হাজার হাজার মানুষ বুঁদ নেশায়! কয়েক বছরে কাশ্মীরে কেন হু হু করে ছড়াল মাদক মহামারী?

Kashmir Drug Addition Problem: জম্মু ও কাশ্মীরের প্রায় এক মিলিয়ন মানুষ, অর্থাৎ এই অঞ্চলের জনসংখ্যার প্রায় ৮% গাঁজা, ওপিওডস বা সেডেটিভ সহ কিছু ওষুধ ব্যবহার করে।

Madhurima Dutta
৩ মিনিট
হাজার হাজার মানুষ বুঁদ নেশায়! কয়েক বছরে কাশ্মীরে কেন হু হু করে ছড়াল মাদক মহামারী?

কাশ্মীর! আশাবাদীরা বলবেন, এই সমস্যা একদিন মিটবেই। বাস্তবাদীরা বলবেন, কোনওদিনই জম্মু-কাশ্মীরের সমস্যা মিটবে না কারণ মেটানো হবে না। কাশ্মীর দেশের অংশ, অন্তত ম্যাপ তাই বলে। অথচ কাশ্মীরের জীবনের সঙ্গে বাকি সারাটা দেশের কোনও পরিচয়ই নেই। সিনেমায় দেখানো উপত্যকা, ট্যুরিস্ট স্পট আর 'দেশাত্মবোধক' সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ছবি-ভিডিও ছাড়া কাশ্মীরকে আমরা কীভাবে চিনি? কাশ্মীরের পাহাড়ি জীবনের অস্থিরতা আর অনিশ্চয়তার তুলনায় কোনও কিছুই পর্যাপ্ত উদাহরণ হয়ে উঠতে পারেনি। ভারত বলে কাশ্মীর তাদের, পাকিস্তান বলে তাদের! কাশ্মীর কী বলে? ১৯৮৯ সাল থেকে, কাশ্মীরে ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হয়েছে। প্রতিবছর মৃত্যু হয় মানুষের। ২০১৯ সালে, ভারত পূর্ববর্তী জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে দু'টি ফেডারেল শাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করে। এই ভাগাভাগির পরে উত্তেজনা আরও বাড়ে। এইসবের মধ্যেই কাশ্মীরে এখন নতুন সংকট হয়ে উঠেছে মাদক! কাশ্মীরে মাদকাসক্তি বাড়ছে। শয়ে শয়ে তরুণ মাদকাসক্ত! সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, কোনও স্থানীয় নেশার দ্রব্য নয়! হেরোইনের মতো কঠিন ড্রাগ সেবনের হার বাড়ছে ভূস্বর্গে।

মার্চ মাসে একজন মন্ত্রী সংসদে জানিয়েছিলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের প্রায় এক মিলিয়ন মানুষ, অর্থাৎ এই অঞ্চলের জনসংখ্যার প্রায় ৮% গাঁজা, ওপিওডস বা সেডেটিভ সহ কিছু ওষুধ ব্যবহার করে। তুলনামূলক কোনও পরিসংখ্যান না থাকলেও চিকিৎসকরা বলছেন, রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বছর দশেক আগেও স্থানীয় হাসপাতালে প্রতিদিন ১০-১৫টি মাদকাসক্তির ঘটনা আসত। এখন প্রতিদিন ১৫০-২০০ জন আসেন মাদকাসক্তির সমস্যা নিয়ে। বিষয়টা যে মোটেও সুবিধার নয়, স্বীকার করছেন IMHANS-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং অধ্যাপক ডঃ ইয়াসির রাথার৷ পাহাড়ি অঞ্চলে মাদকের অপব্যবহার নতুন কোনও সমস্যা কিন্তু নয়। কিন্তু আগে গাঁজা বা অন্যান্য স্থানীয় নেশাই করতেন মানুষ। হেরোইনের কোনও গল্পই ছিল না! কেন মাদকের প্রতি আসক্তি বাড়ছে দ্রুতগতিতে? বিশেষজ্ঞরা একাধিক কারণ দেখছেন নেপথ্যে। জন্ম থেকে অশান্তির মধ্যে বাস, জীবনের নিরাপত্তা নেই কোনও, চাকরি নেই, মর্যাদা নেই! সবটা জন্ম দিচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার, সেই সমস্যা থেকে তড়িঘড়ি নিষ্কৃতি পেতে তরুণ-যুবকরা মাদকের শরণে আসছেন।

তবে পাকিস্তান উঁকি দিয়েছে এখানেও। দেশের পুলিশ বলছে, বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পদার্থ বাজেয়াপ্ত হয়েছে যার পিছনে পাকিস্তানের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন তারা। মাদক চোরাচালানের অর্থ কাশ্মীরে জঙ্গিগোষ্ঠীদের কাজে ব্যবহৃত হয় বলে তাদের দাবি। মাদক ব্যবসায়ীদের কয়েকজন বলছেন, পঞ্জাব ও দিল্লিসহ ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকেও নেশার দ্রব্যের সরবরাহ পান তারা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কাশ্মীর থেকে রাশিয়া অবধি সুড়ঙ্গ! যে সাতটি গুহার রহস্যভেদ হয়নি আজও...

