মীনাক্ষীকে ঘিরে বাম যুবদের উৎসাহের সীমা নেই, তবু অতীতই ভবিষ্যতের অন্তরায়

CPIM New Leaders: মীনাক্ষীদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় শত্রু হল তাঁদের অতীত। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখনও তৃণমূল-বিজেপির বিকল্প হিসেবে বামেদের ভাবতে পারছেন না।

Sambit Pal
৪ মিনিট
মীনাক্ষীকে ঘিরে বাম যুবদের উৎসাহের সীমা নেই, তবু অতীতই ভবিষ্যতের অন্তরায়

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পরে যখন প্রথম বার দেখা গেল যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোনও বাম প্রার্থী সাংসদে যেতে পারলেন না, তখন এক শীর্ষ বাম নেতার সঙ্গে দলের ভরাডুবি নিয়ে কথা হচ্ছিল। কথা প্রসঙ্গে দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রশ্ন উঠতেই তিনি একজনের নাম নিয়েছিলেন — মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তাঁর দাবি ছিল যে মীনাক্ষী খুব ভাল বক্তা এবং লম্বা রেসের ঘোড়া। অভিযোগ ছিল মীনাক্ষীকে মিডিয়া তাদের আলোর তলায় আনছে না।

তখন মিডিয়ার আলো মীনাক্ষীর উপর পড়ার কথাও ছিল না। কারণ তখনও তিনি নন্দীগ্রামের মতো হাই-প্রোফাইল আসনে প্রার্থী হননি। নবান্ন অভিযানে নেতৃত্ব দেননি। আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল খাটেননি। ভাল বক্তা হিসেবে তাঁকে নিয়ে বর্ধমান-আসানসোলের সিপিআইএম দলে বা শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনায় এলেও, মিডিয়ার প্রচারের আলোয় আসার কথা ছিল না।

আজ পাঁচ বছর পরে বাম নেতাদের মধ্যে মীনাক্ষীই প্রচারের আলো শুষে নিচ্ছেন রাজ্য জুড়ে। তার নাম দিয়ে ইউটিউবে সার্চ করলে কয়েশ' ভিডিও উঠে আসে আজ। রাজ্য জুড়ে ৫০ দিনের ইনসাফ যাত্রা শেষ করার পর তাঁর নেতৃত্বেই ব্রিগেড সমাবেশ হচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় দেওয়াল লিখনে প্রধান বক্তার নাম মীনাক্ষীই।

আলঙ্কারিক পদটি হল ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু রাজ্যের বাম সমর্থকদের মধ্যে বেশির ভাগই মীনাক্ষীকেই নিজেদের 'ক্যাপ্টেন' বলে ধরে নিচ্ছেন। কেউ কেউ তাঁকে ভবিষ্যতের মুখ্যমন্ত্রীও মনে করছেন। বাম-বিরোধীরা একে একটু বাড়াবাড়ি মনে করতেই পারেন। এ যেন খানিকটা গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে মাঠে বামেরা, ছাত্র-যুবদের মন কি পেল ইনসাফ যাত্রা?

Insaf Yatra : ইনসাফ যাত্রা কেন হচ্ছে, সমস্ত মানুষ, বা নিদেন পক্ষে অর্ধেক সাধারণ মানুষের কাছেও তা স্পষ্ট নয়।

কিন্তু বামপন্থী পরিবারে বড় হয়ে ওঠা মীনাক্ষীর ইউএসপি হল তাঁর সাধারণ ইমেজ। মুখে সাধারণের মতোই বুলি। একটি অদ্ভুত কথার টান। বৃন্দা কারাতদের মতো এলিটিজম তাঁর মধ্যে নেই। তাই ইনসাফ যাত্রার ভিডিওগুলোতে চোখ বোলালেই দেখা যাবে কোনও অশীতিপর বামপন্থী মহিলা সমর্থক মীনাক্ষীকে দেখার আশায় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকেন দীর্ঘক্ষণ। কাছে এলে মীনাক্ষীকে জড়িয়ে ধরেন ঘরের মেয়ের আদরে। চোখে জল এসে যায় বৃদ্ধার।

এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, বাম যুবদের মধ্যে যেমন তিনি উৎসাহের জোয়ার এনেছেন, তেমন প্রবীণদের মনেও আশার আলো দেখাচ্ছেন তিনি। মূল সিপিআইএম নেতারাও মীনাক্ষীকে জায়গা দিচ্ছেন। সুযোগ দিচ্ছেন বাম যুব আন্দোলনের মুখ হয়ে ওঠার। সেই ব্রতীন সেনগুপ্ত থেকে শুরু করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ে শতরূপ ঘোষ পর্যন্ত যুব নেতাদের নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন বামেরা। একটি পরীক্ষাও সফল হয়নি। এবার মীনাক্ষীকে নিয়েও একই ধরনের পরীক্ষা চালাচ্ছেন তাঁরা।

