২০২৪ ভোটে শিকে ছিঁড়বে? কেন শেষমুহূর্তে পা পিছলে যাচ্ছে কংগ্রেসের?

Lok Sabha Election 2024: আসন সমঝোতা জোটে স্বস্তির বার্তা দিলেও, আসন্ন লোকসভা ভোটে তার ফল দেখা যাবে! রাহুলের এই তৎপরতা কি শেষপর্যন্ত মাঠেই মারা যাবে? গোটা দেশে ব্যাপক প্রচারের পরেও কত আসন রাখতে পারবে কংগ্রেস?

Tanvia Barua
৩ মিনিট
২০২৪ ভোটে শিকে ছিঁড়বে? কেন শেষমুহূর্তে পা পিছলে যাচ্ছে কংগ্রেসের?

লোকসভা ভোট দোরগোড়ায়। সাত বছর পর রাহুল গান্ধি-অখিলেশ যাদব ফের একসঙ্গে। আসন সমঝোতা নিয়ে তিক্ততা চলছিল সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের মধ্যে। অবশেষে, উত্তরপ্রদেশে ৮০টির মধ্যে কংগ্রেসকে ১৭টি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে সমাজবাদী পার্টি। 'ভারত জোড়া ন্যায় যাত্রায়' অখিলেশের যোগদান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলায় এই যাত্রা চলাকালীন বারবার আমন্ত্রণ সত্ত্বেও সাড়া মেলেনি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে। বরং একই দিনে মালদহে পাল্টা মিছিল করেছেন মমতা। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে অখিলেশকে পাশে পেয়েছেন রাহুল। আসন সমঝোতা জোটে স্বস্তির বার্তা দিলেও, আসন্ন লোকসভা ভোটে তার ফল দেখা যাবে! রাহুলের এই তৎপরতা কি শেষপর্যন্ত মাঠেই মারা যাবে? গোটা দেশে ব্যাপক প্রচারের পরেও কত আসন রাখতে পারবে কংগ্রেস?

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, রাহুল গান্ধির নেতৃত্বে এই পদযাত্রা রাহুলের নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরির প্রচেষ্টা। কেউ কেউ মনে করছে, না স্রেফ নিজস্বতা নয়, দলের শ্রীবৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে এই যাত্রা। কারণ, যাত্রা চলাকালীন রাহুল-সহ কংগ্রেসের নেতারা নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন। সাধারণ মানুষের কথা শুনছেন, প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থেকে আশাও করা যায় না। তাঁর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর, কোনও সাংবাদিককেই তিনি এখনও সাক্ষাৎকার দেননি। একাংশের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী স্ক্রিপ্ট ছাড়া জনসমক্ষে কথা বলেন না। রাহুল কিন্তু তার ঠিক বিপরীত মেরুতে দাঁড়িয়ে।

রাহুল গান্ধির নেতৃত্বে প্রথমবার 'ভারত জোড়ো যাত্রা' হওয়ার পর যেসব রাজ্যে ভোট হয়েছে, সেখানে কংগ্রেস বিজেপির কড়া প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। তবে, সেই লড়াকু কংগ্রেসকেই যেন অগোছালো দেখাচ্ছে 'ইন্ডিয়া জোট'-এর প্রশ্নে। একাধিকবার জোট যে ভাঙনের মুখে পড়েছে, প্রতিবার যেন সেই ভাঙনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেসই। কংগ্রেসেরই অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বরা কার্যত মেনেই নিচ্ছেন, পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে আসন ভাগাভাগি। বুঝতে হবে, বিজেপি বসে নেই। প্রতিপক্ষের প্রতিটি চাল লক্ষ্য করছে ৩৭০টি আসন টার্গেট করা গেরুয়া শিবির। বিরোধী ২৮টি দলের জোট 'ইন্ডিয়া' যখন নিজেদের মধ্যে কথাচালাচালি করছে, বিজেপিও সেই মতো দলের রণনীতিতে বদল আনছে। চাপ সৃষ্টি করছে জোটের উপর।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ- তে যোগদানই তার উদাহরণ। এর সঙ্গে রয়েছে ইডি-সিবিআই-এর দেদার ব্যবহার। ঝাড়খন্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জানুয়ারিতে গ্রেফতার হয়েছেন। একের পর এক নোটিস ধরানো হচ্ছে অ-বিজেপি রাজ্যের নেতাদের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জোট নয়, প্রতিপক্ষ কংগ্রেস! রাহুলের ন্যায় যাত্রার দিনেই জনসভা কেন মমতার?

