মন চলো নিজ নিকেতনে

গভীর নির্জনতায় আমি পুরুষও নই নারী ও নই। আমি তবে কি? আমি আত্মস্থিত একটি বিন্দু।

Arka Deb
৫ মিনিট
মন চলো নিজ নিকেতনে

একটি কবিতার বই হাতে এসেছে। শর্মিষ্ঠা মোহান্তির লেখা কাব্যগ্রন্থ। বইটির নাম: বুক ওয়ান। ক'দিন যাবৎ এই বইটি পড়ছি। বইটির প্রথম কবিতার নাম: Solitude. বাংলায় বললে-নির্জনতা। আমি বলব-আধ্যাত্মিক নির্জনতা। সজ্ঞানে সানন্দে সমাজবিচ্ছিন্ন একক হয়ে থাকার দার্শনিক অবস্থান। শর্মিষ্ঠা মোহান্তি লিখছেন,

"...They teach, they study,

they marry. I have done some of these things, not others

Why should I move? I feel little need to take my body and

myself out of this room, this house and out into

the world."

আমার স্বজনবন্ধুরা হাজার রকমের কাজ করে। নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়। পড়ে, পড়ায়, প্রেম করে, আরও কত কী করে, আমিও এসব জুতোয় পা গলিয়েছি কখনওসখনও। কিন্তু এখন, এই মুহূর্তে আমি আর এসবে জড়াতে চাইছি না। আমার শরীরটাকে, আমার মনটাকে আমি আমার ঘরের ভিতর থেকে বের করার প্রয়োজন অনুভব করতে পারছি না। শর্মিষ্ঠা মোহান্তির কবিতার এই মর্মার্থে ঘুরতে ঘুরতে চকিতে আমার মনে পড়ে রবীন্দ্রনাথের গান,

"দিনে মোর যা প্রয়োজন বেড়াই তারি খোঁজ করে,

মেটে বা নাই মেটে তা ভাবব না আর তার তরে"

কখন মন এমন একটা অবস্থানে পৌঁছয়? যখন সামাজিক সম্পর্কগুলি থেকে প্রত্যাশা ফুরোয়। যখন জীবনের চাওয়াগুলির বোঝা নামানোর আন্তরিক শক্তি আমরা পাই। যখন শক্তির সঙ্গে সমঝোতা করার তাগিদ আর থাকে না। এই গানটির পরের অংশ তো সবারই জানা,

সারাদিন অনেক ঘুরে দিনের শেষে

এসেছি সকল চাওয়ার বাহির-দেশে,

যে ঘরটির কথা শর্মিষ্ঠা মোহান্তি কবিতায় আনছেন তা সকল চাওয়ার বাহির দেশ। নিজের সঙ্গে সংলাপের সুব্যবস্থা। এখানে কিন্তু কোথাও একা হয়ে যাওয়ার ভয় নেই, একাকিত্বের যন্ত্রণা নেই, আছে 'একক' হওয়ার সচেতন সিদ্ধান্ত, এবং তার মধ্যে দিয়েই মুক্তির সংকল্প। এই ঘরটা কেমন দেখতে? শর্মিষ্ঠা cave ( গুহা), Cell (কুঠুরি)- এই শব্দগুলি ব্যবহার করেছেন। এই কুঠুরিতে কেমন কাটবে নিজের সঙ্গে নিজের দিন? শর্মিষ্ঠা লিখছেন-

"The evening comes, emptying out of me even the small

movements of heat and Harsh light. I seat alone. I lie alone.

There is only inside landscape. It has its own laws,

not that of the man made world, not even that of nature.

Perhaps I should not call it a landscape. it is more like

something that flies over and away from the dead earth of

circumstance and narrative of birth today."