এখনও পর্যন্ত ছাত্র যুবদের পড়াশোনা আর কাজের অধিকারকেই স্বাভাবিক ভাবে তাঁর প্রচারে বা রাজনীতিতে প্রাধান্য দিচ্ছেন মীনাক্ষী। তৃণমূলকে এই ইস্যুতে রাজ্যে আক্রমণ করার সুবিধাও রয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানাচ্ছেন তিনি। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলছেন নিজের সমর্থক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে। একটি ভাবলেশহীন মুখে কড়া কড়া কথা শুনতে ভালও লাগছে অনেকের।

মীনাক্ষীর সুবিধে যে তাঁর টিমে তিনি সেই সব যুবদের পেয়েছেন যাঁরা বামফ্রন্ট সরকারের সুখের সময়টিতে হয় জন্মাননি বা জন্মালেও ক্ষমতার সুখলাভের জ্ঞান হয়নি তাঁদের। ফলে বিরোধী ভূমিকায় নামা এই প্রজন্মের জন্য সহজ। অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার স্লোগান তাঁদের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়। এঁদের বেশিরভাগই কিন্তু বামপন্থী পরিবারে বা আবহে বড় হয়েছেন।

কিন্তু মীনাক্ষীদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় শত্রু হল তাঁদের অতীত। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখনও তৃণমূল-বিজেপির বিকল্প হিসেবে বামেদের ভাবতে পারছেন না। যাঁরা বামেদের আর ভোট দেন না, তাঁরা বামেদের প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছেন বা নতুন ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছেন।

বিকল্প না ভাবার একটি বড় কারণ হল সেই জনগণ তিন দশকের বামফ্রন্ট সরকারের স্মৃতি ভুলতে পারেনি। তাদের ঔদ্ধত্যকে এখনও বাম বিরোধী জনগণ সহজে ভুলে যেতে পারে না। এখনও পুরনো বামপন্থী নেতারাই ভাবতে পারেন না যে তাঁরা ক্ষমতার বাইরে রয়েছেন গত বারো বছর হয়ে গেল। অনেক জায়গাতেই স্থানীয় স্তরে তাঁদের ঔদ্ধত্য ও উন্নাসিকতা এখনও অমলিন।

মীনাক্ষীদের ইনসাফ যাত্রা বা ব্রিগেড সমাবেশ দেখে তাঁদের অনেকেরই রক্ত গরম হয়ে উঠবে ঠিকই। বিধানসভাতে বিধায়ক-শূন্য হয়েও অনেকেই মনে করবেন পরের নির্বাচনে তাঁরাই আবার বামফ্রন্ট সরকার গড়বেন। কিন্তু বাম আন্দোলনে নতুন রক্ত না বইলে তাঁদের জন্য কাজের কাজ কিছুই হবে না। অথচ পুরনো রক্তই এখনও বামপন্থীদের বেশিরভাগের শিরা-ধমনীতে বয়ে চলেছে।

কেন যে ২০১১ নির্বাচনে ভরাডুবি হল, কেন ২০১৯-এ বাম ভোটে রামে গিয়ে নোঙর ফেলল, কেনই ২০২১-এ এসে বিধানসভায় কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তাঁরা পাঠাতে পারলেন না—এ'সব নিয়ে যথাযথ পর্যালোচনাই সিপিআইএম নেতারা করলেন না। যেটুকু করলেন তার প্রেক্ষিতে ব্যবস্থাও নিলেন না। তাই কংগ্রেসকে গলায় জড়িয়ে ধরতে হল বা আব্বাসকে মঞ্চে তুলে ধরতে হল। নিজেদের রাজনীতি ডুবে গেল গড্ডালিকায়।

কাজের দাবি যে কোনও যুবক-যুবতীর মনের কথা। বামপন্থীরা ধর্ম ও পরিচয়ের রাজনীতি ছেড়ে অর্থনৈতিক দাবির রাজনীতি করবেন এটাও স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু ভারতবর্ষের রাজনীতি গত এক দশকে তার রং পাল্টেছে খুব দ্রুত। ধর্ম ও পরিচয়ের রাজনীতি মূলধারার রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছে। মন জয় করেছে শিক্ষিত যুবক-যুবতীরও।

এই পরিস্থিতিতে মীনাক্ষীদের বিকল্প রাজনীতির আলেখ্য তৈরি করতে হবে। শুধুমাত্র বামপন্থী পরিবারে বা আবহে বেড়ে ওঠা যুবক-যুবতী নয়, তৃণমূল-বিজেপিতে আকৃ্ষ্টদেরও নিজেদের দিকে টানতে হবে।

সিপিআইএম-এর বৃদ্ধ নেতারা মীনাক্ষীদের নতুন পথে হাঁটার কতটা সুযোগ করে দেবেন বা কতটা সঠিক দিশা দেখাবেন, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। তাই বামেদের অতীতই বামেদের ভবিষ্যতের জন্য বড় অন্তরায়। মীনাক্ষী ঠিকই বলেছেন একজনের মুখের উপর শুধু রাজনীতি নির্ভর করে না। কোন রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব সেই মুখ করছেন জনগণের কাছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তা যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য সত্যি ছিল, তেমনই মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।