সারা কলকাতা জানে 'থিঙ্ক চাইনিজ, থিঙ্ক চাওম‍্যান', যেভাবে শুরু হল চাওম্যানের যাত্রা!

Chowman Kolkata: 'চাওম‍্যান' ও 'আউধ ১৫৯০'-এর কান্ডারি দেবাদিত‍্য চৌধুরী এই মুহূর্তে শহরের অন‍্যতম বড় হোটেলিয়ার।

inscript
৫ মিনিট
সারা কলকাতা জানে 'থিঙ্ক চাইনিজ, থিঙ্ক চাওম‍্যান', যেভাবে শুরু হল চাওম্যানের যাত্রা!

গানেও আছেন, খাবারেও। লক্ষ্মী তাঁকে ঘিরে থাকে, কিন্তু 'লক্ষ্মীছাড়া'-কে ছাড়েননি আজও। 'চাওম‍্যান' ও 'আউধ ১৫৯০'-এর কান্ডারি দেবাদিত‍্য চৌধুরী এই মুহূর্তে শহরের অন‍্যতম বড় হোটেলিয়ার। ব‍্যস্ততার ফাঁকে ধরা দিলেন ইনস্ক্রিপ্ট-এর সঙ্গে একান্ত কথোপকথনে।

'চাওম‍্যান'-এর জার্নি শুরু হয়েছিল কীভাবে?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: 'চাওম‍্যান'-এর জার্নি শুরুর কথা বলতে গেলে আমার ব‍্যক্তিগত জার্নির কথাটা বলতে হয় আগে। আমি 'লক্ষ্মীছাড়া' নামে একটি জনপ্রিয় বাংলা রক ব‍্যান্ডের সদ‍স‍্য ছিলাম। শো করার জন্য সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়াতাম, এবং যেখানেই যেতাম, সেখানকার স্থানীয় রেস্তোরাঁয় ঢুঁ মারতাম। কোনও ফাইভ স্টার হোটেল নয়, ছোটখাটো রেস্তোরাঁ। সেই অভিজ্ঞতাগুলো ফিরে এসে বন্ধুদের বলতাম। এর মাঝেই একটি নামী এফএম চ‍্যানেল একটি অনুষ্ঠান করতে বলল আমাকে। অনুষ্ঠানটার নাম ছিল, 'খেতে খেতে চলো দেবাদিত‍্যর সাথে'। কলকাতার নানা জানা-অজানা রেস্তোরাঁর কথা সেখানে উঠে এসেছিল। তারপর কিছু টাকা জমিয়ে প্রথমে গলফ ক্লাব রোডে ছোট পরিসরে চালু হল 'চাওম‍্যান'। কলকাতায় এত চাইনিজ রেস্টুরেন্ট, আমি আবার নতুন করে একটা রেস্তোরাঁ খুলব কেন? আসলে এক্ষেত্রে আমার কনসেপ্টটা একটু আলাদা ছিল। আমি আলফ্রেড ফোর্ডের খুব ভক্ত, উনি অটোমোবাইলের ধারণাটির সাধারণীকরণ করতে চেয়েছিলেন। তিন লাখ থেকে তিন কোটি, সবরকমের গাড়ি রাখতে চেয়েছিলেন সাধারণ মানুষের জন্য। আমিও ঠিক করলাম ফাইন ডাইনিং সকলের কাছে পৌঁছে দেব। ফাইন ডাইনিং সকলের কাছে অ্যাফর্ডেবল নয়, প্রথমত। দ্বিতীয়ত, এটিকেট, ম‍্যানারস ইত‍্যাদির কথা ভেবে অনেকেই ফাইন ডাইনিংয়ে যেতে চান না। সেই কারণে আমি গলিতে গলিতে 'চাওম‍্যান' করলাম, যাতে ফাইন ডাইনি‌ংয়ের সঙ্গে মানুষের দূরত্ব ঘুচে যায়।

