নতুন বাংলাদেশ চলুক ছাত্রদের চেতনাতেই, দেশে ফিরে বার্তা নোবেলজয়ী ইউনূসের

Muhammad Yunus: বৃহস্পতিবারই শপথ নেওয়ার কথা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। তার আগে এদিন দুপুরে ফ্রান্স থেকে দেশে ফিরলেন নোবেলজয়ী ইউনূস।

Sohini Das
৪ মিনিট
নতুন বাংলাদেশ চলুক ছাত্রদের চেতনাতেই, দেশে ফিরে বার্তা নোবেলজয়ী ইউনূসের

সংস্কার বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ক্রমশ বৃহত্তর রূপ নিতে নিতে গণঅভ্যুত্থানের চেহারা নিয়েছে বাংলাদেশে। যা টলিয়ে দিয়েছে শেখ হাসিনার গদি। দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। সেই সময় দেশের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গড়ার কথা ঘোষণা করে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মঞ্চের তরফে দাবি ছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হওয়া চাই গণতান্ত্রিক। আর সেই সরকারের মুখ হিসেবে নোবেলজয়ী শিক্ষাবিদ মুহাম্মদ ইউনূসকেই বেছে নিয়েছেন পড়ুয়ারা।

বৃহস্পতিবারই শপথ নেওয়ার কথা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। তার আগে এদিন স্থানীয় সময় দুপুর ২টো ১০ মিনিটে ফ্রান্স থেকে দেশে ফিরলেন নোবেলজয়ী ইউনূস। বৃহস্পতিবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। বিমানবন্দরে ইউনুসকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধান। ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং আরও অনেকে। এ ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা।

এদিন দেশে ফিরে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন ইউনূস। সে সময় তাঁকে ঘিরে ছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। পুষ্পস্তবক গ্রহণ করার পর পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়ে ছবিও তোলেন তিনি। তার পরেই দেশবাসীর উদ্দেশে ছোট্ট করে একটি বার্তা রাখলেন ইউনুস। যেখানে বারবার উঠে এল লড়াকু পড়ুয়াদের কথা, বাংলাদেশের নতুন এই স্বাধীনতা অর্জনের কথা। বাদ গেল না দেশের শান্তিশৃঙ্খলার প্রসঙ্গও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসিনার দেশে কাদের গুম করে রাখা হতো কুঠুরিতে! কী এই রহস্যময় আয়নাঘর?

Aynaghar Bangladesh: ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জন গুম হয়েছেন বাংলাদেশে।

২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন ইউনূস। তাঁকে ওই সম্মান দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে তাঁর তৈরি মাইক্রোফিন্যান্স ব্যাঙ্কের জন্য। ওই ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে ইউনূস বাংলাদেশের লক্ষাধিক দরিদ্র মানুষকে দারিদ্রসীমা থেকে টেনে তুলেছেন বলে মনে করেছিল নোবেল কমিটি। যদিও তাঁর নিজের দেশের সরকারের ভিন্নমত ছিল। প্রকাশ্যেই ইউসুফের সমালোচনা করতে দেখা যেত হাসিনাকে। ইউনূসের সংস্থা গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে দেশের শ্রম আইন ভাঙারও অভিযোগ ওঠে। বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী যে কোনও সংস্থায় কর্মীদের কল্যাণমূলক তহবিল তৈরি করতে হয়। কিন্তু গ্রামীণ টেলিকমে ওই তহবিলের ব্যবস্থা ছিল না। বাংলাদেশের শ্রম আইন ভাঙার অভিযোগে গত জানুয়ারি মাসে অর্থনীতিবিদকে ছ’মাসের জেলের সাজাও শুনিয়েছিল ঢাকার আদালত।

এদিন পড়ুয়াদের পাশে নিয়ে ইউনূস জানান, "আজকে আমাদের গৌরবের দিন, যে বিপ্লবের মাধ্য়মে বাংলাদেশ আজকে নতুন বিজয়দিবস সৃষ্টি করল, তাকে আরও মজবুত করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এটা সম্ভব করেছে যে তরুণ সমাজ, আমি তাঁদের প্রতি আমার সমস্ত প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাঁরা আমার পাশে আছে। এরা দেশকে রক্ষা করেছে, দেশকে নতুন ভাবে পুনর্জন্ম দিয়েছে। এই পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম, সেই বাংলাদেশ যেন অতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলতে পারে, সেটাই আমাদের শপথ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্ভয়ে থাকুন, মানববন্ধনে যে বার্তা দিলেন আন্দোলনকারীরা

Bangladesh Minorities: হাসিনা সরকারের পতনের পর নাটোর, ঢাকার ধামরাই, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, শরীয়তপুর ও ফরিদপুরে হিন্দু মন্দিরে এবং যশোর, নোয়াখালী, মেহেরপুর, চাঁদপুর ও খুলনায় সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা হয়েছে।