Kashmir Kalaroos caves: গুহার ভেতরে ঘুরে এসে অনেকেই জানিয়েছেন গুহার গভীরে পুরনো বিবর্ণ বোর্ড আছে যাতে চাইনিজ ভাষায় কিছু লেখা আছে।

জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন গত বছর একটি সমীক্ষা চালায় (২০১৮ সাল থেকে এই অঞ্চলে কোনও নির্বাচিত সরকার নেই)। ওই সমীক্ষায় কাশ্মীরের ৫২,০০০ এরও বেশি মানুষ হেরোইন সেবনের করার কথা স্বীকার করেছে। সমীক্ষায় আরও প্রকাশ্যে এসেছে যে, মাদকদ্রব্যটি পেতে একজন মানুষ মাসে গড়ে প্রায় ৮৮,000 টাকা খরচ করেন! সাধারণ মানুষের হাতে এত টাকার জোগানই বা কীভাবে আসছে সন্ত্রস্ত কাশ্মীরে?

কাশ্মীরের স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিচালক ডাঃ মুশতাক আহমেদ রাথার জানাচ্ছেন, সরকার সমস্যা মোকাবিলায় বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। তবে রাজ্যে আরও পুনর্বাসন কেন্দ্রের আশু প্রয়োজন! কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তবে কাশ্মীরে মাত্র দু'টি সরকারি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্র রয়েছে এবং দু'টিই শ্রীনগরে, একটি IMHANS, অন্যটি পুলিশ পরিচালিত। রোগীদের বেশিরভাগই পুরুষ, কিছু মহিলাও রয়েছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভূস্বর্গের নীচে ৫৯ লক্ষ টন 'সাদা সোনা'র আবিষ্কার! রাতারাতি ভাগ্য বদলাচ্ছে কাশ্মীরের

Lithium Deposits in Jammu and Kashmir: জম্মু কাশ্মীরের রিয়াসি বেল্টে ৫.৯ মিলিয়ন টন লিথিয়াম ভাণ্ডারের আবিষ্কার বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম সংগ্রহের মধ্যে একটি হতে পারে।

শ্রীনগরে একটি দোকান চালান বছর তেইশের এক যুবক। তিন সপ্তাহ IMHANS-এ ছিলেন তিনি। নিজের আয় থেকে প্রতিদিন কিছু হেরোইন কিনতেন। সম্প্রতি বিয়ের কথাবার্তা পাকা হয়েছে, বাগদত্তা পুরো বিষয়টি জানতে পেরেই ওই যুবককে পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠান। বছর ১৫-র কিশোর, দাড়িগোঁফের রেখাও নেই চেহারায় তেমন, অথচ বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে ড্রাগ ব্যবহার শুরু করে ফেলেছেন। কী করে মিলছে এই মাদক? কাশ্মীরে যে সহজেই ড্রাগস পাওয়া যায় স্পষ্ট করে জানিয়েই দিয়েছেন ওই কিশোর।

চিকিত্সকরা বলছেন কাশ্মীরে হেরোইনের মতো কঠিন ড্রাগের ব্যবহার তীব্রভাবে বেড়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মাদকবিরোধী আইনের অধীনে ৫,০০০ এরও বেশি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে এখানে। মাদকদ্রব্যের বিক্রি এবং ব্যবহার সম্পর্কিত আইন ছাড়াও জননিরাপত্তা আইনের মতো কঠোর আইনও ব্যবহার করছে। তবে সবকিছুর পরেও হু হু করে মাদকের নেশা ঢুকে পড়েছে ঘরে ঘরে, মহামারীর মতোই!

শুধু তো মাদকের নেশা না। ড্রাগ ব্যবহারকারীরা মাঝে মাঝে একই সিরিঞ্জ ব্যবহার করেন, ফলে হেপাটাইটিস সি-এর মতো সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মাদকের জন্য বিপুল পরিমাণে কাঁচা টাকা জোগাড় করতে গিয়ে চুরির মতো অন্যান্য অপরাধও বাড়ছে। নিজেদের ঠেকিয়ে রাখতে পারছেন না কাশ্মীরের নতুন প্রজন্ম। পুনর্বাসন কেন্দ্রে গিয়ে, সামান্য সুস্থ হয়ে ফিরেও ফের হেরোইনের নেশা টেনেছে নিশির ডাকের মতোই! পাকিস্তানের তরুণ প্রজন্মকে নেশায় আচ্ছন্ন করার নেপথ্যে কোনও বড় কারণ রয়েছে কি? নেশাগ্রস্ত তরুণদের দমিয়ে আসলে কি কাশ্মীরকে 'শান্ত' প্রমাণ করতে চাইছে যুযুধান রাষ্ট্রশক্তিরা, আর তলে তলে চলছে কোনও বিশেষ প্রস্তুতি? যুদ্ধ শুধুই ময়দানে হয় না, সবচেয়ে মারাত্মক লড়াই চলে বিষপ্রয়োগের, তা চলে গোপনে। একদিন সেই বিষের প্রভাব টের পাওয়া যায়, রাষ্ট্র হাসে। আর সাধারণ মানুষের অনেকটাই দেরি হয়ে যায়।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে ভোট না-করানো তৃণমূলের বড় ভুল, নিজের ভুল নিয়েও আলোচনার দরকার ছিল: কুণাল

Kunal Ghosh on Mamata Banerjee: ইনস্ক্রিপ্টে ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে তিনি একদিকে যেমন দাবি করেছেন মমতাকে ভয় পেয়েই তাঁকে বারবার নিশানা করা হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে দলের ভুলত্রুটি স্বীকার করে আত্মসমালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।