একটা প্রজন্মের স্মৃতিতে আপনি 'লক্ষ্মীছাড়া'-র সদ‍স‍্য হিসেবেই বেশি পরিচিত। আবার এখন 'চাওম‍্যান'-ই আপনার পরিচিতি। সংগীত এবং খাওয়াদাওয়া, এই দুইয়ের মধ্যে যোগাযোগ আছে আপনার যাপনে?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: অবশ্যই। দুটোই সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে যুক্ত। আর 'চাওম‍্যান'-এর ডেকর, মেনু- ইত‍্যাদির ভাবনার মধ্যেও কিন্তু সৃজনশীলতা আছে। কীভাবে নতুন খাবারের সঙ্গে মানুষের পরিচয় করানো যায়, সেটাও তো সৃজনশীল ভাবনা। তবে 'চাওম‍্যান' অত‍্যন্ত সফল এন্টারপ্রাইজ এখন নিঃসন্দেহে, এবং সেই সূত্রে আমিও অনেক পুরস্কার পাই, স্বীকৃতি পাই; কিন্তু 'লক্ষ্মীছাড়া'-র ফাউন্ডার মেম্বার হিসেবে আমার পরিচিতিটাকে আমি অবহেলা তো করিই না, বরং সেটাকেই অগ্রাধিকার দিই। এখনও কনসার্টে যাই 'লক্ষ্মীছাড়া'-র।

কলকাতায় অনেক মাল্টিকুইজিন রেস্তোরাঁ আছে, যেখানে চাইনিজ পাওয়া যায়। এছাড়া টেরিটিবাজার, চায়নাটাউন, মেনল‍্যান্ড চায়নার মতো খুব খাঁটি চাইনিজের ঠিকানাও রয়েছে। 'চাওম‍্যান'-এর চাইনিজকে আলাদা করার, অভিনব করার কোনও ভাবনা আপনার ছিল?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: হ্যাঁ। সেটা অবশ্যই ছিল। পাঁচতারা রেস্তোরাঁর খাবার একতারার দামে, এটাই আমাদের ব‍্যবসার মূল লক্ষ্য ছিল। আম‍রা ফাইন ডাইনিংয়ের ক্ষেত্রেও কোনও কার্পণ্য রাখিনি। কাজেই কেবল খাবার নয়, 'চাওম‍্যান' একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা। আমাদের জলের বোতলটাও নিজস্ব।

এই সুইগি-জোমাটোর যুগে আপনাদের ডেলিভারি সিস্টেমও তো নিজস্ব...

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: হ্যাঁ। ২০১০-এ যখন শুরু করি, তখন থেকেই আমরা নিজস্ব হোম ডেলিভারির ব‍্যবস্থা রেখেছি, কলকাতার যে কোনও চাইনিজ ফুড চেনের থেকে আমাদের এই হোম ডেলিভারির চাহিদা বেশি। সুইগি-জোমাটোতেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় আমাদের খাবারই। আমরা চপস্টিক দিই, আমাদের প‍্যাকেজিং অভিনব। বাড়িতে বসেও যাতে ফাইন ডাইনিং অ্যাভেল করা যায়, তার ব‍্যবস্থা আমরা রাখি।

এই মুহূর্তে 'চাওম‍্যান'-কে কি শুধু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট বলবেন, না কি এসিয়ান রেস্তোরাঁও বলবেন?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: এমনিতে আমরা বলি, 'থিঙ্ক চাইনিজ, থিঙ্ক চাওম‍্যান'। যাতে চাইনিজ বলতেই 'চাওম‍্যান'-এর কথা মনে হয়। কিন্তু বিশ্বায়নের পর বহু মানুষ দক্ষিণ এশিয়ার নানা জায়গায় যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, সেখানকার খাবারের স্বাদ পাচ্ছেন, কলকাতায় সেই খাবারের সন্ধান পেতে চাইছেন। আমরা তাদের কথা মাথায় রেখে একটা থাই সেকশন রেখেছি। র‍্যামেন, থাই বওল, বার্মিজ খাউসুয়ে- বিভিন্ন দেশের একটি করে সিগনেচার ডিশ আমরা মেনুতে রেখেছি। কিন্তু মূলত আমরা চাইনিজ।

কলকাতার মতো জায়গায় একটা এই ধরনের চাইনিজ ফুড চেন চালানোর চ‍্যালেঞ্জ কতটা?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: চ‍্যালেঞ্জ তো প্রথম দিন থেকেই ছিল। এমনিতেই বাঙালি ব‍্যবসা করতে পারে না, এই একটা মিথ আছে, সেই মিথটাও আমি ভাঙতে চেয়েছিলাম। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে নামী রেস্তোরাঁর মধ্যে একটা 'চাওম‍্যান'। এছাড়াও আমরা রাজ‍্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে বেঙ্গালুরু, দিল্লিতে পৌঁছে গেছি, শিগগিরই মুম্বই, পুনে, হায়দরাবাদে ব্রাঞ্চ খুলতে চলেছি আমরা। এই মুহূর্তে ম‍্যানপাওয়ার একটা বড় চ‍্যালেঞ্জ। কারণ প্রতি বছর আমাদের ছ'টা থেকে আটটা আউটলেট খুলছে, সেখানে আমাদের প্রবল ম‍্যানপাওয়ার প্রয়োজন, যেটা পাওয়া কঠিন হয়ে উঠছে দিনে দিনে। সেই চ‍্যালেঞ্জটারও সম্মুখীন হয়েছি আমরা আমাদের মতো করে।

আমরা শুনেছি, 'চাওম‍্যান'-এর বহু ইনগ্রেডিয়েন্টস বাইরে থেকে আসে। আপনি নিজে গিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করে আনেন...

