ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ইতিহাসে কটূক্তিতে সেরা মোদিই! উত্তরসূরিকে নিয়ে যা বললেন মনমোহন

Modi Government: ভারতবর্ষের এ যাবৎকালের সবচেয়ে কুকথা বলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও মোদির নাম উঠে এসেছে সাম্প্রতিক কালে। একের পর এক জনসভা থেকে মুসলিমদের আক্রমণ করেছেন তিনি।

Sohini Das
৪ মিনিট
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ইতিহাসে কটূক্তিতে সেরা মোদিই! উত্তরসূরিকে নিয়ে যা বললেন মনমোহন

লোকসভা ভোট প্রায় শেষের দিকে। দেশ জুড়ে ১৮তম লোকসভা ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই মোদি বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় শুধু জনসভা করে গিয়েছেন। আর সেখানে যত না কাজের কথা, তার চেয়ে বেশি বলেছেন কুকথা । কখনও তিনি কংগ্রেসকে আক্রমণ করতে গিয়ে ঘৃণাভাষণ করেছেন দেশের সংখ্যালঘু মুসলিমদের বিরুদ্ধে। কখনও তাদের ঘুসপেটিয়া বলে অপমান করেছেন, কখনও বা বেশি সন্তান যাদের বলে কটাক্ষ করেছেন। কখনও তিনি নিজেকে বলেছেন ভগবান, কখনও আবার বলেছেন তাঁর জন্মে নাকি মানবশরীরের মিলনে হয়নি মোটেও। সম্প্রতি জাতির জনক মহাত্মা গান্ধিকে কেউ চেনে না বলে মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন মোদি।

সম্প্রতি পঞ্জাবে ভোটপ্রচারে গিয়েছিলেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ভোটের ঠিক দু'দিন আগে তিনি পঞ্জাবের বাসিন্দাদের কাছে অনুরোধ জানান, যাতে বিজেপির হাতে হেনস্থা হওয়া থেকে দেশের গণতন্ত্র এবং সংবিধানকে রক্ষা করেন। পঞ্জাবের বাসিন্দাদের 'পঞ্জাব ওয়ারিয়ার্স' (যোদ্ধা) বলেও প্রশংসা করেছেন তিনি। প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা জানান, কৃষিআইন কার্যকর করে একাধারে পঞ্জাব, পঞ্জাবি ও তাঁদের পঞ্জাবত্বকে নিশানা করতে চাইছে বিজেপি।

সোশ্যাল মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স-এও মনমোহন সিং তাঁর সহ-নাগরিকদের উদ্দেশে জানান, ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। শেষ দফার ভোট সামনে। এটাই স্বৈরাচারি শাসনের হাত থেকে আমাদের গণতন্ত্র ও সংবিধানকে রক্ষা করার চূড়ান্ত সময়। পাঞ্জাব এবং পাঞ্জাবিরা আসলে যোদ্ধা। আমরা আমাদের ত্যাগের জন্য পরিচিত গোটা দেশে। দেশের গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের আস্থা, একতা-সম্প্রীতি ও মৈত্রীর উপর আমাদের অদম্য বিশ্বাস ও সাহসই দেশকে এই মহান দেশকে রক্ষা করতে পারে।

মনমোহন জানান, গত দশ বছরে পঞ্জাবকে অপদস্থ করার একটাও সুযোগ হাতছাড়া করেনি বিজেপি সরকার। বিতর্কিত কৃষিআইনের বিরোধিতা করতে পথে নেমে শহিদ হয়েছেন সাড়ে সাতশো কৃষক। যাঁরা বেশিরভাগই পঞ্জাবের বাসিন্দারা। দিনের পর দিন দিল্লি সীমান্তে দাঁড়িয়ে তাঁদের লাঠিপেটা করা হয়েছে, গায়ে ছোড়া হয়েছে রাবার বুলেট। না এখানেই হেনস্থার শেষ নয়। মোদি বারবার মৌখিক ভাবে হেনস্থা করেছেন তাঁদের। আন্দোলনজীবী, পরজীবী বলে আক্রমণ করেছেন তিনি পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে। কী তাঁদের অপরাধ? তাঁরা শুধু কৃষকবিরোধী এই আইন প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি তুলেছিলেন। অথচ একবারও এইসব আইন প্রণয়নের আগে কোনও কৃষকনেতা, কৃষক সংগঠন বা কৃষক প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলা হয়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেশেবিদেশে কতটা রয়েছেন গান্ধি? ভোটের বাজারে আদৌ কতটা সত্যি বলেন মোদি?

Mahatma Gandhi: প্রধানমন্ত্রীর দাবি, গোটা বিশ্ব ঘুরে আসার পরেই তিনি উপলব্ধি করেছেন যে গান্ধীর কথা দুনিয়ার কাছে অজানাই রয়ে গিয়েছে। কতটা যুক্তিগ্রাহ্য তাঁর এই দাবি?

