ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়! তবু কেন অ্যাসিডিটির এই ওষুধ বিক্রি হচ্ছে ভারতে?

Zantac Medicine Cancer: ভারতে র‍্যানিটিডাইন বিক্রি বন্ধ করার জন্য সরকার গত পাঁচ বছরে কাজ করেনি কেন, বিশেষ করে যখন অন্যান্য ওষুধের যথেষ্ট বিকল্প বাজারে রয়েছে!

inscript
৩ মিনিট
ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়! তবু কেন অ্যাসিডিটির এই ওষুধ বিক্রি হচ্ছে ভারতে?

গত মাসেই বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি, GSK এক রেকর্ড ভাঙা রেকর্ড গড়েছে! ২.২ বিলিয়ন ডলার দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই কোম্পানির সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ওষুধগুলির একটির বিরুদ্ধে চলা একাধিক মামলার নিষ্পত্তি করেছে GSK। কী এমন ওষুধ? খুব সাধারণ, খুবই সাধারণ। অ্যাসিড রিফ্লাক্স বন্ধের ওষুধ- Zantac®। এই ওষুধটির একটি সক্রিয় উপাদান হচ্ছে Ranitidine। গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, ওষুধটিতে উচ্চ পরিমাণে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী এন-নাইট্রোসোডিমেথাইলামাইন (এনডিএমএ) নামক কার্সিনোজেন রয়েছে।

আমেরিকান ফার্মেসি ভ্যালিশিওর প্রথম এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনে। এদের গবেষণাগারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের র‍্যানিটিডাইন পরীক্ষা করে কিছু নমুনায় ৩,০০০,০০০ ন্যানোগ্রামের বেশি NDMA পাওয়া গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই এনডিএমএ-এর গ্রহণযোগ্য সীমা হচ্ছে ৯৬ ন্যানোগ্রাম। সমস্ত কার্সিনোজেনের মতোই অত্যধিক এনডিএমএ ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

NDMA-এর মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণের কারনে এটির সঙ্গে অণুগুলির স্থিতিশীলতা নষ্ট হচ্ছে। অর্থাৎ সমস্যাটি কেবল GSK-র সমস্যা নয়। র‍্যানিটিডাইন উৎপাদনকারী যে কোনও কোম্পানি এই একই সমস্যার সম্মুখীন হবে। যে কারণে ইউনাইটেড স্টেটস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএসএফডিএ) এবং ইউরোপিয় মেডিক্যাল এজেন্সি (ইএমএ) ২০২০ সাল পর্যন্ত তাদের আওতায় থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের র‍্যানিটিডাইন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। GSK নিজেই ২০২০ সালে ভারতের স্টক এক্সচেঞ্জকে জানিয়েছিল যে, তাদের কোম্পানি ভারত থেকে সমস্ত র‍্যানিটিডাইন প্রত্যাহার করছে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক অন্যান্য ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলিকে র‍্যানিটিডাইন তৈরি এবং বিক্রি করা থেকে বিরত করতে কোনও পদক্ষেপ করেনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিম্নমানের ওষুধ তৈরি করেও রেহাই! ১০০০ কোটির বন্ড কিনেছে কোন কোন ওষুধ কোম্পানি?

Pharmaceutical Firms Electoral Bond Donation: টরেন্ট ফার্মা ২০১৯ সালের মে মাস থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৭৭.৫ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছে

২০২১ সালে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসা খবরে দেখা যায় ভারতে তখনও দিব্যি র‍্যানিটিডাইন বিক্রি হচ্ছে। সরকারের থেকে জবাব চাওয়া হলে বিশেষ সদুত্তর মেলে না। সরকার পক্ষ বলেছিল, তারা বিষয়টি 'দেখছে’। যদিও এই 'দেখা'-র পরও কোনও পদক্ষেপ করেনি সরকার।

সরকারের কাছে দু'টি নির্দিষ্ট প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রথমত, কেন ভারতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ভারতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত র‍্যানিটিডাইনের একই মাত্রার এনডিএমএ শনাক্ত করার চেষ্টাও করেনি, কোনও প্রতিক্রিয়াও জানায়নি। দ্বিতীয়ত, ভারতে র‍্যানিটিডাইন বিক্রি বন্ধ করার জন্য সরকার গত পাঁচ বছরে কাজ করেনি কেন, বিশেষ করে যখন ফ্যামোটিডিন, এসোমেপ্রাজল, ল্যান্সোপ্রাজল, ওমেপ্রাজল, সিমেটিডিনের মতো অন্যান্য ওষুধের যথেষ্ট বিকল্প বাজারে রয়েছে যা 'গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স' বা অ্যাসিডিটির চিকিৎসা করতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মুঠো মুঠো ব্যথার ওষুধ খাচ্ছেন? পেইনকিলার নিয়ে যে আশঙ্কার কথা জানাচ্ছে সরকার