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: প্রথম যখন 'চাওম‍্যান' শুরু হয়েছিল, তখন খাবারে ভিন্ন স্বাদ আনার জন্য সসগুলো আমরা ইমপোর্ট করিয়েছি। চিন থেকে থাইল্যান্ডে আসত, সেখান থেকে আমি নিজেই যেতাম সেগুলো সংগ্রহ করতে। কিন্তু আস্তে আস্তে যখন ব‍্যবসার পরিসর বাড়ল, তখন থেকে আর আমি নিজে যেতে পারি না। কিন্তু থাইল্যান্ড থেকেই এখনও সস আমদানি হয়, প্রায় প্রতি সপ্তাহে কার্টন কার্টন সস আসে।

এর পিছনে তো রীতিমতো রিসার্চও আছে। কোন খাবারে কোন সস লাগে...

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: প্রচণ্ড। আমি সবাইকেই বলি, এটা আমার কাছে কোনও ব‍্যবসা নয়, এটা আমার প‍্যাশন। প‍্যাশনের জন্য তো খাবারটা নিজের ভালো লাগতে হবে আগে। নিজের না ভালো লাগলে সেটা বিক্রি করব কী করে?

'আউধ ১৫৯০'-এর ভাবনা কি 'চাওম‍্যান'-এর সাফল‍্যের পর এসেছে, না কি তা আগে থেকেই ছিল?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: 'চাওম‍্যান' আমার সম্পূর্ণ নিজস্ব। আমার দাদা, যার সঙ্গে আমি বড় হয়েছি। 'চাওম‍্যান' কিছু দূর এগোনোর পর আমি আর দাদা ঠিক করলাম, একসঙ্গে কিছু করব‌। কলকাতায় বিরিয়ানির দোকান ছিল হয় খুব দামি, নয়তো ততটা পরিবারের যাওয়ার জন্য নয়। এর মাঝামাঝি কিছু ছিল না। এই মাঝের ব্র‍্যাকেটটাতে 'আউধ'-কে নিয়ে এলাম। লখনউতে থেকে, রিসার্চ করে এটার পরিকল্পনা করলাম। বিরিয়ানির একটা অন্য ধারণা তৈরি হলো, কলকাতায় আওয়াধি হান্ডি বিরিয়ানি বা গালৌটি কাবাবকে নতুন করে জনপ্রিয় করল 'আউধ'।

দুটোই খাঁটি কুইজিনের জায়গা, একটা মোগলাই, একটা চাইনিজ...

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: ওই যে বললাম, আমার নিজের যা পছন্দ হবে না, সেই খাবার বিক্রি করব না। আরেকটা জিনিস লক্ষ করবেন, এই দু'জায়গাতেই খাবার খেয়ে কারও শরীর খারাপ করবে না। কারণ খাঁটি উপকরণ দিয়েই এগুলো বানানো।

কলকাতার বাইরে 'চাওম‍্যান'-এ কারা খেতে আসেন? মূলত বাঙালিরাই?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: প্রাথমিকভাবে বাঙালিরাই, কিন্তু স্থানীয় মানুষও উপচে পড়ছেন 'চাওম‍্যান'-এ এখন।

সামনে বড়দিন। উৎসবের মরশুমে রেস্তোরাঁর খাবারের মান একটু পড়ে যায় অনেক জায়গায়। আপনারা এক্ষেত্রে খাবারের গুণমান বজায় রাখেন কী করে?

দেবাদিত‍্য চৌধুরী: কিছু কঠিন ডিশ, যেগুলো তাড়াহুড়ো করে বানালে খারাপ হতে পারে। সেগুলো আমরা ওই সময় রাখি না। তাছাড়া আমাদের বিশাল টিম আছে, তারা এই নিয়ে পরিকল্পনা করে রাখে আগে থেকেই। আমরা যে কোনও উৎসবের জন্য তাই তৈরি থাকি।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।