২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। এদিকে তাঁর কৃষকবিরোধী আইনের জেরে গত দশ বছরে তাঁদের আয় শুধু কমেইছে। একজন কৃষকের দৈনিক আয় ২৭ টাকা। যেখানে তাঁদের গড় ঋণই প্রায় ২৭ হাজার টাকা। এদিকে চাষাবাদে সার, তেল, শস্য- সব কিছু সামলে যে খরচ হয়, তাতে কৃষকদের জীবননির্বাহ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। মনমোহন জানিয়েছেন, কংগ্রেস-ইউপিএ জমানায় প্রায় ৩.৭৩ কোটি কৃষকের প্রায় ৭২,০০০ কোটি টাকা ঋণমকুব করা হয়েছিল। অথচ বিজেপি সরকারের আমলে কৃষকদের উপরে শুধু চাপই বেড়েছে।

“In the past ten years, the BJP government has left no stone unturned in castigating Punjab, Punjabis and Punjabiyat.

750 farmers, mostly belonging to Punjab, were martyred while incessantly waiting at Delhi borders, for months together. As if the lathis and the rubber bullets…

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কাঁটা উপড়ে ফেলতে দক্ষ মোদি! ক্ষমতায় আসতে কাকে কাকে পথ থেকে সরিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি?

Narendra Modi: ক্ষমতায় থাকতে গিয়ে একে একে কত নেতাকে সরিয়েছেন পথ থেকে, তালিকা দীর্ঘ! নরেন্দ্র মোদি ২০০১ সালে কেশুভাই প্যাটেলের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব কাঁধে নেন।

গত দশ বছরে ভারতের অর্থনীতি ভয়ঙ্কর অস্থির অবস্থায় পৌঁছেছে বলে জানান প্রবীণ এই অর্থনীতিবিদ। নোট বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত ভারতের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তার উপর জিএসটি নীতি থেকে শুরু করে কোভিডের সময় সরকারের অব্যবস্থা ভারতের অর্থনীতিতে অন্তঃসারশূন্য করে দিয়েছে। গত একশো বছরের মধ্যে দেশের বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফিতি আকাশ ছুঁয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। মনমোহন জানান, ইউপিএ জমানায় বহু চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সরকার মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছিল কংগ্রেস সরকার। বিজেপি শাসনে তা তলানিতে ঠেকেছে। মানুষের আয় ঠেকেছে তলানিতে।

একই সঙ্গে অগ্নিবীর প্রকল্পের মতো অবিবেচক সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন মনমোহন সিং। একের পর এক দুর্নীতি আগামী ভবিষ্যতকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। এখনও তিরিশ লক্ষ সরকারি পদ শূন্য। অথচ দেশ জুড়ে বেকারদের ভিড়। বছরের পর বছর ধরে নিয়োগের জন্য অপেক্ষা করছেন তাঁরা। অথচ তাতে টনক নড়ছে না সরকারের। মোদি জমানার একের পর এক অব্যবস্থার কথা তুলে ধরেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। ভারতবর্ষের এ যাবৎকালের সবচেয়ে কুকথা বলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও মোদির নাম উঠে এসেছে সাম্প্রতিক কালে। একের পর এক জনসভা থেকে মুসলিমদের আক্রমণ করেছেন তিনি। সাম্প্রদায়িক অশান্তি খুঁচিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।

ভোটের আগে ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি সিএএ আইন কার্যকর করে দেন অমিত শাহের দফতর। তার বিরুদ্ধে রাগে ফেটে পড়ে দেশ। আর সেই রাগ নিয়েও মুসলিমদের আক্রমণ করে গিয়েছেন মোদি-শাহেরা। নিজেকে ভগবানের জায়গায় উঠিয়ে এনে হিন্দুভোটের ফায়দা তুলতে চেয়েছেন মোদি? যে 'অচ্ছে দিন' বা 'বিকশিত ভারতে'র স্বপ্ন মোদিরা দেখিয়েছেন, তার এক শতাংশও কি পূরণ হয়েছে দেশে। মোদি বলছেন, তার আমলে গরিবি দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। অথচ সেই মোদিই ভোটের আগে ঘোষণা করেছেন রেশন প্রকল্পের। আসলে মিথ্যার পর মিথ্যা বলে ভোটবাক্স ভরাতে চেয়েছেন মোদি। আর এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে দেশকে বাঁচাতে সহ-নাগরিকদেরকেই বার্তা দিতে চেয়েছেন প্রবীণ এই রাজনীতিক। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে কোনওদিনই তেমন কথা বলতে দেখেননি কেউ। আর মোদি মানেই শুধু কথা আর কথা। পাশাপাশি কুকথাও বটে। মনমোহনের ডাক কি শুনবে পঞ্জাব? পঞ্জাব পেরিয়ে তা কি পৌঁছবে গোটা দেশের নাগরিকদের কাছে? সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে কি কংগ্রেসকে আদৌ জেতাবে দেশ? উত্তর মিলবে আগামী ৪ জুন।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।