শেষবেলায় মমতার মুখে কেন এনআরসি?

Eid 2024: এদিন ইদের মঞ্চ থেকে মমতার মুখে শোনা যায় বিজেপি বিরোধিতার ডাক। মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “বাংলায় আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছি। একটা ভোটও অন্য কাউকে দেবেন না।”

Sohini Das
৫ মিনিট
শেষবেলায় মমতার মুখে কেন এনআরসি?

লোকসভা ভোটের আর দেরি নেই। ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে জোরদার প্রচার। সকলেই সকলের মতো করে প্রচারে ব্যস্ত। আর এই লোকসভা ভোটের মরসুমে ইদ। ভোটের আগে আগেই সিএএ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। যা নিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিল দেশের বড় অংশ। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বৃহস্পতিবার ইদের সকালে রেড রোডে নমাজের অনুষ্ঠানে যোগ দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভার ভোটগ্রহণ। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গে ভোট রয়েছে বাংলার। ফলে দক্ষিণবঙ্গে জেলা ও শহরাঞ্চলে এখনও বেশ কিছুদিন প্রচারের সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা। এর মধ্যেই পড়েছে ইদ। রমজান মাস শুরু হওয়ার মুখে মুখেই দেশ জুড়ে সিএএ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে দিয়েছিল বিজেপি সরকার। গোড়া থেকেই বিজেপির সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ), জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি)-র বিরোধী এ রাজ্যের তৃণমূল।

এ রাজ্যে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ আনেন অনেকেই। এ দিকে বিজেপির মূল শক্তি হিন্দুত্ববাদ। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে ইদের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে যে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে চলেছে সেই সিএএ ইস্যু, তা খানিকটা প্রত্যাশিতই ছিল। এ রাজ্যে তৃণমূল ভোটের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সংখ্যালঘু ভোট। তাদের দিকে তাকিয়েই এদিন ইদের মঞ্চ থেকে শোনা যায় বিজেপি বিরোধিতার ডাক। মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “বাংলায় আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছি। একটা ভোটও অন্য কাউকে দেবেন না।” বৃহস্পতিবার রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট এবং ইদের মরসুমকে সামনে রেখে সংক্ষীপ্ত বক্তৃতা দেন তিনিও।

২০২৪ সালে লোকসভা ভোট হতে চলেছে, এ কথাটা কারওরই অজানিত ছিল না। নতুন বছর পড়তে না পড়তেই সিএএ ধুয়ো তুলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যতবার তিনি বাংলায় এসেছেন, প্রতিবার সিএএ ঘোষণার ভবিষ্যদ্বাণী শোনা গিয়েছে শাহের মুখে। গত বুধবার বালুরঘাটে জনসভায় উপস্থিত হয়ে অমিত শাহ অবশ্য বলে বসেন, সিএএ নিয়ে রাজ্যবাসীকে ভয় দেখাচ্ছেন আসলে মমতা। বলেন, ‘হাতজোড় করে বাংলার জনতাকে বলতে চাই, মমতা দিদি বাংলার লোকেদের বোকা বানাচ্ছেন। আমি বলতে চাই, ভয় না পেয়ে যত শরণার্থী এসেছেন, তাঁরা যেন নাগরিকত্বের আবেদন করেন। কারও নাম বাদ যাবে না।’’

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ডায়মন্ড হারবারে নৌশাদের 'বিশ্বাসঘাতকতা'-র জবাব দিতে পারবেন বামেদের লড়াকু প্রতীক উর?

Pratikur Rahaman CPIM: ডায়মন্ড হারবার নির্বাচনী কেন্দ্রে দলের ঝকঝকে তরুণ নেতাদের মধ্যে অন্যতম মুখ প্রতীক উরকে বেছে নিয়েছে বামেরা।