Health Alert: মেফটাল নামক পেইনকিলার তথা ব্যথানাশক ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে সতর্ক করল সরকার। ওষুধটির মূল উপাদান মেফেনামিক অ্যাসিডটি বেশ কয়েকটি অসুবিধার তৈরি করতে পারে শরীরে।

এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য, এই ধরনের ওষুধ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পর্যায়ের জন্য দায়ী সরকারের যে মূল প্রতিষ্ঠান, সেগুলি চিহ্নিত করা সবার আগে দরকার।

এই ধরনের ওষুধের পরীক্ষার জন্য, এর উপাদানের গ্রহণযোগ্য সীমা এবং বিশ্লেষণী পদ্ধতি সহ মান নির্ধারণের কাজটি করে ভারতীয় ফার্মাকোপিয়া কমিশন (IPC), স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এটি যার সভাপতি হচ্ছেন স্বাস্থ্য সচিব। ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়া বিভিন্ন ওষুধের স্ট্যান্ডার্ড এবং পরীক্ষার প্রোটোকল তৈরি করে। আইপিসিকে অবশ্যই 'রেফারেন্স স্ট্যান্ডার্ড' এবং 'ইম্পিওরিটি স্ট্যান্ডার্ড' তৈরি করতে হবে যাতে র‍্যানিটিডাইনের মতো ওষুধগুলিকে সহজে পরীক্ষা করা যায়।

ওষুধ প্রস্তুতকারীরা যাতে আইপিসি নির্ধারিত মানগুলি মেনে চলে তা নিশ্চিত করার কাজটির দায়িত্ব প্রথমত রাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রকদের যারা এই জাতীয় ওষুধ তৈরির লাইসেন্স দেয় এবং দ্বিতীয়ত, রাজ্য এবং কেন্দ্রের ড্রাগ ইন্সপেক্টরদের। যে ওষুধগুলি IPC-এর মানে উত্তীর্ণ হয় না সেগুলি মান্যতা দেওয়া হয় না৷ তাহলে IPC কেন র‍্যানিটিডাইনের এনডিএমএ বিষয়ক সমস্যাটি ধরতে পারল না? ২০২০ সাল থেকে র‍্যানিটিডাইনে এনডিএমএর জন্য পরীক্ষামূলক প্রোটোকল সহ অনুমোদিত মান নির্ধারণের জন্য ঠিক কী করেছে এই সংস্থা? ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়ার সাম্প্রতিকতম সংস্করণ কিনতে ৫০,০০০ টাকা খরচ করতে হয়। অথচ এটি বিনামূল্যে পাওয়া উচিত কারণ এতে বাধ্যতামূলক আইনি মানগুলি লেখা রয়েছে। জনস্বাস্থ্যের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এটি। আইপিসি একবার র‍্যানিটিডাইনের NDMA-এর অনুমোদিত সীমা নির্ধারণ করেলে এর প্রস্তুতকারকরা, যারা IPC নির্ধারিত মানগুলি মেনে চলতে পারছে না তারা হয় এই ওষুধ উত্পাদন বন্ধ করে দেবে বা ড্রাগ ইন্সপেক্টররা নিম্নমানের ওষুধ তৈরির জন্য এই প্রস্তুতকারকদের বিরুদ্ধে মামলা করবে৷

বিশ্বের যে কোনও জায়গায় জনস্বাস্থ্য বিষয়ে এমন উদ্বেগজনক অবস্থা প্রকাশ পেলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, আইপিসি ছাড়াও বাজারে কোনও ওষুধ বিক্রি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব কার? ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০-এর ধারা ২৬এ বলছে, শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার, বা আরও স্পষ্ট করে বললে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকেরই দেশে ওষুধের উত্পাদন এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে। মন্ত্রক এই বিষয়ে তাহলে কেন কাজ করছে না? স্পষ্ট উত্তর, প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাব। এই মন্ত্রকের যুগ্ম সচিবের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প বা ফার্মাকোলজি সম্পর্কে জ্ঞান সাধারণত খুব কমই। তবে এই কারণে, কোটি কোটি মানুষের জীবন তো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে না কিছুতেই। স্বাস্থ্য মন্ত্রক অবিলম্বে ধারা ২৬এ-এর অধীনে দেশে র‍্যানিটিডাইনের ক্রমাগত উত্পাদন এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করার আদেশ জারি না করলে দেশে ক্যান্সারের বৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়বে বহুগুণ।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।