এমন এক ঘর যেখানে বিকেলের পর আলো আর উত্তাপের ক্রমবদলটুকু নিয়েও মাথা ঘামাতে হয় না। এখানে একা বসার, একা শোয়ার অবকাশ আছে। প্রকৃতি আর মনুষ্যজীবনের নিয়ম এখানে খাটে না। জীবনমরণের সীমানা ছাড়িয়ে এই ঘর। আসলে আমরা সারাজীবন অন্যের মধ্যে নিজেকে সহস্র খণ্ডে বিলিয়ে দিই। কিন্তু তারপর সেই ভাঙা কাচ জুড়ে একক আমিটাকে খুঁজে পাওয়া হয় না। বাইরে তাকাই। অন্তর্গত যে আমি, যে এক, একক যে সমস্ত প্রথার বাইরে, তাকে খুঁজে পাই না। শর্মিষ্ঠার এই কবিতার ক্লান্তপ্রাণ দিনমানের সমস্ত বাজারসফর সেরে সেই একক আমিকেই খুঁজছে। খুঁজছে নিজের মুখোমুখি বসার অফুরান সময়। খুঁজছে মুক্তি। এই খোঁজেই সে ক্রমাগত ছোট হয়ে আসছে। অন্তর্গত হচ্ছে। নিজের অনেক টুকরোগুলি জুড়ে এক হওয়ার চেষ্টা করছে। আমার মনে রবীন্দ্রনাথের বহুশ্রুত গান অন্য মানে নিয়ে ধরা দেয় ফের।

"যাব না গো যাব না যে, রইনু পড়ে ঘরের মাঝে--

এই নিরালায় রব আপন কোণে।

যাব না এই মাতাল সমীরণে ॥

আমার এ ঘর বহু যতন ক'রে

ধুতে হবে মুছতে হবে মোরে।

আমারে যে জাগতে হবে, কী জানি সে আসবে কবে

যদি আমায় পড়ে তাহার মনে"

আমি নিজের ঘরটি ছেড়ে আর কোথাও যাব না। ধুয়ে মুছে সাফসুতরো করে রাখব এই ঘর। এই নিরালা পরিসর। যদি সে আসে? কে এই সে?। চোখ চলে যায় বইটির প্রচ্ছদে বা পুস্তানি পেরিয়ে ছেড়ে রাখা দুটো পাতায়। একই ছবি দু'জায়গায় ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু পাতায় ছবিটি আরও বেশি জায়গা পেয়ছে। ছবিটি আপাত ভাবে দেখে মনে হয় যেন একটা মেঝে। তার এক কোণে একটি অংশে লেখা গ্রন্থনাম (ছোট হরফে-book one)।

বুক ওয়ান বইটির পুস্তানির পরের দু'টি পাতাকে এভাবেই সাজানো হয়েছে।

দেখলে মনে হবে যে প্রশস্ত মেঝে তবু এক কোণে কেউ শুয়ে আছে, নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে। অপ্রকাশেই যেন তার প্রকাশ। হঠাৎ মাথায় আসে চৈতন্য গম্ভীরার কথা। সমুদ্র থেকে পুরীর মন্দিরের রাস্তায় যেতে রাস্তার ডান দিকে পড়বে। প্রশস্ত দালান। ঠিক এমনই ছককাটা মেঝে। কিন্তু চৈতন্য তার শেষ জীবনে পড়ে থাকতেন এই বিরাট দালানকোঠার এক কোণে। নিরালায়। একটি অতি ছোট প্রকোষ্ঠে। যে ঘরে কোনো জানলা নেই। এমনকী সূর্যালোকও প্রবেশ করে না। যে মানুষ একদিন নিজের মতপ্রতিষ্ঠায় লোকলস্কর জুটিয়ে নীলাম্বর বেশ পরে চোখে কাজল লাগিয়ে কীর্তনে বিভোর হয়ে কাজীর বাড়ি গিয়েছিলেন, সেই মানুষই এই গম্ভীরায় থাকাকালীন, শেষ দিনগুলিতে প্রায় কারও সঙ্গে কথা বলতেন না। দিনে একবার বেরোতেন স্নানের জন্যে। খেতেন অতি সামান্য। এভাবে থাকতে তাকে কেউ বাধ্য করেনি। স্বয়ং পুরীর মহারাজ তাঁর সাথে দেখা করতে আসতেন। তিনি নিরাসক্ত, একটিই ধ্যানে মগ্ন, সারাদিন বলছেন- হা কৃষ্ণ। অন্তর তার রাধা, কায়মনোবাক্যে সেই অন্তর খুঁজছে কৃষ্ণকে। তার আর কিছু প্রমাণের দায় নেই। কাউকে তর্কে হারানোর নেই। সামাজিকতা লোকলজ্জার ভয় নেই। অর্ধেক সময় পোশাক গায়ে থাকে না। তিনি শুধু নিজের অন্তরের ডাক শুনতে চান। এবং এ পথে ক্রমমুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে চান। তার ঘর এই ছোট প্রকোষ্ঠ। ঘরের ভিতর ঘর তার মন। সেদিকেই চেয়ে আছে তার বাহ্যশরীর। কবীর বলছেন-

