লিঙ্গের দৈর্ঘ্যে ভারতের অবস্থান বিশ্বে কোথায়? যৌনাঙ্গের মাপ নিয়ে অবাক করা তথ্য এল সামনে

Male Private Part Size Index: ডিসেম্বর। হ্যাঁ, এই সেই সময় যখন লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ঠান্ডার কারণে কমে যায়।

Madhurima Pattanayak
৩ মিনিট
লিঙ্গের দৈর্ঘ্যে ভারতের অবস্থান বিশ্বে কোথায়? যৌনাঙ্গের মাপ নিয়ে অবাক করা তথ্য এল সামনে

বোধহয় প্রত্যেক পুরুষই মনে করেন, তাঁর লিঙ্গটি দৈর্ঘ্যে সবচেয়ে বড়। কিছু না হলেও অন্তত ছয় ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের তো বটেই নিজেরটি। এমনটাই দাবি করতে (কিংবা ভেবে নিতে) ভালোবাসেন বেশিরভাগ পুরুষ। বিষমকামী ও উভকামী মহিলারাও বোধহয় ভেবে নিতে পছন্দ করেন সঙ্গীর পুরুষাঙ্গ নিদেনপক্ষে ছয় ইঞ্চি না হলে তাঁরা বোধহয় যৌনসুখ পাবেন না। তবে এমন যদি আপনার বিশ্বাস হয়, সে গুড়ে বালি! কারণ সারা বিশ্বজুড়ে পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য উত্থিত অবস্থায় গড়ে ৫.১৬ এর বেশি হয় না। এদিকে উত্থিত না থাকাকালীন গড় দৈর্ঘ্য কমে ৩.৬ ইঞ্চিতে পৌঁছয়। ব্রিটিশ জার্নাল অব ইউরোলজির ইন্টারন্যাশানালে প্রকাশিত গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে সেরকমই। সারা বিশ্বের পুরুষদের যৌনাঙ্গের দৈর্ঘ্য জানার জন্য যত গবেষণা এ যাবৎ হয়েছে, সবথেকে বড় এইটি, যেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন সারা বিশ্বের ১৫,৫২১ জন পুরুষ। সেই গবেষণাতেই সারা বিশ্বের পুরুষদের লিঙ্গের গড় দৈর্ঘের মাপ প্রথম জানা যায়।

পড়া থামিয়ে ‘নিজেরটি’ মাপতে বসার আগে জানিয়ে রাখা ভালো পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য গড়ে ৫.১৬ হলেও, দেশ বিভেদে লিঙ্গের দৈর্ঘ্যের হেরফের ঘটে। হেরফের ঘটে জিন, বয়স, দৈহিক ওজন ছাড়াও একাধিক বিষয়ের জন্যও।

কোন দেশ এগিয়ে? ভারতের অবস্থানই বা কোথায়?

দৈর্ঘ্যের দিক থেকে দেখলে সবার প্রথমে রয়েছে ইক্যুয়েডর। যেখানে পুরুষদের উত্থিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য গড়ে ১৭.৬১ সেন্টিমিটার, অর্থাৎ ৬.৯ ইঞ্চিরও বেশি। তার পরেই রয়েছে ক্যামেরুন। যেখানে উত্থিত লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৬.৫৬ ইঞ্চি। তারপরেই নিম্নক্রমে রয়েছে বলিভিয়া, সুদান, হাইতি, সেনেগাল, গ্যাম্বিয়া, নেদারল্যান্ডস ও কিউবার স্থান।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কীভাবে তৈরি হত কন্ডোম? তাজ্জব করবে ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ প্রাচীন কন্ডোমের এই ইতিহাস

History of Condom: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ত্রের পাশাপাশি কন্ডোমও জোগান দেওয়া শুরু হয়। যদিও কন্ডোম ব্যবহারে বেশ নাক সিঁটকাত আমেরিকান ও ব্রিটিশ সেনারা।

যদি জানতে চান লিঙ্গ ক্ষুদ্র কোন কোন দেশগুলিতে, সেক্ষেত্রে শুরুর দিকেই আসবে এশিয়ার দেশগুলির নাম। উত্থিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম দেখা যায় কম্বোডিয়ার পুরুষদের মধ্যে। সেখানে লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৩.৯৫ ইঞ্চি। তারপরেই উর্ধ্বক্রমে রয়েছে তাইওয়ান, ফিলিপাইন্স, শ্রীলঙ্কা, হংকং, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, মালেশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের স্থান। সেখানে ভারতের অবস্থান কিছুটা ভালো। দেখা গেছে, উত্থিত অবস্থায় ভারতীয় পুরুষদের যৌনাঙ্গের দৈর্ঘ্য ৫.৩৯ ইঞ্চি।

কী কী বিষয়ের উপর নির্ভর করে পুরুষের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য?

