খরচে কমানোই একমাত্র লক্ষ্য? ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ নীতির নেপথ্যে কোন পরিকল্পনা বিজেপির?

One Nation One Election: বিজেপি 'এক দেশ-এক নির্বাচন'-এর নামে 'এক দলীয় ব্যবস্থা' প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে না তো? রাজ্যে রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার আনাই কি শাসক দলের প্রধান লক্ষ্য?

Tanvia Barua
৪ মিনিট
খরচে কমানোই একমাত্র লক্ষ্য? ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ নীতির নেপথ্যে কোন পরিকল্পনা বিজেপির?

যুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা বাস্তবায়িত করতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটি গড়েছিল সরকার পক্ষ। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে সেই কমিটি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে ৮ খন্ডে বিভক্ত ১৮ হাজার পাতার রিপোর্ট পেশ করে। গত বুধবার রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন কমিটির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। আগামী সংসদ অধিবেশনেই পেশ করা হতে পারে বিল। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ব্যবস্থা চালু করা নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। বিরোধীরা এতে খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। গত বছর অগস্টে, জি-২০ সম্মেলনের কিছু দিন আগেই সরকার পক্ষ সংসদের বিশেষ অধিবেশনের কথা জানায়। তখন ঘোষণা করে দেওয়া হয় 'এক দেশ-এক নির্বাচন'-এর কথা। প্রধানমন্ত্রী নিজে দাবি করছেন, যুক্ত নির্বাচন কার্যকর হলে নাকি গণতন্ত্র প্রাণবন্ত হবে। পাশাপাশি ভোটের বিপুল খরচেও রাশ টানা যাবে। আরও দাবি করা হয়েছে, বার বার নির্বাচন নাকি উন্নয়নে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে কি সত্যি নির্বাচনের বিপুল খরচ থেকে রেহাই মিলবে? স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক গণতন্ত্র ব্যবস্থা টিকে থাকবে? এই ভোট ব্যবস্থাকে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।

১৯৬৭ সাল পর্যন্ত ভারতে 'এক দেশ-এক নির্বাচন' ছিলই। ভারতের স্বাধীনতার ১০ বছর পর কেরলেই প্রথম অ-কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। দেখা গিয়েছে, ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত কেরল বাদে দেশের সব রাজ্যেই কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় ছিল। পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, সে সময় ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আর আজকের ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিস্তর ফারাক রয়েছে। তফাৎ কোথায়? বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, স্বাধীনতার সময় আঞ্চলিক দলগুলি থাকলেও, আজকের মতো তারা শক্তিশালী হয়ে ওঠেনি। বর্তমান ভারতে প্রায় অনেক রাজ্যেই আঞ্চলিক দল ক্ষমতায় রয়েছে। ১৯৬৭ সালের পর এই আঞ্চলিক দলগুলি ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বদল এনেছে। যুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা চালু হলে আঞ্চলিক দলগুলির ক্ষমতা ক্রমশ কমে যাবে। পর্যবেক্ষকেরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, বড় দলগুলির চোখ ধাঁধানো প্রচার এবং সামাজিক মাধ্যমের প্রচারের ঠেলায় হারিয়ে যাবে আঞ্চলিক দলগুলি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, রাজ্যের আঞ্চলিক দলগুলি কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলোর জন্য লড়াই করে। এ জন্যই এই ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদি-মন্ত্রিসভার সিলমোহর, ‘এক দেশ এক ভোট’ চালু করতে কেন এত মরিয়া বিজেপি সরকার?

One Nation One Election: বুধবার সেই 'ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন' পদ্ধতি কার্যকরের পথেই আরও এক ধাপ অগ্রসর হল কেন্দ্র সরকার।

'এক দেশ, এক নির্বাচন' করার ক্ষেত্রে বিজেপির প্রধান যুক্তি হল - নির্বাচনী প্রচারে বিপুল অর্থের খরচ থেকে রক্ষা। কিন্তু গুগল অ্যাডস ট্রান্সপারেন্সি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইন নির্বাচনী প্রচারে মোট ১১৭ কোটি টাকা খরচ করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তাঁর মধ্যে বিজেপি খরচ করেছে তিনভাগের একভাগ। যা প্রায় ৩৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস খরচ করেছে ৭.৫৬ কোটি টাকা। প্রশ্ন উঠছে, বিজেপি সত্যি যদি নির্বাচনী খরচ নিয়ে সচেতন হত, তাহলে কি এই বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করত? বলে রাখা ভাল, যেই নির্বাচনে বিজেপি 'এক দেশ - এক নির্বাচন' - এর কথা প্রচার করেছে, সেই নির্বাচনী প্রচারেই আবার জলের মতো টাকাও খরচ করেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রশ্ন তুলছে সুরাট-ইন্দোর, এক দেশ এক ভোট এলে ভোটাধিকার থাকবে আদৌ?