"মোকো কাহা ঢুন্ডে রে বন্দে ম্যায় তো তেরে পাস রে"

যে সত্য আমার কাছে আছে তার দিকে তাকানোর সময় আমার নেই। আমি তাকে খুঁজছি বাজারে। একবার যদি অন্তরে তাকাতাম তবে দেখতে পেতাম সেই পদ্মজাকে। আজও, সত্যিই যদি তাকে পেতে চাই, আমাকে ফিরে আসতে হবে আমার ঘরে। লোকলজ্জা, সামাজিক নিয়মকানুনের বেড়াজাল ভেঙে, একান্ত আমির কাছে। শর্মিষ্ঠার গোটা কাব্যগ্রন্থটিতে এই আমি (I) ফিরে ফিরে আসে। আমি একই কবিতা ঘুরেফিরে পড়ি। বুঁদ হয়ে বসে থাকি ভাবনা-সংক্রমিত হয়ে।

শর্মিষ্ঠা মোহান্তির এই কাব্যগ্রন্থে একটি দু'লাইনের কবিতা আছে। নাম-Somewhere.কবিতাটি এই রকম-

Wherever I May be now only love and solitude remain.

they take on each others dimension.

শর্মিষ্ঠা মোহান্তির চোখে ভালোবাসা আর নির্জনতা একে অন্যের পরিপূরক। আমরা বাজারে ভিড়ের মধ্যে ভালোবাসা প্রদর্শন করতে পারি। কিন্তু ভালবাসতে কি পারি? ভালোবাসার যে গভীর অনুভব তাতে কি পৌঁছতে পারি? বোধহয় পারি না। সারা জীবন জনারণ্যে কৃষ্ণনাম প্রচার করে তাই প্রেমাস্পদকে চৈতন্য খুঁজছেন একটি অন্ধকার কুঠুরিতে। আবার রবীন্দ্রনাথের লেখায় ফিরতে হবে।

নিভৃত প্রাণের দেবতা যেখানে জাগেন একা,

ভক্ত, সেথায় খোলো দ্বার-- আজ লব তাঁর দেখা॥

সারাদিন শুধু বাহিরে ঘুরে ঘুরে কারে চাহি রে,

সন্ধ্যাবেলার আরতি হয় নি আমার শেখা॥

এই গানটি রবীন্দ্রনাথ লিখছেন ১৯১০ সালে। আর আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে গানটি লেখা ১৯১৪ সালে। অর্থাৎ চার বছর একটিই ভাবনা বীজ লালন করে চলেছেন রবীন্দ্রনাথ। বিচ্ছিন্ন হতে চাইছেন। মন সরিয়ে নিতে চাইছেন। নিজের মুখোমুখি হতে চাইছেন। লোকচক্ষুর অন্তরালে নিজের সঙ্গে সংলাপে জড়াবে সে কি পুরুষ না মহিলা? চৈতন্য কি পুরুষ না নারী? নির্জন, মগ্ন রবীন্দ্রনাথ পুরুষ না নারী? শর্মিষ্ঠা মোহান্তি লেখেন,

In my solitude I am neither man nor woman

গভীর নির্জনতায় আমি পুরুষও নই নারী ও নই। আমি তবে কি? আমি আত্মস্থিত একটি বিন্দু। আমি কেউ নই। আমি আমার স্রেফ চৈতন্য। আমি একটি নক্ষত্র। যা নিজেকে পুড়িয়ে ফেলে হারিয়ে যাবে। সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে। পড়ে থাকবে ওই বিরাট দালান। মহাসময়।

লিখেছেন
Arka Deb
Arka Deb
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যকে সুরক্ষিত করতে গেলে সবচেয়ে আগে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে সুসংহত করতে হবে: অভিজিৎ চৌধুরী

Abhijit Chowdhury Interview: তিনি বাঙালির ‘লিভারের ডাক্তারবাবু’ বলেই সমধিক পরিচিত। দীর্ঘদিন সরকারি ক্ষেত্রে কাজ করেছেন। অবসরের পরেও জড়িয়ে রয়েছেন চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে। সোনারপুরে গড়ে তুলেছেন ‘লিভার ফাউন্ডেশন’। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে মিলে তাঁর পরবর্তী স্টেশন ‘স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়’।

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।