মোদি বিরোধিতাই পথ! বিরাট সিদ্ধান্ত নিল ‘ইন্ডিয়া’ জোট

INDIA BLOC: তবে শেষপর্যন্ত সরকার গড়ার পথে যাবে না জোট ইন্ডিয়া, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে খাড়্গের বক্তব্য থেকে। বরং বিজেপি সরকারের নীতি, নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে বিরোধিতার পথেই থাকতে চায় তাঁরা।

Sohini Das
৪ মিনিট
মোদি বিরোধিতাই পথ! বিরাট সিদ্ধান্ত নিল ‘ইন্ডিয়া’ জোট

লোকসভা ভোট শেষ। ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে ফলপ্রকাশও। প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফল করলেও বিজেপিকে টপকে যেতে পারেনি জোট ইন্ডিয়া। কার্যত এনডিএ জোটের থেকে ৬০টি আসনে পিছিয়ে রয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট। এই লোকসভা ভোটে বিজেপি-বিরোধী এই জোট পেয়েছে ২৩২টি আসন। যেখানে একাই ২৪০টি আসন পেয়েছে বিজেপি। শরিক দলগুলিকে মিলিয়ে জোট এনডিএ পেয়েছে মোট ২৯২টি আসন। ফলে একরকম ভাবে সরকার যে গড়ছেই মোদিবাহিনী, তা পরিষ্কার। তবু তার মধ্যেই কোথাও একটু হলেও আশা রয়ে গিয়েছে জোট ইন্ডিয়ার জন্য। ভোটের ফলপ্রকাশের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই সম্ভাবনার কথাই উস্কে দিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। বুধবার জোটের বৈঠকেই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তবে সত্যিই কি তেমন আশাপ্রদ কিছু ঘটল ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে?

একদিক থেকে দেখতে গেলে মোদির তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসা একরকম ঠিক। ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগও দিয়ে এসেছেন নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি মোদিকে অনুরোধ করেছেন, আগামী কয়েকদিন দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর জন্য। আগামী শনিবার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন মোদি। তবে তার আগেই কি বদলে যেতে পারে পাশা? উল্টে পাল্টে যেতে পারে ক্ষমতার সমীকরণ? অন্তত সেই আশা নিয়ে বুধবারই ফের বৈঠকে বসেছে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। বোঝাই যাচ্ছে, খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময় এটা? ভোট কম হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতায় বসতে গেলে ইন্ডিয়া জোটের চাই সংখ্যা গরিষ্ঠতা। তার জন্য জোট তাকিয়ে রয়েছে বিহারে নীতীশ কুমারের জেডিইউ ও অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডু সরকারের দিকে। চোখ রয়েছে ওড়িশার নবীন পট্টনায়েকের দিকেও। বিহারে ১২টি আসন জিতেছে নীতিশের জনতা দল ইউনাইটেড, অন্যদিকে অন্ধ্রপ্রদেশে ১৬টি আসন রয়েছে তেলেগু দেশম পার্টির দখলে। ফলে এনডিএ থেকে গোটা চল্লিশ-পঞ্চাশেক সাংসদকে জোগার করতে পারলেই ইন্ডিয়া জোট চলে আসতে পারে সংখ্যাগরিষ্ঠতায়।

কিন্তু সেই অঙ্ক যে সহজ হবে না জোট ইন্ডিয়ার জন্য, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল আগেই। কারণ এনডিএ-র শরিকেরা সর্বসম্মত ভাবে নরেন্দ্র মোদিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনেছেন। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে এনডিএ শরিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছে বিজেপি। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে নাইডু এবং নীতীশকে কার্যত বগলদাবা করে রেখেছে গেরুয়া শিবির। এনডিএ-র একটি সূত্রে খবর, সরকার গঠনে নীতীশ এবং চন্দ্রবাবু দু’জনেই লিখিত ভাবে সমর্থন দিয়েছেন বিজেপিকে। এনডিএ বৈঠকে সরকার গঠন নিয়ে মোদীকে নীতীশ বলেন, ‘‘তাড়াতাড়ি করুন! সরকার গঠনে দেরি করবেন না।’’ শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনাই কি সত্যি হল তাহলে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদিই প্রধানমন্ত্রী হবেন? নাকি, শেষ মুহূর্তে মোক্ষম চাল দেবেন নীতীশ-নাইডু?

