ধরেই হামাসের সঙ্গে নানাবিধ আলোচনা চলেছে, যাতে গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইজরায়েল। মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় সেই কথাবার্তা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি হামাস সেই যুদ্ধবিরতির শর্তগুলি মেনে নিয়েছে। তবে তারপরেও যুদ্ধ তো থামেনি। বরং ইতিমধ্যেই শহরের দক্ষিণে পৌঁছেছে ইজরায়েলি ট্যাঙ্কগুলি। সীমান্ত সংলগ্ন রাফায় প্রায় প্রতিদিনই বোমাবর্ষণ করছে ইজরায়েলি সেনা। যদিও রাফাহতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় দশ লক্ষ মানুষকে গাজার দক্ষিণের দিকে খান ইউনিসের কাছে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে ইজরায়েলি সেনা। অর্থাৎ যুদ্ধবিরতির কথা বললেও রাফাহ ধ্বংসের সিদ্ধান্ত থেকে সরতে চাইছে না ইজরায়েল। হামাসকে নির্মূল করার জন্য নাকি সেটাই শেষ রাস্তা তাদের কাছে। এমনটাই দাবি ইজরায়েলি সেনার।

এই পরিস্থিতিতে কড়া হয়েছে আমেরিকা। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক একটি সংবাদমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইজরায়েলে মার্কিনি অস্ত্রের সরবরাহ বন্ধ রাখবে আমেরিকা। যা মোটেই ভালো ভাবে নেয়নি ইজরায়েল। কার্যত যুদ্ধবাজ ইজরায়েলের কাছে এ এক বড়সড় ধাক্কা। দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েলের ঘনিষ্ঠতম, শক্তিশালী ও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশ আমেরিকা। প্রায় সমস্ত সিদ্ধান্তেই এতদিন ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। এমনিতেই নেতানিয়াহু-সহ একাধিক ইজরায়েলি মন্ত্রী-পারিষদের বিরুদ্ধে যে কোনও সময় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতে পারে আন্তর্জাতিক আদালত। আর তা নিয়ে একটা ভয় রয়েইছে ইজরায়েলের ভিতরে। তার উপরে আমেরিকার হাত মাথা থেকে সরে যাওয়া। স্বাভাবিক ভাবেই চাপ বেড়েছে ইডরায়েল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হামাস হামলার দায়ে সরলেন ইজরায়েলের গোয়েন্দাপ্রধান, হারের ইঙ্গিত নাকি...

Iran-Israel Crisis: ফের ইজরায়েলে হামলা চালিয়ে বসল হিজবুল্লাহ। সোমবার রাতে ইজরায়েলের উত্তর দিক লক্ষ্য করে কাতিউশা রকেটের একটি ব্যারেজ নিক্ষেপ করে হিজবুল্লা। তাদের নিশানায় ছিল ইডরায়েলের একটি সেনা সদর দফতর।

বরাবরই নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ঠেকেছে ইজরায়েলকে। কিন্তু আমেরিকা পাশ থেকে সরে দাঁড়াতেই সেই আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরতে দেখা যাচ্ছে যেন। কিন্তু কেন? তবে কি আমেরিকার অস্ত্রশক্তিতেই এত বাড়বাড়ন্ত ইজরায়েল। গত কয়েক মাস ধরেই গাজার বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বিগ্ন আমেরিকা। গাজায় সব দিক থেকে মানবিক সহায়তা বাড়ানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই গাজাকে চাপ দিয়ে আসছে আমেরিকা। তবে সেই কথা কানে তোলেনি ইজরায়েল। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল সংঘাতে জড়ালে, ইরানের বদলে রাফাহর রফা করতে বাধ্য হয়েছিল আমেরিকা। তার পরেও রাফাহ ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত বারবার পুনর্বিবেচনা করার জন্য নেতানিয়াহুকে অনুরোধ করেছেন বাইডেন। কিন্তু সে কথায় কান দেয়নি ইজরায়েল। এখনও পর্যন্ত শহরের চারপাশে সীমিত অভিযান চালালেও কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেনি ইজরায়েল। এতদিন মুখে বললেও ইজরায়েলকে সব রকম ভাবে অস্ত্র সাহায্য় করে এসেছে আমেরিকা। এবার সেখানেই টান তৈরি করেছে বাইডেনের ঘোষণা।

আর তার পরেই ইজরায়েলের বেশ কয়েক জন নেতা-মন্ত্রী আক্রমণের সুর চড়া করেছে জো বাইডেনের বিরুদ্ধে। ইজরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির ব্যঙ্গ করে বলেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামাস জো বাইডেনকে ভালোবাসে। তাই তাঁর এমন সিদ্ধান্ত। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই দ্বিধাবিভক্ত ইজরায়েল। তবে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করলেও ইজরায়েলকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত জিনিসপত্র সরবরাহ বন্ধ করছে না আমেরিকা। বাইডেন জানান, আয়রন ডোমের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করবে তারা। তবে অস্ত্র এবং আর্টিলারি শেল সরবরাহ আপাতত ইজরায়েলে বন্ধ রাখবে আমেরিকা। বাইডেন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যেভাবে ইজরায়েলের প্রতিটি হামলা গাজার জনসংখ্যার জন্য ঝুঁকির কারঁ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাতে গভীর উদ্বেগে আমেরিকা। সেই জায়গাটা বাঁচাতেই তাঁর এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন বাইডেন।

বাইডেনের এই সিদ্ধান্তকে খুশিমনে মেনে নেননি বহু রিপাবলিকানই। সামনেই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বাইডেনের এই সিদ্ধান্ত আমেরিকার ভোটে সত্যিই কি কোনও প্রভাব ফেলতে চলেছে? এদিকে আমেরিকার অস্ত্র জোগান বন্ধ হওয়ার পরে কি টনক নড়বে ইজরায়েলের। সত্যিই কি নিজেদের অবস্থান থেকে সরবে নেতানিয়াহু সেনা? ইজরায়েলি আগ্রাসনের হাত থেকে বাঁচবে শহর রাফাহ? প্রশ্ন থেকেই যায়।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?