হিংসা মানবে না কিন্তু হরদীপের পক্ষেই ঝুঁকে কানাডা

India Canada Relation : কানাডায় বসবাসী সমস্ত ভারতীয়-হিন্দুদের কানাডা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিল খলিস্তানি সংগঠন শিখ ফর জাস্টিস।

Sohini Das
৪ মিনিট
হিংসা মানবে না কিন্তু হরদীপের পক্ষেই ঝুঁকে কানাডা

যে আশঙ্কা ছিল, তাই কার্যত সত্য়ি হতে চলেছে। খলিস্তানি-অশান্তিকে কেন্দ্র করে দু'দেশের মধ্যে টানাপোড়েন তো চলছিলই। এর মধ্যে আবার কানাডায় বসবাসকারীদের কাছে গোদের উপর বিষফোঁড়া বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের হুমকি। কানাডারই আরেকটি খলিস্তানি সংগঠন একটি ভিডিও বার্তায় হুমকি দিয়েছে, দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার।

দীর্ঘদিন ধরেই কানাডার বিরুদ্ধে খলিস্তানিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ জানিয়ে আসছে ভারত। তবে এতদিন সেই অভিযোগে তেমন জোর ছিল না। গত জুন মাসে কানাডার একটি গুরুদ্বারের সামনে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হয় খলিস্তানি টাইগার ফোর্স (কেটিএফ)-এর প্রধান হরদীপ সিং নিজ্জর। সেই হরদীপ যে কিনা ২০২০ সাল থেকে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার উপর দিক আলো করেছিল। তার নামে ইনাম পর্যন্ত ঘোষণা করেছিল এনআইএ। পঞ্জাবের জালন্ধরে এক পুরোহিত হত্যা-সহ একাধিক বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। কিন্তু সেই হরদীপকে ১৯৯৭ সাল থেকে ছায়া দিয়ে এসেছে কানাডা। ফলে সেই খুনের দায় স্বাভাবিক ভাবেই ভারতের ঘাড়েই চাপিয়েছে কানাডা সরকার। ভারতের সঙ্গে এতদিন ধরে দারুণ সুসম্পর্ক বজায় রেখে এসেছেন যে প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো, তিনি কার্যত সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নিজের দেশের মাটিতে দেশের নাগরিকের এভাবে হত্যা কিছুতেই বরদাস্ত করবেন না। তার দিন কয়েক আগেই, ওই অভিযোগে কানাডার এক ভারতীয় কূটনৈতিককে বরখাস্ত করে কানাডা প্রশাসন। ভারতীয় ওই কূটনৈতিক বেশ হাইপ্রোফাইল বলেই জানা গিয়েছে। আর এমন এক কূটনীতিককে কাঠগড়ায় তোলার ব্যাপারটি মোটেই ভালো চোখে দেখেনি নয়াদিল্লি। এর পরেই কানাডার নাগরিকদের ভারতীয় ভিসা স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ভারতের তরফে।

আজ থেকে নয়, কানাডার বিরুদ্ধে খলিস্তানি আন্দোলন মদত দেওয়ার অভিযোগ আজকের নয়। মাস কয়েক আগেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তের পুনর্নিমাণ করে রাস্তায় ট্যাবলো বের করে কানাডার একটি খলিস্তানি সংগঠন। যা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে বেশ নিন্দা হয়। ভারত তো নিন্দা করেছিল বটেই। তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে বিষয়টি বাড়তে দেয়নি। কিন্তু হরদীপের হত্যা যেন সব দিক থেকে ঢেকে রাখা আগুনে ঘি ঢেলেছে। বিষয়টি নিয়ে উত্তরোত্তর টানাপড়েন বেড়েছে দু-দেশের। আসলে, ভারত থেকে প্রচুর সংখ্যক পড়ুয়া ও নাগরিক কানাডায় যান প্রতিবছর। তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারটাও এখন নয়া দুশ্চিন্তার বিষয় কূটনীতিক মহলের। আর সেই দুশ্চিন্তাকে সত্যি করেই এবার কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের একটি ভিডিও বার্তায় হুমকি দিল শিখ ফর জাস্টিস। কানাডায় বসবাসী সমস্ত ভারতীয়-হিন্দুদেক কানাডা ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এসএফজে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কানাডার নাগরিকেরা আর এদেশের ভিসা পাবেন না, কেন?