Nitish Kumar & Chandrababu Naidu: নীতীশ কতবার বিজেপিতে এসেছেন আর গিয়েছেন তার হিসেব মনে হয় নীতীশ নিজেও রাখা ছেড়ে দিয়েছেন।

INDIA गठबंधन के नेताओं ने देश में जारी राजनीतिक हालातों पर चर्चा की।

हमारी बैठक में कई सारे सुझाव आए और आखिर में जो निष्कर्ष आया, उसके बारे में आपको बताना चाहता हूं:

The constituents of the INDIA Bloc thank the people of India for the overwhelming support received by our…

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আসন ভাগ করতে চাননি রাজ্যে, এবার কি ইন্ডিয়া জোটের মাথা হতে চাইবেন মমতা?

Mamata Banerjee Lok Sabha Election 2024: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের যোদ্ধা, বহরমপুরের 'রবিনহুড' অধীর নাকি আসলে কংগ্রেসই নন, তিনি একজন বিজেপি।

— Congress (@INCIndia)

এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক বসেছিল দিল্লিতে মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে। বৈঠকে ছিলেন ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিন, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, আপ নেতা সঞ্জয় সিং, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, বামনেতা সীতারাম ইয়েচুরি, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন-সহ বহু শরিক নেতাই। সেই বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার প্রতিনিধি হিসেবে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা নিয়ে মুখ না খুলে তিনি জানান, আসলে কিংমেকার জনতা। লোকসভা ভোটে বাংলা কার্যত কেঁপেছে সবুজ ঝড়ে। তৃণমূলের ২৯টি আসনের মুখে বিজেপি ঝুলিতে পুরতে পেরেছে মাত্র ১২টি ভোট। ভোটপূর্ব সময়ে বহু বিষয়েই ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে মতানৈক্যে আসতে পারেননি মমতা। এমনকী গোল বেঁধেছিল আসন সমঝোতা নিয়েও। তবে ভোটের ফলপ্রকাশের পরে মমতার কথাবার্তা শুনে অনেকেই মনে করেছে, এই পরিস্থিতিতে জোটের সঙ্গেই থাকতে চান তৃণমূলনেত্রীও। তাই এতদিন জোটের বৈঠকে আমন্ত্রণ এড়ালেও এবার প্রতিনিধি পাঠাতে ভুল করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। শোনা গিয়েছিল, সাংসদ জোগারের ব্যাপারে জোট ইন্ডিয়া নাকি ভরসা রেখেছিল প্রবীণ এনসিপি নেতা শরদ পওয়ারের উপরেই। বিভিন্ন শরিক দলের সঙ্গে ফোনাফুনি থেকে যোগাযোগের কাজে বড় ভূমিকা নিয়েছেন তিনিই।

এ দিনের বৈঠকও বসেছিল কংগ্রেস সভাপতি তথা জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতেই। এদিন বৈঠকে জয়ের জন্য তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবকে উঠে দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানান বাকি শরিক নেতারা। এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে মুখোমুখি হয়ে খাড়্গে জানান, জনগণের ইচ্ছাকে আসলে নস্যাৎ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মোদি। সব ঠিক থাকলে সরকার গঠনের ব্যপারে নীতীশ কুমার ও চন্দ্রশেখর নাইডুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল আজকের বৈঠকে। যদিও সাংবাদিক বৈঠকে সরাসরি সে প্রসঙ্গ এড়িয়ে খাড়্গে ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান, বিজেপির ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য। তবে শেষপর্যন্ত সরকার গড়ার পথে যাবে না জোট ইন্ডিয়া, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে খাড়্গের বক্তব্য থেকে। বরং বিজেপি সরকারের নীতি, নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে বিরোধিতার পথেই থাকতে চায় তাঁরা। তেমনটাই ইন্ডিয়া জোটের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত বলে জানান খাড়্গে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, এমন তীরের কাছাকাছি পৌঁছে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল জোট ইন্ডিয়া? নীতিশ বা নাইডু যেভাবে মোদিকে সমর্থন জানিয়েছেন, তাতে তাদের ইন্ডিয়ামুখী করা কঠিন হবে বলেই কি মনে করছে এই বিজেপি বিরোধী জোট? ভারতের রাজনীতিতে পল্টুরাম হিসেবে খ্যাত নীতীশকে কেন কাছে টানতে পারল না কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট। একদিক থেকে দেখতে গেলে নীতিগত দিক থেকে বিজেপির সঙ্গে যথেষ্ট দূরত্ব রয়েছে নাইডুর। সেই পার্থক্যকে উস্কে তুলে কি মসনদে বসার পাকাপোক্ত রাস্তা করতে পারত না জোট ইন্ডিয়া! নাকি সেই অবস্থাটা তৈরি করার জায়গাতেই পৌঁছতে পারল না তাঁরা। ফলে খোলা রইল হাতে শুধু বিরোধিতার পথই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।