কঙ্গনাকে যোগ্য জবাব! যে যে প্রশ্ন তুলে দিল কুলবিন্দরের সপাট চড়

Kangana Ranaut: আসলে কঙ্গনা রানাউত যে চড়টা খেলেন, সেটা আসলে একদিনের নয়। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ওই চড়।

suman sengupta
৪ মিনিট
কঙ্গনাকে যোগ্য জবাব! যে যে প্রশ্ন তুলে দিল কুলবিন্দরের সপাট চড়

বলিউড চিত্রতারকা কঙ্গনা রানাউত। এই মূহুর্তে বিজেপির হিমাচল প্রদেশের মান্ডি লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচিত সাংসদও তিনি। সেই কঙ্গনা চড় খেয়েছেন সিআইএসএফের মহিলা কর্মী কুলবিন্দর কৌরের কাছে। স্বাভাবিক ভাবেই এই নিয়ে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। আসলে কঙ্গনা রানাউত যে চড়টা খেলেন, সেটা আসলে একদিনের নয়। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ওই চড়। কী প্ররিপ্রেক্ষিতে এই থাপ্পড়টা খেলেন কঙ্গনা? কৃষক আন্দোলনের সময় বসে থাকা এক বৃদ্ধাকে নিয়ে একটি টুইট করেছিলেন অভিনেত্রী সেই ২০২০ সালে, যেখানে তিনি লিখেছিলেন একশো টাকার বিনিময়ে আন্দোলন করতে এসেছেন বৃদ্ধা।

এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিক বার বিজেপির পক্ষ নিয়ে নানান বিদ্বেষমূলক বক্তব্য করেছেন তিনি সাবেক টুইটারে। অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল, যে টুইটারের তৎকালীন মাথা জ্যাক ডরিস তাঁর অ্যাকাউন্টটিই টুইটার থেকে সাসপেন্ড করে দেন। বলা হয়েছিল, টুইটারে আর কোনওদিন তিনি ফিরতে পারবেন না। পরে অবশ্য টুইটারের মালিকানা বদল হয় এবং এলন মাস্ক টুইটার কিনে নেন। নাম থেকে শুরু করে বদলে যায় টুইটারের হুলিয়া। নয়া নিয়ম অনুযায়ী ঠিক হয়, যে কোনও ব্যক্তিকে আজীবন টুইটার তথা এক্স থেকে নির্বাসিত করা যাবে না। অতএব কঙ্গনা আবার ফিরে আসেন টুইটার তথা এক্স-এ। এবং ফের সেখানে তিনি তাঁর ঘৃণা-বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য রাখতে শুরু করেন। যথারীতি তার পুরষ্কার হিসেবে তাঁকে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি থেকে বিজেপির টিকিট দেওয়া হয়। তারপর সেখান থেকে তিনি জিতেও যান।

কুলবিন্দর কৌর পাঞ্জাবের কৃষক পরিবারের মেয়ে। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সে কাজ করেন। ফোর্সের সমস্ত অনুশাসন, শৃঙ্খলা সত্ত্বেও ধৈর্য্য হারালেন কুলবিন্দর। যার ফলস্বরূপ চড় খেতে হল কঙ্গনাকে। এবার থেকে যখনই কঙ্গনার নাম আসবে কুলবিন্দর কাউরের চড়ের কথাও আসবে। দুটি অস্তিত্ব জুড়ে গেল এখন থেকে। রেখা শর্মা, যিনি জাতীয় মহিলা কমিশনের মাথা সেদিন ওই মন্তব্যের জন্য কঙ্গনার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেছিলেন? না, তা করেননি। কিন্তু আজ খুব তৎপর হয়ে কড়া অ্যাকশন নেবার জন্য সিআইএসএফের হেডকোয়ার্টারে বলেও দিয়েছেন। কী আশ্চর্য না? নারী তো ওই কৃষক মহিলাও ছিলেন। তাঁদের জন্য রেখারা কিছু করেন না কখনো! এই রেখা শর্মা সন্দেশখালিতে চলে আসেন। নারী নির্যাতন, নারী ধর্ষণের অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে, কিন্তু তাঁদের একবারও মনে হয় না, মণিপুরে দু’জন মহিলাকে নগ্ন করে হাঁটানোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হয়। আর এই পার্থক্যের জন্যও দিনে দিনে অনেক অঢেল বারুদ জমা হতে থাকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যে চড় ভুলবেন না কোনওদিনও! কঙ্গনাকে থাপ্পড় মারা সিআইএসএফ কনস্টেবল আসলে কে?

Kangana Ranaut Slapped: ৩৫ বছর বয়সি এই মহিলা কনস্টেবল পঞ্জাবের সুলতানপুর লোধির বাসিন্দা। গত দুই বছর ধরে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে কর্মরত তিনি।