একই সঙ্গে কথা বলতে বলতে উঠে আসে আন্দোলনে প্রাণ হারানো পড়ুয়া আবু সইদের কথা। কার্যত তাঁর কথা বলতে বলতে চোখ ভিজে ওঠে প্রবীণ এই নোবেলজয়ীর। তিনি বলেন, "আবু সইদের ছবি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে, যে ছবি কেউ ভুলতে পারবে না। কী অবিশ্বাস্য এক সাহসী যুবক, বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তার পর থেকে কোনও যুবক, কোনও যুবতী হার মানেনি। তাঁরা এগিয়ে গেছে।" ইউনূস জানান, আবু সইদের কারণেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় বার স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আর এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করাই তাঁদের কাজ। শুধু তা-ই নয়, এই স্বাধীনতার সুফল যাতে দেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে এই স্বাধীনতার কোনও দাম নেই। মানুষ যেন জানে, এই স্বাধীনতার অর্থ হল ব্যক্তির পরিবর্তন।

পাশাপাশি দেশ শাসনে তরুণ প্রজন্মের উপর ভরসা রাখার কথাই উঠে এসেছে তাঁর কথা থেকে। তিনি মনে করেনএই দেশ তরুণ সমাজের হাতে। একে মনের মতো করে গড়ে তুলবে তাঁরাই। একই সঙ্গে তাঁর মত, পুরনো চিন্তা দিয়ে মুক্তি সম্ভব নয়। তরুণদের মধ্য়ে যে সৃজনশীলতা রয়েছে, তাকে কাজে লাগাতে হবে। তাঁরা এই স্বাধীনতা অর্জন করে এনেছে। সরকার যে কোনও রকম দমনপীড়নের যন্ত্র, সেই আস্থা ফিরিয়ে দিতে হবে মানুষকে, এমনটাই মনে করেন তিনি। সরকার কেমন হওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে একটি বলিষ্ঠ ধারণা এদিন তুলে ধরেন নোবেলজয়ী। তাঁর কথায়, "আমার সরকার আমার জন্য দাঁড়াবে। মানুষের আস্থাভাজন হবে। সরকার হবে আমার রক্ষা করার লোক। তবে মানুষ সেই সরকারে যোগ দেবে।" একই সঙ্গে তাঁর মত, সারা বাংলাদেশ একটা বড় পরিবার। ফলে সমস্ত দ্বিধাদ্বন্দ্ব সরিয়ে, যারা বিপথে চলে গিয়েছে, তাঁদেরকেও ফিরিয়ে আনতে চান তিনি।

কিছুদিন ধরেই বারবার সামনে এসেছে অশান্ত বাংলাদেশের ছবি। বিভিন্ন জায়গায় আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি, দোকানপাট। এগুলিকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই দেখছেন ইউনূস। তাঁর কথায়, "আমাদের কাজ প্রত্যেককে রক্ষা করা। প্রতিটি মানুষ আমাদের ভাই-বোন। দেশের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা আমাদের অগ্রগতির বড় শত্রু । আমাদের যে নতুন যাত্রা শুরু হল, তার শত্রু এই সহিংসতা। ইউনূস জানান, দেশের প্রকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গড়াই হবে এই সরকারের অন্যতম একটি লক্ষ্য। সেই বাহিনী এমন হবে, যাতে মানুষের আস্থা থাকবে।

এর পরেই দেশের মানুষের উদ্দেশে তিনি জানান, তাঁর উপর আস্থা রেখে ছাত্ররা তাঁকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, ,সেই ডাকে তিনি সাড়া দিয়েছেন। দেশবাসীর কাছে তাঁর আবেদন, তাঁরা যদি ইউনূসের কথা না শোনেন, তাহলে এখানে থাকার তাঁর প্রয়োজন নেই। আর সেই হিসেবে তাঁর প্রথম আবেদন, মানুষ যাতে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলতা থেকে দেশকে রক্ষা করেন। তাঁর মতে, ছাত্রদের দেখানো পথে এগিয়ে যেতে পাই। নতুন সম্ভবনার দেশ, বীজতলা তৈরি হবে এখান থেকেই। একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, সরকারি কর্মকর্তা, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী বা নৌবাহিনী- এই পরিবারে যেন কোনও গোলযোগ না হয়। তড়িৎ গতিতে বাংলাদেশ গড়ার দিকে এগোনোর বার্তাই দিয়েছেন তিনি।

সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা নাগাদ ঢাকার বঙ্গভবনে শপথ নেবে অন্তর্বর্তিকালীন সরকার। বুধবার সাংবাদিক সন্মেলনে সেনাবাহিনীর প্রধান জানিয়েছিলেন, অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের সদস্য ১৫ জনের মতো হতে পারেন। তবে এই তালিকায় কারা রয়েছেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। নতুন সরকারের সদস্যদের বেছে নিতে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে বলে জানান পড়ুয়ারা। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার জন্য তৈরি করা হয়েছে ‘লিয়াজোঁ কমিটি’।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।