Lok Sabha Election 2024: কিছুদিন আগে খবর আসে, গুজরাতের সুরাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী মুকেশ দালালকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই একই ছবি দেখা গেল মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরেও।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলি সব মিলিয়ে খরচ করেছিল ৬০ হাজার কোটি টাকা। সেন্টার ফর মিডিয়া স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, ৬০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৪৫ শতাংশই খরচ করেছিল শাসকদল বিজেপি। বিজেপির 'ইলেক্টোরাল বন্ড' দুর্নীতির তথ্য সামনে আসার পর চোখ কপালে উঠেছিল সাধারণ মানুষের। ইলেক্টোরাল বন্ডে বিজেপি একাই পেয়েছিল ৮,২৫২ কোটি টাকা , যা পুরো অনুদানের ৫৭ শতাংশ। প্রশ্ন উঠেছিল, এত টাকার অনুদান. তা-ও আবার একটি মাত্র দলকে কেন? অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন-এর স্বামী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ পরাকলা প্রভাকর বলেছিলেন, 'এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি।' প্রশ্ন উঠছিল, বিজেপি সরকার কি তবে নিজেদেরই চালু করা ইলেক্টোরাল বন্ড ব্যবস্থা তুলে দেবে? ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেখে গেছে তাদের নির্বাচনী প্রচারের বিপুল খরচের সঙ্গে কোনও দল টেক্কা দিতে পারেনি। মিটিং, মিছিল, পোস্টার, ব্যানার, হোডিং, কাটআউট, প্রচার ভ্যানে হিসেবের বাইরে খরচ করে গেরুয়া শিবির।

২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনী আবহেই বিদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিতে প্রায় ৫০টি প্রতিবেদন নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিরোধীরা বারবার অভিযোগ তুলেছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার হাতেগোনা কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠীকে অনিয়ম করে বহু সুবিধা পাইয়ে দিয়েছে। ঝাঁসির সভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি বলেছিলেন, "নরেন্দ্র মোদি তাঁর ঘনিষ্ঠ শিল্পপতিদের ১৬ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ মুকুব করেছেন, যা কি না গত ১৪ বছরের 'মনরেগা'-র বরাদ্দ করা টাকার সমান।" প্রশ্ন উঠছে, এই সকল আর্থিক লেনদেনে কি রাশ টানতে আদৌ প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

বিজেপি 'এক দেশ-এক নির্বাচন'-এর নামে 'এক দলীয় ব্যবস্থা' প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে না তো? রাজ্যে রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার আনাই কি শাসক দলের প্রধান লক্ষ্য? এই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগে-পিছু না ভেবেই অতি দ্রুততার সঙ্গে জিএসটি এবং বিমুদ্রাকরণ করেছিলেন। পরবর্তীতে দেখা গিয়েছে, এই দুটি সিদ্ধান্তেই লাভবান হওয়া তো দূর, বরঞ্চ নানাভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে ভারতবাসী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিএসটি-র ফলে রাজ্য সরকারগুলিকে যেমন অথর্ব করা হয়েছে, অন্যদিকে বিমুদ্রাকরণে চূড়ান্ত ক্ষতি হয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের। মনে রাখতে হবে, প্রতিবারই মোদি সরকার ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্রকে অবহেলা করার ট্রেন্ড শুরু করেছে। এ বার নির্বাচনী প্রচারে মোদির মূল বক্তব্য ছিল - সংবিধান পরিবর্তন, হিন্দুরাষ্ট্র গঠন এবং 'এক দেশ, এক ভোট'-এর বাস্তবায়ন। অযোধ্যার রামমন্দির নির্মাণ, কাশ্মীরের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদের বিলোপ, তিন তালাক নিষিদ্ধ করে পদ্মশিবির তিনটি মৌলিক ক্ষেত্র কার্যকর করে হিন্দুরাষ্ট্র গঠনের প্রাথমিক সূচনা করে ফেলেছে। এবার হাতে কলমে হিন্দুরাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেতেই এই 'এক দেশ-এক নির্বাচন' ব্যবস্থা নয়তো, প্রশ্ন ওঠে বইকি।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।