India-Canada Conflict: কানাডার পার্লামেন্টে সোমবারই ট্রুডো সাফ জানিয়ে দেন, কানাডার মাটিতে এক কানাডার নাগরিককে হত্যার সঙ্গে জড়িত দেশের সরকারের সঙ্গে কোনওরকম সমঝোতা করতে রাজি নয় তাঁর দেশ।

আগেই ভারতের তরফে কানাডায় বসবাসকারী সমস্ত ভারতীয়কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যেই এই ধরনের হুমকিতে সেই ভয় বেড়েছে আরও কয়েকগুণ। যদিও এই পরিস্থিতিতে সেখানকার ভারতীয় নাগরিকদের পাশেই দাঁড়িয়েছে কানাডা সরকার। ইতিমধ্যেই কানাডার জনসুরক্ষা মন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক সেখানকার ভারতীয়দের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, কানাডার মাটিতে সমস্ত নাগরিকেরা নিরাপদ। হিন্দু কানাডিয়ানদের লক্ষ্য করে যে ভাবে অনলাইনে ঘৃণাপ্রচার করা হচ্ছে, তার নিন্দা করে তিনি জানিয়ে দেন, তাঁর দেশে এইধরনের আগ্রাসন, ঘৃণা বা হুমকির কোনও জায়গা নেই। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কানাডার কাছে তাঁদের মূল্যবোধ সব কিছুর চেয়ে দামি। আশ্বাসের বাণী শোনা গিয়েছে কানাডার আরেক মন্ত্রী হরজিৎ সজ্জনের মুখেও। কানাডায় বসবাসকারী সমস্ত হিন্দু ভারতীয়কে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

তবে সেই গালভরা আশ্বাসে যে তুষ্ট নয় ভারত, তা তো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে নয়াদিল্লির ভিসা-সিদ্ধান্তেই। কারণ যেভাবে হরদীপকে আশ্রয় দিয়ে এসেছে কানাডা সরকার, তা কার্যত অভাবনীয়। বারবার ভারতের বিদেশমন্ত্রক অভিযোগ জানিয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করছে খলিস্তানিরা। এমনকী পাকিস্তানের সব খলিস্তানি সংগঠনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কানাডার মাটিতে চলেছে জঙ্গিপ্রশিক্ষণ। হরদীপ ছিলেন সেই প্রশিক্ষণ শিবিরের মাথা। এমনকী ভারতে ফের হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল ওই ব্যক্তির, সে কথাও জানতে পেরেছিল দিল্লি। মুখে না বললেও তলে তলে খলিস্তানিদের মদত দিয়ে এসেছে কানাডা। এবং অজ্ঞাত কারণে খলিস্তানিদের আলাদা ভূখণ্ডের দাবিকে সমর্থনও করে এসেছে ট্রুডোর সরকার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কলের মিস্ত্রির মুখোশে খলিস্তানি জঙ্গি! ভারত-কানাডা সম্পর্কের কাঁটা হরদীপ আসলে কে?