তক্কে তক্কে ছিল তৃণমূলও। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মত, বৃহস্পতিবার রেড রোডের মঞ্চ থেকে শাহের সেই আক্রমণেরই জবাব দিলেন মমতা। এ রাজ্যের একাধিক জেলা মুসলিম অধ্যুষিত। ফলে সেই সব জেলা থেকে তৃণমূলের ভোট পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশ বেশি। আর সেই সব জায়গার ভোটারদের বার্তা দেওয়ার জন্য ইদের মঞ্চের থেকে ভালো জায়গা আর কী-ই বা হতে পারত। বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছে, ২০২৪ লোকসভা ভোটের আগে আলাদা করে বিশেষ স্টান্ট দেখানোর প্রয়োজন হয়নি বিজেপির। গোড়া থেকেই এই ভোট নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির। হবে না-ই বা কেন! ২০২৩ সালটাকে যে সম্পূর্ণ ভাবে রামমন্দির গড়ার পিছনে নিয়োগ করেছিল বিজেপি। স্বাভাবিক ভাবেই বিতর্কিত বাবরি মসজিদের জাগয়ায় গড়ে ওঠা রামমন্দির নিয়ে আলোচনা যে সব স্তরে হবে, তা-ই ছিল সর্বোত ভাবে প্রত্যাশিত।

তবে উত্তর বা পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে বিজেপির হিন্দুত্ববাদের যেমন প্রতাপ, তা কোনও দিনই বাংলায় তেমন ভাবে ছিল না। ফলে বাংলার মাটিতে সংখ্যালঘু ভোট বিরাট এক গেম চেঞ্জার। মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর-সহ একাধিক কেন্দ্রে সেই ছাপটাই স্পষ্ট। এমনকী যে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে এত হইচই, তারও কিন্তু একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সংখ্যালঘু ভোট।

বৃহস্পতিবার পরবের মঞ্চ থেকে বক্তব্যের শুরুতেই ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান মমতা। বলেন, “আপনারা এককাট্টা থাকলে কেউ আলাদা করতে পারবে না।” প্রথমে বিজেপির নাম না করেই তিনি বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) আনছে। আমরা ঘৃণাভাষণ চাই না, এনআরসি চাই না, সিএএ চাই না। আমাদের লক্ষ্য সর্বধর্ম সমন্বয়।” সিএএ প্রসঙ্গ তুলে বিজেপির উদ্দেশে মমতার প্রশ্ন, “আমরা নাগরিক না হলে কাদের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন?”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নজরে সন্দেশখালি প্রতিবাদী প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদই বসিরহাটে ভরসা বামেদের

Lok Sabha Election 2024: সন্দেশখালির ঘটনার মাথায় রেখেই গুটি সাজিয়েছে সব দল। বামেরাও যে অন্যপথে হাঁটছে না, তা প্রমাণ করে দিয়েছে শুক্রবার তাদের প্রার্থীতালিকা।

সিএএ লাগু হল এ রাজ্যে সর্বৈব ভাবে বিপদে পড়বেন মুসলিমরা, এমন একটা ধারণা সফল ভাবে গড়ে তুলেছে মুসলিমেরা। আর তা যে একেবারে অমূলক-তা-ও নয়। ফলে এই ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে সিএএ প্রসঙ্গ যে বিশেষ ভাবে জায়গা করে নেবে, তা আর অবাক কথা কী!

একুশের বিধানসভাতেও তৃণমূলের জন্য জরুরি ছিল ৩০ শতাংশ ভোটব্যাঙ্ক। নিন্দুকেরা অনেকেই বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এই ভোটটাকে হাতে রাখারই চেষ্টা করেন সর্বদা। গত বিধানসভা তো বটেই, গত লোকসভা ভোটেও এই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলি থেকে ভালো ভোট পেয়েছিল তৃণমূল। তবে এ বছর সেই ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার সম্ভবনাও প্রবল ভাবে রয়েছে। সিপিএমের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে ঐক্যে পৌঁছতে না পারলেও এই লোকসভা ভোটে রাজ্যের একাধিক লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে আইএসএফ। বিশেষত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে তো বটেই। বহু কেন্দ্রে যেখানে বামেরা প্রার্থী দিয়েছে, সেখানেও প্রার্থী দিয়েছে আইএসএফ। বসিরহাট, ডায়মন্ডহারবারের মতো একাধিক কেন্দ্র রয়েছে সেই তালিকায়।