পুরুষের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য নির্ভর করে একাধিক বিষয়ের উপর। যার মধ্যে অন্যতম হল পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রা, পুরুষটির উত্তেজনার পারদ, পুরুষটির বয়স, তাঁর ওজন, তাঁর অসুখ এবং অন্যান্য শারীরিক অবস্থা এবং তিনি কী ওষুধ খান তার উপর। ডিসেম্বর। হ্যাঁ, এই সেই সময় যখন উত্থিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ঠান্ডার কারণে কমে যায়। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে বা ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়লে, সামান্য বাড়ে লিঙ্গের দৈর্ঘ্য। ঠান্ডায় রক্তজালকগুলি বেশি প্রসারিত বা স্ফীত হতে পারে না। ফলে রক্ত চলাচল কম হয়। বাদ যায় না লিঙ্গও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'সৃষ্টির তাড়নাই আমার কাছে যৌনতা', বলেছিল প্রসেনজিৎ

Prasenjit weds Rituparna: ‘প্রসেনজিৎ ওয়েডস ঋতুপর্ণা', এই ঘোষণা ও আমন্ত্রণ আমার মধ্যে ঈর্ষা জাগাবে না, এমন অমানুষ আমি হতে পারিনি।

অন্যদিকে উত্থিত যৌনাঙ্গের দৈর্ঘ্য নির্ভর করে পুরুষটি কতটা উত্তেজিত হয়েছে তার উপরেও। উত্তেজনার পারদ চড়লে বাড়লে লিঙ্গের দৈর্ঘ্যও। উত্তেজনা বাড়লে বাড়ে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণও। টেস্টোস্টেরন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পুরুষাঙ্গে রক্তচলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে। রক্ত চলাচল বাড়লে, বাড়ে উত্থিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্যও। তারপরে আসে বয়স। যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পালন করে যৌনাঙ্গের দৈর্ঘ্য নিয়ন্ত্রণে। চল্লিশের পরে কমতে থাকে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা। রক্ত চলাচলও সেই বয়সে গিয়ে আর আগের মতো থাকে না। এতে লিঙ্গ উত্থিত হতে সমস্যা না দেখা গেলেও, উত্থিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য আর আগের মতো থাকে না। তার উপর যদি স্নেহপদার্থ জমতে জমতে শিরা-ধমনীর ভেতরে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, তখন তো গোদের উপর বিষফোঁড়া।

বয়স ছাড়াও, লিঙ্গের দৈর্ঘ্য নির্ভর করে দৈহিক ওজনের উপর। মেদ জমতে জমতে যদি ভুঁড়ি বাড়তে থাকে, তাহলে পেটের দেওয়াল লিঙ্গটিকে শরীরের ভেতর দিকে টেনে নেয়। এর পাশাপাশি বিভিন্ন শারীরিক অবস্থা যেমন ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, ডায়াবেটিস, ক্রমাগত ক্লান্তি বোধ, মানসিক অবসাদ, স্ট্রেস, দুঃশ্চিন্তা প্রভৃতি অবস্থার উপর নির্ভর করে পুরুষের উত্থিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য। তার উপর নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ যদি সেই পুরুষটি সেবন করে, লিঙ্গের আসল দৈর্ঘ্য যা, তার থেকে তার দৈর্ঘ্য কম মনে হতে পারে। এই ধরনের ওষুধের মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে অ্যাডডেরাল এবং বিভিন্ন গ্রুপের অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট।

এ ছাড়াও দেখা গেছে ফিনাস্টেরাইড গ্রুপের ওষুধ সেবনে কমতে পারে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা। সেক্ষেত্রে উত্থিত লিঙ্গ স্বাভাবিকের তুলনায় কম উত্থিত হতে পারে।

কোন দৈর্ঘ্যের লিঙ্গকে অত্যন্ত ক্ষুদ্র বলা যেতে পারে?

অত্যন্ত ক্ষুদ্র লিঙ্গ বা মাইক্রোপেনিস তখনই বলা যায়, যখন সেই লিঙ্গের দৈর্ঘ্য নিদেনপক্ষে ২.৫ ইঞ্চি। মাইক্রোপেনিস জন্ম থেকেই দেখা যায়। যার মূলে কাজ করে হরমোন বা জিনের অস্বাভাবিকতা।

লিঙ্গ কোন দৈর্ঘ্যের হলেই বা তাকে অস্বাভাবিক লম্বা বলা চলে?

আপনি যদি মনে করেন, অস্বাভাবিক বড় লিঙ্গ হলে চিন্তার কারণ নেই, তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। লিঙ্গ অস্বাভাবিক বড় হলে অনেক পুরুষই লজ্জা বা অস্বস্তিতে পড়ে যান। যদিও অনেক পুরুষই দাবি করেন তাঁর যৌনাঙ্গটি পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ যৌনাঙ্গ। এমনটি আর কারও নেই! তাহলে সে গুড়েও বালি। মেক্সিকোর বাসিন্দা ৫৪ বছর বয়সী পুরুষ রবার্টো এসক্যুভেল ক্যাব্রেরা দাবি করেছেন তাঁর লিঙ্গের দৈর্ঘ্য সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দেবে। তাঁর দাবি, তাঁর লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ১৮.৯ ইঞ্চি!

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।

সুপারমার্কেটের শাকে নয়, বুনোশাকেই রয়েছে বেশি পুষ্টিগুণ

Wild leafy greens: Scientific Reports (2024)-এর গবেষণা বলছে, বাণিজ্যিক উপায়ে চাষ করা সাধারণ সবজির চেয়ে এই বুনো শাকগুলিতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ ও সি এবং ফাইবার অনেক বেশি থাকে। এমনকী কর্ণাটকের সোলিগা উপজাতির মহিলারা গর্ভবতী মায়েদের রক্তশূন্যতা দূর করতে বিশেষ কিছু বুনো শাক ব্যবহার করে আসছেন যুগের পর যুগ।