Hardeep Singh Nijjar: কানাডা যে দিনে দিনে খলিস্তানিদের পীঠস্থান হয়ে উঠছে, এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই আশঙ্কা প্রকাশ করে এসেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

নব্বই দশকের একেবারে শেষের দিকে ভারত ছেড়ে কানাডায় পালিয়ে যায় হরদীপ। ধর্মীয় নিপীড়িত হিসেবে নিজেকে দাবি করে সে দেশে গিয়ে আশ্রয় চেয়েছিল সে। শুধু হরদীপ বলে নয়, বহু খলিস্তানি জঙ্গিই সে সময় কানাডা, আমিরিকা ও জার্মানির মতো দেশগুলিতে আশ্রয় চেয়েছিল। জানা যায়, প্রাথমিক ভাবে নাম ভাড়িয়েই কানাডায় প্রবেশ করেছিল হরদীপ। রবি শর্মা নামে এক ব্যক্তির নামে জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে কানাডায় ঢুকে পড়ে সে। অবৈধ ভাবে প্রবেশ করেও ধর্মীয় নিপীড়িত হিসেবে নিজেকে দাবি করে কানাডার শরণে আসার চেষ্টা করেন, তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় তার। এবার বিবাহ চুক্তির ফাঁক গলে নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করে হরদীপ। সেই মহিলাও রাজি হয়ে যান হরদীপকে বিয়ে করতে। তিনিও কানাডায় এসেছিলেন অন্য একজনের স্পনসরশিপে।

যতবার নাগরিকত্ব পেতে ব্যর্থ হয়েছে, ততবার আরও মরিয়া হয়ে নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করে গিয়েছে হরদীপ। তবে শেষপর্যন্ত আদৌ খাতায় কলমে নাগরিকত্ব পেয়েছিল কিনা সে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রথমে কলের মিস্ত্রি হিসেবে এবং পরবর্তীকালে ট্রাকচালক হিসেবে কাজ করেছে হরদীপ। আরও পরে ফের খলিস্তানি সংগঠনগুলির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এবং তার হাতে নানাবিধ সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম সংঘটিত হয়েছে। ক্রমশ জনপ্রিয় হতে থাকে সে। সব জেনেশুনেও কানাডা সরকার আশ্রয় দিয়ে গিয়েছে হরদীপকে। তার সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে চুপচাপ মদত দিয়ে গিয়েছে।

ভারতে একাধিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। ২০১৪ সালেই নয়া দিল্লি তার বিরুদ্ধে জারি করেছিল ইন্টারপোল রেড কর্নার নোটিস। ২০২০ সালে তার বিরুদ্ধে এনআইএ কালো তালিকাভুক্ত করে হরদীপকে। ততদিনে খলিস্তানি টাইগার ফোর্সের সর্বময় কর্তা হয়ে উঠেছে সে। যে সংগঠনকে ২০১৫ সালে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল ভারত। এই সংগঠনটির জগতার সিং তারা। যাকে থাইল্যান্ড থেকে গ্রেফতার করে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এত সব কিছুর মধ্যে একবারই হরদীপের বিরুদ্ধে সামান্য পদক্ষেপ করেছিল কানাডা। ২০১৮ সালে তার নাম 'নো ফ্লাই' তালিকায় ঢোকায় সে দেশের সরকার। ব্যাস ওই টুকুই। ২০২১ সালে রাজনীতিতে ঢুকে কানাডার হোমরাচোমরাদের তালিকায় ঢুকে পড়ে হরদীপ। কার্যত জোরজাবস্তি করেই কানাডার ব্রিটিশ কলোম্বিয়া প্রদেশের সারে এলাকার ওই গুরুদ্বারের প্রেসিডেন্ট হয় সে। আর সেই গুরুদ্বারের সামনেই তাকে গুলি করে পালায় দুষ্কৃতিরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হরদীপের। যে মৃত্যু ঘিরে প্রায় কিনারায় পৌঁছেছে দু-দেশের সম্পর্ক। বিপাকে পড়েছেন কানাডায় বসবাসকারী হাজার হাজার ভারতীয়। একদিকে যেমন নীতির কথা বলছে কানাডা, যে ভাবে কানাডার ভারতীয় হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন, ঠিক তেমন ভাবে নিহত খলিস্তানি জঙ্গি হরদীপের মাথার উপর থেকে যে আশীর্বাদি হাত তুলে নিচ্ছে না ট্রুডোর দেশ, তা-ও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ভালো মতোই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?