সংখ্যালঘু ভোট ঘরে তুলতে চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি সিপিআইএমও। জায়গা বুঝে দলের মুসলিম নেতাদের প্রার্থী করেছে তাঁরা। উত্তর ও দক্ষিণ মালদহ লোকসভা আসনের ফল বররাবরই সংখ্যালঘু ভোটে নির্ধারিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, উত্তর মালদহে ৫৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ মালদহে ৬৫ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে। এই ভোট যখন যার দিকে গিয়েছে, তারাই জয়ের মুখ দেখেছে। এর আগে, বিধানসভা নির্বাচনগুলিতে তৃণমূল জেলার ১২টি আসনে সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারত না। কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনে জেলার আটটি আসন তারা দখল করে এবং সেগুলি বেশির ভাগই সংখ্যালঘু প্রভাবিত এলাকাতেই। এমনকি, সংখ্যালঘু প্রভাবিত যে সুজাপুর বিধানসভা এলাকা কয়েক দশক ধরে কংগ্রেসের ‘গড়’ বলে পরিচিত ছিল, সেখানেও লক্ষাধিক ভোটে পরাজিত হয় কংগ্রেস প্রার্থী! বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, ‘সিএএ’, ‘এনআরসি’-জুজুতেই সে বার সংখ্যালঘু ভোট বেশির ভাগটাই তৃণমূলের দিকে চলে গিয়েছিল। তবে গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল উত্তর মালদহ আসনে দ্বিতীয় স্থানে ও দক্ষিণ মালদহ আসনে তৃতীয় স্থানে ছিল। তৃণমূলের একাংশের দাবি, কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে সংখ্যালঘু ভোট ভাগাভাগিতেই ওই পরিস্থিতি। এ বার পঞ্চায়েত ভোটেও সংখ্যালঘু ভোটের একাংশ তৃণমূলের থেকে মুখ ফেরায় বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত।

গত ভোটে মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দিনাজপুরের মতো একাধিক জায়গায় বাম-কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে ভাগ হয়ে গিয়েছিল সংখ্যালঘু ভোট। যার ফায়দা তুলেছিল বিজেপি। তবে দেশ জুড়ে সিএএ চালু হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সংখ্যালঘুদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন তাতে সিএএ আতঙ্কে বিজেপিকে রুখতে বাম-বিজেপিতে চলে যাওয়া ভোট আবার তৃণমূলে ফিরবে বলে শাসক দলের নেতাদের অনেকেই মনে করছেন। প্রকাশ্যে না বললেও সিএএ কার্যকর হওয়ায় যে সংখ্যাগুরুদের ভোট এককাট্টা হয়ে তৃণমূলের ঝুলিতে আসতে পারে তা প্রকারান্তরে মেনে নিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের অনেক নেতাই।

এদিন অবশ্য ইদের মঞ্চে তিনি গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই। তবে ভোট যত কাছে আসে, সেই সব ণত্ব-স্বত্ব ঝেড়ে ফেলে প্রচারই মূল বিষয় হয়ে ওঠে যে কোনও দলের কাছে। ফলে মুখ্যমন্ত্রী মমতার পাশাপাশি তৃণমূলনেত্রী হিসেবে এই সুবিধাটুকু নিতেই হত মমতাকে। একটা গোটা গোষ্ঠীকে এই ভাবে একত্রিত ভাবে পাওয়ার সুযোগ রোজ রোজ আসে না। ফলে সেই পরবের মঞ্চ থেকে যে আরও একবার চেনা-কার্যকর অস্ত্রেই আরও একটু শান দেবেন তিনি ভোটের আগে আগে, তা খানিকটা প্রত্যাশিত ছিল বলেই মনে করছে অভিজ্ঞমহল। এমনিতেই একাধিক দুর্নীতি মামলায় রাজ্যে ভরাডুবি অবস্থা তৃণমূলের। বিজেপির বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ এ সময়ে যত না কাজে আসবে, তারে চেয়ে যে অনেক বেশি মোক্ষম সিএএ, এমআরসি-র মতো ইস্যু, তা তো বোধহয় শিশুও জানে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।