অবশ্য বারুদ যে জমে তা ওঁরা বিলক্ষণ জানেন। কঙ্গনা যেমন চড় খেয়ে এখন বলছেন, পাঞ্জাবে উগ্রপন্থা যে বাড়ছে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা দরকার। একটা চড় উগ্রপন্থা? তাহলে নিজের দলের মন্ত্রীর 'গোলি মারো শালো কো' কিংবা ধর্ণায় বসা কৃষকদের গাড়িতে পিষে দেওয়া, কিংবা রাস্তায় লোহার পেরেক লাগিয়ে দেওয়া, কিংবা যেখানে সেখানে সুযোগ পেলেই দাঙ্গা করিয়ে ভোট আর ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা, এমন শত শত বিষয়গুলো কী? এই বাংলার বিরোধী দলনেতা যখন একজন শিখ আইপিএসকে ‘খালিস্তানি’ বলে দাগিয়ে দিয়ে পার পেয়ে যান, তখন কঙ্গনাদের তো মনে হয় না, তার বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত। বারুদ যে জমে আছে, তা দেশের শাসকদলের বহু সাংসদ বোঝেন। সংসদে ঢুকে পড়া যুবকেরা মণিপুর নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়ে জানান দেন যে বারুদ জমে আছে। কুলবিন্দর কাউর বলেছেন, কঙ্গনা যখন ঐ মন্তব্য করেছিল তখন তাঁর মা বসেছিলেন ধর্ণায়। তাঁর মা-কে একশো টাকায় কিনে নেওয়ার কথা কেউ বলবে, আর তিনি শুনে নেবেন? এই ক্ষোভ এতদিন জমিয়ে রেখে রেখে এতোদিনে শোধ তুলেছেন। তা-ও খুন-জখম নয়, স্রেফ একটা চড়ে। আর হ্যাঁ, চড়টা কঙ্গনার গালে পড়েছে ঠিকই! বাজছে কিন্তু দিল্লির মসনদে, বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের গালে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভোটে জিতেও মিলল না ছাড়! মহিলা জওয়ানের হাতে সপাটে চড় খেলেন কঙ্গনা

Kangana Ranaut: দিনের আলোয় সকলের সামনে অপদস্থ হতে হল অভিনেত্রীকে। চন্ডীগড় বিমানবন্দরে সিআইএসএফের এক মহিলা কনস্টেবলের হাতে সপাটে চড় খেলেন কঙ্গনা।

লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরেই চারদিকটা কেমন যেন অন্য রকম লাগছে। ভারতবর্ষ একের পর এক চড় মেরেই চলেছে ওদের গালে! এ ভারতবর্ষ অনেক সহ্য করে তারপরে একদিন ফুঁসে ওঠে। সেই ফুঁসে ওঠা, অনেক সময়েই হয়তো আইন বা নিয়ম মেনে হয় না। হয়তো কুলবিন্দর কৌরকে এর জন্য অনেক মূল্য চোকাতে হবে, কিন্তু তাঁর মারা এই চড়টা তিনি একা মারেননি, তিনি অনেকের হয়ে মেরেছেন।

বেশিদিন আগের ঘটনা নয়, দিল্লি পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টারের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল দেশ জুড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, মনোজ কুমার টোমার নামাজ পড়াকালীন কিছু মুসলমান মানুষকে লাথি মেরে সরাচ্ছেন। তাঁর যুক্তি ছিল, তিনি রাস্তা ফাঁকা করছিলেন। বেশিরভাগ মানুষের সেদিনের যুক্তি ছিল, ঠিকই তো রাস্তা জুড়ে কেন নামাজ পড়া হবে? যাঁরা আজকে উর্দি পরে, একজন নির্বাচিত সাংসদকে চড় মারার বিরোধিতা করছেন, তাঁদের কতজন সেদিন ঐ লাথি মারার ঘটনার নিন্দা করেছিলেন?

গত দশ বছরে, যতজন মুসলমান মানুষকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, তার কোনটার নিন্দা তাঁরা করেছিলেন? করেননি, তাঁর কারণ, তাঁদের অন্তরে মুসলমান বিদ্বেষ আছে এবং আগেও ছিল। উল্টে মনের ভিতর থেকে উপভোগ করেছিলেন ওই পিটিয়ে মারা এবং নামাজিদের লাথি মারাকে। সেই বিদ্বেষকে কোনওদিনও দেশের শাসকদলের পক্ষ থেকে নিন্দা করা হয়নি বলেই আজ এই অবস্থা। দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই যখন নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মুসলমানদের ঘুসপেটিয়া বলেন এবং বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করেন, তখন সেই দেশে মনোজ কুমার টোমারদেরই বাড়বাড়ন্ত হয়। মনোজ কুমার টোমার কিংবা কুলবিন্দর কৌরের মধ্যে কিন্তু একটা মৌলিক তফাৎ আছে। কুলবিন্দর কৌর কিন্তু সমাজের মধ্যে বিদ্বেষ বাড়ানোর কাজ করেননি। উল্টে যাঁরা কৃষক আন্দোলনকে অপমান করে, যাঁরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ায়, তাঁদের উদ্দেশ্যে একটা বার্তা দিয়েছেন। ঠিক যেভাবে ভারতের নির্বাচক মণ্ডলী নরেন্দ্র মোদির দর্পচূর্ণ করার রায় দিয়েছে, ঠিক সেভাবেই কঙ্গনা রানাউতকে চড় মারার মধ্যে দিয়ে একটা বার্তা দিলেন কুলবিন্দর কৌর।

সমাজের সম্পূর্ণ সুবিধাভোগী মানুষদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা। যাঁরা ঘরে বসে কৃষকদের রক্ত ঘাম ঝরানো জিনিস খুব সহজে পেয়ে যান, তাঁদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা। হয়তো কুলবিন্দর কৌর শাস্তিও পাবেন, কিন্তু চড়টা মেরে তিনি প্রমাণ করলেন, দেশটা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। এখনও কিছু আশা বাকি রয়ে গিয়েছে কোথাও।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।