Mamata Banerjee Rahul Gandhi : বিজেপির বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শরিক দল হলেও কিছুকাল আগেই মমতা সাফ করে দেন কংগ্রেসের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।

মে মাসে হওয়া কর্ণাটকের ভোটে জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস। নভেম্বরে পাঁচ রাজ্য মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগঢ় এবং মিজোরাম বিধানসভা ভোটের ফল কী হতে পারে সেই নিয়ে জনমত সমীক্ষা করে, অনুমান করা হয়েছিল এই ৫টি রাজ্যের মধ্যে চারটিতেই জয়ী হবে কংগ্রেস। কিন্তু আসলে ঘটল উল্টোটাই। কংগ্রেস শুধুমাত্র তেলেঙ্গানাতেই জয় লাভ করে। মধ্যপ্রদেশে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, ২% ভোটে এগিয়ে ছিল কংগ্রেস। কিন্তু ভোটের ফলে দেখা গেল, ৮ শতাংশ ভোটে হেরে গিয়েছে তারা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক সমীকরণে বদল আসতে পারে। চার রাজ্যের জনমত সমীক্ষার ফল বাস্তবায়িত হতেও পারে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে। আর তেমনটা হলে ১৩৮ বছরের দলটি ভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতেও চলে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আস্থা ভোট চায় বিজেপি, হিমাচলে টিকতে পারবে কংগ্রেস সরকার?

Himachal Pradesh Political Crisis: রাজ্যসভা ভোটে ‘ক্রস ভোটিং’-এর অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই কংগ্রেস বিধায়কদের অপহরণের অভিযোগ তুলেছেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিংহ সুখু।

মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো কয়েক জন নেতা দাবি করেছেন, ভোট-কারচুপি করে আসন্ন লোকসভা ভোটের জনমত সমীক্ষাগুলিতে আকাশ ছোঁয়া ফল পাচ্ছে বিজেপি। অভিযোগ, ইভিএম এবং জাল ভোটের কাগজপত্রেও চক্রান্ত চালায় গেরুয়া শিবির । বিজেপির আবার অভিযোগ, এই তথ্যের এখনও কোনও জোরালো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কংগ্রেস পক্ষের সমালোচকরা হেরে গেলেই ভোটের কারচুপি নিয়ে অভিযোগ করেন বলেও তোপ দেগেছেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কংগ্রেস নেতা সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা-তে দাবি করেন, আদিবাসী ভোটারদের প্রধান্য দিয়ে ভোট-প্রচারে জোর দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। তবে তাঁর কথায় সেসময় মান্যতা দেয়নি দল। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দেখা যায়, যে ক'টি আসনে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল তা চলে যায় বিজেপির কাছে। কংগ্রেস নেতা দাবি করেন , বিজেপি কিন্তু সেসময় আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে লক্ষ্য করেই ভোটপ্রচার করেছিল। আর তার ফল মেলে হাতেনাতে। সেই নেতার আরও দাবি, ২০১৮ সালে বিজেপি সেই একই রণনীতি নিয়েই রাজস্থান এবং ছত্রিশগঢ়েও বেশিরভাগ আসন জিতে নেয়।

সমাজবাদী পার্টির মতো বহু আঞ্চলিক দলেরই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল কংগ্রেস। দলের অন্দরের বেশ কয়েক জন মনে করেন, কংগ্রেসের হেরে যাওয়ার অন্যতম কারণ সেটাও। ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। সেখানে অন্যতম দল সমাজবাদী পার্টি। অথচ তাদেরকেই ফিরিয়ে দিয়ে আখেরে নিজেরই ক্ষতি করেছিল কংগ্রেস। আর সেটা তাদের ভুলই।

কংগ্রেসের বহু নেতাই কিন্তু একমত নন এ বিষয়ে। তাঁদের বক্তব্য, মধ্যপ্রদেশে জয় অনিশ্চিত ছিলই। তার জন্য ভোটের রাজনীতি নয়, দুর্বল ব্যবস্থাপনাই হারের জন্য দায়ী করেছেন তারা। ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, প্রচারে খামতি, দলের কর্মীদের দক্ষতার অভাব — এইসব কিছুকেই হারের কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন তাঁরা।

নবীন-প্রবীণের সংঘাত, পুরনো ভুল-খামতি মিটিয়ে কি ২০২৪ লোকসভা ভোটে নয়া উদ্যমে লড়তে পারবে কংগ্রেস? অন্তর্ঘাত, আসন সমঝোতা নিয়ে বিবাদ, সেই সমস্ত সমস্যা সরিয়ে বিজেপি বিরোধিতায় মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবে কংগ্রেস ও জোট 'ইন্ডিয়া'? লোকসভা ভোটের আগে আপাতত সেটাইসবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।